“এখনই নয়। আপাততঃ প্রহর গুনছি…”
২৫ ‘ ‘
রাতের আঁধারে একান্তে
অগ্নি শিখার প্রজ্বলন,
মোমের ছন্দের সাথে
পুরনো বেহালার ক্রন্দন।
অবুঝ কর্পূর প্রাণে –
মুছে যাওয়া গান
ভুলে থাকা অভিমান ;
কেনই বা আর কবিতা ?
থাক শুধুই নী র ব তা !!
“এখনই নয়। আপাততঃ প্রহর গুনছি…”
২৫ ‘ ‘
রাতের আঁধারে একান্তে
অগ্নি শিখার প্রজ্বলন,
মোমের ছন্দের সাথে
পুরনো বেহালার ক্রন্দন।
অবুঝ কর্পূর প্রাণে –
মুছে যাওয়া গান
ভুলে থাকা অভিমান ;
কেনই বা আর কবিতা ?
থাক শুধুই নী র ব তা !!
আমার অনার্স প্রায় শেষ এখন কি করব এই চিন্তায় ঘুম আসেনা।চাকরি চেষ্টা করলে হতনা তা না কিন্তু আমার ইচ্ছা দেশের বাইরে যেয়ে পড়াশোনা করা।কিন্তু কিভা্বে কি করব আসলেই জানা নেই ঠিক সেই সময়ে ইরাসমাস বৃত্তির্ খবরটা আমাকে একটা জিনিষ ভাবিয়ে তুলল তা হল আমাদের অনেকেই বিদেশে বৃত্তি নিয়ে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি বা দেশে বসে বিভিন্ন বৃত্তির জন্য চেষ্টা করছি আমরা যদি আমাদের অভিজ্ঞতা গুলো সবার সাথে ভাগ করে নেই তাহলে অনেকের উপকার হবে বলে আমার মনে হয়।
বিস্তারিত»কলেজে কয়েকটা বিষয় ছিল- ইতিহাস, পৌরনীতি, ভূগোল যেগুলো বিজ্ঞান মানবিক বিভাজনের পর বিজ্ঞানের ছাত্রদের তেমন একটা পড়তে হয়নি। সংগত কারণেই এই বিষয়গুলো শেষ পড়েছি সেই ১৯৯৭ সালের দিকে। কিন্তু এখনো মনে পড়ে ইসহাক আলী স্যার এর পৌরনীতি বা হেদায়েতুন নবী স্যারের ইতিহাস পড়ানো। ইসহাক আলী স্যারকে নিয়ে আমার ফ্ল্যাশব্যাকে কিছু শেয়ার করেছিলাম পরে হয়ত আরো কিছু শেয়ার করবো কিন্ত আজ ইতিহাস নিয়েই বলতে চাই।
বিখ্যাত শিল্পী রফিকুন্নবীর(রনবী)ভাই হওয়ার কারণে হেদায়েতুন নবী স্যারকে হেনবী বলতাম আমরা।
বিস্তারিত»বাজারে ভাংতি টাকার সমস্যা অনেক দিন যাবত। যতদূর মনে পরে, কমপক্ষে বছর দশেক হবে। এখন সমস্যাটি হয়েছে প্রকট। গতকাল এই ভাংতি টাকার অভাবে আমার ছোট ছেলেটি যেমন, তেমনি আমিও মনে খুব কষ্ট পেয়েছি। গতকাল ছিল মহান একুশে। ছেলেটিকে নিয়ে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানিয়ে, গেলাম বই মেলায়। এর আগেও দু’দিন গিয়েছি। বই যা কেনার ইতিমধ্যেই কিনে ফেলেছি। ছোট ছেলেটির চোখ এবার ছিল খেলনার দোকানগুলোতে। তার আবদার মত খেলনা কিনে দিয়েছি।
বিস্তারিত»১
আমরা যারা বিভিন্ন ব্লগের সাথে জড়িয়ে গেছি তারা বোধহয় কমবেশি সবাই বই পড়তে ভালবাসি। নইলে তো ইউটিউব, ফেসবুক আর ভিডিও গেইমেই বাঁধা থাকতাম। দেশে এখন বই মেলা হচ্ছে। রমরম ঝমঝম। দূরে বসেও তার ঝংকার শুনতে পারছি। বেশ বুঝতে পারছি ঢাকা শহরে ফেব্রুয়ারী এখন বেশ উতসবের মাস। বাংগালিদের জন্য এই মাসটা বেশ ঘটনাবহুল। ফাগুন রাংগানো সুখ আছে। আবার একুশের কালো ব্যাচে ঢাকা দুঃখও আছে।
বিশ্বকাপ, তাই সাবেক ক্রিকেটাররা নাওয়া খাওয়া বাদ দিয়ে কাছা খুলে লিখছেন। স্বর্গে বসে ক্রিকেটের অমর বুড়ো ডব্লিউ জি গ্রেসও দেখছেন ক্রিকেট আর প্ল্যানচেটে লিখছেন কলাম-
আমি বারবার করে বলেছিলাম টস জিতে ব্যাটিং করো, ব্যাটিং করো এবং ব্যাটিং করো। কারণ ক্রিকেটটা হচ্ছে ব্যাটসম্যানের খেলা। আর ভারতীয় দল তো ব্যাটসম্যানে বোঝাই। সাকিব আল হাসানকে যতটুকু দেখেছি তাতে মনে হচ্ছিলো তার ঘটে বুদ্ধি আছে। কিন্তু শনিবার দুপুরে মিরপুরে তার সিদ্ধান্ত আমাকে কিছুটা অবাকই করেছে।
ইটালির এক সাগর তীরে, একবার এক ইটালিয়ান তার স্যান্ডেল হারিয়ে ফেলেছে। সে ভাবল কেউ হয়তো নিয়েছে। কাছে-পিঠে দেখল এক বাংলাদেশী তরুণ বসা। ইটালিয়ানটি ভাবলো এই বাংলাদেশীই হয়তো তার স্যান্ডেল নিয়েছে। কিন্তু কথা বলে বোঝা গেল যে বাংলাদেশী তরুণটি ইটালিয়ান ভাষা বোঝেনা। মহা সমস্যা! এবার অপর এক ইটালিয়ান এগিয়ে এল তার সাহায্যে। বলল আমি অনুবাদকের কাজ করি, সামান্য বাংলাও জানি। আপনাকে সাহায্য করার চেষ্টা করতে পারি।
বিস্তারিত»আর মাত্র তিন ঘণ্টা বাদেই শুরু হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপ ক্রিকেটের প্রথম ম্যাচ:
বাংলাদেশ vs. ভারত।
বাংলাদেশের পুরনো জার্সি পড়েই পতাকা একটা কাঁধে জড়িয়ে নিয়ে বসে পড়েছি খেলা দেখতে। সম্ভবত এ’বিশ্বকাপের সবচেয়ে সেরা ব্যাটিং শক্তির দলগুলোর একটি ভারত। তাই এদের বিরুদ্ধে জেতাটা হয়তো বেশ দুঃসাধ্য; তবে অসম্ভব নয়। অন্তত আশা আর বিশ্বাসের ককটেল নিয়েই বসেছি। হারলে পরের ম্যাচে ভালো করবার জন্য আশাবাদী হবো,
অনেক আশার পূরণ ঘটিয়ে কাল শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান দেখার সৌভাগ্য হল। বিএমএ তে। বাংলাদেশের কাছে এত বড় আশা ছিল না বললেই চলে। আশার মাত্রা ছাড়িয়ে অনেক বেশীই করতে পেরেছে আমাদের দেশ।।।। সবচেয়ে ভালো লেগেছে পর্যটন কর্পোরেশনের Beautiful Bangladesh আর Aerial cricket যাই হোক কথা তবু থেকেই গেছে। আমাদের দেশের মাথারা যখন বলেছে ওয়ার্ল্ড কাপ ২০০১…. তখন আর কিছু বলার থাকে না। আন্তর্জাতিক একটা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী,
বিস্তারিত»১) সিসিবিতে প্রায় দু-মাস কিচ্ছু লেখা হয়নি।একদিক দিয়ে ভালোই হয়েছে, পাঠক-পাঠিকারা এই দুমাস ফাঁকিবাজি পোস্টের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছেন।আক্ষরিক অর্থেই বেশ দৌড়ের উপরে রয়েছি-মোটামুটি একটি লেখা দিতেও যে সময় লাগে তাও পাবার আশা নেই।এ কারণেই, অনেকটা স্বার্থপরভাবে নিজের “প্রাণের বাসনা প্রাণের আবেগ রুধিয়া রাখিতে নারি” হয়ে এই সিরিজ চালু করছি।এখানের টুকরো মন্তব্যগুলো একান্তই আমার নিজস্ব,আর আম জনতার দৃষ্টিতে দেখা এবং লেখা বলে কোন কোন উপমা/শব্দে কেউ কেউ হয়তো মাইন্ড করে বসতে পারেন।সেরকম কিছুর জন্যে আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
বিস্তারিত»ধরেই নিয়েছিলাম এবারো হবে না। এই ফেব্রুয়ারীও কাটাতে হবে ‘এই বইমেলাতেও একটা বই বের করতে পারলাম না’ এমন আক্ষেপ নিয়ে। আমার বই যিনি প্রকাশ করতে আগ্রহী ছিলেন, অসংখ্য সমস্যায় তিনি ডিসেম্বর এর শেষদিক আর জানুয়ারীর মাঝামাঝি পর্যন্ত ছিলেন জর্জরিত। ভেবেছিলাম উনার সমস্যাগুলোর সমাধান হবে, কিন্তু উনার দিনকাল এতই খারাপ যাচ্চ্ছিল যে একটা সময় বুঝতে পারলাম এইবার মনে হয় উনি আর সাহায্য করতে পারবেন না। জানুয়ারীর প্রথমভাগ তখন অলরেডী শেষ,
বিস্তারিত»[ ডিসক্লেইমারঃ প্রায় এক বছর আগে লেখা, নিজের ব্লগের কোনায় ফেলে রেখেছিলাম। একটু ঝেড়ে মুছে ঢাললাম আজ।
বানান এবং লেখা সংক্রান্ত যে কোন পরামর্শ আমন্ত্রিত। ]
অ.
জন্মের সাথে সাথেই নাকি আমি কাঁদিনি, সবাই খানিকটা আশঙ্কিত ছিলো- বাক-প্রতিবন্ধী নয় তো! ডাক্তার সাহেব কষে দু’ঘা লাগাবার পরই চিৎকার করে অস্তিত্বের জানান দিলাম। তবে কথা বলতে খুব একটা দেরি করিনি; বছর পেরুবার আগেই বেশ ভালো বুলি ফুটেছিল।
ক।
আজকের সকালটা কেমন জানি অন্যরকম একটা ভাল লাগা দিয়ে শুরু হয়েছে। রাতে স্বাভাবিকের চেয়ে ঘুম অনেকটাই কম হলেও ঘুম ভাঙ্গার পরে বিরক্তির বদলে মন আর ভাল হয়ে গেল। এর পিছনে কারন আছে দুটি, যার একটি হলো গতরাতের আর্সেনাল-বার্সিলোনা ম্যাচ। শেষ পর্যন্ত আর্সেনাল বার্সিলোনাকে হারাতে পারলো। বেশি ডিটেইলস এ যাব না, শুধু বলবো যারা দেখেনি তারা বিশাল মিস করেছে। এ পরাজয়ের পরেও পরের রাউন্ডে যাবার জন্য এখনো বার্সিলোনা হট ফেবারিট,
আকাশের জানালা খুলে দিয়েছি
বাতাসের বাঁধন দিয়েছি ছিঁড়ে
তুমি আজ আসবে আমার কাছে
সাগরের ঐ নীল বুকটা চিঁড়ে।
কুসুমকলিদের বলে রেখেছি
ফোঁটে যেন তোমার চরণতলে
চাঁদের কাছে মিনতি করেছি
ভরা পূর্ণিমা যেন দেয় সে ঢেলে।
১লা ফাল্গুন, বসন্তের আনুষ্ঠানিক শুরু … তবে বসন্ত শুরুর আগেই শুরু হয়ে গেল আমার দিন। ভোর প্রায় ৫ টার দিকে ঘুম ভেঙে গেল। রুমের সামনে বারান্দায় দাড়িয়ে শহীদ স্মৃতি হলের দিকে মুখ করে আকাশ দেখতে বসে গেলাম। আঁধারের বুক চিড়ে একটু খানি আলো উঁকি দিলে প্রকৃতির যে রূপ, তার প্রেমে পড়ে চোখ বন্ধ করে অনায়াসে এ রকম ২০/২৫ বসন্ত কাটিয়ে দেয়া যায় । হঠাৎ পাশের গাছটায় একটা কাঁক ডানা ঝাপটে উড়ে গেল।
বিস্তারিত»