এসো

একটা রাতের শেষে বয়সটা বাড়বে একদিন,
কাল ভোরে রোজকার মত আমি আরো একটু বুড়ো হব,
এমন জোছনা মাখা একটা রাত আর ফিরবে না।

আমিহীন সেইরাতে এমন মাতাল চাঁদ, বনে রংহীন জোছনা,
নতুন স্তাবকের মুগ্ধ অর্ঘ্য নিতে ঠিক ঐখানে,
অমন করেই নির্লজ্জ আলো দেবে, অমন করেই, ঠিক অমন করেই।

ভালো লাগা এই রাতটাকে তাই গতরাতের মত চুপিসারে
না ফেরা সময়ের কাছে যেতে দিতে নেই,

বিস্তারিত»

আমার সৌভাগ্য

২০০৮ সাল। আমি তখন ক্লাস ১২ এ পড়ি। সেদিন ছিল প্যারেন্টস ডে| সেই ক্লাস সেভেন থেকেই আমার প্যারেন্টস নিয়মিত আসে না। আসলেও অনেক দেরী করে আসে। আমিও বুঝি সেই মংলা থেকে কুমিল্লায় প্যারেন্টস ডে’গুলোতে আসা কতটা কষ্টকর। তাই আমি নিজেই মাঝে মাঝে আসতে নিষেধ করতাম। কখনো খুব বেশি খারাপ লাগে নি। এমনকি আমাদের এস,এস,সি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে যখন আর সবার বাবা মা এসেছে। তখন অভিভাবক শূন্য হয়ে আমার খুব বেশি খারাপ লাগে নাই।

বিস্তারিত»

মারিও বালোতেল্লি… দি আইটেম

{নীচের আইটেম সম্পর্কে আগে থেকে আগ্রহ থাকলেও ফেসবুকে কামরুল ভাইয়ের লিঙ্ক ধরেই খোঁচাখুচি করেই এত কিছুর খোঁজ পেলাম। তাই ওনাকেই এই পোস্টটা উৎসর্গ করলাম। (সেই সাথে এরকম একজন সেলিব্রেটি ব্লগারের নাম লাগিয়ে আমার ব্লগের হিট কাউন্ট একটু বাড়িয়ে নেবার চেষ্টা)}

মারিও বালোতেল্লি। ২০ বছর বয়সী ইটালিইয়ান ফুটবল খেলোয়ার। কিছুদিন আগে জিতেছে ফিফার ‘গোল্ডেন বয়’ পুরষ্কার, বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিভাবান তরুন খেলোয়ার ( অনূর্ধ ২১) হিসেবে।

বিস্তারিত»

কথার মালা

১। আমরা তখন ক্লাস সেভেন । সব শিক্ষককে ভালও করে চিনিওনা । সবার নাম ও জানি না। statistics এর শওকত স্যারকে সবাই বদি বলে ডাকতো। আমাদের ক্লাসমেট ইয়াসিন আবার এইটা জানত না। একদিন মাহিনুর ম্যাডাম ইয়াসিনকে বাইরে থেকে আসতে দেখে বলল, ”কি ইয়াসিন কই গেসিলা?”

ইয়াসিনের জবাব, ”ম্যাডাম বদি স্যারকে ডাকতে গেসিলাম।”
=)) =))

২। ‍‍এইবারের ঘটনা ক্লাস টুয়েলভ এর।

বিস্তারিত»

ফটোব্লগঃ জাস্ট সেলোগ্রাফী-১৫, ACOC পিকনিক,২০১১

ভাই ও বোনেরা, (জ্বী সিসিবি তে এখনো আমার ভাই, বোন ছাড়া কোনো অতিথি নাই)

বহুদিন পর আমি আবার হাজির আমার অতি (কু/বি/অ)খ্যাত সেলোগ্রাফী নিয়ে। কিছু করার নাই। বহুদিন ফাকিবাজি করি না। আবার দেখি অনেকে তারকা ব্লগার দের লেখা খুজে। তাই ভাবলাম এই চান্সে পোষ্ট দিলে তারকা ব্লগার লিস্টে নাম এন্ট্রি হয়ে যেতে পারে, হয়তো আগামী জন্মদিনে পোষ্টও পাইতে পারি।

কিছুদিন আগে হয়ে গেলো ACOC এর পিকনিক।

বিস্তারিত»

অবাক জিজ্ঞাসা…

(প্রারম্ভিকাঃ ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এর নীরব পাঠক প্রায় এর জন্মলগ্ন থেকেই। কিন্তু কখনও মাঠে নামার সাহস অর্জন করতে পারিনি। কলেজে যাদের বাংলা লেখার প্রশংসা শুনতে শুনতে বড় হয়েছি, তাদেরকে এই ব্লগে লিখতে দেখে নিজেকে পাঠক হিসেবেই শ্রেয় ভাবতাম, কিন্তু যখন দেখলাম, দুলাভাই এর প্রশয়ে আমার নন-ক্যাডেট বোনও পুরোদস্তুর লেখক, তখন আর আত্মসংবরণ করতে পারলাম না। কলেজের শেষের দিকের লেখা কিছু বাক্যসম্ভার দিয়েই যাত্রা শুরু করলাম।

বিস্তারিত»

আমাদের অস্তিত্ব – শেষ পর্ব

আমাদের অস্তিত্ব – ১
আমাদের অস্তিত্ব – ২

প্রথম পর্বে বলেছিলাম “ব্রেইন ইন আ ভ্যাট” তত্ত্বের কথা। আর দ্বিতীয় পর্ব ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ এবং এর বিষয়ে দার্শনিকদের উঠানো “মন” সংক্রান্ত প্রশ্ন নিয়ে। এই শেষ পর্বে এসে এই দুটিকে মিলিয়ে আমাদের সামনে কি দাঁড়ায় তা দেখা যাক।

ধরা যাক, আগের পর্বের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আর অনুভূতির সমন্বয়ে রোবট তৈরি করা হয়েছে।

বিস্তারিত»

ধূলোমাখা শহর, ধূলোমাখা স্মৃতি – ০৭

এবার লিখবো এক নীলনয়নাকে নিয়ে। নাম তার র‌্যাভিন, নীলনয়না র‌্যাভিন, উপরের ঠোঁটের বামপাশে একটা ছোট্ট তিল, আর তাই জায়গাটা একটু উঁচু, দেখে মনে হবেই হবে, আদর পাবার জন্যই ফুলে আছে সেটা।

সেবার ওয়েস্টার্ন তখন তুমুল জনপ্রিয়। গোগ্রাসে পড়ি, তবুও একটা অতৃপ্তি থাকে সেখানে, “সেইরকম” কোন কিছুর বর্ননা নেই-যে। আর আমাদের চাহিদা বুঝেই কিনা, সেবার মত করে আরও কিছু প্রকাশনী পেপারব্যাক বের করা শুরু করল অতঃপর,

বিস্তারিত»

যাত্রা হলো শুরুঃ লিটিল বাংলাদেশ

গতকাল ১৫ই জানুয়ারী, ২০১১ বিকেলটা আমেরিকায় একটা খুব ছোট্ট কিন্তু আমেরিকার বাংলাদেশী কম্যুনিটির ইতিহাসের এযাবৎকালের সবথেকে বড় ঘটনাটা ঘটে গেলঃ আমেরিকার বুকে সর্বপ্রথম একটা এলাকা বাংলাদেশের সাথে মিলিয়ে ‘লিটিল বাংলাদেশ’ হিসেবে অফিসিয়ালী অভিষিক্ত হলো। এলাকাটা আয়তনে খুবই ছোট। লস এঞ্জেলস শহরে কোরিয়া টাউন নামে পরিচিত এলাকার একপাশে ভার্মন্ট এভিনিউ আর নর্মান্ডি এভিনিউ এর মধ্যবর্তী ৩নং সড়কের দুইধার। সিটি মেয়র এবং বাংলাদেশ দুতাবাসের কর্মকর্তা মিলে সাইনবোর্ড টানিয়ে এলাকা চিহ্নিত করে দিলেন।

বিস্তারিত»

জমজ বিভ্রাট

শেকসপীয়ারের “কমেডি অফ এরোর ” পড়ার কিংবা তার অবলম্বনে উত্তম কুমারের ভ্রান্তিবিলাস সিনেমা দেখার আগেই জমজ বিষয়ক বিভ্রাটের সূচনা হয়েছিলো আমার। সেটা যে সময়ের কথা জমজ বিষয়ক সাধারণ ধারণা লাভ হয়নি তখনো আমার।মার্ক ওয়াহ স্টিভ ওয়াহদেরকে দেখা হয়েছে আরো পরে।তখন আমি টু কি থ্রি তে পড়ি।তখন আমার আম্মু একটা গার্লস কলেজের শিক্ষিকা। আম্মুর কাছে অনেক আপুরাই আসতো। ম্যাডামের ছেলে হবার সুবাদে চকলেট লাভ তো হতো সেই সাথে আপুদের কাছ থেকে ন্যাকামিপূর্ণ আদরের সমাগমও হতো বিপুল।এমনি একদিনের কথা।

বিস্তারিত»

খিচুড়ি-৩

ক।
বেশ কিছুদিন পরে আজ সন্ধ্যায় ফেসবুকে একটা স্ট্যাটাস দিলাম। তেমন কিছু না, প্রিমিয়ার ক্রিকেট লীগে সাকিব তামিমকে নিয়ে গড়া কোটি টাকার মোহামেডানকে করুন ভাবে (মাত্র ১০ উইকেটে) হারিয়েছে আবাহনী, সে উপলক্ষে একটু আনন্দ প্রকাশ আর সাথে হাল্কা একটু নুন ছিটানো। রিবিন ভাই এটা নিয়ে পোস্ট দেয়ার কথা বলার পর থেকেই মোহামেডান সমর্থকদের কাঁটা ঘায়ে আরেকটু লবন ছিটাতে একটা ব্লগ নামানোর চিন্তা মাথায় ঘুরছিল,

বিস্তারিত»

মুঠোফোনের কবিতা- ১৩, ১৪

১৩
ভুলে থাকি সেই ভাল,
মন ভোলে কষ্ট।
বেঁচে থাকা ঢের ভাল,
জীবন যখন ভ্রষ্ট।
হারায়েও নিজেরে-
দূরে থাকা গেল না।
সময়ের ঝরনায়-
স্নৃতি মোছা হল না;
রয়েই গেল যন্ত্রণা!
১৪
বেশ হয়;যদি ফুরিয়ে যাই,
মরে গিয়ে জীবন ফিরে পাই,
একটা জীবন অন্যভাবে কাটাই।
জন্ম জন্মান্তরে ঘুচবেনা জীবনের আশ,
যদি কোন জনমেই তোমারে না পাই;

বিস্তারিত»

“ইউনূসের গদিতে আগুন জ্বালো একসাথে”

এক. দেশের অবস্থা কেমন
বেশ কিছুদিন আগে শান্তা ফোন করেছিল। অনেকক্ষণ কথা হলো। আলাপের এক পর্যায়ে শান্তা জানতে চাইলো দেশের অবস্থা কি? বললো, যারা দেশ ঘুরে যায় প্রায় সবাই খারাপ বলে। দেশের অবস্থা নিয়ে শান্তাকে সেদিন অনেক কথাই বলেছিলাম। প্রবাসীরা যখন দেশের পত্রিকা পড়ে, তারা রীতিমতো ঘাবড়ে যায়। খুন, ধর্ষন, লুটপাট, দুর্নীতি, আওয়ামী লীগ-বিএনপির রেষারেষির সঙ্গে সম্প্রতি যোগ হয়েছে নারীর ওপর যৌন নির্যাতন। প্রতিদিন গণমাধ্যমে নির্যাতন,

বিস্তারিত»

অতীত আর বর্তমানের আমি

আমার একটা বাজে স্বভাব আছে। হুটহাট আমি কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যাই। ক্লাসে স্যার লেকচার দিচ্ছে কিন্তু আমি অন্য রাজ্যে। এরকম আরো অনেক সময়। এটা বোধ হয় ছোটবেলা থেকেই আমি ৮-১০ ঘন্টার জার্নি করতাম তার ফসল। এখনো ঢাকা শহরে প্রতিদিন ভালই জার্নি হয়। এই কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যাবার একটা বড় সুবিধা আছে। যে কোনো সময় যে কোনো গান শোনা যায়, যার সাথে ইচ্ছা কথা বলা যায়,

বিস্তারিত»

……আরও কিছু সিসিসি ডায়লগ

……ক্যাডেট কলেজের ৬ বছরে প্রত্যেক ক্যাডেট কতই না আজব আজব ডায়লগ এর সন্ধান পায়। আর এই নিয়ে লেখাও হয়ে গেছে প্রচুর। আরও কিছু ডায়লগ মনে পড়ল, ভাবলাম শেয়ার করি।

১. এস এস সি র লম্বা ভ্যাকেশন কাটিয়ে ক্লাস ইলেভেনে ব্যাক করলাম ১৯ইনটেক। ডিসিপ্লিনের অবস্থা তখন যা হয়। তাই এ্যাড্জুটেন্ট স্যার ক্লাসের সবাইকে ডাকলেন অডিটরিয়ামে। আমাদের জিজ্ঞাসা করলেন আমাদের সমস্যা কোথায়। আমরা সবাই চুপ-চাপ জন্য স্যার নিজেই বলে উঠলেন,

বিস্তারিত»