প্রিয় জন্মভূমি যশোর

একটা সময় যখন যশোর শহরে প্রায় অনেকেই আমাকে অন্তত নামে চিনতো। আমাকে না চিনলেও আমার বাবার নামে চিনে ফেলতো।

– খোকা, কোন বাড়ীর ছেলে তুমি?

বাড়ীর নাম বলতেই বলে উঠতো – ওহ, তুমি শহীদুল্লাহ সাহেবের ছেলে। উনি আমার হেড মাস্টার ছিলেন। স্যার কেমন আছেন।

কিন্তু এটাতো ৫০ বছরের আগের কথা। এখন আর কেউ চিনবে না আমাকে।

বিস্তারিত»

ভাষা নিয়ে যত কথা…

ঘটনা-১
নেদারল্যান্ডসে পা রাখার অল্পকিছু দিনের মধ্যেই আমার নামের আগে “আগুন” লেগে গেল। ইউনিভার্সিটিতে সবাই মোটামুটি এক নামে চেনে। বাংলাদেশের ‘ফায়ার রেজা’।

নামের আগে এই অহেতুক আগুনটুকু কিন্তু আমি মোটেও চাইনি। কিন্তু আগুন ভয়াবহ জিনিষ, আমার ইচ্ছা-অনিচ্ছার কোনো ব্যাপারে ধার ধারে না। একবার লেগে গেলে থামানো কঠিন। আগুন লাগার গল্পটা বলি।

ইউনিভার্সিটিতে গিয়েছি। ক্লাস ছিল না শুধু দেখবার জন্য গিয়েছি।

বিস্তারিত»

একজন আপু ১

হঠাৎ করে সন্ধানীতে গিয়ে চমকে গেছিলাম। ডেস্কের সামনে হাতলওয়ালা চেয়ারটিতে সুন্দরী এক আপু বসে আছে  যাকে আমি চিনিনা ।কি  আ‌শ্চর্য্য ঘটনা ।আপনারা মনে করতে পারেন  এতে আশ্চর্য্য হবার কি আছে ? একজন সুন্দরী আপুকে আমি নাই চিনতে পারি।কিন্তু আমাদের ৮জনের গ্রুপ টির কাহিনী শুনলে আপনি বুঝবেন এটি আশ্চর্য্য হবার মত ঘটনা বটে। আমরা মেডিকেল এ ৮জন বন্ধু ছিলাম। ১ম এই বলে রাখি ছাত্র হিসেবে আমরা ছিলাম যারপরনাই ব্রিলিয়ান্ট।আমাদের ১৫৫ জনের ক্লাস টিতে আমাদের মত ব্রিলিয়ান্ট কেউ ছিলনা ।১ম পরীক্ষা ছিল anatomyএর  superior extrimity ।

বিস্তারিত»

আমি ক্ষমা চাচ্ছি ।

আমরা এমন কেন? কেন সবসময় চারপাশে এগুলা দেখি আর চুপ করে থাকি? এখানে কে নিরাপদ? আমার মা? আমার বোন?আমার মেয়ে? আমার প্রেমিকা? আমার স্ত্রী? কে? বারবার আমাদের শুনতে হয় , দেখতে হয় এ সব নির্যাতনের ঘটনা? রাস্তার বখাটে থেকে শুরু করে শিক্ষক কারও কাছ থেকেই কি মেয়েরা রেহাই পাবে না?আমাদের আদিম প্রবৃত্তি গুলোকে কখনই  কি আমরা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবনা? পরিমলের মত লোকেরা সবসময় বেঁচে যাবে।প্রতিদিন যখন আমাদের বাসার মেয়েরা বাইরে যায়,

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (পাঁচ)

আজিজুল হাকিম, এফ সি সি/১৯৭২~৭৮ 

ক্লাস সেভেন এর সময় টা মনে হয় সৌর বছর নয়। নেপচুন এর মত ৬০,১৯০ দিনে বছর অথবা প্লুটোর মত ৯০,৬১৩.৩০ দিনে বছর। আমাদের কিছুতেই দিন কাটে না । আর পানিশমেন্ট কোন ব্যাপারই নয়। নাক দিয়ে রক্ত ঝরলে বা লজ্জাবতী কাঁটায় পীঠ লালচে জখম হলে হসপিটাল এ একবার ঘুরে আসি, আধা ঘণ্টা… …-এক ঘণ্টার রেস্ট পাই। আবার যেই লাউ সেই কদু ।কুছ পরোয়া নেই ।আর উর্দু বাৎ ও ওস্তাদ দের কল্যাণে শিখেছি প্রচুর।

বিস্তারিত»

দেশে ফেরার গল্প – শূণ্য

অ.
দাঁতের সাথে আমার শত্রুতা চিরদিনের। আমার জীবনের অনেক সমস্যার মধ্যে দাঁত হলো ছোটবেলা থেকেই অন্যতম একটি মিলিয়ন ডলার সমস্যা। জানুয়ারি মাস থেকে দাঁত বাবাজি বিগড়ানো শুরু করলো। একদিন ঢাকাতে বাসার লোকজনকে টেলিফোনে বলেও বসলাম যে যেদিন দেখবো অবস্থা বেশি খারাপ সেদিন উড়োজাহাজের একটি টিকেট কেটে সোজা দেশের পথে ভোঁ হবো। গত এপ্রিলে ইত্যকার নানা জাগতিক এবং মারফতি কারণ এবং অকারণ মিলিয়ে আমি ভয়াবহ হোমসিক হয়ে পড়লাম।

বিস্তারিত»

সৃষ্টিকর্তার সাথে কিছুক্ষণ!!!

স্বপ্ন ছিল সৃষ্টিকর্তার সাথে দেখা করবো!!!
কল্পনায় দেখা হলো… …

“তুমি আমার সাথে দেখা করতে চাও?
জিজ্ঞাসা করলেন তিনি।

-যদি আপনার সময় হয়

তিনি হাসলেন।
-“আমার সময় অনন্ত তো তুমি কী জানতে চাও?

-মানুষের কোন দিকটা আপনাকে অবাক করে?

-“এই যে তারা শৈশব নিয়ে বিরক্ত হয়ে পড়ে
খৃব তাড়াতাড়ি বড় হতে চায়
অতঃপর..

বিস্তারিত»

হাশেম মামা

প্রায় ২ বছর পর নানা বাড়ি তে গেলাম। তাও আবার মাত্র ৪ ঘন্টার জন্য। গ্রাম আসলে আগের মত নেই। বাড়ি ঘর সব পাকা। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন বোধহয় দেখা যায়, এমনই মনে হল। ঘুরলাম ফিরলাম আর দেখলাম।
চলে আসার আগে আগে হঠাত হাশেম মামাকে দেখলাম। হাশেম মামা একজন কৃষক, সব সময় আমার নানা বাড়িতে আসতেন। আমরা যখনই নানা বাড়ি যেতাম উনি এক বার হলেও আমাদের সাথে দেখা করতে আসতেন।

বিস্তারিত»

আমাদের কি IDENTITY CRISIS চলছে ?

আমরা একটা ভয়াবহ ক্রান্তি কাল অতিক্রম করছি। আমি কে, এই প্রজন্মের কাছে একটা বড় প্রশ্ন বোধক চিহ্ন ? আমাদের সময়টা মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী কাল বলে, আমরা গরীব, হতোছিন্ন পোশাকে, হাড় জির-জিরে উদাম শরীর নিয়েও পৃথিবীর কাছে বলতে লজ্জা পেতাম না ” আমরা বাংলাদেশী “, ঠিক তেমনি কাওকে কখনো বলতে দ্বিধা করিনি , “আমি ফৌজিয়ান বা আমি…… একজন এক্স ক্যাডেট”। অধুনা কিছু পোস্ট দেখে শুধু আঁতকে নয় শিউরে উঠি।

বিস্তারিত»

প্রেম : ৬ দশক পর

প্রেম : ৬ দশক পর

ভেবে নাও ।
আজ থেকে প্রায় ৬ দশক পর – আয়নায় তুমি ।
সাদা শাড়ি , সাদা চুল , চোখে মোটা ফ্রেমের চশমা ,
কুঁচকানো চামড়া , ঘোলাটে দৃষ্টি –

আজ থেকে প্রায় ৬ দশক পরে , কোন এক বিকেলে –
দাঁড়িয়ে আছো তুমি ব্যালকনির রেলিং ধরে ,
গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হচ্ছে তখনও ।

বিস্তারিত»

মায়াবিনী সপ্তস্বরা

মাঝে মাঝে বড্ড একা মনে হয় নিজেকে
আর সেই সাথে অনুভূত হয় তোমার শুন্যতা
বুকটাকে ঘিরে এক অদৃশ্য তীব্র যন্ত্রণা
এ যন্ত্রণা বেদনার, পেয়ে হারানোর অব্যক্ত বেদনার
তোমার চোখে আমি এক অদ্ভুত জ্যোতি দেখতাম
তুমি ছিলে তারুণ্যের নদীতে পাল তোলা নৌকা
তোমাকে দেখলেই তাই আমার কবিতা লেখার ইচ্ছে হতো
সেগুলো কবিতা ছিল না , ক’টি এলোমেলো শব্দ
আর এলোমেলো দুঃখের খণ্ড খণ্ড কষ্ট
জীবন নামের এই স্বোতস্বিনীতে
বড্ড একা আমি,

বিস্তারিত»

sitetalk নিয়ে কিছু কথা

কয়েক দিন ধরে দেথছি সাইট টক নিয়ে চরম মাতামাতি চলছে, তাই আমিও একটু খোজ থবর নিলাম আসলে কাহিনী কি?

বর্তমান সময় ইন্টারনেট এর যুগ আর এটা আমেদের দিয়েছে যোগাযোগের এক নতুন পথ:

ফেসবুক (৫০০ মিলিয়ান ব্যবহারকারী)
ফেসবুকের বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আছে পে-প্যাল এর সহ উদ্যোক্তা পিটার থেল আর ২০০৭ মাইক্রোসফট বিনিয়োগ করে আর ১.৬% শেয়ারের মালিক হয়।

বিস্তারিত»

বিদেশফেরৎ একজন অশিক্ষিত…

নিজেকে হারাতে কেমন লাগে মানুষের? তাও বারবার সে যদি ভুলে যায় আসলে সে কি ছিল, কিংবা সে কি চেয়েছিল যখন সে ছোট্ট রাজকন্যা ছিল, তার ছোট্ট বাসাটাই তার রাজত্ব ছিল। তারপর একদিন এক রাজপুত্তুর এসে নিয়ে যাওয়ার মতন করে গোটা জগৎটা তাকে হুড়ুম করে নিয়ে গেল তার রাজত্বের বাইরে…সে দেখলো ছোট্ট মুখ হাঁ করে, কি আজব, কত নতুন নতুন সমস্যা, কত নতুন নতুন তার সমাধান,

বিস্তারিত»

বন্ধুকেঃ মনে রাখার কিছু

একদিন ঝরা পাতার মত নামহীন নিঃশব্দে
তোমাদের কাছ থেকে ঝরে যাব যখন
পিছনে ফেলে রেখে আমার নিদ্রাহীনতার কয়েকটি ফুল
নতজানু তাই আমি, তোমাদের সুখের অভিসারে।
হে আমার সম্ভাবনা, এক সুখ এর মুখোশে আমি
সে সুখ সংশয়হীন- একা একা!
তোমাদের ছেড়ে যাব…না না, তা কেন ?
আমি আবার আসবো, এই রঙ্গ মেলায়,
রঙের দ্বারা সাজাবো আমার সমস্ত দেহ,

বিস্তারিত»

গাধা গুলো চোরাবালিতে

পাবনা ক্যাডেট কলেজের ৯৫-৯৬ সালের ঘটনা। ক্লাস সেভেনের এক ক্যাডেটকে ক্লাস এইট এর এক ভাইয়া Stupid বলেছেন। ক্লাস সেভেনের সেই ক্যাডেট রীতিমত ঝগড়া লাগিয়ে দিয়েছে, প্রায় হাতাহাতির পর্যায়ে চলে যাচ্ছিল।(একেবারে নতুন ক্যাডেট বলে) । এমন সময় এক ভাইয়া এসে বল্লেন…এই ছেলে সমস্যা কী?

-ভাইয়া আমাকে স্টুপিড বলে গালি দিয়েছে।

-স্টুপিড কি গালি নাকি?

-জি ভাইয়া। আমি প্রিন্সিপালের কাছে যাবো।

বিস্তারিত»