গত এক ঘণ্টা ধরে ইশিতার জন্য অপেক্ষা করছি। বেইলি রোড জায়গাটা অপেক্ষার জন্য খারাপ না। প্যারিস যদি প্রেমের নগরী হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের বেইলি রোডও ঢাকার বুকে এক খণ্ড প্যারিস। সকল প্রেমিকপ্রবরদের তীর্থস্থান। ঢাকার মেয়রের উচিত বেইলি রোডকে ‘প্রেমের অভয়ারণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করা। গত এক ঘণ্টায় আমি এক এলাকার প্রেমাক্রান্ত ছেলে মেয়েদের নিয়ে মোটামুটিভাবে একটা গবেষণা করে ফেলেছি। সবাই একধরনের সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ। শেষকক্ষপথে ইলেকট্রন শেয়ারের মত এরাও একে অন্যের হাত শেয়ার করছে।
বিস্তারিত»অতঃপর ব্লগর ব্লগর – ৮
আকাশের বিশালতা কে বক্ষে ধারন করার এক ব্যাপক অভিপ্রায়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে নিজ হাতে বানিয়েছি আমি চৌত্রিশটা ছোট বড় ঘুড়ি। এর মধ্যে সকালের মিষ্টি রোদের মত কিছু আছে। অন্য কিছু সুনীল সাগরের মত; গোটা কতক রক্তলাল, কয়েকটার আছে সবুজ পাড়। কেউ সোনালী, কেউ কেউ রুপালী – আর বাকি গুলো স্রেফ সাদা কালো।
একদিন হয়তো উড়ানোর অনুমতি মিলবে – এই প্রতীক্ষায় আমি বানিয়েছি এইসব ঘুড়ি।
বিস্তারিত»আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (ছয়)
আজিজুল হাকিম, এফ সি সি/১৯৭২~৭৮
আমাদের গিয়াস । ফর্সা’ একহারা ময়নার মার সদা হাসি খুশী ‘ময়না’। রবীন্দ্র ভবনের আমাদের সহপাঠী বন্ধু টি। ওর মা তৎকালীন বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম এর সব চেয়ে জনপ্রিয় ” আলেখ্য অনুষ্ঠান ” এর প্রিয় চরিত্র “ময়নার মা” পরিচালনা করতেন বলে ওর এই নাম।কোন দিন কারো সাথে ঝগড়া বা ঝুঁট ঝামেলায় জড়িয়েছে বলে শুনিনি। সবার প্রিয়, শান্ত শিষ্ট মানুষ। সেই যে একদিন খবর এর শিরোনাম হবে,
বিস্তারিত»পুনর্জন্ম
ছোট গলিটা পেরিয়ে মেইন রোডে উঠে আসে নান্নু মিস্ত্রী।বামের মোড়টাতে পৌরসভার বড় ডাস্টবিনটা,কত কাক যে উড়ছে তার ইয়ত্তা নেই।এই সাতসকালে কা কা শুনে নান্নু মিয়ার মেজাজটা যতোটা না বিগড়ে যায় তার চেয়ে বেশি বিগড়ে যায় এই ছন্নছাড়া কাকের দলকে দেখে।সামান্য কাক হয়েও ওদের খাবারের অভাব নেই,যার যেমন ইচ্ছা উড়ছে আর খাচ্ছে।ইশ্,কাক হয়ে জন্মালেও জনমটা সার্থক ছিল-আনমনেই ভাবে সে।
সকাল আটটা বেজে ত্রিশ মিনিট।সেই ভোর ছ’টা থেকে নান্নু মিয়া তার যন্ত্রপাতি নিয়ে রাস্তার ধারে বসে আছে।আরো অনেকেই আছে তার সাথে।যারা পরিশ্রম সস্তায় বিকিয়ে দিতে রাজি হয়েছে তারা ইতোমধ্যেই কাজ পেয়েছে।একটা স্কুল ভ্যান যাচ্ছে।ঢাকার নামকরা পুরনো সব স্কুলভবনগুলো নান্নু মিয়ার বাপ-দাদার হাতেই গড়া।অথচ তাকে আজ বেকার বসে থাকতে হয়।সব দোষ ঐ দানবাকৃতির যন্ত্রগুলোর-নান্নু মিয়া বসে বসে ভাবে।তার রাজমিস্ত্রির পেশাতে আজ এগুলো ভাগ বসাচ্ছে।ইট ভাঙার আর ঢালাই এর মেশিনগুলোর উপর তার আক্রোশটা তাই প্রতিনিয়ত বেড়েই চলে।
বিস্তারিত»ছোটগল্প: আমাদের মায়াবতীর একজোড়া কাজলকালো চোখ ছিলো
আমাদের গল্প শুরু হয় না শেষ হয় না কখনো। কেবল বৃত্তায়িত ভাবে ঘুরপাক খায় আমাদের বিকালের পুকুরপাড়ের আড্ডায়। মফস্বল এলাকার খবর হওয়া সব ঘটনাই উঠে আসে আমাদের আড্ডায় জোরেসোরে। এর মাঝে এখন মায়াবতীর গল্প কেউ ভুলক্রমে তুলে ফেললে আমরা না শোনার ভান করে এড়িয়ে যাই। তারপরেও হয়তো চোরা চোখ চলে যায় কোন এক সবুজের দিকে। বিকালের সূর্য আটকা পড়ে তার ক্লান্ত কক্ষপথের কোন এক চোরা গলিতে।
বিস্তারিত»রাজনৈতিক নেতৃত্বের যোগ্যতা পরিমাপের সিফীয় স্কেল
আমরা সবাই নেতা হিসেবে সৎ ও যোগ্য একজন মানুষ চাই। কিন্তু সমস্যা হল সততা ও যোগ্যতার মিথ্যাচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতারা সাধারণতঃ সিদ্ধহস্ত হন। ফলে আমরা সচরাচর যুগ যুগ ধরে হই প্রতারিত। নির্বাচনে জয়লাভ করলে তাদের কথা ও কাজে কতটুকু মিল থাকবে সে চিন্তা বাদ দিয়ে আমরা অমিল কত কম হয় সে প্রার্থনাই করতে থাকি।আমজনতার এই বেদনার ভার সইতে না পেরে মহামনিষী “সিফ”স টানা তিনমাস তিনদিন তিনরাত খেটে রাজনৈতিক নেতৃত্বের যোগ্যতা পরিমাপের একটি আপাতঃ স্কেল উদ্ভাবন করেছেন।
চড়ুই পাখি আর বেলী ফুলের গল্প।( শেষ পর্ব)
বর্ষাকাল মানেই একটা প্রেম প্রেম ব্যাপার থাকবে। এই কথা আমি যেমন জানি, শাহ্বাগের ফুলওয়ালা মামারা আমার চাইতেও ভাল জানে। বেলী ফুল খুঁজতে আমাকে খুব বেশি একটা দৌড়াতে হয় না। নয়টার আগে শাহবাগ মোড়েই বেলীফুল পেলাম। ১০ টাকা বেশি দিয়ে দুইটা বেলীফুলের মালা কিনে পকেটে ভরলাম। এতক্ষণে অনুপমার ঘুম ভেঙেছে বোধ হয়। কতটা শৈল্পিক ভাবে ওকে ফুলগুলো দিব, ওর হিব্রু ভাষা আঁকানো চেহারাটা তখন দেখতে কেমন হবে- ইত্যাদি ভাবতে ভাবতে বারডেমের দিকে হাঁটা দিই।
বিস্তারিত»রাজীবের ব্যক্তিগত কিছু ভাবনার বিপরীতে আমার ব্যক্তিগত মতামত
রাজীবের লেখার আমি ভক্ত। সময় পেলে আমি কখনোই রাজীবের লেখা মিস করিনা। রাজীবের এই লেখাটি আমি বেক্সকা গ্রুপ মেইলে পড়েছি। পরবর্তীতে দেখলাম এটা সিসিবি’তে ও দেয়া হয়েছে। লেখাটির একটা বিশেষ অংশ আমাকে কষ্ট দিয়েছে বলেই লেখা পড়া বাদ দিয়ে কি-বোর্ডে আঙ্গুল চালালাম। বেক্সকা গ্রুপ মেইলেও আমি একটি রিপ্লাই দিয়েছি। সেটিকেই একটু সাজিয়ে গুছিয়ে এখানেও লিখছি।
সেনাবাহিনী কে নিয়ে দুই চারটা চরম নেগেটিভ কমেন্ট করে লাইম লাইটে চলে আসা এখন পুরনো স্টাইলে পরিণত হয়েছে (দয়া করে কেউ ভুল বুঝবেননা,
বিস্তারিত»ব্যাক্তিগত ভাবনা
কয়েকদিন আগে একটা প্রশ্ন মনে আসলো।
আমি কি ঈশ্বর বিশ্বাসী?
আল্লাহ্, খোদা, ভগবান, গড, যিহোভা, প্রকৃতি যে নামেই ডাকিনা কেন, আমি এক ঈশ্বর দিয়ে সবই বুঝাচ্ছি।
উত্তর পেলাম, হাঁ।
কোরআন, হাদিস, তাফসীর বা অন্যান্য ধর্মগ্রন্থ যে বিশ্বাস আমাকে এনে দিতে পারেনি; এমনকি ডারউইন সাহেব ও যেখানে আমাকে বান্দরবাদী করতে পারেনাই; খুব ছোট একটা প্রশ্ন এবং তার উত্তর আমাকে আলোয় নিয়ে এসেছে।
পারি না ; তাও চেষ্টা নেই
আমার কিছু নতুন ছবি । ঠিক নতুন বলা ভুল হবে । ব্লগে দেয়া হয়নি । এগুলি গত ফেব্রুয়ারীর এক্সিবিশনে ছিল ।
বিস্তারিত»একজন আপু ২
সন্ধানীর সেই আপুকে দেখাই হল আমার আপু ব্যবসার কাল। সেই চোখ । তার দুচোখে অপার বিস্ময়। যা দেখে যা শুনে তাতেই সে অবাক হয়। দুঃসংবাদ জানালো এক বন্ধু।আপুটা নাকি আমাদের মেডিকেল এর না।ভারাক্রান্ত মন নিয়া রুম এ চলে গেলাম। পরদিন সন্ধানীতে গিয়ে দেখি আবারও সেই আপু।ব্যাপার কি? এক ভাইয়াকে জিজ্ঞাসা করলাম,ভাইয়া বলল আরে ওত আমাদের মেডিকেল এই পরে। তোমাদের ২বছর সিনিয়র।আমাকে আর পায়কে? মনের আনন্দে আপুর পিছনে লেগে রইলাম।
বিস্তারিত»ভালই লাগে
আজো ভাসি বেনোজলে,
উথাল পাথাল স্মৃতির কূলে।
জীবন ছোটাই ঊর্ধ্বশ্বাসে,
কে জানে সে কীসের আশে?
স্বপন বোনার আপন খেয়াল –
যাচ্ছে কেবল চরকা কেটে।
দিনের আলো নিভে এলে,
একা আমি আপন মাঝে-
মিছেই ছুটি ছায়ার পিছে।
তবু যখন রাত্রি নামে;
বাঁচতে বুঝি ভালই লাগে-
জীবন জুড়ে এই জীবনের-
নানা রঙের অর্থ খুঁজে।।
ছবিব্লগঃ আনাড়ির HDR
ব্লগে আমার পোস্টের সংখ্যা মাশাল্লাহ কম না। খেলাধূলা আর দিনলিপির নামে খাচ্ছি-দাচ্ছি, ঘুরে বেড়াচ্ছি টাইপের বকর বকর করেই এসব পোস্টের পাতা ভরেছি। এতদিন পরে ভাবলাম একটু বৈচিত্র আনা দরকার, তাই এই ছবিব্লগ।
প্রথমেই বলে নেই আমার ফটোগ্রাফি এই ব্লগের মূল উদ্দেশ্য না, আর এখানের সব ছবি আমার নিজের তোলাও নয়। (মূল ফটোগ্রাফারের নাম ও অনুমতি সাপেক্ষেই ব্যবহার করছি)
ফটোগ্রাফি সম্পর্কে আমার আগ্রহ এখন পর্যন্ত ফেইসবুক,
বিস্তারিত»কামব্যাক পোস্ট
এইখানে সামার মানে আনন্দ আনন্দ আর আনন্দ। সবাই ক্যালেন্ডারের পাতা দেখে জামা কাপড়ের দৈর্ঘ্য কমায় আর কাজ কর্ম শিকেয় তুলে বেড়াতে বের হয়ে যায়। সবচেয়ে মজা হয় সকালের দিকে পার্কে বা মাঠে গেলে। ডে-কেয়ার সেন্টারের আন্ডাবাচ্চাগুলোকে একটার পর একটা দড়ি দিয়ে বেঁধে একসাথে শিকলের মতো করে নিয়ে ঘুরতে বের হয় প্রায়ই। কি বিচিত্র তাদের কান্ডকীর্তি তা না দেখলে বলে বুঝানো আমার কর্ম না। আমি আর তৌফিক একসাথে বের হলে এদের দেখি আর হাসি,
বিস্তারিত»যদি কিছু মনে না করেন
বাজার থেকে বিস্কুট কিনে আনলাম। প্যাকেট করা। প্যাকেট খুলে দারুন মজাদার ফ্রেশ বিস্কুট খুলে খাওয়া শুরু করলাম। প্যাকেট করা কেন? কারন না করলে “ফ্রেশ থাকবে” না, নস্ট হয়ে যাবে।
বাসা থেকে বের হবার আগে ল্যাপটপটা ব্যাগে রেখে আসি। বাইরে নিয়ে গেলেও ব্যাগেই রাখি। কারণ? কারন ময়লা ধূলো পড়তে পারে। এত টাকার জিনিষ “ময়লায় নষ্ট” হতে দেওয়া যায় না।
বাজার থেকে আপনি মোবাইল কিনে আনুন।
বিস্তারিত»