আলো আলো আরও আলো – ফটুকবলগ

কিছু পড়তেও ইচ্ছা করতেসে না, কিছু লিখতেও ইচ্ছা করতেসে না।

ছবি মারি, টাইম পাস। নিচের ছবি গুলা পিসিসি ১৭ ব্যাচের সুমনের বাসার এক ইন্টেরিওর, ভাবী নিজের হাতে ডিমের ঝুড়ি আর কাগজ দিয়ে বানাইসে এই ডিজাইন।

বিস্তারিত»

বিশ্বকাপ পূর্বানুমান-১

ফুটবলের বিশ্বকাপ মানুষকে যতটা আলোড়িত করে, ক্রিকেট বিশ্বকাপ হয়তো ঠিক ততটাই নিরুতসাহিত করে। যে দলগুলো সারা বছর ধরে নিজেদের ভেতর ৫০ ওভার, ২০ ওভার, ৫ দিন ইত্যাদি নানা ঘরানার ছকে খেলছে,তাদের নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনটাই অনেকটা হাস্যকর। প্রতিবছর ওয়ার্ল্ড টোয়েন্টি টোয়েন্টি, দুই বছর পরপর আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ছাড়াও প্রতি বছরই ত্রিদেশীয় গোটা দুয়েক টুর্নামেন্ট লেগেই থাকে। তার উপর গত তিন বছর ধরে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ নামের এক ক্রিকেটিয় হিন্দি সিরিয়াল শুরু হয়েছে।

বিস্তারিত»

২৯ সমগ্র

যেহেতু আজ ক্লাস ছিল না,তাই একটু আগে ঘুম থেকে উঠলাম। ঘুম থেকে উঠেই ক্যাডেট কলেজের কথা মনে পড়ে গেল। মনে পড়ে গেল বিভিন্ন সময়ে এক একজনের মুখ থেকে বের হয়া ডায়ালগ গুলো আর মজার মজার সব ঘটনা গুলো। আর তাই শেয়ার করতেই ব্রাশ না করেই ল্যাপটপ নিয়া বসা।

১…আমরা যখন ক্লাস সেভেনে,তখন আমাদের জেপি ভাইয়ার টানটান করে মশারি টাঙ্গানো নিয়া কালজয়ী ডায়ালগ,”পিটি শু  থ্রো করলে যাতে আমার কাসে ব্যাক করে”।

বিস্তারিত»

বিশ্বকাপ কথন ১

সিসিবির ব্লগাররা সবাই কোয়ান্টিটি ভুলে কোয়ালিটিতে বিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। এ কারনে নিয়মিত দারুণ দারুণ সব লেখা পাচ্ছি। তবে সমস্যা হয়ে গিয়েছে আমার মত আম ব্লগারের, কোয়ালিটির অভাবে টিকে থাকার জন্য কোয়ান্টিটিই যার ভরসা। একে তো বাকি সব লেখার কোয়ালিটি দেখে নিজের লেখা দিতে এক বারের জায়গায় দশবার ভাবা লাগে, আবার একটা দিয়ে দিলেও বিপদ। বাকি লেখকদের কোয়ান্টিটির অভাবে সেই পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরতেই চায়না।

বিস্তারিত»

বারবিকিউ!! বারবিকিউ!!

পোলাপাইনটি মানুষ হইলো না :X :X…শুধু পোলাপাইন কেন, পোলাপাইনের বাপরাও আজকাল বারবিকিউ খাওয়ার জন্য অন্যের দুয়ারে দুয়ারে (মতান্তরে দেয়ালে দেয়ালে) কান্নাকাটি শুরু করেছেন। ওইদিকে আরেকজন আমাকে গোপন মেসেজে অভিযুক্ত করে যাচ্ছে যে সিসিবিতে নাকি আবার মন্দাভাব শুরু হয়েছে, এবং জাগিয়ে তোলার দায়িত্বটা আমার নেয়া উচিৎ কিন্তু আমি কোন দায়িত্বই পালন করছি না। সুতরাং সিসিবিকে জাগিয়ে তোলার চরম লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে, এবং অভিযোগকারীকে কাঁটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিতে আমার আগমন।

বিস্তারিত»

টম এন্ড জেরির গল্প

সে অনেক দিন আগের কথা ।শাহেনশাহ সিসিবির সামনে আর পর্যটক তার নাজরানা নিয়ে হাজির হয় না , বাদশাহও আর তাকে ডাকেন না ।একদিন বাদশাহর খায়েশ হলো তিনি টম এন্ড জেরির নতুন কার্টুন দেখবেন ,কিন্তু রাজ্যের অনেক অধিবাসীর বিশাল বিশাল ডিভিডির সংগ্রহ থাকলেও হাজার খুঁজেও এই কার্টুনের নতুন কোন পর্ব পাওয়া গেলো না । অগত্যা পর্যটকের রাজদরবারে আগমন এবং টম এন্ড জেরির নতুন এপিসোড প্রদর্শন …

বিস্তারিত»

কাঁঠাল বৃত্তান্ত

কলেজের স্মৃতিচারণ করা হয় না বহুদিন। আজকে তাই নোটপ্যাড খুলে কিবোর্ড নিয়ে বসে পড়লাম। যা থাকে কপালে, একটা কিছু তো বেরোবে। স্মৃতিচারণটুকু একটা স্পর্শকাতর ঘটনা নিয়ে, তাই নাম উল্লেখ করলাম না অনেকের।

তখন আমরা ক্লাস টুয়েলভে। থাকি সোহরাওয়ার্দী হাউসের দোতালার বক্সরুমে। বক্সরুম বলার কারণ হলো গিয়ে, ওইরুমের কোন নাম নাই, নম্বরও নাই। যদিও হাউসের বাকী সবগুলো রুমেরই একটা নাম বা নম্বর আছে। অন্য রুমগুলোর সাথে নম্বর মিলালে গিয়ে হয় ১০ নম্বর রুম।

বিস্তারিত»

সাইফুদ্দাহার শহীদ, আমাদের ভালোবাসা নিন

সাইফুদ্দাহার শহীদ প্রাক্তন ফৌজিয়ান। ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘ওল্ড ফৌজিয়ানস অ্যাসোসিয়েশন- ওফা’-এর নেতৃত্ব দিয়েছেন বেশ কিছুকাল। ‘ওফা’র নানা অনুষ্ঠানে উনাকে তৎপর দেখেছি। তেমন কোনো কথা সামনা সামনি কখনো বলেছি এমন মনে পড়ে না। অথচ উনার চেহারাটা বেশ ভালোই মনে ছিল।

মাঝের সময়টা নিজের পেশার পেছনে দৌঁড়ে ‘ওফা’র অনুষ্ঠানেও যোগ দিয়েছি খুব কম। এ কারণে কখনো খেয়াল হয়নি যে চেনা চেহারার মানুষটাকে দীর্ঘদিন দেখা যাচ্ছে না।

বিস্তারিত»

সহকবর

১.
আমার রুগ্ন, শীর্ণকায় দেহাংশ, আমার বা-পাখানা আজ পারিবারিক কবরস্থানে কবরস্থ করে এলেন বাবা। ফিরে এসে কেমন যেন অপরাধীর মত আমার দিকে তাকালেন। যেন দোষটা তারই। দোষ কি আর তার, দোষ তো আমার ভাগ্যের।

আমার বা-পায়ের ফুটবল কিক আমাদের এলাকা বিখ্যাত ছিল। সবাই বলত, অর্ণব, তোমার বা-পায়ের শটের জুড়ি নেই। ছোটবেলা থেকেই ফুটবলের প্রতি ছিল আমার তীব্র ঝোঁক। মায়ের নিষেধ, বাবার চোখ রাঙানো,

বিস্তারিত»

এসো

একটা রাতের শেষে বয়সটা বাড়বে একদিন,
কাল ভোরে রোজকার মত আমি আরো একটু বুড়ো হব,
এমন জোছনা মাখা একটা রাত আর ফিরবে না।

আমিহীন সেইরাতে এমন মাতাল চাঁদ, বনে রংহীন জোছনা,
নতুন স্তাবকের মুগ্ধ অর্ঘ্য নিতে ঠিক ঐখানে,
অমন করেই নির্লজ্জ আলো দেবে, অমন করেই, ঠিক অমন করেই।

ভালো লাগা এই রাতটাকে তাই গতরাতের মত চুপিসারে
না ফেরা সময়ের কাছে যেতে দিতে নেই,

বিস্তারিত»

আমার সৌভাগ্য

২০০৮ সাল। আমি তখন ক্লাস ১২ এ পড়ি। সেদিন ছিল প্যারেন্টস ডে| সেই ক্লাস সেভেন থেকেই আমার প্যারেন্টস নিয়মিত আসে না। আসলেও অনেক দেরী করে আসে। আমিও বুঝি সেই মংলা থেকে কুমিল্লায় প্যারেন্টস ডে’গুলোতে আসা কতটা কষ্টকর। তাই আমি নিজেই মাঝে মাঝে আসতে নিষেধ করতাম। কখনো খুব বেশি খারাপ লাগে নি। এমনকি আমাদের এস,এস,সি পরীক্ষা চলাকালীন সময়ে যখন আর সবার বাবা মা এসেছে। তখন অভিভাবক শূন্য হয়ে আমার খুব বেশি খারাপ লাগে নাই।

বিস্তারিত»

মারিও বালোতেল্লি… দি আইটেম

{নীচের আইটেম সম্পর্কে আগে থেকে আগ্রহ থাকলেও ফেসবুকে কামরুল ভাইয়ের লিঙ্ক ধরেই খোঁচাখুচি করেই এত কিছুর খোঁজ পেলাম। তাই ওনাকেই এই পোস্টটা উৎসর্গ করলাম। (সেই সাথে এরকম একজন সেলিব্রেটি ব্লগারের নাম লাগিয়ে আমার ব্লগের হিট কাউন্ট একটু বাড়িয়ে নেবার চেষ্টা)}

মারিও বালোতেল্লি। ২০ বছর বয়সী ইটালিইয়ান ফুটবল খেলোয়ার। কিছুদিন আগে জিতেছে ফিফার ‘গোল্ডেন বয়’ পুরষ্কার, বিশ্বের সবচেয়ে প্রতিভাবান তরুন খেলোয়ার ( অনূর্ধ ২১) হিসেবে।

বিস্তারিত»

কথার মালা

১। আমরা তখন ক্লাস সেভেন । সব শিক্ষককে ভালও করে চিনিওনা । সবার নাম ও জানি না। statistics এর শওকত স্যারকে সবাই বদি বলে ডাকতো। আমাদের ক্লাসমেট ইয়াসিন আবার এইটা জানত না। একদিন মাহিনুর ম্যাডাম ইয়াসিনকে বাইরে থেকে আসতে দেখে বলল, ”কি ইয়াসিন কই গেসিলা?”

ইয়াসিনের জবাব, ”ম্যাডাম বদি স্যারকে ডাকতে গেসিলাম।”
=)) =))

২। ‍‍এইবারের ঘটনা ক্লাস টুয়েলভ এর।

বিস্তারিত»

ফটোব্লগঃ জাস্ট সেলোগ্রাফী-১৫, ACOC পিকনিক,২০১১

ভাই ও বোনেরা, (জ্বী সিসিবি তে এখনো আমার ভাই, বোন ছাড়া কোনো অতিথি নাই)

বহুদিন পর আমি আবার হাজির আমার অতি (কু/বি/অ)খ্যাত সেলোগ্রাফী নিয়ে। কিছু করার নাই। বহুদিন ফাকিবাজি করি না। আবার দেখি অনেকে তারকা ব্লগার দের লেখা খুজে। তাই ভাবলাম এই চান্সে পোষ্ট দিলে তারকা ব্লগার লিস্টে নাম এন্ট্রি হয়ে যেতে পারে, হয়তো আগামী জন্মদিনে পোষ্টও পাইতে পারি।

কিছুদিন আগে হয়ে গেলো ACOC এর পিকনিক।

বিস্তারিত»

অবাক জিজ্ঞাসা…

(প্রারম্ভিকাঃ ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এর নীরব পাঠক প্রায় এর জন্মলগ্ন থেকেই। কিন্তু কখনও মাঠে নামার সাহস অর্জন করতে পারিনি। কলেজে যাদের বাংলা লেখার প্রশংসা শুনতে শুনতে বড় হয়েছি, তাদেরকে এই ব্লগে লিখতে দেখে নিজেকে পাঠক হিসেবেই শ্রেয় ভাবতাম, কিন্তু যখন দেখলাম, দুলাভাই এর প্রশয়ে আমার নন-ক্যাডেট বোনও পুরোদস্তুর লেখক, তখন আর আত্মসংবরণ করতে পারলাম না। কলেজের শেষের দিকের লেখা কিছু বাক্যসম্ভার দিয়েই যাত্রা শুরু করলাম।

বিস্তারিত»