শুভ জন্মদিন মিঃ হান্টসভিল

এই তো বেশ কিছুদিন আগের কথা, সম্ভবত ২০০৯ এর অক্টোবরের কিঞ্চিত জেঁকে বসা শীতের এক দুপুর। জমে থাকা তুষার মাড়িয়ে কম্পিউটার ল্যাবে এসে বসেছি সবে মাত্র। বই পত্র খুলে মহা সমারোহে প্রস্তুতি নিতে গিয়েই মনে হলো, এই যা পড়াশুনার আগে ওয়ার্ম আপই তো করা হলো না। ঝটপট খোমাখাতার কপাট খুলতেই দেখি একখানা দু’বাক্যের মেসেজ এসে জমা রয়েছে। নামটা পরিচিত হলেও খোমাখাতার ফটুক অ্যালবামের ছবিগুলো ঘেঁটে স্মৃতির জোড়াতালি দেয়া পকেটে তেমন কোন সাড়া পেলাম না।

বিস্তারিত»

এক একটি পদক্ষেপ, এক একটি শীতার্তের উষ্ণতা–ধন্যবাদ সিসিবি ও প্রমুখ…

অনেক দিন পর লিখতে বসলাম। শুধু একটি কারণে–সিসিবি।
কাল ইনশাল্লাহ নেত্রকোনা যাচ্ছি । একটি এতিমখানায় কম্বল বিতরণ করতে। যাওয়াটা অনেকটা আকস্মিক।অনেক ঘটনা।সংক্ষেপে বলছি-
গত ১১জানুয়ারি আমি ফেসবুকে একটা মেসেজ দিই।ভাষাটা ছিল এরকম-

It’s cold out there.
All of us who are in FB,everyone is capable enough to help the people in the roads,slums,and those who has no shelter at all.

বিস্তারিত»

এ ঋন শোধাবো কেমনে????

বেশ কিছুদিন আগে ইংলিশ ১টা মুভি দেখেছিলাম। ছবিটার পুরা ঘটনাও আমার মনে নেই কিন্তু ১টা ডায়লগ মনে পড়ে নায়ক (তার প্রিয়তমাকে উদ্দেশ্য করে বলা)- I dont wanna change even a single hair of yours. I love u I love u I love u. Would I ever gonna love u less?

ছোটোবেলা থেকে শুনেছি জন্মভূমি হলো মায়ের মতো, তাহলে আমি বলব আমার কলেজ (ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ) হলো সেই মায়ের বুক।

বিস্তারিত»

পশ্চিম পর্ব (ক্যানিয়ন পর্ব)

ক্রিসমাসের লম্বা ছুটিটা শেষ করে আবার ক্লাস, কিছুই ভাল্লাগছিলোনা। আসলে আমরা সবাই তখন অধীর হয়ে আরিজোনা ট্যুরের দিন গুনছিলাম। ইন্টেলিজেন্স কোর্সে এসে ইন্টেলিজেন্ট হই বা না হই মুফতে ঘোরাফেরাটা বেশ ভালই হচ্ছিল। এমনিতে পশ্চিম নিয়ে আমার ফ্যান্টাসীর অন্ত নেই তার উপর গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন, ফ্লাগ স্টাফ, সেডোনা আর হারিয়ে যাওয়া নাবাহো, হোহোকাম সভ্যতার হাতছানি আমার অপেক্ষাটাকে অধীর হতে অধীরতর করে তুলছিলো। দেখতে দেখতে ব্যাগ গোছানোর দিন চলে এলো।

বিস্তারিত»

২৫ শে জানুয়ারী, ১৯৮৫

দিনটি ছিল ২৫ শে জানুয়ারী, ১৯৮৫।

এই দিনে প্রথম কমপিউটারে বাংলায় লেখা হয়। সেই অর্থে ডিজিটাল বাংলার সূচনা হচ্ছে ২৫শে জানুয়ারী, ১৯৮৫। প্রথম পূর্নাঙ্গ বাংলা সফটওয়্যার শহীদলিপির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে এইদিনে। এইদিনে শহীদলিপির স্রষ্টা সাইফ-শহীদ, আমাদের সাইফ ভাই, তাঁর মাকে চিঠি লিখার মাধ্যমে বাংলা ভাষার একটা নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছিলেন।

সাইফ শহীদ ভাই এব্যাপারে বিস্তারিত লিখেছেন সিসিবিতে এবং সচলায়তনে।

বিস্তারিত»

আমাদের অস্তিত্ব -২

আগের পর্ব

এর আগের পর্বে লিখেছিলাম “ব্রেইন ইন আ ভ্যাট” এর সাথে আমার পরিচয় আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স পড়ার সময়। তো ঐ তত্ত্বের সাথে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সম্পর্কও জানানো প্রয়োজন। তার আগে বলে নিই, আমাদের চারপাশের টেকনোলজি কিন্তু দারুণ গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় আর গবেষণা প্রতিষ্ঠানে এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে গবেষণা চলছে। অন্যদিকে এগুচ্ছে মানুষের চেহারার ভাব-ভঙ্গি বা আচরণ নকল করতে পারা যন্ত্র তৈরির কাজ।

বিস্তারিত»

খেরোখাতা – কোথায় আছো, কেমন আছো, মা?

মেয়েরা কি মায়ের মত ভালোবাসা দিতে পারে?

আমায় প্রশ্ন করলে ছোট্ট করে উত্তর দিবঃ না, পারে না।

স্নেহ অধঃগামী, আমার মা আমাকে তাঁর বাবার চেয়ে বেশী ভালোবাসতেন, আমি আমার মেয়েকে বেশি ভালোবাসি আমার মায়ের চেয়ে, আর আমার মেয়ে, তার সন্তানকে বেশী ভালোবাসবে, যতটুকু ভালোবাসবে তাঁর এই বাবাকে।

এটাই বাস্তব, মন মানুক আর নাই মানুক। এইই হবে।

মায়ের সংগে আমার কখনই আদর-সোহাগ ভরা কথা হয়নি।

বিস্তারিত»

অশনি সংকেত

আমি একদিন উপলব্ধি করলাম, আমি এমন একটি দেশের নাগরিক যে দেশে প্রতিনিয়ত কোন না কোন সংকট লেগেই থাকে। সেটি হোক প্রাকৃতিক বা নাগরিক সৃষ্ট, প্রতিবেশী সৃষ্ট কিংবা বিশ্বের দণ্ডমুণ্ডের কর্তাদের বানানো – ঘটনা যাই হোক না কেন, আমরা বার বার সংকটে ঘুরপাক খাই। একেবারে ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’ বলা যায়। হয়তো সব দেশই সংকটে ঘুরপাক খায়। অনেক দেশ আছে আমাদের চেয়ে আরো অনেক বেশি সংকটময়। কিন্তু বাংলাদেশটা যে আমার দেশ তাই আমার গায়ে লাগে খুব।

বিস্তারিত»

শেয়ার-কেয়ার-ফেয়ার-আনফেয়ার

ম্যাট্রিক ফেল গিট্টুর আজকাল ভাবটা ড্যামকেয়ার
শুনেছি নাকি দেদারছে কামায় ব্যবসা করে শেয়ার।

দুতিন খানা অফিস তার, চকচকে সব গাড়ি
শ্যাম্পেন আর হুইস্কিতে ভুলেই গেছে গান্জ্ঞা কিংবা তাড়ি।

চোখেতে রঙ্গিন সানগ্লাস আর মুখে চুরুটের ধোঁয়া,
কথায় কথায় তুড়ি দিয়ে বলে,
” শেয়ার ইস দ্যা বিজনেস ভাই, বাকি সবই ভুয়া”।

মনে মনে ভাবে গিট্টু প্লেজার ট্রিপ টু পাতায়া
তার আগে আরো কিছু নেবে বাজার থেকে হাতায়া।

বিস্তারিত»

স্বপ্ন বনাম বাস্তবতা -২


আমেরিকাতে এখন লাইফকোচিং (জীবনোন্নয়নধর্মী) ধরণের বইগুলো খুব জনপ্রিয় হচ্ছে। এদেশের দুটো বড় বইয়ের দোকান বার্নস এন্ড নোবেল আর বডার্সের দুটো আইল এ ধরনের বইয়ে ঠাসা। বেস্ট সেলারের তাকেও এ ধরনের বইগুলোর জ্বলজ্বল উপস্থিতি। কী নগর, কী গ্রাম – যেখানে জীবন, সেখানেই চাওয়া-পাওয়ার হালখাতা। জীবন গড়িয়ে চলে হালখাতার শেষ সারিতে – যেখানে সর্বমোট লিখে একটা সমান সমান চিহ্ন বসাতে হয় – সেজায়গাটাতে একটা ধনাত্মক শব্দ বসাতে।

বিস্তারিত»

মুঠোফোনের কবিতা-১১ ও ১২

১১
ভুলে পথ ভুলো মন,
খুঁজে যায় অকারণ;
খোয়া যায় নিভৃতে-
সুখ আপন।
ভুলে স্নৃতি ভুলোমন,
ফিরে চায় অকারণ;
মুছে যায় সব আপন।
মিছেই জীবন;
অকারণ;
অকারণ ক্রন্দন!
১২
ডুবেছে মন মায়ার বালুচরে,
আপন হবার ঘোরে।
ছুয়েছে মন মানুষ সকলে,
আপন হবার ছলে।
কেঁপেছে মন রাতজাগা ভোরে,
বেদনার ঝড়ে।

বিস্তারিত»

ভোগবাদ

(১)

পণ্য কিনি হন্যে হয়ে
একটু সুখের জন্যে
আমার চেয়ে অধিক কিনে
প্রথম না হয় অন্যে।

.

(২)

হন্যে হয়ে পণ্য কিনি
সুখ পাখিটার জন্য
পয়সাকড়ি সেই পাখিটার
পরান বলে গণ্য।
.

তোমার আমার হৃদয়টাতে
থাকলে পরে দৈন্য
আসবে না সেই সুখের পাখি
শুধুই কড়ির জন্য।

বিস্তারিত»

চাওয়ালার খসড়া

বহুকাল আগে প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে (সম্ভবত প্রতি শুক্রবারে বের হতো) একটা বিশেষ কলাম ছিল, নাম মনে পড়ছে না। বিভিন্ন সাহিত্যিকগণ কী পড়ছেন, কী দেখছেন এসম্বন্ধে দু’চার কলম লিখতেন সেখানে। আইডিয়াটা চুরি করে এখানেই নামিয়ে দিলাম। ভালো লাগলে সুখী, আর বিরক্ত হলে অনুযোগটুকু মাথা পেতেই নেবো।

_____________________________________________________________
কী শুনছিঃ

শ্রোতা হিসেবে নিজেকে কখনোই উঁচুদরের দাবি করবার সুযোগ হয়নি। তবে, হার্ড রক মেটার ধাঁচের গানগুলো খুব একটা কানে সয় না।

বিস্তারিত»

কারওয়ান বাজারে একটি ঘটনাবহুল রাত

কলেজে থাকতে ফিজিক্সের জনৈক ম্যাডাম একটা অংক করা নিয়ে বলেছিলেন, “সামনে দিয়াই পারো না, আবার পেছন দিয়া…………”

বহুদিন পর আবার সেই কথা মনে পড়ল, সম্পূর্ণ অন্য পরিবেশে, এবং পরিবেশটা রসিকতার ছিল না।

ডিপার্টমেন্টে সন্ধ্যাভর আড্ডা শেষে বাসায় যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম; এমন সময়, এক বন্ধু বলল, “অমুক ভাই তো অমুক কে নিয়ে অমুক দিন থেকে অমুক দিন পর্যন্ত লাইনে দাঁড়ায় বিশ্বকাপের অমুক,

বিস্তারিত»

আমাদের অস্তিত্ব?

এখন যেটা নিয়ে লিখতে বসেছি, সেটা দর্শনের একটা তত্ত্ব। দর্শন বিষয়ে তেমন আগ্রহ না থাকলেও আমাদের পাঠ্য বইয়ের অংশ হিসেবেই এই ধারণাটির সাথে আমার পরিচয় ঘটে গতবছর, Artificial Intelligence কোর্সের সময়। এই তত্ত্ব বা থিওরির নাম ছিল- “Brain in a vat”. প্রথমে কিছুটা জটিল লাগলেও বেশ ভাল লেগেছিল পুরো ব্যাপারটা। সেজন্যই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে বসলাম।

এই “Brain in a vat”- আঙ্গুল উঠায় একেবারে আমাদের অস্তিত্বের দিকে।

বিস্তারিত»