১।
আমাদের দেশে উল্টো নিয়মে চলতে থাকা বিভিন্ন নিয়মের একটা হলো বর্ষা কাল আসলেই সব খোড়াখুড়ি শুরু হয়ে যাওয়া। যদিও বর্ষাকাল প্রায় চলে আসছে, কিন্তু আমার এই খোড়াখুড়ির সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। সম্পর্ক আছে সর্বশেষ আপডেটের। আপডেটের পরে সিসিবির ড্যাশবোর্ডে ঢু মারতে গিয়ে দেখলাম সিসিবির সকল প্রকাশিত, ড্রাফট পোস্ট ও কমেন্টের লিস্ট দেখতে পারছি। আগে একসময় এরকমই ছিল, তবে কোন এক আপগ্রেডের পরে সেটা বন্ধ হয়ে যায়।
ব্যক্তিগত রেসিপি-৬
আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি ঝরছে তো ঝরছেই, রাতভর ঝরে ঝরে ঢাকাশহরে প্লাবন নিয়ে আসবে বুঝি।
অনেক রাত হলো, একটুও ঘুম আসছেনা।
হুস করে একটা ট্রাক চলে গেলে পুরো মহল্লাটা পাশ ফিরে শুলো।
বাইরে রাস্তায় টিমটিম করে জ্বলতে থাকা ল্যাম্পপোস্টের বাতিটা কোনরকমে একফোঁটা আলো এনে ফেলেছে আমার বিছানার উল্টোদিকের দেয়ালটাতে।
সেখানে ঝুলছে পৃ-র দেয়া মুখোশটা, পহেলা বৈশাখে মেলা থেকে কিনে দেয়া।
হা করে মস্ত একটা নির্ঘুমতা নিয়ে আমার দিকে চেয়ে থাকে একেকটা রাত,
“খুকি, সব্যসাচী ও একজন গুরুর গল্প”
মৃত্যুশয্যায় আজম খান
আজকে টিভিতে দেখলাম লাইফ সাপোর্ট দিয়ে বাংলা ব্যান্ড সঙ্গীতের গুরু আজম খানকে বাঁচিয়ে রাখা হয়েছে। শুধু নাকি তার মস্তিষ্ক কাজ করছে।
হয়তো সাপোর্টও খুলে নেওয়া হবে।
ধরে নেওয়াই যেতে পারে এই মহান শিল্পী আর আমাদের মাঝে থাকবেন না। কিন্তু তার সৃষ্টি থাকবে।
আমার প্রিয় ব্যান্ড শিল্পীদের মাঝে আজম খান সর্বত অগ্রে থাকবেন।
বিস্তারিত»প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির খতিয়ান
কলেজে থাকতে অনেকেই একটা কথা বলত ক্যাডেট কলেজ আমাদের কি দিয়েছে? আমিও এর ব্যতিক্রম ছিলাম না। চিন্তা করতাম এরকম পিটি, ড্রিল, ফলিন, পানিশমেন্ট আর এত এত নিয়ম……আমরা যে প্রায় সব ধরনের স্বাধীনতাই বিসর্জন দিচ্ছি বিনিময়ে কি পাচ্ছি? আমার বাবা মা জানতেন আমি ভাল ছাত্র, হয়তো এই জন্যেই ক্যাডেট কলেজে চান্স পেয়েছিলাম। কিন্তু কলেজে ঢুকার পর হয়তো আমার থেকে আরো ভাল অনেকের ভিড়ে আমি হারিয়ে গেলাম।হয়ত বাবা মা-র শাসন ছিল না তাই পড়াশোনার দিকে মনোযোগ কম ছিল।
বিস্তারিত»আমার মায়ের লেখা … আমার মায়ের কথা
(সন্তান হিসেবে বাবা-মায়ের গর্বের জায়গাগুলো ধারণ ও সংরক্ষন করা আমার নৈতিক দায়িত্ব বটে … ধারণ করেছি ঠিকই, সংরক্ষনে ব্যর্থ হয়েছি বলেই হয়ত আমার মায়ের এই লেখাটা ব্লগে শেয়ার করছি … সান্তনা … প্রথম আলো নারীমঞ্চ পাতায় লেখাটাকে ঠাই করিয়ে দেবার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে ধন্যবাদ …)
স্বপ্ন হত্যার প্রতিবাদ …
-বিলকিস জাহান
টাংগাইলের মির্জাপুরে, মৈশামূড়া বসন্তকুমারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯০ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে প্রথমবারের মত প্রাক্তন ছাত্র-ছাত্রীদের পূনর্মিলনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে।
বিস্তারিত»আঁতলামি আপডেট ২
আন্ডারগ্রাজুয়েশনের পাট চুকিয়ে কয়েকদিন বেশ ভালোই ছিলাম। নিজেকে কেমন বড় বড় মনে হত। যখন দেখতাম ক্লাস ১/২ তে পড়া আন্ডাবাচ্চা সারাদিন ঘাড়গুজে পড়াশুনা করছে তখন মনে হত আমাকে আর এমন করে পড়তে হয় না । আত্বতুষ্টিতেই মনটা ভরে যেত।
মিডটার্ম নেই, সেমিস্টার ফাইনাল নেই, এ যেন এক শান্তির জীবন।
এই সুখ কপালে সইলো না বেশীদিন। লোকজনের খালি একই প্রশ্ন,
”
সিসিবির ওয়ার্ডপ্রেস ভার্সন আপগ্রেড সম্পর্কে
আপডেট: সিসিবির ওয়ার্ডপ্রেস ভার্সনের কাজ সফল ভাবে সম্পন্ন হয়েছে। কেউ সাইট ব্যবহারে কোন সমস্যার সম্মুখীন হলে দয়া করে নিচে মন্তব্যের ঘরে রিপোর্ট করুন। ধন্যবাদ।
———————————————————-
ক্যাডেট কলেজ ব্লগটি ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করে ডেভেলপ করা হয়েছে। আজ রাত বাংলাদেশ সময় ১২টা থেকে ক্যাডেট কলেজ ব্লগের ওয়ার্ডপ্রেস ভার্সন আপগ্রেডের কাজ শুরু করা হবে। আপগ্রেড এবং আপগ্রেড পরবর্তী টেস্টিং এর জন্য ক্যাডেট কলেজ ব্লগ রাত ১২ টা থেকে আনুমানিক রাত একটা পর্যন্ত ডাউন থাকতে পারে।
ক্রস ড্রেস সমাচার
ক্রস ড্রেস বলে যে কিছু থাকতে পারে ক্যাডেট কলেজে না গেলে কোন দিন জানা হত না। কলেজের প্রথম দিনেই ক্রস ড্রেস বিষয়টা জানতে পারি। আমার গাইড আমাকে উদাহরণ দিলেন হাফ শার্টের সাথে ফুল প্যান্ট পড়া, তারপর স্লিপিং ড্রেস এর সাথে শার্ট পড়া, বা পাঞ্জাবির সাথে প্যান্ট পড়া,, সাদা শার্টের সাথে কালো প্যান্ট, খাকি প্যান্টের সাথে খাকি শার্ট ছাড়া অন্যকিছু ইত্যাদি ইত্যাদি। বলা বাহুল্য আর সব বিষয়ের মত ক্রস ড্রেস পড়াও ক্লাস সেভেনের জন্য নিষিদ্ধ।
বিস্তারিত»কম্পিউটারঃ আরেক তথ্য বিপ্লবের দ্বারপ্রান্তে
শিরোনামে যা লিখেছি তা একটি বহুল প্রচলিত বাক্য। বাংলাদেশে আমি কোন পরীক্ষক হলে এই বাক্যটি একটা বাংলা পরীক্ষায় ভাবসম্প্রসারণ করতে দিতাম।
যে প্রশ্নগুলো মাথায় আসে তা হলোঃ
তথ্য বিপ্লব কী?
তথ্য বিপ্লব হলে কী হয়?
দ্বারপ্রান্ত মানে কোন প্রবেশদ্বার দিয়ে ঢুকবো ঢুকবো অবস্থায় আছি – প্রবেশদ্বারের ওপারে কি আছে?
শেষ কথার এক কথা আমি কোন মারফতী মানের ধার ধারি না,
দিন শেষের আলো
অবশেষে ফিরে এলাম।
গত চার মাস ধরে সিলেট শহর থেকে দূরে বটেশ্বরের কোলে আছি।
জানে পানি নাই, সব রস শুকায় গেছে,…………।
(অবশ্য এইটা বোধহয় আমার জন্য প্রযোজ্য নয়, রস না থাকলে কি আর ব্লগ লিখতে বসি?)
যা হোক, কোর্স শেষ। এখন ঘরের ছেলে ভালয় ভালয় ঘরে(অথবা ইউনিটে) ফিরলেই বাঁচি।
এখানে একটা ডিস্ক্লেইমার দিয়ে রাখি, এই লেখাটা পুরোটাই একটা মনোলোগ,
বিস্তারিত»বৃষ্টি- ১
বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর,
কোথায় গেল দগ্ধ দুপুর;
ভীষণ রোদে পোড়া ?
তোমার মনের হাজার নূপুর
কোন আবেশে আজকে পাগলপারা?
কোন সে বোধের কালবোশেখী;
করবে ছন্নছাড়া ?
কেবল বালুচরে;
চলবে ভাঙ্গা-গড়া ?
জীবন নদী যাবে বুঝি এমনি বয়ে;
কূলহারা, ঢেউহারা!
অটোয়ার জার্নাল – চার
হারিয়ে যাবার নিয়ম নেই এখানে
আমি বুঝতে চাই এই অনুভূতিগুলো আমার মতো অন্যদের হয় কিনা। আমরা যখন সাংঘাতিক ভঙ্গুর অবস্থায় থাকি। ওলটপালট জীবনকে একদম নতুন করে সাজাতে চেষ্টা করি। কিংবা বার বার পিছলে যাই শূন্য থেকে পূর্ণ হবার চেষ্টায়, তখন হয়তো একবারে ছন্নছাড়া অবস্থা থেকেই শুরু করি। ব্যাপারটা কখনোই এমন হয় না যে হঠাৎ একদিন তুমি একখণ্ড লাল ইট দিয়ে নতুন ঘর বাধার মতো করে তোমার জীবন নতুন করে শুরু করলে।
বিকেলে-২

ফেনিল মেঘনীলে
ঝাঁপিয়ে
হারিয়ে
গেছিলি মেয়ে,
মনে পড়ে?
আজ এত বিকেল পরে
আকাশের কিনারায়
এই উঁচুতে চড়ে
ঘাড় কাত করে
ঠায় ব’সে আছি,
তোর পালকের
রঙিন ইশারা
যদি চোখে পড়ে
_____________________________________________________________
রুম্মানের আঁকা ছবি নিয়ে ফের কিছু লেখার চেষ্টা চালালাম।
নিজের অজান্তেই দেখছি ‘বিকেলে’ সিরিজ করে ফেলছি এই যৌথপ্রয়াসকে।
ক্যাডেট কলেজ ও প্রাসঙ্গিক ভাবনা
ক্যাডেট কলেজ ব্লগে এটা আমার প্রথম লেখা। আমি লেখালেখিতে তেমন অভ্যস্ত নই। তবুও লেখালেখি নিয়ে আমার আগ্রহ অনেক। যাই হোক, প্রথম লেখাটা অনেকটা জার্নাল ফরম্যাট এ লেখা। যদিও এতে কোন ধরণের রেফারেন্স ব্যবহার করিনি। সাধু-চলিত ও বাংলা-ইংরেজির (বাংলাতেই) যথেচ্ছা ব্যবহার, পড়া পর্বে পাঠকের উষ্মা প্রকাশের কারণ হতে পারে। আশা করি, পাঠক আমার লেখাটি সাদরে গ্রহণ করবেন।
সাইফুল
ফকক/ফহা/১৯৪৮/১৯৯২-১৯৯৮(৩৯-তম ব্যাচ)
লেখার উদ্দেশ্য: ২০১১ এর মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলাফল কিছুদিন আগে বের হয়েছে।
বিস্তারিত»সাম্প্রতিক এবং ছেঁড়া কথন ০৪; আপাতত শেষ
এক ছোটভাই মুঘলদের কিছু ঘটনাকে মিথ আখ্যা দিলো।
সমস্যা?
কোনও সমস্যা নাই।
তারপরও মনে হলো আরও খানদুয়েক অ্যাড করি।
আকবর যে দিল্লিশ্বর বা বিরাট মাপের বাদশাহ ছিলেন এটা অনেকেই জানেন।
আরও জানেন যে আকবর নতুন এক ধর্মের প্রবর্তন করেছিলেন, দ্বীন-ই-ইলাহি। অনেকটা আজকের শিখ ধর্মের মতন; সকল ধর্মের জগাখিচুড়ি।
তবে এও শোনা যায়, মৃত্যুর পূর্বে তার নবরত্নদের একজন; খুব সম্ভবত আবুল ফজলের কাছে মুসলমান হয়েছিলেন।
