চরাচর অন্ধ করা আলোয়
শাখা-প্রশাখায় ওই একবার।
একবার চমকে উঠেই
দুনিয়া বধির ক’রে
নিকষকালো মেঘের থেকে
হুড়মুড়িয়ে
চরাচর অন্ধ করা আলোয়
শাখা-প্রশাখায় ওই একবার।
একবার চমকে উঠেই
দুনিয়া বধির ক’রে
নিকষকালো মেঘের থেকে
হুড়মুড়িয়ে
পৃথিবীতে মানুষের আগমন নিয়ে ধর্ম গ্রন্থের বয়ান আমরা কম বেশী সবাই জানি। ঈশ্বরের কঠোর নিষেধ সত্ত্বেও শয়তানের প্ররোচনায় নিষিদ্ধ বৃক্ষের ফল খেয়ে স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হয়ে পৃথিবীতে আসেন আদম । ঠিক কবে তিনি পৃথিবীতে এসেছিলেন তার সঠিক বর্ননা কোথাও নেই। বাইবেলে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী আদম পৃথিবীতে এসেছিলেন প্রায় ছয় হাজার বছর আগে। ইহুদি ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী আদম ও ইব্রাহীম নবীর মাঝে বয়সের পার্থক্য উনিশশত আটচল্লিশ বছর।
বিস্তারিত»মিডিয়ায় গ্রামীন ক্ষুদ্রঋণের সাম্প্রতিক আলোচনার ধারাবাহিকতায় প্রথম আলো’তে (২৩ ডিসেম্বর,২০১০) ডঃ রেহমান সোবহান কলাম লিখেছেন ‘আমরা কীভাবে আমাদের মানমর্যাদা রক্ষা করবো’ শিরোনাম দিয়ে। আসেন ঐটা নিয়ে খানিকক্ষণ আলাপ-সালাপ করি।
রেহমান সোবহান স্যার শুরু করেছেন যথারীতি গ্রামীন ক্ষুদ্রঋণের সাথে তার সম্পর্ক দিয়ে যা’ প্রকৃতপক্ষেই খুব ‘নিকট সম্পর্ক’- তিনি ১৯৯৬ থেকে ২০০১ পর্যন্ত গ্রামীন ব্যাংক বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে ছিলেন। তিনি বলেছেন, এই সময়কালটা গ্রামীনের জন্য সবথেকে ভালো সময় ছিলঃ গ্রামীন ক্ষুদ্রঋণ পৃথিবীর নানা জায়গায় ছড়িয়ে পড়ছিল,
বিস্তারিত»পূর্ণিমার সময় হলেই
আমার পাগলামি বেড়ে যায়
ছটফটানি শুরু হয়
পূর্ণিমা পাগল কাকের ড়াকে
মধ্যরাতের আকাশে ভেসে যাওয়া সাদা মেঘ দেখে
আমার পাগলামিটা পাগলামিতে যায়
অনেকে শিরোনাম দেখে হয়ত আঁতকে উঠতে পারেন- আবার শুরু হইল! সেজন্য প্রথমেই এই পোস্টে ‘ধর্ম’ শব্দটার ‘মর্ম’ বলে নেয়া ভাল। কলেজে থাকতে মল্লিক স্যারের কাছে শোনা- ‘ধর্ম’ শব্দটি এসেছে ‘ধৃ’ থেকে। অর্থ- ধারণ করা। সুতরাং এভাবে দেখলে আমরা যা ধারণ করি(বস্তুগতভাবে বা Physically না অবশ্যই) তা-ই ধর্ম। আর সেজন্যই ইংরেজি ‘Religion’ শব্দের তুলনায় বাংলা ‘ধর্ম’-এর অর্থও অনেক ব্যাপক। যেমন আমরা মানুষ ছাড়াও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রেও ধর্ম শব্দটা ব্যবহার করি।
বিস্তারিত»হাঁটি হাঁটি পা পা করে সিসিবি তিন বর্ষ শেষ করে পদার্পন করলো চতুর্থ বর্ষে। স্বপ্নময়ী কিছু তরুণ তরুণীর স্বপ্নে একেবারে ছোট পরিসরে শুরু হয়েছিলো যার পথচলা সময়ের আবর্তনে বেড়েছে তার পরিধি। কিছু বড় ভাইদের এগিয়ে আসা আর সবার ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে সিসিবির বিকাশ হচ্ছে ক্রমশই পূর্ণাঙ্গ ব্লগের দিকে। তাই শুরুতে যা ছিলো কেবলই স্মৃতিচারণমূলক লেখার সংকলন আস্তে আস্তে তাতে সমাবেশ ঘটেছে নানা স্বাদের নানা ধরণের লেখার ।
বিস্তারিত»একটু পেছনের কথা বলে নেই। কবে থেকে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্রিকেট খেলছে, খুব বেশি নিশ্চিত করে বলতে পারছি না। তবে সম্ভবত: জন প্লেয়ার গোল্ডলীফ ট্রফিতেই (এশিয়া কাপ) প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ তাদের ওয়ানডে ক্রিকেটীয় ইনিংসের যাত্রা শুরু করে (ভুল হলে শুধরে দেবার জন্য অনুরোধ রইলো, আমি এতথ্যটুকুর ব্যাপারে সুনিশ্চিত নই )। ৩১ মার্চ, ১৯৮৬; ম্যাচটা ছিল পাকিস্তানের সাথে। ৪৫ ওভারের এই ম্যাচে মাত্র ৯৪ রানেই নবীন বাংলাদেশ দলের ইনিংস-সমাপ্তি ঘটে।
বিস্তারিত»১।
সিসিবির জন্মদিন গেল, কিছুই লিখি নাই। একটা কমেন্ট পর্যন্ত না। শান্তাপা গ্রেড দিলেন, আমি সেইখানে ঢুকতে পারলাম না। সামিয়া “অতিপ্রিয় তৌফিক কই গেলেন” বলে চিল্লায়ে ব্লগ মাথায় তুলে ফেলল (ঠিক আছে, মানছি, অতটা করে নাই হয়তো, কিছুটা তো করছে B-) ), আমার কিবোর্ড তবু চালু হইল না। আমার দেশী মানুষ শীর্ষেন্দুর সাক্ষাৎকার একটা পড়েছিলাম অনেক আগে। প্রশ্নকর্তা জিজ্ঞাসা করেছিলেন, বাংলা সাহিত্যে নতুন লেখক আসছে না কেন।
বিস্তারিত»১৫-১৬ ডিসেম্বর, ২০১০।
– “জাগো বাংলাদেশ”
– “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই”
– “আমি গর্বিত”
– “রাজাকার নিপাত যাক”
– “৩০ লাখ শহীদের প্রাণের বিনিময়ে পাওয়া সূর্য …………. ”
facebook এ এরকম অনেক status দেখলাম,
CCB তেও অনেক গরম লেখা পড়লাম।
সব্বাই সেদিন বাংলাদেশ নিয়ে অনেক বড় বড় কথা বলল। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে শোরগোল করল। সরকারের কি করা উচিত,
বিস্তারিত»ছেলে আমাদের বড়ই বিদ্যান, জ্ঞানী, সামাজিক, দেশপ্রেমিক। ঠোলাগিরির মত বিশাল এক চাকুরীও তার বগলদাবা। ছোট বড় সবারই বড় আদর আর আব্দারের আমাদের এই ছেলে। কখনও লুঙ্গী পড়ে সিনিয়রদের দৌড়ানি খেয়ে, কখনও ক্ষোভে রাগে ফেটে পড়ে পাকি হানাদার আর রাজাকারদের সুশীল গালি দিয়ে চৌদ্দগুষ্টি উদ্ধার করে, কখনও আবার খেলার ময়দানে বাংলাদেশের বিজয়োল্লাসে শিশুর মতন ব্লগে লাফিয়ে উঠে সে তার অবস্থানের কথা জানান দেয়। ছেলে আমাদের বিশাল উঁচা-লম্বা,
বিস্তারিত»আশরাফের সংগে আমার শেষ দেখা হওয়ার দিনটা আমার মনে আছে । ১২ নভেম্বর ২০১০ । ওর ছোট ভাই আফজালের সলো ফটোগ্রাফি এক্সিবিশনের ওপেনিং এর দিন । আমি সাভার থেকে ঢাকায় গিয়ে এক্সিবিশনে গিয়েছি শুনে খুব খুশি হলো । ওর ছোট ভাই লুমিক্স ক্লিক টু ফেম বিজয়ী আফজালের সংগে আমার নিয়মিত যোগাযোগ আর টুকিটাকি ফটোগ্রাফির কারনেই আমার সংগে ওঠাবসাটা খুব কম ব্যবধানেই ইদানিং হচ্ছিল । আমাকে দেখে সেই চেনা হাসি –
বিস্তারিত»হে প্রেম,আমি পুরুষ ও ঘর্মাক্ত হবো
আমি শক্তিশালী যুবক হবো,জটাধারী সন্যাসী নয় আর
আমার বুকে রক্ত হবে উষ্ণ ও সুগন্ধময় লোবানের মত
আমার বাহু হবে পেশল,আমার পেশী হবে সুদৃঢ়
হৃদপিন্ড হবে লক্ষ বছর তপস্যাব্রত সাধুর ন্যায় চরম তিতীক্ষার
হে প্রেম,আমি বঞ্ছিত হবো না আর
কেউ কেড়ে নেবে না আমারই মুখের গ্রাস
আমার পূর্ব পুরুষের নিন্দা করে কোন জালিম শাসক
পালাতে পারবে না অক্ষত
আমারই মাথার উপর ছড়ি ঘোরাবে না কোন জাতশত্রু
প্রয়োজনে,হে প্রেম,আমি প্রয়োজনে হত্যাকারী হবো
যে রকম খাদ্যের অন্বেষণে সুন্দরবনের বাঘ হত্যা করে সুচিত্রিত চিত্রাহরিণ
আমি তেমনই সুন্দরকে অন্ধ করে দেব ব্যক্তিগত ক্রোধে!
আজ দুপুর আনুমানিক দুইটার দিকে বাংলাদেশ এয়ারফোর্সের একটি পিটি-৬ বিমান বরিশাল বিমানবন্দর এলাকায় ক্রাশ করেছে। বিমানের দুজন আরোহী স্কোয়াড্রন লিডার আশরাফ এবং মাহমুদ ওই দূর্ঘটনায় শাহাদাত বরন করেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন। আল্লাহ তাদেরকে বেহেস্ত নসিব করুক।
স্কোয়াড্রন লিডার আশরাফ ছিলেন পাবনা ক্যাডেট কলেজের ১৬ তম ব্যাচের একজন ক্যাডেট এবং এমজিসিসির আমাদের ব্যাচমেট(এবং কোর্সমেট) শাহনাজ জাহান পুষনের স্বামী। আল্লাহ পুষনকে এই শোক কাটিয়ে উঠার শক্তি প্রদান করুক।
বিস্তারিত»শান্ত সুবোধ লক্ষী ছেলে আমি
আমার যাপিত জীবনে কম্পন নেই, বড্ড সরল।
রোজ ভোরে ঘড়ি ধরে ঘুম ভাঙ্গে,
রাতের জমানো নোংরা ধুয়ে ফিটফাট কর্তার বেশ,
আয়নায় টাইয়ের নট বাঁধতে বাঁধতে,
ভুলে যাই, অন্ধকারে বড্ড পুরুষ ছিলাম।
ঘুমাইছিলাম, স্বপ্নে দেখলাম আমি ইয়াহিয়ারে থু দিতাছি। ঘুম ভাঙ্গার পর মনে হইল সব গুলারে যদি থু দিতে পারতাম! নেট ঘাইট্যা খুজলাম সব শু***গুলারে, তারপর আমি ইচ্ছামতন মনে মনে থু দিলাম, আপনারাও দেন, জামাতে।
সবার আগে এই শু***গুলারে

সবচেয়ে বেশি এইটারে

আর এইটারে
![]()
তারপর… এই মহান প্রফেসর গোলাম আজম।

এইটা দেখেন

এই বেজন্মাটারে…
বিস্তারিত»