আবেশ

এ আবেশ, এ পতন মিথ্যে কোন প্রবঞ্ছনার,
এ আমি আপন মনে মুছে চলি-
যা কিছু আপনার।
কত প্রেম কত ব্যাথা গেল ছুঁয়ে ছুঁয়ে;
ক্ষয়ে গেল অন্তঃপুর অন্তঃজ আগুনে পুড়ে।
নিভে যাওয়া আগুনের কত ছল,
গুমোট ধোঁয়ায় মুছি আঁখিজল।
নেই তবু আছে ভেবে বিভ্রান্ত
স্মৃতির ধূলিঝড়ে খুঁজে ফিরে নীড়;
হলাম স্বর্বশান্ত।।


বরষা হবে ভেবে মেঘ ভাসিয়েছি
জ্যোৎস্নাস্নাত হব বলে দিনটা ডুবিয়েছি
স্বপ্ন দেখব বলে স্নৃতির পানে ছুটেছি;

বিস্তারিত»

একজন শেখ আহমেদ জালাল এবং মুক্তিযুদ্ধের এক তথ্য ভান্ডার

একটা দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে গূরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তাদের স্বাধীনতার ইতিহাস। ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য এই ইতিহাস সংরক্ষণের দ্বায়িত্ব সাধারণত প্রত্যেক রাষ্ট্রেই নেয় সরকার কিন্তু আমাদের দেশ যেন এক উলটো রাজার দেশ। তাই এদেশের পাঠ্য বইয়ে স্বাধীনতার ইতিহাস পরিবর্তন হয় প্রতি পাঁচ বছর পর পর, জাতীয় পতাকা উড়ে স্বাধীনতা বিরোধীদের গাড়িতে। প্রায়া আড়াইশ বছর আগে স্বাধীন হওয়া যুক্তরাষ্ট্র যেখানে তাদের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র লিখতে ব্যবহৃত কলম পর্যন্ত সংরক্ষণ করে তখন চল্লিশ বছর আগে স্বাধীন হওয়া আমাদের জাতীয় আর্কাইভ থেকে অযত্নে,

বিস্তারিত»

‘স্যার, আপনাকে সালাম’

আগস্ট ১৯৭১। পাল বাড়ির উঠোনে জুবুথুবু হয়ে দাঁড়িয়ে অনেকগুলো মানুষ। একজন, দু’জন, তিনজন, একে একে বাড়তে থাকে সংখ্যা, পনের ছাড়িয়ে আঠার পর্যন্ত। বিভিন্ন বয়সের, বৃদ্ধ, তরুন, কিশোর। জড়ো হওয়া মুখগুলোতে তীব্র উৎকণ্ঠা, ভীতি আর গভীর শঙ্কা। কারো চোখে পানি, কারো ঠোটে তিরতির কাঁপন।বুকের ভেতর ভয়ংকর ধুকপুক, হাতুড়ির শব্দ। এতোদিনের চেনা মুখগুলোর দিকে তাকালেই ব্যাথাতুর শেষ দেখার অনুভূতি। ভীষন কষ্ট, বাঁচার তীব্র আকুতি। উদ্যত বন্দুক হাতে খাকি পোশাকের হায়নাগুলোর দিকে তাকাতে প্রবৃত্তি হয় না তীব্র ক্ষোভ আর ঘৃণায়।

বিস্তারিত»

পদ্মাপাড়ের মেয়ে (Sands of Dee এর অনুবাদ)

পদ্মাপাড়ের একটু দূরে থাকতো যে রহিমা
‘গরুগুলি তুই ঘরে নিয়ে আয়’ – বলিলেন তার মা।
রহিমার ছিল টানাটানা চোখ- ঘন কালো তার চুল
ভুল করে সে তো আসিয়াছে হেথা – সেতো স্বর্গের ফুল।
পদ্মাপাড়ে রওয়ানা দিল সেই যে রূপসী কন্যা
প্রকৃতির কোন খেয়ালে আসিল ভরা পদ্মায় বন্যা।

কোন সে খেয়ালে দখিনা বাতাস ভাঙলো যে আড়মোড়া
ভয়ে শঙ্কিত হয়ে ওঠে তার সুন্দর চোখ জোড়া।

বিস্তারিত»

নিঃস্বার্থ ভালবাসা

১.

গ্রামের মেঠো পথ। খালের উপর বাঁশের সাকো। আলো আর কৌশিক হাত ধরে পার হল। পার হয়ে খালের পাড়ে সবুজ ঘসের উপর বসলো তারা। যেন কত দিনের চেনা! আসলে বাস্তবটা সেরকম না।

পরিচয় মাত্র ১৩/১৪ দিনের হবে হয়ত। আলো এই এলাকার মেয়ে নয়। বেরাতে এসেছে তার খালার বাসায়। আর কৌশিক আলোর ছোট খালাত বোনের টিউটর। পড়াতে গিয়েই পরিচয়। সেদিন পড়াচ্ছিল কৌশিক।

বিস্তারিত»

একটা উজার করে দেওয়া গাছের গল্প

সে অনেকদিন আগের কথা। এক বনে এক গাছ ছিল। গাছটির কাছে রোজ একটা ছোট্ট ছেলে খেলা করতে আসত। প্রতিদিন সেই ছেলেটি গাছের সব পাতা একত্র করত আর তা দিয়ে সে তার মাথার মুকুট বানাত। গাছটাকে ঘিরে সে প্রতিদিন মনের আনন্দে দৌড়ে দৌড়ে খেলা করে বেড়াত। গাছটির ডাল বেয়ে বেয়ে উঠে আপেল পেড়ে খেত। ডালগূলোতে ঝুলে দোল খেত। গাছের গুড়ি জড়িয়ে ধরে কানে কানে কি কি সব যেন কথাও বলত।

বিস্তারিত»

?????


ফুটেছিল চাঁদ,ঘুচিয়ে বিষাদ-
মুছে নোনা জল,জেগেছিল সাধ।
ঘুমচোখে চেয়েছিল স্বপ্নেরা থাক,
জ্যোৎস্নাজলে ধুয়ে যাক সব অবসাদ।
স্বপ্ন দেখাই হল কাল;
ঘোর অপরাধ।।

ঝরে পাতা ,ঝরে ফুল
হয়েছিল দেখা,সে কী মনের ভুল?
বয়ে যায় সময়,বয়ে যায় নদী
এ কোন মায়ায় জড়ালে নিধি!
ভাবি অনুক্ষণ,প্রতিক্ষণ;ভাবি নিরবধি;-
হারায়ে ফেলি যদি!

বিস্তারিত»

ব্যাড লুজার?

ফুটবল নিয়ে আমার মাতামাতি একদম ছোটবেলা থেকেই, বলা যায় বুঝতে পারার পর থেকেই। অবশ্যই এর পিছনের প্রধান কারন আমার আশেপাশের মানুষগুলোর ফুটবল উন্মাদনা। একদম প্রথম দিকে কবে আবাহনীর ম্যাচ আছে সেটা পত্রিকা দেখে বোঝা লাগত না, বাসা থেকে বের হলেই আশেপাশের ছাদের পতাকার দিকে তাকালেই হতো। তারপর খোঁজ নেয়া কার সাথে খেলা আর সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা ফলাফলের জন্য। ফলাফল পাওয়া যেত স্টেডিয়াম ফেরত মুরুব্বী আর পাড়ার বড়ভাইদের কাছ থেকে।

বিস্তারিত»

ভালোবাসিনি

আমি কোনদিনও কবিতা ভা্লোবাসিনি,
কবিতারা বড্ড ধূসর, শব্দময় হয়েও ভীষণ স্বার্থপর।
কবিতারা কেবল কবির কথা বলে,
অগুনতি পাঠক আর পাঠকের বোধ, কবিতা বোঝে না।

আমি কোনদিনও কবিতা ভালোবাসিনি,
কবিতারা ভীষণ ব্যক্তিময় বলে।
শূন্য আকাশ, দূর নীলিমা, কবির শূন্য হৃদয় হয়ে যায়,
সেখানে শুভ্র পাখির ওড়াউড়ি নেই।

কবিতারা বড্ড গুমোট, কবির বদ্ধ মনের মতই।
কিশোরীর উচ্ছল দিন সেখানে প্রেমিকা হয়ে যায়,

বিস্তারিত»

সবার উপর মানুষ সত্য তাহার উপর নাই

আমি একজন নারী। নিজেকে মাঝে মাঝে খুব অসহায় মনে হয়েছে, আবার কখনও কখনও দূর্গার মত শক্তিধর মনে হয়েছে। যখন নাটক নভেল গুলোতে নানা রঙ্গে ঢঙ্গে নায়িকার শৈল্পিক উপস্থাপন পড়েছি তখন নিজের অজান্তেই অনেক মজা লাগতো, হিরোইনের জায়গায় নিজেকেই কল্পনা করে ফেলতেও সামান্য দ্বিধা হয়নি কখনোই। জোরে শব্দ করে হাসার কারণে খুব টিপিকাল আমার মা যখন বলতো “মেয়েদের এভাবে হাসতে হয়না” মায়ের উপর রাগের পাশাপাশি নিজের উপরও মেয়ে হয়ে জন্মানোর জন্য যে সামান্যও অনুশোচনা হয়নি তা বোধহয় বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবো না।

বিস্তারিত»

বাবুরাম চাকুরে

বাবুরাম চাকুরে

কোথা যাস বাপুরে

আয় বাবা দেখে যা

CV খানা রেখে যা

যে লোকের চোখ নেই

দাঁত নেই নখ নেই

ছোটে সে তো হাটে না

ছুটি ছাটা নেয় না

করে না কো উৎপাত

খায় শুধু নুনভাত

সেই লোক জ্যান্ত

ধরে ক’টা আনতো

নিয়ে দাস খতে সইটা

দেই তারে JOBটা

(স্বর্গীয় সুকুমার রায়ের নিকট ক্ষমাপ্রার্থী)

বিস্তারিত»

হাসি

ধ্রুব তারাটা হাসছে
মিটিমিটি হাসছে তারাগুলো
চাঁদের অধরে হাসির আভা
সুতাবুড়িটাও হাসছে মুচকি
জ্যোৎস্না লুটে পড়ছে অট্টহাসিতে
আঁধার হেসে উঠছে অপার আলোয়
জোনাকিরা হাসছে দেখ চেয়ে
হাসছে সকল ঝি ঝি পোকা
রাতজাগা নিশাচরের কণ্ঠে হাসি
সূক্ষ্ম হাসি প্রকৃতির নিঝুমতায়
মেতেছে প্রকৃতি আজ হাসির খেলায়
তবুও সকল হাসি ম্লান হয়ে যায়।

যখন,
চোখ মেলে দেখি
কান পেতে শুনি
হৃদয়ে উপলব্ধি করি
কল্পনা করি তোমার হাসি।

বিস্তারিত»

মাগনা বিদেশ যাওয়ার সহজ উপায়…

জিতুকে ধন্যবাদ। বেচারী শীতের দুপুরে লেপের আরাম বাদ দিয়ে অনেকটা সময় কানে ফোন রেখে আমাকে ব্লগ লেখার কৌশল শিখিয়েছে। ভালো টিচাররা এমনই হয় :thumbup:
(এটা ওর স্কুলের বিজ্ঞাপন, প্রচারণা কমিশন হিসেবে আমার রেফারেন্সে ২ জন ফুল ফ্রীইইইইই)

এবার ব্লগ শুরু করি…
আস্ট্রেলীয় সরকার পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে কিছু বৃত্তি দিয়ে আসছে বেশ অনেক বছর ধরে। বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য ৪টি হলোঃ
1.

বিস্তারিত»

প্রথম রাত…সারদাতে…

আজ ১২ তারিখ,এখন রাত ২টা ৩০ বাজে কাঁটায় কাঁটায়।গতকাল বেলা ১১ টার সময় ঢাকা থেকে রওয়ানা দিয়ে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে গন্তব্যে পৌঁছেছি।সব জিনিসপত্র গুছানো শেষে এইমাত্র ল্যাপটপ খুলে বসলাম।সকাল থেকে থেকে(পরবর্তী নোটিশ না পাওয়া পর্যন্ত) মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেটের মডেম “আউট-অফ-বাউন্ড” হতে যাচ্ছে-জানিনা কতদিন পর্যন্ত এটি বলবৎ থাকবে।তাই ঝটপট কিছু অনুভূতি শেয়ার করিঃ

১) ৬ বছর ক্যাডেট কলেজ এবং তারপর বিএমএ তে থাকার অভিজ্ঞতা-এর পরেও আমার মা একটুও বদলাননি।বিশেষ করে একাডেমিতে আসার শেষ কয়েক দিন আগে এমন কান্নাকাটি করছিলেন যে আমার পক্ষে অশ্রু সংবরণ করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছিলো।মা-রা বোধহয় এমনই হন,সময়ের সাথে সাথে সব কিছু পাল্টালেও সন্তানের প্রতি তাঁদের মমতার বিন্দুমাত্র হেরফের হয়না…

বিস্তারিত»

আমার ক্ষুদ্রঋণ ও দেশপ্রেম ভাবনা

গত সপ্তাহে নরওয়ের এক সাংবাদিক গ্রামীন ক্ষুদ্রঋণের উপর একটা প্রামান্যচিত্র প্রকাশ করে বেশ হইচই ফেলে দিয়েছে। সেই প্রামান্যচিত্রে দেখানো হয়েছে ক্ষুদ্রঋণগ্রহীতাদের উপর ক্ষুদ্রঋণের ফলাফল যা’র পুরোটাই নেতিবাচক। এই ব্যাপারটি আমাদের মধ্যবিত্তের কাছে (যারা তথ্যের জন্য মিডিয়ার দিকে চেয়ে থাকে) একধরনের শক, কারণ এতোদিন ধরে দেশী-বিদেশী মিডিয়া শুধু ক্ষুদ্রঋণের প্রশংসাই শুনিয়েছে। ক্ষুদ্রঋণের গ্রহীতাদের নানান দূর্ভোগের বিবরণের পাশাপাশি এই তথ্যচিত্র আরো একটি বিষয় তুলে ধরেছে, তা হলো বিদেশী অনুদান হিসেবে প্রাপ্ত তহবিল মিস-ম্যানেজমেন্ট।

বিস্তারিত»