আজো ভাসি বেনোজলে,
উথাল পাথাল স্মৃতির কূলে।
জীবন ছোটাই ঊর্ধ্বশ্বাসে,
কে জানে সে কীসের আশে?
স্বপন বোনার আপন খেয়াল –
যাচ্ছে কেবল চরকা কেটে।
দিনের আলো নিভে এলে,
একা আমি আপন মাঝে-
মিছেই ছুটি ছায়ার পিছে।
তবু যখন রাত্রি নামে;
বাঁচতে বুঝি ভালই লাগে-
জীবন জুড়ে এই জীবনের-
নানা রঙের অর্থ খুঁজে।।
ছবিব্লগঃ আনাড়ির HDR
ব্লগে আমার পোস্টের সংখ্যা মাশাল্লাহ কম না। খেলাধূলা আর দিনলিপির নামে খাচ্ছি-দাচ্ছি, ঘুরে বেড়াচ্ছি টাইপের বকর বকর করেই এসব পোস্টের পাতা ভরেছি। এতদিন পরে ভাবলাম একটু বৈচিত্র আনা দরকার, তাই এই ছবিব্লগ।
প্রথমেই বলে নেই আমার ফটোগ্রাফি এই ব্লগের মূল উদ্দেশ্য না, আর এখানের সব ছবি আমার নিজের তোলাও নয়। (মূল ফটোগ্রাফারের নাম ও অনুমতি সাপেক্ষেই ব্যবহার করছি)
ফটোগ্রাফি সম্পর্কে আমার আগ্রহ এখন পর্যন্ত ফেইসবুক,
বিস্তারিত»কামব্যাক পোস্ট
এইখানে সামার মানে আনন্দ আনন্দ আর আনন্দ। সবাই ক্যালেন্ডারের পাতা দেখে জামা কাপড়ের দৈর্ঘ্য কমায় আর কাজ কর্ম শিকেয় তুলে বেড়াতে বের হয়ে যায়। সবচেয়ে মজা হয় সকালের দিকে পার্কে বা মাঠে গেলে। ডে-কেয়ার সেন্টারের আন্ডাবাচ্চাগুলোকে একটার পর একটা দড়ি দিয়ে বেঁধে একসাথে শিকলের মতো করে নিয়ে ঘুরতে বের হয় প্রায়ই। কি বিচিত্র তাদের কান্ডকীর্তি তা না দেখলে বলে বুঝানো আমার কর্ম না। আমি আর তৌফিক একসাথে বের হলে এদের দেখি আর হাসি,
বিস্তারিত»যদি কিছু মনে না করেন
বাজার থেকে বিস্কুট কিনে আনলাম। প্যাকেট করা। প্যাকেট খুলে দারুন মজাদার ফ্রেশ বিস্কুট খুলে খাওয়া শুরু করলাম। প্যাকেট করা কেন? কারন না করলে “ফ্রেশ থাকবে” না, নস্ট হয়ে যাবে।
বাসা থেকে বের হবার আগে ল্যাপটপটা ব্যাগে রেখে আসি। বাইরে নিয়ে গেলেও ব্যাগেই রাখি। কারণ? কারন ময়লা ধূলো পড়তে পারে। এত টাকার জিনিষ “ময়লায় নষ্ট” হতে দেওয়া যায় না।
বাজার থেকে আপনি মোবাইল কিনে আনুন।
বিস্তারিত»প্রিয় জন্মভূমি যশোর
একটা সময় যখন যশোর শহরে প্রায় অনেকেই আমাকে অন্তত নামে চিনতো। আমাকে না চিনলেও আমার বাবার নামে চিনে ফেলতো।
– খোকা, কোন বাড়ীর ছেলে তুমি?
বাড়ীর নাম বলতেই বলে উঠতো – ওহ, তুমি শহীদুল্লাহ সাহেবের ছেলে। উনি আমার হেড মাস্টার ছিলেন। স্যার কেমন আছেন।
কিন্তু এটাতো ৫০ বছরের আগের কথা। এখন আর কেউ চিনবে না আমাকে।
বিস্তারিত»ভাষা নিয়ে যত কথা…
ঘটনা-১
নেদারল্যান্ডসে পা রাখার অল্পকিছু দিনের মধ্যেই আমার নামের আগে “আগুন” লেগে গেল। ইউনিভার্সিটিতে সবাই মোটামুটি এক নামে চেনে। বাংলাদেশের ‘ফায়ার রেজা’।
নামের আগে এই অহেতুক আগুনটুকু কিন্তু আমি মোটেও চাইনি। কিন্তু আগুন ভয়াবহ জিনিষ, আমার ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোনো ব্যাপারে ধার ধারে না। একবার লেগে গেলে থামানো কঠিন। আগুন লাগার গল্পটা বলি।
ইউনিভার্সিটিতে গিয়েছি। ক্লাস ছিল না শুধু দেখবার জন্য গিয়েছি।
বিস্তারিত»একজন আপু ১
হঠাৎ করে সন্ধানীতে গিয়ে চমকে গেছিলাম। ডেস্কের সামনে হাতলওয়ালা চেয়ারটিতে সুন্দরী এক আপু বসে আছে যাকে আমি চিনিনা ।কি আশ্চর্য্য ঘটনা ।আপনারা মনে করতে পারেন এতে আশ্চর্য্য হবার কি আছে ? একজন সুন্দরী আপুকে আমি নাই চিনতে পারি।কিন্তু আমাদের ৮জনের গ্রুপ টির কাহিনী শুনলে আপনি বুঝবেন এটি আশ্চর্য্য হবার মত ঘটনা বটে। আমরা মেডিকেল এ ৮জন বন্ধু ছিলাম। ১ম এই বলে রাখি ছাত্র হিসেবে আমরা ছিলাম যারপরনাই ব্রিলিয়ান্ট।আমাদের ১৫৫ জনের ক্লাস টিতে আমাদের মত ব্রিলিয়ান্ট কেউ ছিলনা ।১ম পরীক্ষা ছিল anatomyএর superior extrimity ।
বিস্তারিত»আমি ক্ষমা চাচ্ছি ।
আমরা এমন কেন? কেন সবসময় চারপাশে এগুলা দেখি আর চুপ করে থাকি? এখানে কে নিরাপদ? আমার মা? আমার বোন?আমার মেয়ে? আমার প্রেমিকা? আমার স্ত্রী? কে? বারবার আমাদের শুনতে হয় , দেখতে হয় এ সব নির্যাতনের ঘটনা? রাস্তার বখাটে থেকে শুরু করে শিক্ষক কারও কাছ থেকেই কি মেয়েরা রেহাই পাবে না?আমাদের আদিম প্রবৃত্তি গুলোকে কখনই কি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবনা? পরিমলের মত লোকেরা সবসময় বেঁচে যাবে।প্রতিদিন যখন আমাদের বাসার মেয়েরা বাইরে যায়,
বিস্তারিত»আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (পাঁচ)
আজিজুল হাকিম, এফ সি সি/১৯৭২~৭৮
ক্লাস সেভেন এর সময় টা মনে হয় সৌর বছর নয়। নেপচুন এর মত ৬০,১৯০ দিনে বছর অথবা প্লুটোর মত ৯০,৬১৩.৩০ দিনে বছর। আমাদের কিছুতেই দিন কাটে না । আর পানিশমেন্ট কোন ব্যাপারই নয়। নাক দিয়ে রক্ত ঝরলে বা লজ্জাবতী কাঁটায় পীঠ লালচে জখম হলে হসপিটাল এ একবার ঘুরে আসি, আধা ঘণ্টা… …-এক ঘণ্টার রেস্ট পাই। আবার যেই লাউ সেই কদু ।কুছ পরোয়া নেই ।আর উর্দু বাৎ ও ওস্তাদ দের কল্যাণে শিখেছি প্রচুর।
বিস্তারিত»দেশে ফেরার গল্প – শূণ্য
অ.
দাঁতের সাথে আমার শত্রুতা চিরদিনের। আমার জীবনের অনেক সমস্যার মধ্যে দাঁত হলো ছোটবেলা থেকেই অন্যতম একটি মিলিয়ন ডলার সমস্যা। জানুয়ারি মাস থেকে দাঁত বাবাজি বিগড়ানো শুরু করলো। একদিন ঢাকাতে বাসার লোকজনকে টেলিফোনে বলেও বসলাম যে যেদিন দেখবো অবস্থা বেশি খারাপ সেদিন উড়োজাহাজের একটি টিকেট কেটে সোজা দেশের পথে ভোঁ হবো। গত এপ্রিলে ইত্যকার নানা জাগতিক এবং মারফতি কারণ এবং অকারণ মিলিয়ে আমি ভয়াবহ হোমসিক হয়ে পড়লাম।
সৃষ্টিকর্তার সাথে কিছুক্ষণ!!!
স্বপ্ন ছিল সৃষ্টিকর্তার সাথে দেখা করবো!!!
কল্পনায় দেখা হলো… …
“তুমি আমার সাথে দেখা করতে চাও?
জিজ্ঞাসা করলেন তিনি।
-যদি আপনার সময় হয়
তিনি হাসলেন।
-“আমার সময় অনন্ত তো তুমি কী জানতে চাও?
-মানুষের কোন দিকটা আপনাকে অবাক করে?
-“এই যে তারা শৈশব নিয়ে বিরক্ত হয়ে পড়ে
খৃব তাড়াতাড়ি বড় হতে চায়
অতঃপর..
হাশেম মামা
প্রায় ২ বছর পর নানা বাড়ি তে গেলাম। তাও আবার মাত্র ৪ ঘন্টার জন্য। গ্রাম আসলে আগের মত নেই। বাড়ি ঘর সব পাকা। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বোধহয় দেখা যায়, এমনই মনে হল। ঘুরলাম ফিরলাম আর দেখলাম।
চলে আসার আগে আগে হঠাত হাশেম মামাকে দেখলাম। হাশেম মামা একজন কৃষক, সব সময় আমার নানা বাড়িতে আসতেন। আমরা যখনই নানা বাড়ি যেতাম উনি এক বার হলেও আমাদের সাথে দেখা করতে আসতেন।
আমাদের কি IDENTITY CRISIS চলছে ?
আমরা একটা ভয়াবহ ক্রান্তি কাল অতিক্রম করছি। আমি কে, এই প্রজন্মের কাছে একটা বড় প্রশ্ন বোধক চিহ্ন ? আমাদের সময়টা মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী কাল বলে, আমরা গরীব, হতোছিন্ন পোশাকে, হাড় জির-জিরে উদাম শরীর নিয়েও পৃথিবীর কাছে বলতে লজ্জা পেতাম না ” আমরা বাংলাদেশী “, ঠিক তেমনি কাওকে কখনো বলতে দ্বিধা করিনি , “আমি ফৌজিয়ান বা আমি…… একজন এক্স ক্যাডেট”। অধুনা কিছু পোস্ট দেখে শুধু আঁতকে নয় শিউরে উঠি।
বিস্তারিত»প্রেম : ৬ দশক পর
প্রেম : ৬ দশক পর
ভেবে নাও ।
আজ থেকে প্রায় ৬ দশক পর – আয়নায় তুমি ।
সাদা শাড়ি , সাদা চুল , চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা ,
কুঁচকানো চামড়া , ঘোলাটে দৃষ্টি –
আজ থেকে প্রায় ৬ দশক পরে , কোন এক বিকেলে –
দাঁড়িয়ে আছো তুমি ব্যালকনির রেলিং ধরে ,
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে তখনও ।
মায়াবিনী সপ্তস্বরা
মাঝে মাঝে বড্ড একা মনে হয় নিজেকে
আর সেই সাথে অনুভূত হয় তোমার শুন্যতা
বুকটাকে ঘিরে এক অদৃশ্য তীব্র যন্ত্রণা
এ যন্ত্রণা বেদনার, পেয়ে হারানোর অব্যক্ত বেদনার
তোমার চোখে আমি এক অদ্ভুত জ্যোতি দেখতাম
তুমি ছিলে তারুণ্যের নদীতে পাল তোলা নৌকা
তোমাকে দেখলেই তাই আমার কবিতা লেখার ইচ্ছে হতো
সেগুলো কবিতা ছিল না , ক’টি এলোমেলো শব্দ
আর এলোমেলো দুঃখের খণ্ড খণ্ড কষ্ট
জীবন নামের এই স্বোতস্বিনীতে
বড্ড একা আমি,
