স্বপ্ন…২

লিখব লিখব করেও লেখা হচ্ছে না।ক্যাডেট কলেজ ব্লগে প্রথম লেখা টা লিখি এক বছর আগে…(আসলে লাস্ট ইয়ার নভেম্বরে…তাই বললাম যে এক বছর পার হয়ে গেছে… O:-) ) তারপর বেশ কিছু পাঠকের সাড়া পেয়েছি, কেউ চেনা কেউ অচেনা, ভাল লেগেছে সবার কমেন্টস গুলো। ইচ্ছা ছিল তারপর আর লেখার, কিন্তু লেখা হইনাই। ব্যস্ততা তো ছিলই, আর আলসেমি টা ছিল প্রধান।টাইপ করে লেখা আসলেই আনেক কষ্টের।

মানুষ সব সময় স্বপ্ন দেখতে পছন্দ করে,

বিস্তারিত»

রাখাল বালক আর বাঘের গল্প: কতটুকু যৌক্তিক?

আমার ছেলেটির বয়স তখন তিন বছর ছুঁই ছুঁই করছে। একদিন বলল, “বাবা, একটি গল্প বল”। আমি তখন তাকে রাখাল বালক আর বাঘের গল্পটি বললাম –

এক ছিল মিথ্যাবাদি রাখাল বালক । সে গ্রামের কাছাকাছি এক যায়গায় গরু চরাতো। মজা দেখার জন্য একদিন রাখাল বালক বাঘ বাঘ করে চিৎকার করল। তার চিৎকার শুনে গ্রামবাসীরা ছুটে এল। এসে দেখল কিছুই হয়নি, রাখাল বালক মজা দেখে হাসছে।

বিস্তারিত»

চেলসি vs লিভারপুল

(এটা কোন প্রিভিউ না, কিছু তথ্যাবলি)

ম্যাচঃ চেলসি vs লিভারপুল
ভেন্যুঃ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজ।
সময়ঃ রাত ১০ টা (বাংলাদেশ সময়)

চেলসি আর লিভারপুলের ম্যাচ সব সময়ই মৌসুমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফিক্সচার। তবে আজকের ম্যাচটা সাম্প্রতিক সময়ের মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত চেলসি লিভারপুল ম্যাচ। কারন একটাই, জনৈক ফার্নান্ডো টরেস। ট্রান্সফার উইন্ডোর শেষ দিনে ব্রিটিশ রেকর্ড গড়ে এ সময়ের লিভারপুলের হিরো চেলসিতে নাম লেখানোর পর থেকেই লিভারপুল ফ্যানেরা বেশ তেতে আছে,

বিস্তারিত»

The uncertainty Principle: অনিশ্চয়তার নীতি

The uncertainty Principle: অনিশ্চয়তার নীতি
০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১১ দুপুর ২:১২

শেয়ার করুনঃ

0 1
                 

 

The uncertainty Principle

Atomic phenomenon ব্যাখ্যা করতে গিয়ে যখন আমরা Classical Mechanics ও Electrodynamics ব্যবহার করি তা আমাদের এমন তাত্ত্বিক ফলাফল দেয় যা পরীক্ষালদ্ধ ফলাফলের সাথে বিরোধিতা করে।

বিস্তারিত»

অপত্য

নার্স এসে যখন কাপড়ের পুঁটলিতে মোড়ানো ছেলেটাকে দিয়ে গেল তাসলিমের কোলে, ওর বিশ্বাসই হচ্ছিল না বাবা হয়ে গেছে সে এখন। কাপড় সরিয়ে ছেলের মুখের দিকে তাকাল তাসলিম, ঘুমন্ত ছোট একটা মুখ। পাশ থেকে মা বললেন, একদম তোর মতো হয়েছে। তাসলিম অবশ্য কোন মিল খুঁজে পেল না। আনমনে ছেলের মুখ থেকে চোখ না সরিয়েই বলল, হুঁ।

এরপরের কয়টা দিন যে কিভাবে কেটে গেল বুঝতেই পারেনি তাসলিম।

বিস্তারিত»

০৪ঠা ফেব্রুয়ারী ২০১১,স্বপ্ন না কি সত্যি????

সেই সেপ্টেম্বর ২০১০ থেকে দেশে আসি আসি করে আর আসা হয়ে উঠছিল না। আইভরি কোস্টের ঘাড়-তেড়া প্রেসিডেন্টের তেড়ামির বলির পাঠা হয়েছিলাম আমরা। যাই হোক দেশে ফিরলাম সেজন্য নিজেকে অনেক ভাগ্যবান মনে হচ্ছিল। তবে এয়ারপোর্ট রোড ধরে যখন এগুচ্ছিলাম তখন ভাগ্যটাকে ততটা সুপ্রসন্ন মনে হচ্ছিল না। তবে দেশে ফেরার আনন্দে সেটাকেও কেন জানি উপভোগ্য মনে হচ্ছিল। গত ১লা ফেব্রুয়ারি দেশে ফিরলাম। বহুল প্রত্যাশিত এই ঘরে ফেরাটা আরও এক নতুন মাত্রা পেল ৪ তারিখে এসে।

বিস্তারিত»

নোটিশ

প্রিয় এলাকাবাসী,
আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে,আমার আরও কিছু ( ৭ খানা ) পেইন্টিং একটি গ্রুপ এক্সিবিশনে যাইতেছে । আরও আনন্দের বিষয় হইলো ঐ একই এক্সিবিশনে আরও ৩ পিস এক্স ক্যাডেটের ছবি যাইতেছে । এখন আপনারাই বলেন , আমার গত এক্সিবিশনে যারা যামু যামু কইরাও যান নাই , আমার জন্য না গেলেও ৪ জন এক্স ক্যাডেটের এক্সিবিশন হিসেবে ঐখানে ১বার ঢুঁ মারাটা আপনার কর্তব্য হইয়া যায় কীনা?

বিস্তারিত»

স্মৃতির শোকেস

২য় বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষার সময় আমার পাশে একটা সিট সবসময় খালি থাকতো। পরীক্ষার্থীর নাম ছিল নীলিমা আচার্য।

মনে পড়ল সেই পরীক্ষারই মাত্র দু’বছর আগে প্রথম যখন ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্লাসে ঢুকছিলাম তখন খুব হতাশ হয়েছিলাম, কারণ ক্লাসে ঢুকেই দেখি মাত্র ৪ জন মেয়ে। চামড়ার রঙ দেখে মনে হলো এর মাঝে দু’জন ইউরোপীয়,একজন আফ্রিকান আর একজন আমাদের উপমহাদেশের। স্বল্পবসনা দুই ইউরোপীয় ললনার মাঝে একটা সীট ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও গিয়ে বসলাম পিছনে।

বিস্তারিত»

সাকিব ভাইয়ের জন্য সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা (সাকিব ভাইয়ের শারীরিক অবস্থার আপডেট)

(সাকিব ভাইয়ের শারীরিক অবস্থার আপডেট):

দ্বিতীয় দফায় কেমো নেবার সময় সাকিব ভাই কিছুটা তাড়াতাড়ি হাসপাতাল ছেড়ে যান খরচ বাঁচাতে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তটি সঠিক ছিল না। উনার ব্লাড কাউন্ট লেভেল অনেক নিচে ছিল। ফলশ্রুতিতে হাসপাতাল ছেড়ে যাবার পর সাকিব ভাইয়ের ইনফেকশন হয়। সে কারণে ৩১শে জানুয়ারি আবার ভর্তি হতে হয়েছে হাসপাতালে। এখন ইনফেকশন নিয়ন্ত্রনে এসেছে। কিন্তু ব্লাড কাউন্ট এখনো অনেক নিচে। সেজন্য আরো কিছুদিন হাসপাতালে থাকতে হবে।

বিস্তারিত»

ষ্ট্রবেরী

কখনো একবার চেখে দেখিনি তোমায়।
বিদেশী ছবিতে-
দুধে-আলতা রঙের কাট-কাট চেহারার নায়িকারা
টমেটো রঙের নেইল পালিশ আর লিপস্টিক মেখে,
খুব বেশি অ্যাপিল জাগিয়ে
তোমায় যখন ঠোঁট লাগাতো—–
ভাবতাম-
লুকায়ে লুকায়ে জাম খাওয়াও তো অনেক ভাল।

কৃষিবিদ বাবা বলেন তুমি এদেশের উপযোগী নও—–
আমাদের আপন হবে না কখনও ।

আজকাল কারও নিঃশ্বাসে ভেসে আসা
লিপগ্লসের গন্ধে তোমার অস্তিত্ব
নির্ঘুম আমার তারা গোনার উপলক্ষ ।

বিস্তারিত»

কাঁড়া আর আকাঁড়া

ছেলেবেলা ম্যাজিকের মতো ছিল। কতোকিছু জানতাম না। কতোকিছুর কার্যকারণ আর কলকব্জা বুঝতাম না। তাই অজানা ব্যাপারগুলোকে ভেলকিবাজি মনে হতো। স্কুল ছুটি হলে এক আইসক্রিমের গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতো, দু’টাকা দিলেই কমলা কমলা পলিথিনে মোড়ানো। একপাশের পলিথিন দাঁতে টেনে ছিঁড়ে ফেলতাম, তারপরে মুখের মধ্যে গলে গলে যেতো কমলার স্বাদ। ঠোঁট আর জিব একদম টকটকে কমলা হয়ে উঠতো। সেই আইসক্রিম বানানোর বিদ্যা অজানা ছিলো, খুব আশ্চর্য হতাম, রোজ এতো এতো আইসক্রিম কোথায় বানায়?

বিস্তারিত»

রেইনা ১ : একটি প্রেমের গল্প

কবরস্থানের খুব কাছেই হোষ্টেলটি। এই বিষয়টি আমার ভালো লাগেনি।
জর্জিয়ার প্রাকৃতিক সৌন্দয্য অপূর্ব। এর রাজধানী ‘তিবিলিসি’। মানুষের হাতে গড়া নিখুঁত পুরাতন ও আধনিক দালান-কোঠা, রাস্তা-ঘাট আর বিধাতার হাতে গড়া মনোরম নৈসর্গিক সৌন্দর্য্য এই দু’য়ের সমন্বয়ে শহরটি হয়ে উঠেছে অপরূপ। বিদেশে উচ্চ শিক্ষার উদ্দেশ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নে আসা। তারই একটি রিপাবলিক জর্জিয়া পার্বত্য অঞ্চল, ঠিক …। মস্কো থেকে চার রাত্রি, তিন দিনের ট্রেন ভ্রমন শেষে তিবিলিসি শহরে পৌঁছানোর পর,

বিস্তারিত»

চেতনার সংকট

চেতনার সংকট

——-ডঃ রমিত আজাদ

আধুনিক রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠার ইতিহাস বেশি দিনের নয়। ইতিপূর্বে ছিল ‘রাজ্য’। রাজ্যের প্রতিষ্ঠা জনসমর্থনে হতো না। রাজ্যের প্রধান বাহুবলে রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে সিংহাসনে আরোহন করতেন। রাজ্যে জনগণনের ইচ্ছা অনিচ্ছার কোন মূল্য ছিল না। রাজার ইচ্ছাই ছিল আইন। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহনের ক্ষেত্রে তিনি সভাসদদের পরামর্শ নিতেন। সেখানে জনগণের কোন অংশগ্রহণ থাকতো না। ঐতিহ্যগত কারণে জনতা রাজা ও সিংহাসনকে সম্মান করত।

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট কলেজ

আমার বয়স যখন পাঁচ বছর হলো, সকলে ঠিক করলেন আমাকে স্কুলে দিতে হবে। আমরা তখন থাকতাম ঢাকার মগবাজারে মধুবাগে। কাছাকাছি স্কুল ছিল। মগবাজার টি এন্ড টি স্কুল। বড় বোন রীনা আপার হাত ধরে একদিন ঐ স্কুলে গেলাম। তখনকার ভর্তি পদ্ধতি আজকের মত এত জটিল ছিল না। স্কুলের একজন শিক্ষককে আমার বড় বোন বললেন “স্যার আমার ছোট ভাই, ওকে ভর্তি করতে চাই। ও সবকিছু খুব সুন্দর করে পড়তে পারে””।

বিস্তারিত»

যৌবন বৃষ্টি চাই

|| যৌবন বৃষ্টি চাই ||

বাঁশি আর বাজবে না কোন গভীর নিশুতি রাতে,
বাতাসের ছম ছম নিশ্চুপ প্রবাহ আর জলের ক্ষয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোন সুর অবশিষ্ট রইবে না আর।

ভালোলাগার যৌবন ফিরবে নাকো কোন রোদ্দুর মাখা ভোরে।
সব সুর, উচ্ছ্বাস রক্তে যৌবনের উন্মাদনা নিয়ে তোলপাড় করবে না কভু।

সম্পদের টিলা, শুভ্র বিছানা নির্জন অন্ধকারে পরিহাস করে যাবে মামদো ভূতের ন্যায়,

বিস্তারিত»