খেরোখাতা – কোথায় আছো, কেমন আছো, মা?

মেয়েরা কি মায়ের মত ভালোবাসা দিতে পারে?

আমায় প্রশ্ন করলে ছোট্ট করে উত্তর দিবঃ না, পারে না।

স্নেহ অধঃগামী, আমার মা আমাকে তাঁর বাবার চেয়ে বেশী ভালোবাসতেন, আমি আমার মেয়েকে বেশি ভালোবাসি আমার মায়ের চেয়ে, আর আমার মেয়ে, তার সন্তানকে বেশী ভালোবাসবে, যতটুকু ভালোবাসবে তাঁর এই বাবাকে।

এটাই বাস্তব, মন মানুক আর নাই মানুক। এইই হবে।

মায়ের সংগে আমার কখনই আদর-সোহাগ ভরা কথা হয়নি।

বিস্তারিত»

অশনি সংকেত

আমি একদিন উপলব্ধি করলাম, আমি এমন একটি দেশের নাগরিক যে দেশে প্রতিনিয়ত কোন না কোন সংকট লেগেই থাকে। সেটি হোক প্রাকৃতিক বা নাগরিক সৃষ্ট, প্রতিবেশী সৃষ্ট কিংবা বিশ্বের দণ্ডমুণ্ডের কর্তাদের বানানো – ঘটনা যাই হোক না কেন, আমরা বার বার সংকটে ঘুরপাক খাই। একেবারে ‘জন্ম থেকে জ্বলছি’ বলা যায়। হয়তো সব দেশই সংকটে ঘুরপাক খায়। অনেক দেশ আছে আমাদের চেয়ে আরো অনেক বেশি সংকটময়। কিন্তু বাংলাদেশটা যে আমার দেশ তাই আমার গায়ে লাগে খুব।

বিস্তারিত»

শেয়ার-কেয়ার-ফেয়ার-আনফেয়ার

ম্যাট্রিক ফেল গিট্টুর আজকাল ভাবটা ড্যামকেয়ার
শুনেছি নাকি দেদারছে কামায় ব্যবসা করে শেয়ার।

দুতিন খানা অফিস তার, চকচকে সব গাড়ি
শ্যাম্পেন আর হুইস্কিতে ভুলেই গেছে গান্জ্ঞা কিংবা তাড়ি।

চোখেতে রঙ্গিন সানগ্লাস আর মুখে চুরুটের ধোঁয়া,
কথায় কথায় তুড়ি দিয়ে বলে,
” শেয়ার ইস দ্যা বিজনেস ভাই, বাকি সবই ভুয়া”।

মনে মনে ভাবে গিট্টু প্লেজার ট্রিপ টু পাতায়া
তার আগে আরো কিছু নেবে বাজার থেকে হাতায়া।

বিস্তারিত»

স্বপ্ন বনাম বাস্তবতা -২


আমেরিকাতে এখন লাইফকোচিং (জীবনোন্নয়নধর্মী) ধরণের বইগুলো খুব জনপ্রিয় হচ্ছে। এদেশের দুটো বড় বইয়ের দোকান বার্নস এন্ড নোবেল আর বডার্সের দুটো আইল এ ধরনের বইয়ে ঠাসা। বেস্ট সেলারের তাকেও এ ধরনের বইগুলোর জ্বলজ্বল উপস্থিতি। কী নগর, কী গ্রাম – যেখানে জীবন, সেখানেই চাওয়া-পাওয়ার হালখাতা। জীবন গড়িয়ে চলে হালখাতার শেষ সারিতে – যেখানে সর্বমোট লিখে একটা সমান সমান চিহ্ন বসাতে হয় – সেজায়গাটাতে একটা ধনাত্মক শব্দ বসাতে।

বিস্তারিত»

মুঠোফোনের কবিতা-১১ ও ১২

১১
ভুলে পথ ভুলো মন,
খুঁজে যায় অকারণ;
খোয়া যায় নিভৃতে-
সুখ আপন।
ভুলে স্নৃতি ভুলোমন,
ফিরে চায় অকারণ;
মুছে যায় সব আপন।
মিছেই জীবন;
অকারণ;
অকারণ ক্রন্দন!
১২
ডুবেছে মন মায়ার বালুচরে,
আপন হবার ঘোরে।
ছুয়েছে মন মানুষ সকলে,
আপন হবার ছলে।
কেঁপেছে মন রাতজাগা ভোরে,
বেদনার ঝড়ে।

বিস্তারিত»

ভোগবাদ

(১)

পণ্য কিনি হন্যে হয়ে
একটু সুখের জন্যে
আমার চেয়ে অধিক কিনে
প্রথম না হয় অন্যে।

.

(২)

হন্যে হয়ে পণ্য কিনি
সুখ পাখিটার জন্য
পয়সাকড়ি সেই পাখিটার
পরান বলে গণ্য।
.

তোমার আমার হৃদয়টাতে
থাকলে পরে দৈন্য
আসবে না সেই সুখের পাখি
শুধুই কড়ির জন্য।

বিস্তারিত»

চাওয়ালার খসড়া

বহুকাল আগে প্রথম আলোর সাহিত্য সাময়িকীতে (সম্ভবত প্রতি শুক্রবারে বের হতো) একটা বিশেষ কলাম ছিল, নাম মনে পড়ছে না। বিভিন্ন সাহিত্যিকগণ কী পড়ছেন, কী দেখছেন এসম্বন্ধে দু’চার কলম লিখতেন সেখানে। আইডিয়াটা চুরি করে এখানেই নামিয়ে দিলাম। ভালো লাগলে সুখী, আর বিরক্ত হলে অনুযোগটুকু মাথা পেতেই নেবো।

_____________________________________________________________
কী শুনছিঃ

শ্রোতা হিসেবে নিজেকে কখনোই উঁচুদরের দাবি করবার সুযোগ হয়নি। তবে, হার্ড রক মেটার ধাঁচের গানগুলো খুব একটা কানে সয় না।

বিস্তারিত»

কারওয়ান বাজারে একটি ঘটনাবহুল রাত

কলেজে থাকতে ফিজিক্সের জনৈক ম্যাডাম একটা অংক করা নিয়ে বলেছিলেন, “সামনে দিয়াই পারো না, আবার পেছন দিয়া…………”

বহুদিন পর আবার সেই কথা মনে পড়ল, সম্পূর্ণ অন্য পরিবেশে, এবং পরিবেশটা রসিকতার ছিল না।

ডিপার্টমেন্টে সন্ধ্যাভর আড্ডা শেষে বাসায় যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম; এমন সময়, এক বন্ধু বলল, “অমুক ভাই তো অমুক কে নিয়ে অমুক দিন থেকে অমুক দিন পর্যন্ত লাইনে দাঁড়ায় বিশ্বকাপের অমুক,

বিস্তারিত»

আমাদের অস্তিত্ব?

এখন যেটা নিয়ে লিখতে বসেছি, সেটা দর্শনের একটা তত্ত্ব। দর্শন বিষয়ে তেমন আগ্রহ না থাকলেও আমাদের পাঠ্য বইয়ের অংশ হিসেবেই এই ধারণাটির সাথে আমার পরিচয় ঘটে গতবছর, Artificial Intelligence কোর্সের সময়। এই তত্ত্ব বা থিওরির নাম ছিল- “Brain in a vat”. প্রথমে কিছুটা জটিল লাগলেও বেশ ভাল লেগেছিল পুরো ব্যাপারটা। সেজন্যই আপনাদের সাথে শেয়ার করতে বসলাম।

এই “Brain in a vat”- আঙ্গুল উঠায় একেবারে আমাদের অস্তিত্বের দিকে।

বিস্তারিত»

ধ্যাত্!

“এই কি হচ্ছে টা কি শুনি? ছাড়ো না!”
“না, ছাড়বো না।”
“জবরদখল?”
“বলতে পারো!”
” আহ্‌… এমন ছেলে মানুষী করনা মাঝে মাঝে…”
“আমি তো ছেলে মানুষই!”
“উহহ…!!! দানব একটা। ছাড়ো না, প্লীজ।”
“না ছাড়বো না।”
” কেন এমন করছো বলতো! কেউ দেখে ফেলবে তো!”
“লোকের চোখ আছে তো দেখবার জন্যেই।”
“তুমি না, ভীষন অসভ্য।”
“জানি।”

বিস্তারিত»

ঢাকাজট

( লিখতে চেয়েছিলাম যানজট নিয়ে। হয়ে গেল ………)

(নামটা ফয়েজ ভাইএর সৌজন্যে)

.

ঘণ্টায় একপাক ঘোরে যদি চাকা

বাকি এক ঘণ্টা দাঁড়িয়েই থাকা

এভাবেই বয়ে যায়

কতটা সময় হায়

জীবনের কত আনা যানজটে থাকা?

বিস্তারিত»

চুমুর দিনে

লম্বা পথটাকে ফেলে এসে অন্ধকার সিঁড়িকোঠা,
উদ্দেশ্যহীন নয়, অনেক স্বপ্নে সাজানো চুমু নিয়ে।
চলে যাব বলে বন্ধ চোখের দাবীটুকু মেনে নিতে
দু’বার বলতে হয়নি আমার।
দুটো খাতা, একটা বই, সবটুকু সম্বল বুকের কাছে জড়ো করে,
বন্ধ চোখে কিশোরীর শিহরন, অপেক্ষা।
ডান হাতে বাম গাল, চুলের একটুখানি,
কাপড়ের খসখসে বুকের ধুকপুক বন্ধ হয়নি।
তপ্ত নিঃশ্বাস, আর শরীরে একটু শরীর ছোঁয়া।

বিস্তারিত»

ব্যস্ততা

“শীতে কাপছি তো!”
“তা আমি কি করতে পারি?”
“আমায় জড়িয়ে ধর…”
“ইসসসস… আমার বয়েই গেছে!”
“তোমার মায়া দয়া বলতে কিছু নেই? তুমি কি মানুষ?”
“না, আমি মানুষ না। আমি প্রেমিকা…”

এই বলে হুমড়ি খেয়ে পড়ে নাগিনীর মত বিষ ছড়াতে ব্যস্ত হয়ে গেলো প্রেমিকাটি।

বিস্তারিত»

ঘুরে এলাম পাহাড়ের দেশ

লেখিকা হিসেবে এটা আমার প্রথম প্রচেষ্টা হলেও সিসিবি’র পাঠিকা হিসেবে আমি বেশ পুরনো। নিজে ক্যাডেট নই, কিন্তু প্রথমে বন্ধু-বান্ধব, তারপর ভাই এবং সবশেষে স্বামীর কাছ থেকে ক্যাডেট কলেজের গল্প শুনতে শুনতে আমি যেন হাফ-ক্যাডেট হয়ে উঠেছি। তাই বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, সিসিবি’র মাধ্যমে এর লেখকদের সাথে আমার হৃদ্যতা একেবারেই অকৃত্রিম. সিসিবি’র প্রতি আমার এই টান দেখে আমার হাসবেন্ড মাহমুদ (১৯৯০-৯৬) আমাকে প্রায়শই এখানে যোগ দিতে বলে।

বিস্তারিত»

ভীষ্মকাপ

গৌরচন্দ্রিকা-
(ভারতীয় পূরাণ মহাভারতে পান্ডব ও কৌরবদের পিতামহের নাম ভীষ্ম।প্রায় গোটা মহাকাব্যেই তাকে ভীষ্ম বলে ডাকা হলেও তার প্রকৃত নাম দেবব্রত।বিশাল এই মহাকাব্যের শুরুর দিকে তার জন্ম ও নামকরণের কারণের বর্ণনা পাওয়া যায়। বিমাতা সত্যবতীর বাবার ইচ্ছা অনুযায়ী আজীবন কৌমার্যব্রত পালন ,হস্তিনাপুরের সিংহাসনের দাবীত্যাগ ও আজীবন হস্তিনাপুরের রাজ্যপ্রধানের সেবায় নিয়জিত থাকার কঠিন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন বলে তার নাম হয় ভীষ্ম। যার অর্থ কঠিন প্রতিজ্ঞাকারী।)
কানকথা-
ও এম এস এর ন্যায্যমুল্যের চাল নয়,সিডর আইলা পীড়িত অঞ্চলে বিশুদ্ধ পানি কিংবা পানি বিশুদ্ধকরণের ট্যাবলেট নয়,

বিস্তারিত»