ফ্যান্টাসি ফুটবল ইজ ব্যাক :D

ফুটবল পাগলদের এখন সুসময়। আগস্ট মাস এসে গেছে। বেজে উঠেছে ইউরোপিয়ান লিগগুলোর দামামা।বরাবরের মত বিভিন্ন পত্রিকা/চ্যানেল/ওয়েবসাইট আয়োজন করছে বিভিন্ন ফ্যান্টাসি ফুটবল প্রতিযোগিতার। চা’ওয়ালা রকিব আর কোলকাতার আকাশ খোমাখাতায় বলল ফ্যান্টাসি ফুটবল নিয়ে পোস্ট দিতে, ভাবলাম দিয়ে দেই, অনেকদিন তো কোন পোস্ট দেই না 😛

ম্যাক্সিস এফসি ম্যানেজার

জনপ্রিয় স্পোর্টস চ্যানেল ইএসপিএন স্টারস্পোর্টসের ফ্যান্টাসি ফুটবল প্রতিযোগিতা ‘ম্যাক্সিস এফসি ম্যানেজার’ এর এবারের প্রাইজমানি মাথা ঘুরিয়ে দেয়ার মত।

বিস্তারিত»

এবিসি জেনারেশন কনসার্ট – ফটোব্লগ

মনে পড়ে ছাড়পত্র অ্যালবামের কথা – এল আরবি আর মাইলসের কীবোর্ডওয়ালা আমি নেই-তুমি নেই গানের ভীড়ে এই অ্যালবাম মাথায় একেবারে ঢুকে গিয়েছিল। শুনলাম একে বলে আন্ডারগ্রাউন্ড মিউজিক। ভাল, আরও শুনলাম – আরসিসিতে কনসার্টে যেতে থাকলাম, ইয়ো গ্রুপ হল আর আমিও তারছেড়া হয়ে গেলাম। যেখানে পড়তাম সেখানে ক্লাসে ক্লাসে গিটারিস্ট ভোকাল আর ড্রামার থাকত, ১২টা ব্যান্ডের যেকোন আন্ডারগ্রাউন্ড কনসার্টে গেলে দেখতাম সব ব্যান্ডেই কেউ না কেউ আমার ক্লাসমেট।

বিস্তারিত»

আমাদের ছেলেবেলা।

কলেজের কিছু ঘটনা বলি। এটাও মনে হচ্ছে বাজাজ টেলিফিল্ম এর সিরিয়াল গুলার মত হবে। এত ঘটনা। এর বেশ কিছু ঘটনা জায়গায় উপস্থিত ছিলাম না তাই ডায়লগ চেঞ্জ হতে পারে কিন্তু মূল ঘটনা অপরিবর্তিত।

 

১) ক্লাস সেভেন। প্রথম প্যারেন্টস ডে। আমার আর মুসফিকের প্যারেন্টস আসে নাই। মন খারাপ। আর এক জনের মন খারাপ।সে ক্লাস টুয়েলভের সারোয়ার ভাই। উনার ও কেউ আসে নাই।

বিস্তারিত»

যাচ্ছে জীবন – ৩

অনেক দিন কিছুই লেখা হয় না। তাতে যে বিশেষ কোন অসুবিধা হচ্ছে তা নয়। মাঝে মাঝে খালি মাথায় অনেক বিষয় ঘুরে লেখার জন্যে, কিন্তু যথারীতি তা মাথায় থেকে যায়।

দুনিয়া জুড়ে এত্তো গেঞ্জাম চলছে মাঝে মাঝে মনে হয় ফেসবুকের গ্রুপের মতো বলি “খোদা! আমারে উডায় নাও! নাইলে দড়ি ফালাও, বায়া উডি যাই!”। অর্থনীতি যে কবে সচল হবে কে জানে, চাকুরীতে ছাটাই চলছেই, যেই বাড়ির দাম আগে দুইশ হাজার ছিল এখন তার দাম দুইশ হাজারের কম।

বিস্তারিত»

প্রহর শেষের আলোয় রাঙা…(একটি ছবিব্লগ)

দেশে আসবো, সারা দিনই টিকেট দেখি। কিন্তু টিকেটের দাম আকাশ ছুঁই ছুঁই। হঠাৎ একদিন দেখলাম, রাইন এয়ার বেশ অল্প দামে ইতালির রিটার্ন টিকেট বিক্রি করছে। রাইন এয়ার আকাশ হচ্ছে, আকাশ পথের ঢাকা টু মাওনা’র লোকাল বাস বিশেষ। এরা শুধু আকাশপথে যায়, এই যা পার্থক্য। তাদের বিমানবালারাও খুব অদ্ভুত। তাঁরা সারা পথ সীমাহীন পেইন দেয়। মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে জিনিষপত্র ফেরি করে বেচা বিক্রির প্রানান্তকর চেষ্টা চালায়।

বিস্তারিত»

স্বাধীনতার ৪০ বছর

ভাই ও বোনেরা,
এ সংক্রান্ত একটা প্রস্তাব আমার ১টা পোষ্টের মন্তব্যতে দিয়েছিলাম। এবার বিস্তারিত ভাবে জানানোর জন্য দেয়া।

১৬ ডিসেম্বর স্বাধীনতার ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আমরা এক্স ক্যাডেটরা মিলে ১টা এক্সিবিশন করতে চাই। প্রথমে পেইন্টিং এর কথা চিন্তা করলেও সবকিছু বিবেচনা করে সেটা থেকে একটু সরে আসতে হয়েছে। এটা হবে একটা ফটোগ্রাফি এক্সিবিশন। ৪০ জন ফটোগ্রাফারের ৪০ টা ছবি নিয়ে এক্সিবিশন। কারোরই একটার বেশী ছবি থাকবে না।

বিস্তারিত»

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল সেরা অসেরা বিতর্ক এবং এই বিষয়ে আমার ভাবনা

এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল বের হলো। তারপরেই শুরু হয়ে গেলো সেরা অসেরা বের করার প্রয়াস। কোন এক সমীকরণের হিসাব মেনে ক্যাডেট কলেজ গুলো বেশ ভালোভাবেই শীর্ষে স্থান করে নিয়েছে। এটা নিয়ে ফেসবুকে একটা পোলকে ঘিরে কাদা ছোড়াছুড়িও হচ্ছে বেশ। তারমাঝে অতি দুঃখজনক ভাবে লক্ষ্য করলাম আমাদেরই ক্যাডেট ছোটভাই অনেকেই ফেসবুকে কিছু মন্তব্য করেছে যা অনাকাঙ্খিত এবং দৃষ্টি কটুও। কথা বলার মাঝে নুন্যতম সৌজন্য বোধ হারিয়ে সেরা অসেরার কুতর্কে মেতে উঠেছে অনেকেই।

বিস্তারিত»

আমাদের শ্রেষ্ঠত্ত্বের প্রকাশ!

আরো একটি পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হল। সংবাদপত্রে, টিভি খবরে উৎফুল্ল শিক্ষার্থীদের হাসিমুখের ছবি চারিদিকে একটা খুশি খুশি ভাব। সেই সাথে ক্যাডেট কলেজসমূহের দূর্দান্ত ফলাফল, সেরা কলেজ নির্ধারনের নতুন নিয়ম অনুযায়ী দেশ সেরা ১০ কলেজের ৯টি ক্যাডেট কলেজ। অসাধারন এই ফলাফলে ক্যাডেট হিসেবে আসলেই গর্বিত তবে সত্যি কথা বলতে নিজের কলেজকে এই তালিকায় না দেখে কিছুটা কষ্টও পেয়েছি।

ফলাফল ঘোষনার সাথে সাথে আবশ্যিকভাবে অন্য যে আলোচনাটা উঠে এসেছে সেটা হল ক্যাডেট-ননক্যাডেট শ্রেষ্ঠত্ত্বের বিতর্ক।

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (আট)

‘বাঁদর’ যোগ ‘আমি’ যদি “বাঁদরামি” হয় অর্থাৎ বাঁদরের মতো আমি নিশ্চয়ই এর শব্দার্থ হবে ,তাহলে নতুন কোন শব্দ আবিষ্কার এর অবশ্যই প্রয়োজন , আমদের নাইন / টেন এর ক্যাডেট জীবন কে ব্যাখ্যা করার জন্য যার অর্থ হবে ” বাঁদর আমাদের মতো” “we” -in superlative sense! অর্থাৎ এককথায় ওঁরা আমাদের থেকে অনেক… নিরীহ । আসলে বেপ্যার টা আমি ভাষায় বুঝাতেই অক্ষম ! শুধু লেফটেন্যান্ট কর্নেল শামশুল ইসলাম এর ভাষায় ”

বিস্তারিত»

বিজ্ঞাপনীয় টেকিপোস্ট – অ্যান্টিভাইরাস রিভিউ

একটু ভেবে দেখেন তো, এমন কাউকে কি আপনি জানেন যিনি নিয়মতই ইন্টারনেট ব্যাবহার করেন কিন্তু ভাইরাস নিয়ে কোনই চিন্তা করেন না? এরকম একজনকে পাওয়া বেশ কঠিন হবে এখন, আর গত দুই বছরে অনলাইন বা সাইবার অ্যাটাক এমন বৃদ্ধি পেয়েছে যে ভাইরাস থেকে নিরুদ্ধেগ মানুষ পাওয়া দুস্কর। গতানুগতিক ভাইরাস কমার কোন লক্ষন তো নাই, বরং নতুন নতুন ধরনের অনলাইন ভাইরাস এখন আরও ছড়িয়ে যাচ্ছে।

বিস্তারিত»

পেটপূজা!!! আপডেটেডঃ অগাস্ট এগারো, সচিত্র প্রতিবেদন


ছবি বড় করে দেখতে ছবির উপর টিপি দিন। ছবিতে লাল চিহ্নটি আড়ং কে নির্দেশ করছে, তার পাশের বিল্ডিংটিতেই আছে ফুড ভিশন। তো তৈরী হয়ে যান, কে কোন দিকে থেকে আসবেন… 🙂
তারিখঃ ১২ তারিখ, রোজ শুক্রবার।

ভেন্যুঃ ‘ফুড ভিশন’
২০৪/বি, তেজগাঁও-গুলশান লিংক রোডে ‘আড়ং’-এর ঠিক পাশের ভবনের চারতলা (ডাচ বাংলা ব্যাংকের একটা এটিএম বুথ আছে এ ভবনে,

বিস্তারিত»

CC Blog এ লিখতে ইচ্ছে করেনা !

ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এ লিখার বা লিখা দেয়ার ইচ্ছে হয় না। কারন এখানে লিখা দেয়ার প্রশাসনি ঝামেলা অনেক! আজ লিখা সাবমিট করলে দেখা যাবে কাল বা পরশু প্রকাশ হবে, এর মাঝ খানে ” PENDING/REVIEW” ইত্তাদি তে কাল ক্ষেপণ হচ্ছে ।

Virtual জগতের System গুলি আমার জানা নেই। ছেলে বয়সী এক ফৌজিয়ান কে একবার সমস্যা টা বলায় , ও বলল , এটা ঠিক করে দেবে।

বিস্তারিত»

তিনফুটি

মানুষটা সিসিবি থেকে নাই হয়ে গেছে অনেক আগেই। পৃথিবীটা বড় পরিবর্তনশীল, কখন কি হয় কেউ বলতে পারে না। একটা সময় যেমন আমরা ভাবতেই পারতাম না আমাদের পোস্টের প্রথম কমেন্টটা দিহানাপ্পুর হবে না। কোনদিন বলি নাই, আজকে বলি, আমার পোস্ট দেয়ার সময় আমি অনেক্ষণ বসে থাকতাম, যেই দিহানাপ্পু অনলাইন হত, আমি তখন পাবলিশ বাটনে টিপি দিতাম, মানুষটা ফার্স্ট হতে খুব পছন্দ করত যে।

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (সাত)

না কোন “Venetian” বা “Marcien” নয়। এদের ডাক নাম “Motlobien” অর্থাৎ ‘মতলব’ থেকে আগত। চাঁদপুর ডিসত্রিক্ট এর একটি উপজেলা মতলব ।৪০৯ বর্গ কিলমিটার ব্যাপি এলাকায়, ২২ টি ইউনিয়ন ,২৪৪ টি মহল্লা ৪০৭ টি গ্রাম নিয়ে এই উপজেলা। প্রায় ১০ লক্ষ জনবসতি সম্পন্ন। বাংলাদেশের এত উপজেলা থাকতে ‘মতলব’ নিয়ে আমার এতো আগ্রহ কেন, বলছি।

ফৌজদারহাট এর প্রতিটি  batch এ এদের বেশ কয়েকজন করে স্থান পেতো।এদের সপ্তম শ্রেণীর গড় বয়স সকলেরই বিশ এর উপরে থাকতো ।

বিস্তারিত»

দেশে ফেরার গল্প – এক

ক.
অটোয়া থেকে আমার দেশে ফেরার বিষয়টি হটাৎ করে ঠিক হওয়াতে গোছগাছ করায় আমার একদম লেজে গোবেরে অবস্থা হয়েছিল। ফ্লাইটের আগের দিন সন্ধা পর্যন্ত কোনকিছু একবিন্দু গোছানো হয়নি। এর মধ্যে ঢাকা থেকে কানাডা সরকারের আমন্ত্রনে আমাদের এক প্রাক্তন সহপাঠিনী ঈশিতা রনি বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ন ক্ষুদে আমলা সেদিন অটোয়া পৌছায়। আমার রুমমেট টিপু যাবে ঈশিতার সাথে দেখা করতে ডাউনটাউন অটোয়ার হোটেল লর্ড এলগিনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের সেশনের বেশ ক’জনা নানা কারণে বিখ্যাত ছিল।

বিস্তারিত»