নদীর পাড়ে খেলা

নদীটাকে নিলাম করে বেচে
আনবো কিনে আজকে রাতে চাঁদ
তবুও যদি একটিবারের মত
পাই ফিরে সেই প্রথম প্রেমের রাত

চাঁদটা ভেঙে করবো রূপোর গুড়ো
আর অতঃপর ছড়িয়ে নদীর জলে
আমরা দু’জন বসবো মুখোমুখি
প্রেম পোড়াবে চুপ কথার অনলে

নদীর পাশে তোদের সাদা বাড়ি
খেয়া নিয়ে বসবো আমি ঘাটে
সঙ্গী র’বে দুইটি গাংচিলে
সারাটাদিন অপেক্ষাতে কাটে

সকাল মুছে,দুপুর মুছে-শেষে
বিকেল হলে ঘাস ফড়িঙের দল
হঠাৎ তাদের ব্যস্ত ছুটোছুটি
রোদের ছোঁয়ায় ছলকে উঠে জল

চতুর্দিকে হঠাৎ হুলুস্থুলু
সব দিকেতে কেবল কানাকানি
নদীর পাড়ের সরু পথটা বেয়ে
আসছে যে কোন পরীর দেশের রাণী!

বিস্তারিত»

খেলার ছলে রিসাইক্লিং, পরিবেশের বন্ধু হোউন।

আসলে এই লেখাটা শুরু করেছিলাম অনেক দিন আগে। স্টোররুমে অনেকগুলো লেখা হাফডান হয়ে আছে, সময়ের অভাবে শেষও করা হচ্ছে না। আজ যখন হঠাত” রাব্বী ভাই ফোন করে মনে করিয়ে দিল ব্লগের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার কথা, ভাবলাম নাহ, প্রতিদিন অন্তত কিছুক্ষন সময় দেয়াটা আমার কেবল মাত্র কর্তব্য নয়, আমার অস্তিতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনও বটে। যাই হোক, এতো গুরুগম্ভীর কথা বলে লাভ নাই, ব্লগটা খুবই সাদামাটা (কিছুটা ফাঁকিবাজীও বটে!)।

বিস্তারিত»

এনার্জি সেক্টরে বর্তমান আন্দোলন এবং কিছু বাস্তবতা -২

(এটি কাঁপাকাঁপা হাতে লেখা। আমি এই সেক্টরে অভিজ্ঞ নই। তাই কোন তথ্যগত ভুল থাকলে ধরিয়ে দিন। আমি শুধরে নিব)

আগের পোস্ট এবং প্রয়োজনীয় লিংক

পিএসসি কি এবং কেন?

সোজা বাংলায় এবং সাদা চোখে এটা একধরনের অংশীদারিত্ব চুক্তি। যেখানে দুপক্ষই নিজেদের লাভের হিসাব করেন এবং হিসাব কাছাকাছি হলে (মানে দু পক্ষই মনে করলেন যে তিনি চুক্তিতে লাভবান হলেন) তারা চুক্তিবদ্ধ হন নিদির্ষ্ট একটা কাজের জন্য।

বিস্তারিত»

তোর জন্য প্রার্থনা….

আজ সারাটা দিন আমার কেটেছে এমন একটা জায়গায় যেখানে ঠিক ২ বছর আগে আমি ছিলাম….

তবে এখন আর তখনকার পরিস্থিতি ছিল পুরো ভিন্ন। যাই হোক, পুরোনো কথা আর নতুন করে বলতে বা মনে করতে চাই না। তবুও মানুষ চাইলেও বা না চাইলেও জীবনের দুঃসহ অভিজ্ঞতাগুলো সবসময়েই তাকে তাড়া করে বেড়ায়। না হলে আজ ঠিক ২ বছর পর আমাকে কেন সেই স্থানেই থাকতে হবে যেই স্থানের স্মৃতি আমি মন থেকে মুছে ফেলতে চাই চিরতরে ?

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (দুই)

আমার ‘মেজাজ’ আমার জীবন কে অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত করেছে আবার অন্য হাতে দিয়েছে ও অনেক। এখন ভাবি, মেজাজ বিগড়ে না গেলে লাজুক আজিজুল হাকিম হয়তো কখনোই ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হত না আর জীবন টাও সাদা-মাটা ভাবে অন্য ধারায় বয়ে যেত। ভর্তির চিঠির সাথে বিশাল একটা ফর্দও এসেছিল। …সাথে কি কি জিনিষ নিতে হবে। প্রথম বছর সম্ভবত (অথবা বেশ কয়েক মাস) কলেজ থেকে আমরা কিছুই পাইনি।

বিস্তারিত»

এনার্জি সেক্টরে বর্তমান আন্দোলন এবং কিছু বাস্তবতা

পিএসসিতে আসলে কি আছে?

সরকার তথ্য জানানোর অধিকার সংরক্ষন করে কি একটা আইন করেছে, আমি নিশ্চিত নই। তবে বিটিআরসি থেকে খুব ঘন ঘন এসএমএস পেয়েছি একসময়। যার মৌলিক ভাষ্য ছিল “তথ্য জানা আমার অধিকার” এবং যেকোন তথ্যের জন্য একটা সুনিদির্ষ্ট ওয়েব সাইটে যাবার আমন্ত্রন জানানো হচ্ছিল। যদিও আমি সেই সাইটে গিয়ে খুব হতাশ হয়েছিলাম। আমার মনে হয়েছিল যে মন্ত্রনালয় আমন্ত্রন জানাচ্ছেন এবং যে মন্ত্রনালয় সাইটটি তৈরী করছেন,

বিস্তারিত»

ফটুব্লগ !!

বেশ কিছুকাল হলো সিসিবিতে আসি, ঘুরি, পড়ি…তারপর ভেগে যাই। লেখা আর কীবোর্ড দিয়া বেরই হয় না। তাই বাধ্য হয়েই এবার রবিন ভাই স্বীকৃত ডজিং ছবি ব্লগ। (পিরাদা, পিডায়েন না :party: )

১)এখানে ঘুঘুর ডাকে অপরাহ্নে শান্তি আসে মানুষের মনে;
এখানে সবুজ শাখা আঁকাবাঁকা হলুদ পাখিরে রাখে ঢেকে;
জামের আড়ালে সেই বউকথাকওটিরে যদি ফেল দেখে
একবার — একবার দু’পহর অপরাহ্নে যদি এই ঘুঘুর গুঞ্জনে
ধরা দাও — তাহলে অনন্তকাল থাকিতে যে হবে এই বনে………

বিস্তারিত»

বৃষ্টি অথবা শহরের কিছু দৃশ্যকল্প এবং একটি অগল্প

কালো মেঘ আর সাদা বৃষ্টির মিতালিতে স্বপ্নের সাদাকালো রঙে প্রকৃতি সেজেছে আজ হয়তো তার জন্যই । পিচঢালা তপ্ত রাস্তাও বর্ষণ অবগাহনে আজ শান্ত। ধূলোর চাদর ঝেড়ে নগরী আজ বিদায় জানিয়েছে যেন জমে থাকা ধুসর সময়কে। বৈদ্যুতিক তারের উপর বসে ভিজছে কিছু কাক। কে জানে হয়তো বা তাদের মাঝেও বৃষ্টি শান্তির বাণী ছড়িয়ে দিয়েছে। হালকা বাতাসের মৃদু আদর আর বর্ষিত বারির আশীর্বাদে গাছগুলোকেও একটু পুলকিত মনে হচ্ছে।

বিস্তারিত»

শিক্ষক VS ক্যাডেট এর ৬বছরের ম্যাচের কিছু ধারাবিবরনি। এপিসোড-২

আগের টায় এক ছোট ভাই আমাদের ছেরাজুজ্জামান স্যারের ঘটনা জানতে চাইছে।তাই উনারটা দিয়াই শুরু করি

১) ক্লাস সেভেনের সেকেন্ড টার্ম।ইসলামিয়াতের নতুন টিচার আসলেন। এসে বললেন “আমার নাম ছেরাজ্জুজামান।এটা সিরাজ বা সেরাজ না।” বলে বোর্ডে লিখে দিলেন ছেরাজ্জুজামান। “ফর্ম লিডার এভাবে লিখবে।” ক্যাডেট কলেজে নতুন হলেও তত দিনে আমরা এটুকু শিখে গেছি স্যার দের নাম যা স্যারেরা বলবেন তারপর ও কিছু না বলা নাম থাকবে।যেটা আকিকা ছাড়াই ক্যাডেটরা দিয়ে দিবে।

বিস্তারিত»

চড়ুই পাখি আর বেলী ফুলের গল্প…

জুন-জুলাই মাসের এই বৃষ্টির মা বাপ নাই। আসবে, ভিজাবে, চলে যাবে। একটু আগে ভিজিয়ে গেছে;মোটামুটি ভাবে কাউয়াভেজা। ফুলাররোড থেকে হাকিম চত্বর,পাঁচ মিনিটের এই পথটুকুতেই সর্বনাশ। মরণের দৌড় দিয়েও শেষ রক্ষা হয়নি। ভিজে একেবারে ন্যাতা ন্যাতা অবস্থা। নতুন কেনা জেলটা নাকি পানিতেও কিছু হবে না। ব্যাটা পুরাই ফলস মারছে। সারা মুখ আঠা আঠা হয়ে আছে। শার্টের হাতায় কোনো রকমে মুখ মুছে দাড়িয়েছি মাত্র, ঠিক এই সময়…

বিস্তারিত»

নিরুদ্দেশ

ঘর ছাড়িয়ে পথে পথে,
পথ ছাড়িয়ে মাঠে মাঠে।
মাঠ ছাড়িয়ে বনে বনে-
বন ছাড়িয়ে দূর তেপান্তরে
পাহাড় ছেড়ে মেঘের পারে।

সব দেশ ঘুরে ফিরে,
ক্লান্ত আমি অবশেষে;
ফিরি তব আপন ঘরে।

তুমি তখন মুচকি হাসো,
ভালবেসে কাছে আসো।
দুহাতে আমি যতন করে
তখন সরাই তোমার কেশ,
ঐ দু’চোখেই ডুবে আছে
আমার অচিন নিরুদ্দেশ।।

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (এক)

১৯৭২ এর মাঝা-মাঝি । ক্যাডেট কলেজে অবশেষে ঢুকার চিঠি এল। আমার ছোট বেলার শঙ্কা ভয়ে রুপ নিল। আমি যখন বেশ ছোট তখন থেকেই বেশি দুষ্টামি করলে বাবা ক্যাডেট কলেজে ভর্তি করিয়ে দেবেন, এই ভয় দেখাতেন। একটু বড় হয়ে যখন বুঝতে শিখেছি তখন মনে মনে বলতাম, পাগল ! ভর্তি হওয়া – না হওয়া… তো আমার হাতে । ভর্তি পরীক্ষায় কিছু না লিখলেই হল ! ভেবে রেখেছিলাম যেভাবেই হোক “ফেল”

বিস্তারিত»

পর্যায়ঃ ২০২

এমনি করে পায়ের কাছে পূজোর প্রসাদ দলতে পারো
অহঙ্কারী মেয়ের মতো চুল উড়িয়ে চলতে পারো
তোমার হাতে শিউলি দিলাম-ছুঁড়ে দিলে নদীর জলে
সাত কোটিবার প্রেম চাইলাম,ফিরিয়ে দিলে অন্ধ বলে
আর চা’বো না তোমার কাছে
আমার প্রেমের গোল পুকুরে একটি ছোট্ট কৌটা আছে
তার ভেতরে লুকিয়ে রাখি তোমার দেওয়া সব অধিকার
এখন থেকে তোমার মনের সবটা দখল একলা আমার
তোমার সাথে সারাটাদিন কাটিয়ে দিই খুনসুটিতে
ভালোবাসার টুকরো চিঠি-মুঠোফোনের সুক্ষ্ম ইথার
সন্ধ্যা হলে প্রেম চাইতে লজ্জা পেলাম
এমনতর মানুষ আমি
নিজের সকল উজাড় করে নারীর কাছে বিলিয়ে দিয়েও
বুকের মাঝে গোপন রাখা স্বপ্ন চা’বার সাহসটা নেই
সুপ্ত থাকুক বুকের কোণে চিরটাকাল
ঘাপটি মেরে লুকিয়ে থাকুক চোরের মতন!

বিস্তারিত»

মিষ্টি অনুভুতি

Train
ক্ষণিকের দেখা। জীবনে আর কখনো তার সাথে দেখা হবে কিনা জানি না। হ্যাঁ, আজ ট্রেনে দেখা সেই মেয়েটির কথাই বলছি। কোন ষ্টেশনে যে তাকে প্রথম আবিস্কার করলাম তা মনে নেই। তবে কোন এক ষ্টেশনে প্লাটফরমের উপর দিয়ে হেটে যেতে যেতে হঠাৎ দৃষ্টি আটকে গেল এক তৃতীয় শ্রেণীর জালনার পরে।

গায়ের রং তার ফরসা, মুখখানিতে এক অপূর্ব কমনীয়তা। তবে তাকে ভাল লাগার আসল কারণ ছিল বোধ হয় তার বালিকাসূলভ চপলতা ভাব।

বিস্তারিত»

শিক্ষক VS ক্যাডেট এর ৬বছরের ম্যাচের কিছু ধারাবিবরনি।

১) ক্লাস সেভেন। হাউস মাস্টারের রুম। হাসনাত হারুন স্যার, বাংলা dpt. আমাদের ইমতিয়াজ কে জিজ্ঞেস করল “বাড়ি কই?” ইমতিয়াজ “নোয়াখালী” । স্যার  ” নোয়াখালী কই ? “(স্যারের বাড়ি ও নোয়াখালী) । ইমতিয়াজ প্রশ্ন না বুঝেই বলল ” স্যার নোয়াখালী চট্টগ্রাম বিভাগে ।” এবার স্যার “চট্টগ্রাম কই ? ” উত্তর “স্যার চট্টগ্রাম বাংলাদেশে ।” আর কি খাইলাম ক্যাডেট কলেজের প্রথম ঝাড়ি । বলল আমরা বেয়াদব ব্যাচ ।

বিস্তারিত»