আকাশের জানালা খুলে দিয়েছি
বাতাসের বাঁধন দিয়েছি ছিঁড়ে
তুমি আজ আসবে আমার কাছে
সাগরের ঐ নীল বুকটা চিঁড়ে।
কুসুমকলিদের বলে রেখেছি
ফোঁটে যেন তোমার চরণতলে
চাঁদের কাছে মিনতি করেছি
ভরা পূর্ণিমা যেন দেয় সে ঢেলে।
আকাশের জানালা খুলে দিয়েছি
বাতাসের বাঁধন দিয়েছি ছিঁড়ে
তুমি আজ আসবে আমার কাছে
সাগরের ঐ নীল বুকটা চিঁড়ে।
কুসুমকলিদের বলে রেখেছি
ফোঁটে যেন তোমার চরণতলে
চাঁদের কাছে মিনতি করেছি
ভরা পূর্ণিমা যেন দেয় সে ঢেলে।
১লা ফাল্গুন, বসন্তের আনুষ্ঠানিক শুরু … তবে বসন্ত শুরুর আগেই শুরু হয়ে গেল আমার দিন। ভোর প্রায় ৫ টার দিকে ঘুম ভেঙে গেল। রুমের সামনে বারান্দায় দাড়িয়ে শহীদ স্মৃতি হলের দিকে মুখ করে আকাশ দেখতে বসে গেলাম। আঁধারের বুক চিড়ে একটু খানি আলো উঁকি দিলে প্রকৃতির যে রূপ, তার প্রেমে পড়ে চোখ বন্ধ করে অনায়াসে এ রকম ২০/২৫ বসন্ত কাটিয়ে দেয়া যায় । হঠাৎ পাশের গাছটায় একটা কাঁক ডানা ঝাপটে উড়ে গেল।
বিস্তারিত»কোঁকড়ানো পাঞ্জাবী আর রংচটা জিন্স দিয়ে চুয়ে চুয়ে পড়ে আমার ভালবাসা
মাঝ রাতে শেষ সিগারেটের ধোঁয়ায় দড়ি পাকানো আমার ভালবাসা
আমার ভালবাসা চিৎকার করতে জানে
আমার ভালবাসা উচ্চস্বরে হাসতে জানে
ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে জানে
আমার ভালবাসা কথা বলতে জানে
পাবলিক ফোরাম কিংবা জমজমাট আড্ডায় সে নির্বাক থাকতে জানে
আমার ভালবাসা সময়কে পেছনে ফেলে বহু বছর ধরে
একটি জানালা দিয়ে একটি আকাশকে দেখতে জানে
আমার ভালবাসা গীটার বাজাতে জানে
আমার ভালবাসা আমার সাথে লুকোচুরি খেলতে জানে
গোধূলির সময় পাহাড়ের ওপাড়ে হারিয়ে যাওয়া সূর্য দেব এর মত হারিয়ে যেতে জানে
আমার ভালবাসা অপেক্ষা করতে জানে
আমার ভালবাসা ফুলের ঘ্রাণ শুকতে জানে
আমার ভালবাসা কষ্ট দিতে জানে
………………………………………
আমার ভালবাসা ভালবাসতে জানে…
………………..ভালবাসাতে জানে……।।
অস্পষ্টতাই আমার ভাষা
অলসতাই আমার কর্ম
ঘৃণাই আমার ভালবাসা
অধর্মই আমার ধর্ম।
দুর্বোধ্যতাই আমার সরলতা
মৃত্যুই আমার মুক্তি
অসম্ভব আমার লক্ষ্য তাই
ঠাট্টাই আমার যুক্তি।
শ্রদ্ধা আমার মানহানিকর
অবজ্ঞা আমার কাম্য
হিংসা আমার শখ আর
বঞ্চনা আমার সাম্য।
ব্যথাই আমার বিনোদন
আনন্দ আমার কষ্ট
সবকিছুই উল্টো আমার
কারণ আমি যে নষ্ট।
ক্যাডেট কলেজীয় কৌতুক – ১
হাবিলদার আমিন নামে, আমাদের একজন এন, সি, ও স্টাফ ছিলেন। শ্মশ্রুমন্ডিত তাঁর চেহারার সাথে অনেকটা আব্রাহাম লিংকনের মিল ছিল। বিকালে ক্রিকেট ফিল্ডে দাঁড়িয়ে একদিন আমাদের বললেন, “তোমরা খারাপ হইয়া গেছ”। আমি বললাম, “কি হল আবার?” উনি বললেন, “তোমাদের একজন গাঁন্জার কল্কি সহ ধরা পরছে”। আমি মানে মনে ভাবছি, বলে কি! ক্যাডেটদের উপস্হিত বুদ্ধির প্রশংসা করতে হয়। আমার পাশে দাঁড়ানো ফজলু ভাই সাথে সাথে উত্তর দিলেন,
বিস্তারিত»ভালবাসা দিবস উপলক্ষ্যে কিছু না লিখলেই নয়, তাই এই কবিতার আশ্রয় নেওয়া। সবাইকে অনিঃশেষ শুভেচ্ছা।
|| যতবার তোমাকে ||
যতবার তোমাকে দেখি ততবার ভরে উঠে
ঐশ্বরিক জ্যোতিতে আমার দু’ নয়ন।
যতবার তোমার হাতখানি ধরি,
ততবার একটি সত্য প্রতিজ্ঞা করি পূরণ।
যতবার তোমাকে আগলে ধরি আমার শীর্ণ বুকে,
ততবার আলিঙ্গন করি নতুন এক জীবন।
যতবার তোমার ওষ্ঠে একে দিই প্রগাঢ় চুম্বন,
বিস্তারিত»[শুরুর কথা : এই লেখাটা আসলে ওয়াহিদা আপার ‘স্বপ্ন বনাম বাস্তবতা – ৩’ এ মন্তব্য হিসেবে লিখেছিলাম। আপা বললেন লেখাটা পোস্ট হিসেবে দিতে। বুঝতে পারছিলাম না কি করব। একটু আগে দেখলাম, মইনুল ও একই কথা বলল। শেষমেশ ভাবলাম, পোস্ট করেই ফেলি। আসলে লেখার প্রতি (এমনকি ক্লাস রিপোর্ট অথবা প্রেজেন্টেশন এর ক্ষেত্রেও) আমার এতটাই অনীহা যে, নিজেকে লেখক হিসেবে কখনও কল্পনাই করতে পারিনা। শেষ পর্যন্ত সিসিবিতে আসার ২ বছর পর প্রথম পোস্ট দিলাম (যাই,
বিস্তারিত»সিসিবির অফিসিয়াল ব্যানার ডিজাইনার কোটিপতি কাইয়ূম ভাই ব্যস্ত হয়ে যাওয়ার পর থেকেই আমাদের ব্লগটাকে কেমন জানি গরীব গরীব দেখা যায়। ভাইসব, আপনারা যে যেভাবে পারেন ব্যানার দিয়ে আমাদের সিসিবিকে সাজিয়ে তুলুন। জাতির এই ক্রান্তিকালে আপনাদের কাছে আমাদের এটি একটি করুণ আবেদন।
সুন্দর সুন্দর ব্যানার দিয়ে চলুন আমরা আমাদের সিসিবিকে ঝলমল করে তুলি।
ব্যানার সাইজ: ৯৮০ X ১৬০
ব্যানারে ক্যাডেট কলেজ ব্লগ লেখাটি থাকতে হবে
ব্যানার পাঠানোর ঠিকানা: contact[at]cadetcollegeblog.com
বিস্তারিত»যতই দু:খ তুমি দাওনা মোরে
—————ড: রমিত আজাদ
আজ হাতে কিছু জরুরী কাজ ছিল,
তাও কবিতা লিখতে বসলাম।
ভালোবাসা দিবস কি কবিতাহীন হতে পারে?
আমার জানালার সামনে একটি নারকেল গাছ আছে,
সেখানে এক জোড়া পাখী কিচির-মিচির করে,
ঠোটে ঠোট ঘষে কিছু বলল।
আমি পাখীর ভাষা বুঝতে পারলাম,
বিস্তারিত»সখী ভালোবেসে সুখ নাহি পাই
তাই প্রতি রাতে ঝালমুড়ি খাই।
শুনেছ! ঝালের দামটাও গিয়েছে বেড়ে!
যাওয়ার সময় বলেছিল প্রিয়তমা হাত নেড়ে
“মিসকল দিওনা আর, ফোনে কল-ব্লক অপশন আছে”।
দুঃসময় কি আর গুনে গুনে পার করা যায়?
ঘড়ির ব্যাটারিটাও নষ্ট হয়ে গেছে সখী
বারোটা বাজতে আর কত বাকি আছে????
মাথার ভেতরে অজস্র স্বপ্নের নড়াচড়া তাই
আগুনকে আজকাল খুব বেশী ভয় পাই।

আমি ধরেই নিয়েছিলাম হবেনা। মাত্র এক, দেড় মাস সময়ে একেবারে ‘স্ক্র্যাচ’ থেকে শুরু করে একটা বই পাবলিশ করা কি মুখের কথা? কিন্তু সেই অসম্ভব কাজটাই সম্ভব করলো ‘বিদ্যাপ্রকাশ’ প্রকাশনী। গত বছরের একুশে বইমেলায় আমার লিখিত প্রথম বই, ‘আমেরিকার গল্পঃ রঙ দিয়ে যায় চেনা’ প্রকাশ করে ‘অনুপম’ প্রকাশনী। বইটা মূলত ‘মুক্তধারা’ প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মুক্তধারা কোনো কারনে আমার সাথে যোগাযোগ করতে যথেষ্ট দেরী করে এবং অনুপম প্রকাশনী ইতিমধ্যে বইটা প্রকাশে আগ্রহ দেখালে স্বভাবতই আমি তাদের সাথে বই প্রকাশে চুক্তিবদ্ধ হয়ে পড়ি।
আজ বার বার তোমাকে মনে পড়ে –
যেমন করে বাসতে ভালো
বুকে জড়িয়ে ধরে।
অথবা হরিনী চোখের ইশারায়
ডাকতে আমায় আপন করে।
যেমন করে রাখতে বেঁধে
অদ্ভুত এক মায়ার ডোরে।
কিংবা আমার উপর অভিমানে
দুচোখ আসত জলে ভরে।
ক্ষনে ক্ষনে মনে পড়ে –
যেমন করে করতে শাসন
অজানা কোন অধিকারে।
আর সবার মত শুরু করব নাকি বুঝতে পারছি না। আমার লিখতে ইচ্ছা করছে- ” অনেক দিন ধরেই ভাবছি লিখব, কিন্তু সাহস আর সময়ের অভাবে লেখা হয়ে ওঠে না”। অনুভূতির ব্যাপারগুলো মনে হয় ক্যাডেট প্রজাতি (বিভিন্ন সময় আর জটিল পরিস্থিতিতে পড়ে বুঝতে পেরেছি যে, ক্যাডেটদের একটি আলাদা প্রজাতি বলা সম্ভব)-র প্রায় একরকম। তাই আমিও জানি আমার লেখা যতই বস্তাপচা হোক, সিসিবি ভাইরা এই পচা-গন্ধই বরাবর নেওয়ার জন্য আমাকে আবার ব্লগ লেখার জন্য “খুব ভাল হইছে,
বিস্তারিত»ক্রিকেট বিশ্বকাপ দরজায় কড়া নাড়তে নাড়তে প্রায় ভেঙ্গে ঢুকে যাবার মত অবস্থা। দলগুলো ইতিমধ্যে গা গরমের ম্যাচ শুরু করে দিয়েছে। আর আমরা ম্যাঙ্গো দর্শকেরা চায়ের কাপে, আড্ডায়, ব্লগে অনেক হাতি ঘোড়া মারছি। যে কোন প্রফেশনাল ক্রিকেট বোদ্ধা থেকে আমাদের কারোরই জ্ঞান কম নেই বলেই আমাদের বিশ্বাস, বিশেষ করে বিশ্বকাপের দল বা সেরা একাদশ নির্বাচনে। মাশরাফি, অলক, রাসেল রাজীব, আশরাফুল,রকিবুল ইত্যাদি বিতর্কে আমরা ইতিমধ্যেই তার নিদর্শন দেখিয়েছি।
বিস্তারিত»বিশ্বকাপ দুয়ারে কড়া নাড়ছে। সপ্তাহের কম সময় দূরে দাড়িয়ে সে। এর মাঝেই প্রস্তুতি ম্যাচ শুরু হয়ে গেছে। বাংলাদেশ দল এই প্রথম মিনোজ ট্যাগ হতে বেরিয়ে বিশ্বকাপ খেলছে। আর সাথে রয়েছে হোম এডভানটেজ। বাংলাদেশ দলের বিশ্বকাপ দল গঠন নিয়ে মিডিয়া জুড়ে আলোচনা সমালোচনারও অভাব নেই। সেই আলোচনা সমালোচনায় সামিল হওয়ার জন্যই এই ব্লগের অবতারণা। একজন বোদ্ধার চোখে নয় বরং আঠারো বছর বাংলাদেশের ক্রিকেট ফলো করা একজন আম দর্শকের চোখে বাংলাদেশের দল নিয়ে মতামত প্রকাশ করার চেষ্টা এই অধম ব্লগারের।
বিস্তারিত»