১৯৭২ এর মাঝা-মাঝি । ক্যাডেট কলেজে অবশেষে ঢুকার চিঠি এল। আমার ছোট বেলার শঙ্কা ভয়ে রুপ নিল। আমি যখন বেশ ছোট তখন থেকেই বেশি দুষ্টামি করলে বাবা ক্যাডেট কলেজে ভর্তি করিয়ে দেবেন, এই ভয় দেখাতেন। একটু বড় হয়ে যখন বুঝতে শিখেছি তখন মনে মনে বলতাম, পাগল ! ভর্তি হওয়া – না হওয়া… তো আমার হাতে । ভর্তি পরীক্ষায় কিছু না লিখলেই হল ! ভেবে রেখেছিলাম যেভাবেই হোক “ফেল”
বিস্তারিত»পর্যায়ঃ ২০২
এমনি করে পায়ের কাছে পূজোর প্রসাদ দলতে পারো
অহঙ্কারী মেয়ের মতো চুল উড়িয়ে চলতে পারো
তোমার হাতে শিউলি দিলাম-ছুঁড়ে দিলে নদীর জলে
সাত কোটিবার প্রেম চাইলাম,ফিরিয়ে দিলে অন্ধ বলে
আর চা’বো না তোমার কাছে
আমার প্রেমের গোল পুকুরে একটি ছোট্ট কৌটা আছে
তার ভেতরে লুকিয়ে রাখি তোমার দেওয়া সব অধিকার
এখন থেকে তোমার মনের সবটা দখল একলা আমার
তোমার সাথে সারাটাদিন কাটিয়ে দিই খুনসুটিতে
ভালোবাসার টুকরো চিঠি-মুঠোফোনের সুক্ষ্ম ইথার
সন্ধ্যা হলে প্রেম চাইতে লজ্জা পেলাম
এমনতর মানুষ আমি
নিজের সকল উজাড় করে নারীর কাছে বিলিয়ে দিয়েও
বুকের মাঝে গোপন রাখা স্বপ্ন চা’বার সাহসটা নেই
সুপ্ত থাকুক বুকের কোণে চিরটাকাল
ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকুক চোরের মতন!
মিষ্টি অনুভুতি

ক্ষণিকের দেখা। জীবনে আর কখনো তার সাথে দেখা হবে কিনা জানি না। হ্যাঁ, আজ ট্রেনে দেখা সেই মেয়েটির কথাই বলছি। কোন ষ্টেশনে যে তাকে প্রথম আবিস্কার করলাম তা মনে নেই। তবে কোন এক ষ্টেশনে প্লাটফরমের উপর দিয়ে হেটে যেতে যেতে হঠাৎ দৃষ্টি আটকে গেল এক তৃতীয় শ্রেণীর জালনার পরে।
গায়ের রং তার ফরসা, মুখখানিতে এক অপূর্ব কমনীয়তা। তবে তাকে ভাল লাগার আসল কারণ ছিল বোধ হয় তার বালিকাসূলভ চপলতা ভাব।
বিস্তারিত»শিক্ষক VS ক্যাডেট এর ৬বছরের ম্যাচের কিছু ধারাবিবরনি।
১) ক্লাস সেভেন। হাউস মাস্টারের রুম। হাসনাত হারুন স্যার, বাংলা dpt. আমাদের ইমতিয়াজ কে জিজ্ঞেস করল “বাড়ি কই?” ইমতিয়াজ “নোয়াখালী” । স্যার ” নোয়াখালী কই ? “(স্যারের বাড়ি ও নোয়াখালী) । ইমতিয়াজ প্রশ্ন না বুঝেই বলল ” স্যার নোয়াখালী চট্টগ্রাম বিভাগে ।” এবার স্যার “চট্টগ্রাম কই ? ” উত্তর “স্যার চট্টগ্রাম বাংলাদেশে ।” আর কি খাইলাম ক্যাডেট কলেজের প্রথম ঝাড়ি । বলল আমরা বেয়াদব ব্যাচ ।
বিস্তারিত»এলোমেলো ফটোব্লগ
অনেক সিরিয়াস সিরিয়ার টপিক সামনে, বিশৃংখল একটা পোস্টাই।







বিঃ দ্রঃ সব ছবিগুলা মনেহয় আমি এখানে আগেও একবার দিছিলাম, কি করা, ক্যাডেট তো, সব খাতায় একই উত্তর দেয়ার অভ্যাস এখনো যায় নাই।
বিস্তারিত»একটি যাপিত জীবন
১
লাটিম হয়ে কক্ষপথে নক্ষত্রের ঘূর্ণি-
মানুষ আমি অবিরাম ছুটি দিবানিশি ।
হঠাৎ আচমকা কখনও ফুসরত মিললে
নীল আকাশের দিকে তাকাই মুখ তুলে।
বহমান নদীর জলের মত পলি ফেলে
নিরুদ্দেশের মোহনাকে মেনেছি গন্তব্য।
চলতি পথের নুড়ি পাথরের গায়ে গায়ে
লেপ্টে রয় আমার অপূ্রনীয় স্বপ্নগুলো ।
২
সবুজ পাহাড় পেরিয়ে যাযাবর হয়ে
ধুলো মাখা পথ মাড়িয়ে ছুটে চলি।
পুরানো স্মৃতিগুলোকে হাতড়ে বেড়ানো……..
“এই যে লাটসাহেবের বিবি, শীঘ্রই ওঠো। তোমার কাজগুলো তোমার কোন সতীন এসে করে দিয়ে যাবে শুনি?” – মহিলা দজ্জাল পুলিশটার ধমকে ঘুম ভাঙল শিউলির। আহ ! কি শান্তির ঘুমটাই না নষ্ট করলো ওই দজ্জাল বেটি ! – মনে মনে ভাবে শিউলি।
গত ৫ বছরে প্রায় ১৫ টার মত রুমে থেকেছে ও। মানে ওকে ট্রান্সফার করা হয়েছে। জেলারের কড়া আদেশ এই রুমে যদি ও কোনও ঝামেলা করে তাহলে ওর নামে কমপ্ল্যাইন করা হবে।
বিস্তারিত»ও আমার চক্ষু নাই
রুমানা মঞ্জুরকে নিয়ে এর মধ্যে গণমাধ্যমে, ব্লগে, ফেসবুকে প্রচুর লেখা হচ্ছে। ভাবছিলাম কি লিখবো! রুমানার ওপর নির্যাতনের কথা? এক ছাদের নিচে যার উপর সবচেয়ে ভরসা করা যায়, সেই লোকটার অমানুষ হয়ে ওঠার কথা? ঘরে ঘরে যে পারিবারিক সহিংসতা এদেশে চলে তার কথা? আমাদের সযত্নে গোপন রাখা সব সত্যের কথা? আমাদের তথাকথিত পৌরুষত্বের রগরগে কোনো দম্ভ?
এক. “এটা কোন রহস্য মামলা নয়।
বিস্তারিত»যে সীমান্তে শুধুই বসন্ত ! (৪)
চমকিত বিজলী
প্রথম আমাদের দেখা হয়েছিল
জমকালো এক শপিং মলের
অলস দুপুর পেরিয়ে রোমাঞ্চকর সেই বিকেলে।
তুমি কালো শাড়ি পড়েছিলে,
আর আমি পড়েছিলেম
সাদা জমিনে কমলা সুতোয় কাজ করা পাঞ্জাবী।
অথচ জানিনা আমরা দুজনের কেউই
‘কালো’ আমার আর ‘কমলা’ তোমার প্রিয় রঙ।
বড়রা তখনও সৌজন্যমূলক আলাপচারিতায় মত্ত।
আজকের এই দেখা হওয়াটাকে তারা সবাই মিলে-
নেহায়েৎ –
রোড টু জার্মানী ২
এই শতাব্দীর শুরুর দিকেও উচ্চশিক্ষার দেশ বলতে আমরা গুটিকতক (ইউ.এস.এ, জাপান কিংবা অস্ট্রেলিয়া) দেশকে চিনতাম। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির সহজলভ্যতার কল্যাণে দুনিয়া যেমন ছোট হতে লাগলো, তেমনি উচ্চশিক্ষার দেশের সংখ্যাও বাড়তে লাগলো। সেইসাথে পাল্লা দিয়ে বাড়তে লাগলো সুযোগ সন্ধানী, ধান্দাবাজ মিডিয়ার সংখ্যা।
উচ্চ শিক্ষার দেশ হিসেবে এখন কানাডা, ইউ.কে, নিউজিল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, সুইডেন, জার্মানির কথা কে না জানে। তার সাথে মিডিয়ার কল্যাণে যুক্ত হয়েছে ইউরোপের দেশ রাশিয়া,জর্জিয়া,লাটভিয়া,সাইপ্রাস,পোল্যান্ড এমনকি এশিয়ার দেশ ইন্ডিয়া,
বিস্তারিত»ইচ্ছেপুরাণ
ইচ্ছেগুলো দিচ্ছে নাকো থাকতে আমায় ইচ্ছেমতো
ইচ্ছেঘুড়ির পাখায় উড়ি ইচ্ছেমতোন যাচ্ছেতাই
ইচ্ছেগাঙের ঢেউয়ের মতোন ইচ্ছে ছুটি পাচ্ছে তাই
এমনি করে ইচ্ছে করে মরছে দেখো ইচ্ছে কতো
ইচ্ছেগুলো দিচ্ছে নাকো থাকতে আমায় ইচ্ছেমতো
ইচ্ছে নিয়ে ভাবছি যতো যা-খুশি-তাই ইচ্ছেমতো
ইচ্ছে করে ইচ্ছেগুলোয় ইচ্ছেমতোন রং মাখাই
বাঁধন ছিঁড়ে শিকল ভেঙে ইচ্ছেগুলোর মুক্তি চাই
চাইছি যতোই ইচ্ছেগুলো হোক না স্বাধীন ইচ্ছেমতো
হতচ্ছাড়া ইচ্ছেগুলো মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে ততো
ইচ্ছেমেঘের ভেলায় ভেসে যাচ্ছে এ মন ইচ্ছেমতো
বাঁধনহারা ইচ্ছেগুলো ইচ্ছেমতোন নাচছে তাই
শিকল পরা ইচ্ছেগুলো সদলবলে জাগছে তাই
ইচ্ছেগুলো নিচ্ছে কেড়ে ইচ্ছে করার ইচ্ছে যতো
ইচ্ছেগুলো দিচ্ছে নাকো থাকতে আমায় ইচ্ছেমতো
বর্ষা বিলাস
বর্ষাকাল বা বৃষ্টি কখনোই আমার প্রিয় ছিল না, ঝড় খুব উপভোগ করি তবে বৃষ্টি না। বৃষ্টি শুরু হলে অনেকেরই দেখেছি বিভিন্ন ধরনের আবেগ উথলে ওঠে, কবি সাহিত্যিক হলে তো কথাই নেই। আমার বরং ছুটিতে বাসায় আটকে পড়ে থাকা, ঢাকার রাস্তায় জমে থাকা পানির মধ্যে আটকে থাকা কিংবা কলেজে বৃষ্টির কারনে গেমস না হওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি কারনে বৃষ্টি উল্টো বিরক্তির কারনই বেশি হতো। তবে দু এক সময় যে ভাল লাগয়ে না তাও না,
বিস্তারিত»ধোঁয়া খাওয়া চাঁদ
লেখাটিকে কবিতা বলার দুঃসাহস করতে পারছিনা। পাঠকেরা তাই একে এক শহুরে পাগলের আবোলতাবোল বকা বলেই ধরে নেবেন।
ধোঁয়া খাওয়া চাঁদ
তোর লাগি আমি চাঁদ হব,
গ্রামের মুক্ত আকাশের অপূর্ব চাঁদ নয়;
নগরের ধোঁয়া খাওয়া চাঁদ;
কালো ধোঁয়া, বিদ্যুতের আলোর সাথে যুদ্ধ করা এক চাঁদ।
সখী, তোর লাগি আমি সেই চাঁদটি হব।
তোর কাছে আসব আমি এ শহরেরই কোনও এক দশতলার ছাদে,
বিস্তারিত»রোড টু জার্মানী
যে সকল ভাই ও বোনেরা আঁতলামি আপডেট ২ পড়ে আমার জন্যে দোয়া করেছেন অথবা পড়েছেন কিন্তু দোয়া করেন নাই অথবা পড়েনও নাই দোয়াও করেন নাই তাদের সবাইকে ধন্যবাদ।
আমার বহুদিনের স্বপ্ন, “চাকরি ছেড়ে আবার ছাত্র হবার ধান্ধাবাজী” করতে করতে আমি অবশেষে সফল হতে চলেছি প্রায়।
ক্যাডেট কলেজ থেকেই স্বপ্ন ছিলো, দেশের বাইরে পড়তে যাব। মনে আছে, তানভীর (আমাদের পাগল বৈজ্ঞানিক ) যে কিনা ক্যাডেট কলেজে থাকতেই অক্সফোর্ড,
বিস্তারিত»‘ নিঃসঙ্গতার তেত্রিশটি পদ্য ’ ও ‘ সহযাত্রী ’
‘ নিঃসঙ্গতার তেত্রিশটি পদ্য ’
হেলাল মুহাম্মদ
——————-
পদ্ম-শাপলা-শালুক কিছুই মেলেনি
এই রক্তচোষা খরায়
তাই নিঃসঙ্গতার তেত্রিশটি পদ্য লিখে
বসে আছি চুপচাপ
তোমাকে শোনাব বলে।
একাকীত্বের বন্যায় দুকূল ছাপিয়ে গেলে
খবর দিও
কূলভাসী বানে ভেসে যাবো দুইজনে
এই বর্ষায়।
——————
‘ সহযাত্রী ’
হেলাল মুহাম্মদ
——————-
এসেছে জোয়ার সমুদ্রে;
