বিজ্ঞাপনীয় টেকিপোস্ট – অ্যান্টিভাইরাস রিভিউ

একটু ভেবে দেখেন তো, এমন কাউকে কি আপনি জানেন যিনি নিয়মতই ইন্টারনেট ব্যাবহার করেন কিন্তু ভাইরাস নিয়ে কোনই চিন্তা করেন না? এরকম একজনকে পাওয়া বেশ কঠিন হবে এখন, আর গত দুই বছরে অনলাইন বা সাইবার অ্যাটাক এমন বৃদ্ধি পেয়েছে যে ভাইরাস থেকে নিরুদ্ধেগ মানুষ পাওয়া দুস্কর। গতানুগতিক ভাইরাস কমার কোন লক্ষন তো নাই, বরং নতুন নতুন ধরনের অনলাইন ভাইরাস এখন আরও ছড়িয়ে যাচ্ছে।

বিস্তারিত»

পেটপূজা!!! আপডেটেডঃ অগাস্ট এগারো, সচিত্র প্রতিবেদন


ছবি বড় করে দেখতে ছবির উপর টিপি দিন। ছবিতে লাল চিহ্নটি আড়ং কে নির্দেশ করছে, তার পাশের বিল্ডিংটিতেই আছে ফুড ভিশন। তো তৈরী হয়ে যান, কে কোন দিকে থেকে আসবেন… 🙂
তারিখঃ ১২ তারিখ, রোজ শুক্রবার।

ভেন্যুঃ ‘ফুড ভিশন’
২০৪/বি, তেজগাঁও-গুলশান লিংক রোডে ‘আড়ং’-এর ঠিক পাশের ভবনের চারতলা (ডাচ বাংলা ব্যাংকের একটা এটিএম বুথ আছে এ ভবনে,

বিস্তারিত»

CC Blog এ লিখতে ইচ্ছে করেনা !

ক্যাডেট কলেজ ব্লগ এ লিখার বা লিখা দেয়ার ইচ্ছে হয় না। কারন এখানে লিখা দেয়ার প্রশাসনি ঝামেলা অনেক! আজ লিখা সাবমিট করলে দেখা যাবে কাল বা পরশু প্রকাশ হবে, এর মাঝ খানে ” PENDING/REVIEW” ইত্তাদি তে কাল ক্ষেপণ হচ্ছে ।

Virtual জগতের System গুলি আমার জানা নেই। ছেলে বয়সী এক ফৌজিয়ান কে একবার সমস্যা টা বলায় , ও বলল , এটা ঠিক করে দেবে।

বিস্তারিত»

তিনফুটি

মানুষটা সিসিবি থেকে নাই হয়ে গেছে অনেক আগেই। পৃথিবীটা বড় পরিবর্তনশীল, কখন কি হয় কেউ বলতে পারে না। একটা সময় যেমন আমরা ভাবতেই পারতাম না আমাদের পোস্টের প্রথম কমেন্টটা দিহানাপ্পুর হবে না। কোনদিন বলি নাই, আজকে বলি, আমার পোস্ট দেয়ার সময় আমি অনেক্ষণ বসে থাকতাম, যেই দিহানাপ্পু অনলাইন হত, আমি তখন পাবলিশ বাটনে টিপি দিতাম, মানুষটা ফার্স্ট হতে খুব পছন্দ করত যে।

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (সাত)

না কোন “Venetian” বা “Marcien” নয়। এদের ডাক নাম “Motlobien” অর্থাৎ ‘মতলব’ থেকে আগত। চাঁদপুর ডিসত্রিক্ট এর একটি উপজেলা মতলব ।৪০৯ বর্গ কিলমিটার ব্যাপি এলাকায়, ২২ টি ইউনিয়ন ,২৪৪ টি মহল্লা ৪০৭ টি গ্রাম নিয়ে এই উপজেলা। প্রায় ১০ লক্ষ জনবসতি সম্পন্ন। বাংলাদেশের এত উপজেলা থাকতে ‘মতলব’ নিয়ে আমার এতো আগ্রহ কেন, বলছি।

ফৌজদারহাট এর প্রতিটি  batch এ এদের বেশ কয়েকজন করে স্থান পেতো।এদের সপ্তম শ্রেণীর গড় বয়স সকলেরই বিশ এর উপরে থাকতো ।

বিস্তারিত»

দেশে ফেরার গল্প – এক

ক.
অটোয়া থেকে আমার দেশে ফেরার বিষয়টি হটাৎ করে ঠিক হওয়াতে গোছগাছ করায় আমার একদম লেজে গোবেরে অবস্থা হয়েছিল। ফ্লাইটের আগের দিন সন্ধা পর্যন্ত কোনকিছু একবিন্দু গোছানো হয়নি। এর মধ্যে ঢাকা থেকে কানাডা সরকারের আমন্ত্রনে আমাদের এক প্রাক্তন সহপাঠিনী ঈশিতা রনি বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের গুরুত্বপূর্ন ক্ষুদে আমলা সেদিন অটোয়া পৌছায়। আমার রুমমেট টিপু যাবে ঈশিতার সাথে দেখা করতে ডাউনটাউন অটোয়ার হোটেল লর্ড এলগিনে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের সেশনের বেশ ক’জনা নানা কারণে বিখ্যাত ছিল।

বিস্তারিত»

জাতীয় স্বাস্থ্যনীতি,২০১০ – প্রসঙ্গে

স্বাধীন বাংলাদেশে বিগত ৪০ বছর ধরে অন্ন, বস্ত্র,বাসস্থান ইত্যাদি মৌলিক অধিকারের মতই জনগণের স্বাস্থ্যের অধিকারও ক্রমাগত লংঘিত হয়ে চলেছে । স্বাস্থ্য সংবিধানস্বীকৃত একটি মৌলিক অধিকার এবং এর সার্বিক দায়িত্ব সংবিধানের ১৫(ক) ধারা অনুযায়ী রাষ্ট্রের উপর ন্যাস্ত থাকলেও এ যাবত কোন সরকারই এ বিষয়ে নূন্যতম আন্তরিকতার পরিচয় দেয়নি। উপরন্তু একদিকে সরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহকে অদক্ষ ও জনগণের প্রত্যাশা ও চাহিদা পূরণে ব্যর্থ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে বেসরকারী মুনাফালোভী বিভিন্ন সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানকে কোন রকম আইনী কাঠামোর আওতায় না এনে স্বাস্থ্যকে একটি পণ্যে পরিণত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থেকেছে।

বিস্তারিত»

জীবনের টুকরো দেশবিদেশে (আমার সোনার বাংলা)

(আমার ‘অতীত বয়ান কেউ যদি শুনতে চায়’ সিরিজটার নাম বদলে ‘জীবনের টুকরো দেশবিদেশে’ করলাম। বানান চেক করতে পারিনি। দুঃখিত সে জন্য।)


দেশে আসলাম প্রায় তিন বছর পর। প্রবাসে দেশে যাচ্ছি বললেই এরকম কথা শোনা যায়
‘গরমে সিদ্ধ হবে।’
‘মশার যন্ত্রণা।’
‘আইন শৃখংলা পরিবেশ খুব খারাপ। আমার অমুক আত্মীয় দেশে যাওয়ার পর পরই ডাকাতী/ছিনতাই এর কবলে পড়ে।’
‘কোথায় যাওয়া যায় না।

বিস্তারিত»

এলোমেলো মুভি ব্লগঃ মুভিজ অফ দি উইকেন্ড

অনেক দিন পরে সত্যিকারের সাপ্তাহিক ছুটি কাটালাম, একেবারে নিরবিচ্ছিন্ন ছুটি। সময় কাটানোই অনেকটা কঠিন হয়ে গিয়েছিল। এর থেকে মুক্তির উপায় খুঁজে নিলাম মুভির ভিতরে। সেই মুভিগুলো নিয়ে হালকা আলাপ নিয়েই এই পোস্ট, কোন রিভিউ নয় স্রেফ দর্শক প্রতিক্রিয়া। আর হ্যাঁ, সম্পূর্ণ স্পয়লার মুক্ত।

দি জাপানিজ ওয়াইফ (The Japanese wife)

পরিচালক অর্পনা সেন এটিকে বলেছেন আধুনিক রূপকথা। সুন্দরবনের এক গ্রামের কাহিনি,

বিস্তারিত»

কলম-ক্যামেরা আর বাস্তবতা

সম্প্রতি দেশের যশ-প্রতিষ্ঠিত নারীবিদ্যাপীঠ ভিকারুন্নিসার বেদনাদায়ক ঘটনা নিয়ে ‘মিডিয়ার ছিনিমিনি কৌশলী খেলায় চ্যাম্পিয়ন’ প্রথম আলো পত্রিকার উদাসীনতা সর্বসাধারণের অবগত। দেশের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মুখে তারা যেভাবে চুনকালি মেখে দেয় তাতে এটা বিশ্বাস করা দায় যে তারাই কি করে আবার সেইসব প্রতিষ্ঠানের প্রশংসা ও পসারে মুখ্য ভুমিকা পালন করে! হ্যাঁ, যে কোন বিষয়েই সমালোচনার অধিকার পত্রিকারই থাকে…তবে তা অনুসন্ধানভিত্তিক,যৌক্তিক এবং সত্য হবে এটাই সবার কাম্য। আর বহুল প্রচারিত এই দৈনিক পত্রিকাগুলো যদি এই ভেবে বসে থাকে যে তাদের ছাপানো প্রতিবেদন ব্যবচ্ছেদ করার প্রয়াস এবং পাল্টা জবাব দেওয়ার অধিকার ও সামর্থ্য কোনটাই সাধারণ নাগরিকের নেই-তবে এটাই বলতে হয় যে কাক যখন বিষ্ঠা নির্গত করে তখন কাক নিজের চোখ দুটো বন্ধ করে রাখে আর ভাবে শুধু কাক ই জানে যে কাজটি ওই করছে,আর কেউ তা দেখছে না।

বিস্তারিত»

বিন্দারের জন্মদিনের গিফট অথবা একটি সিরিয়াস গল্প।

গত এক ঘণ্টা ধরে ইশিতার জন্য অপেক্ষা করছি। বেইলি রোড জায়গাটা অপেক্ষার জন্য খারাপ না। প্যারিস যদি প্রেমের নগরী হয়ে থাকে, তাহলে আমাদের বেইলি রোডও ঢাকার বুকে এক খণ্ড প্যারিস। সকল প্রেমিকপ্রবরদের তীর্থস্থান। ঢাকার মেয়রের উচিত বেইলি রোডকে ‘প্রেমের অভয়ারণ্য’ হিসেবে ঘোষণা করা। গত এক ঘণ্টায় আমি এক এলাকার প্রেমাক্রান্ত ছেলে মেয়েদের নিয়ে মোটামুটিভাবে একটা গবেষণা করে ফেলেছি। সবাই একধরনের সমযোজী বন্ধনে আবদ্ধ। শেষকক্ষপথে ইলেকট্রন শেয়ারের মত এরাও একে অন্যের হাত শেয়ার করছে।

বিস্তারিত»

অতঃপর ব্লগর ব্লগর – ৮

আকাশের বিশালতা কে বক্ষে ধারন করার এক ব্যাপক অভিপ্রায়ে মনের মাধুরী মিশিয়ে নিজ হাতে বানিয়েছি আমি চৌত্রিশটা ছোট বড় ঘুড়ি। এর মধ্যে সকালের মিষ্টি রোদের মত কিছু আছে। অন্য কিছু সুনীল সাগরের মত; গোটা কতক রক্তলাল, কয়েকটার আছে সবুজ পাড়। কেউ সোনালী, কেউ কেউ রুপালী – আর বাকি গুলো স্রেফ সাদা কালো।

একদিন হয়তো উড়ানোর অনুমতি মিলবে – এই প্রতীক্ষায় আমি বানিয়েছি এইসব ঘুড়ি।

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (ছয়)

আজিজুল হাকিম, এফ সি সি/১৯৭২~৭৮

আমাদের গিয়াস । ফর্সা’ একহারা ময়নার মার সদা হাসি খুশী ‘ময়না’। রবীন্দ্র ভবনের আমাদের সহপাঠী বন্ধু টি। ওর মা তৎকালীন বাংলাদেশ বেতার চট্টগ্রাম এর সব চেয়ে জনপ্রিয় ” আলেখ্য অনুষ্ঠান ” এর প্রিয় চরিত্র “ময়নার মা” পরিচালনা করতেন বলে ওর এই নাম।কোন দিন কারো সাথে ঝগড়া বা ঝুঁট ঝামেলায় জড়িয়েছে বলে শুনিনি। সবার প্রিয়, শান্ত শিষ্ট মানুষ। সেই যে একদিন খবর এর শিরোনাম হবে,

বিস্তারিত»

পুনর্জন্ম

ছোট গলিটা পেরিয়ে মেইন রোডে উঠে আসে নান্নু মিস্ত্রী।বামের মোড়টাতে পৌরসভার বড় ডাস্টবিনটা,কত কাক যে উড়ছে তার ইয়ত্তা নেই।এই সাতসকালে কা কা শুনে নান্নু মিয়ার মেজাজটা যতোটা না বিগড়ে যায় তার চেয়ে বেশি বিগড়ে যায় এই ছন্নছাড়া কাকের দলকে দেখে।সামান্য কাক হয়েও ওদের খাবারের অভাব নেই,যার যেমন ইচ্ছা উড়ছে আর খাচ্ছে।ইশ্,কাক হয়ে জন্মালেও জনমটা সার্থক ছিল-আনমনেই ভাবে সে।

সকাল আটটা বেজে ত্রিশ মিনিট।সেই ভোর ছ’টা থেকে নান্নু মিয়া তার যন্ত্রপাতি নিয়ে রাস্তার ধারে বসে আছে।আরো অনেকেই আছে তার সাথে।যারা পরিশ্রম সস্তায় বিকিয়ে দিতে রাজি হয়েছে তারা ইতোমধ্যেই কাজ পেয়েছে।একটা স্কুল ভ্যান যাচ্ছে।ঢাকার নামকরা পুরনো সব স্কুলভবনগুলো নান্নু মিয়ার বাপ-দাদার হাতেই গড়া।অথচ তাকে আজ বেকার বসে থাকতে হয়।সব দোষ ঐ দানবাকৃতির যন্ত্রগুলোর-নান্নু মিয়া বসে বসে ভাবে।তার রাজমিস্ত্রির পেশাতে আজ এগুলো ভাগ বসাচ্ছে।ইট ভাঙার আর ঢালাই এর মেশিনগুলোর উপর তার আক্রোশটা তাই প্রতিনিয়ত বেড়েই চলে।

বিস্তারিত»

ছোটগল্প: আমাদের মায়াবতীর একজোড়া কাজলকালো চোখ ছিলো

আমাদের গল্প শুরু হয় না শেষ হয় না কখনো। কেবল বৃত্তায়িত ভাবে ঘুরপাক খায় আমাদের বিকালের পুকুরপাড়ের আড্ডায়। মফস্বল এলাকার খবর হওয়া সব ঘটনাই উঠে আসে আমাদের আড্ডায় জোরেসোরে। এর মাঝে এখন মায়াবতীর গল্প কেউ ভুলক্রমে তুলে ফেললে আমরা না শোনার ভান করে এড়িয়ে যাই। তারপরেও হয়তো চোরা চোখ চলে যায় কোন এক সবুজের দিকে। বিকালের সূর্য আটকা পড়ে তার ক্লান্ত কক্ষপথের কোন এক চোরা গলিতে।

বিস্তারিত»