নীলিমা,
অনেক দিন পর আজ আবার তোমায় চিঠি লিখতে ইচ্ছে হলো।
আজ একটি বিশেষ দিন। গুছিয়ে তোমাকে চিঠি লেখা কেমন জানি কঠিন হয়ে ঠেকছে।
প্রথম প্রথম তোমায় কিছু লিখতে গেলে সব কিছু কেমন এলোমেলো হয়ে যেত।
খেই হারিয়ে ফেলতাম আমি। অনুভূতির ব্যাকরণগুলো কেমন বিব্রত দৃষ্টিতে আমার দিকে চেয়ে থাকত।
সত্যি বলতে কি – আজো আমি অবিকল আগের মতই। তোমার ভাষায় –
পলাতক (একটা পুরনো গল্প)
২/৩ বছর আগে কলেজ বার্ষিকীর জন্য লেখা একটা গল্প শেয়ার করলাম -কাউকে ছোট করা এই গল্পের উদ্দেশ্য নয় –
আমাদের গল্পের প্রধান চরিত্র ,ধরা যাক তার নাম শ্যামলী ।উত্তরায় একটা গার্মেন্টসে চাকরি করতো ।হঠাৎ দেখলে চট করে কারো পক্ষে আলাদা করে চেনা মুশকিল -খানিকটা ময়লা রং ,কাঁধে নেমে আসা চুল ,কটা চোখ -একটু ছোটখাটো গড়নের ।
সেদিন ডিউটি শেষে একটু আগেভাগেই বের হল শ্যামলী ।
আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (চার) আজিজুল হাকিম, এফ সি সি/১৯৭২~৭৮
প্রথম মাস সম্ভবত একটা ক্যাডেট এর জীবনে সব চেয়ে খারাপ মাস।সবে কৈশোর এর সূচনা লগ্নে পরিবার হীন একটা বৈরী পরিবেশ এ হঠাৎ খাপ খাওয়ানো খুবি দুরূহ একটা কাজ।তার উপর আছে সিনিয়র দের অমানবিক আচরণ, পানিশমেন্টের নরক যন্ত্রণা। জীবনটা অতিষ্ঠ হওয়ার জন্য যথেষ্ট। ট্যাকনিক্যাল টার্মে সময়টা বেসিক ট্রেনিং, সিজনিং ও ট্রিমিং পিরিয়ড.আমার জন্য শেষটা অর্থাৎ ট্রিমিং টা প্রযোজ্য ছিল। আমি একটু মোটা-কাটা নাদুস নুদুস গোছের মানুষ ছিলাম।
বিস্তারিত»রোড টু জার্মানী ৩
রোড টু জার্মানী
রোড টু জার্মানী ২
আজকের আলোচনার বিষয় জার্মানীতে এপ্লাই করার বিস্তারিত উপায়।
জার্মানীতে এপ্লাই করার জন্য একটি সাইট একাই একশ, এখান থেকে আপনি খুঁজে নিতে পারবেন আপনার পছন্দ মত বিষয়, লেভেল, ভাষা মাধ্যম এবং ইউনিভার্সিটি। সেই সাথে পাওয়া যাবে এপ্লাই করতে কি কি যোগ্যতা দরকার, খরচের ধারনা, এপ্লাই করার ডেডলাইনসহ অজস্র দরকারী তথ্য।
বিস্তারিত»আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (তিন)
আজিজুল হাকিম, এফ সি সি/১৯৭২~৭৮
ফজলুল হক ভবন।কক্ষ নম্বর ১৩, ১৯৭২। একটা মজার কম্বিনেশন । পাঁচ জন ক্লাশ সেভেন আর তিন জন ভিনজাত (Allien)সিনিয়র দের নিয়ে আমাদের ডরমিটারী । তবে সমস্ত হাউজ এর best seniorগুলি (ক্লাস ৮ এর) মনে হয় আমাদের রুমে, এটা হাউজ এর অন্যান্ন ক্লাস মেটরা ও এক বাক্যে স্বীকার করতো ।…তিন জনই মাটির মানুষ ।তার মধ্যে দু জন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজি।হাফিজ ভাই আমাদের রুম প্রিফেক্ত,
বিস্তারিত»কট বিহাইন্ড
সিসিবি তে আমি অনেকদিন থেকেই ঢুকি। কিন্তু কোনদিন কিছু লেখা হয়নি। এটাই আমার প্রথম পোস্ট। আশা করি সবাই ভুল-ভ্রান্তি হলে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।
ক্লাস নাইন। জুনিয়র গ্রুপ এর সিনিয়র। একাডেমী ব্লকের ও সিনিয়র। এসময়ে একাডেমী ব্লকে ক্লাস ফাঁকি দিয়ে টয়লেটে গিয়ে সবাই মিলে গল্প করতে অনেক মজা লাগতো । এমনও দিন গেছে যেদিন ফর্ম ক্লাস এর পর ৬/৭ জন টয়লেটে ঢুকতাম, সাত টা পিরিয়ড টয়লেটেই কাটিয়ে দিতাম(মাঝখানে শুধু মিল্ক ব্রেক এর জন্য বাইরে যেতাম)।
বিস্তারিত»শিক্ষক VS ক্যাডেট এর ৬বছরের ম্যাচের কিছু ধারাবিবরনি। এপিসোড-৩
১) মকবুল হোসেন স্যার। ভূগোল dpt.স্যারের মুদ্রা দোষ ছিল আরকি আরকি বলা।আসলে ব্যাপারটা হয়েছে আরকি,আর বলো না আরকি। স্যার ”এক দিন এসে বলল এই তোমরা শোন আরকি,আমি আরকি আরকি বলা ছেড়ে দিয়েছি আর কি।” তখন পোলাপাইন আর কি বলবে?
২) ইন্টার হাউস ফুটবল কম্পিটিশন। মকবুল স্যার কমেন্ট্রি দিচ্ছে।ফুটবল স্যারের প্রিয় খেলা।তার হাউসের সাদ্দাম ভাই খুবই ভাল খেলছে।স্যার উত্তেজিত হয়ে মাইকে বলে ফেলল “এগিয়ে যাও সাদ্দাম,এবার এক কিক এ দুই গোল হয়েই যাবে আরকি।”
বিস্তারিত»নদীর পাড়ে খেলা
নদীটাকে নিলাম করে বেচে
আনবো কিনে আজকে রাতে চাঁদ
তবুও যদি একটিবারের মত
পাই ফিরে সেই প্রথম প্রেমের রাত
চাঁদটা ভেঙে করবো রূপোর গুড়ো
আর অতঃপর ছড়িয়ে নদীর জলে
আমরা দু’জন বসবো মুখোমুখি
প্রেম পোড়াবে চুপ কথার অনলে
নদীর পাশে তোদের সাদা বাড়ি
খেয়া নিয়ে বসবো আমি ঘাটে
সঙ্গী র’বে দুইটি গাংচিলে
সারাটাদিন অপেক্ষাতে কাটে
সকাল মুছে,দুপুর মুছে-শেষে
বিকেল হলে ঘাস ফড়িঙের দল
হঠাৎ তাদের ব্যস্ত ছুটোছুটি
রোদের ছোঁয়ায় ছলকে উঠে জল
চতুর্দিকে হঠাৎ হুলুস্থুলু
সব দিকেতে কেবল কানাকানি
নদীর পাড়ের সরু পথটা বেয়ে
আসছে যে কোন পরীর দেশের রাণী!
খেলার ছলে রিসাইক্লিং, পরিবেশের বন্ধু হোউন।
আসলে এই লেখাটা শুরু করেছিলাম অনেক দিন আগে। স্টোররুমে অনেকগুলো লেখা হাফডান হয়ে আছে, সময়ের অভাবে শেষও করা হচ্ছে না। আজ যখন হঠাত” রাব্বী ভাই ফোন করে মনে করিয়ে দিল ব্লগের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার কথা, ভাবলাম নাহ, প্রতিদিন অন্তত কিছুক্ষন সময় দেয়াটা আমার কেবল মাত্র কর্তব্য নয়, আমার অস্তিতের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনও বটে। যাই হোক, এতো গুরুগম্ভীর কথা বলে লাভ নাই, ব্লগটা খুবই সাদামাটা (কিছুটা ফাঁকিবাজীও বটে!)।
বিস্তারিত»এনার্জি সেক্টরে বর্তমান আন্দোলন এবং কিছু বাস্তবতা -২
(এটি কাঁপাকাঁপা হাতে লেখা। আমি এই সেক্টরে অভিজ্ঞ নই। তাই কোন তথ্যগত ভুল থাকলে ধরিয়ে দিন। আমি শুধরে নিব)
পিএসসি কি এবং কেন?
সোজা বাংলায় এবং সাদা চোখে এটা একধরনের অংশীদারিত্ব চুক্তি। যেখানে দুপক্ষই নিজেদের লাভের হিসাব করেন এবং হিসাব কাছাকাছি হলে (মানে দু পক্ষই মনে করলেন যে তিনি চুক্তিতে লাভবান হলেন) তারা চুক্তিবদ্ধ হন নিদির্ষ্ট একটা কাজের জন্য।
বিস্তারিত»তোর জন্য প্রার্থনা….
আজ সারাটা দিন আমার কেটেছে এমন একটা জায়গায় যেখানে ঠিক ২ বছর আগে আমি ছিলাম….
তবে এখন আর তখনকার পরিস্থিতি ছিল পুরো ভিন্ন। যাই হোক, পুরোনো কথা আর নতুন করে বলতে বা মনে করতে চাই না। তবুও মানুষ চাইলেও বা না চাইলেও জীবনের দুঃসহ অভিজ্ঞতাগুলো সবসময়েই তাকে তাড়া করে বেড়ায়। না হলে আজ ঠিক ২ বছর পর আমাকে কেন সেই স্থানেই থাকতে হবে যেই স্থানের স্মৃতি আমি মন থেকে মুছে ফেলতে চাই চিরতরে ?
বিস্তারিত»আমার ক্যাডেট কলেজের স্বর্ণালি দিনগুলি- (দুই)
আমার ‘মেজাজ’ আমার জীবন কে অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত করেছে আবার অন্য হাতে দিয়েছে ও অনেক। এখন ভাবি, মেজাজ বিগড়ে না গেলে লাজুক আজিজুল হাকিম হয়তো কখনোই ভাইভা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হত না আর জীবন টাও সাদা-মাটা ভাবে অন্য ধারায় বয়ে যেত। ভর্তির চিঠির সাথে বিশাল একটা ফর্দও এসেছিল। …সাথে কি কি জিনিষ নিতে হবে। প্রথম বছর সম্ভবত (অথবা বেশ কয়েক মাস) কলেজ থেকে আমরা কিছুই পাইনি।
বিস্তারিত»এনার্জি সেক্টরে বর্তমান আন্দোলন এবং কিছু বাস্তবতা
পিএসসিতে আসলে কি আছে?
সরকার তথ্য জানানোর অধিকার সংরক্ষন করে কি একটা আইন করেছে, আমি নিশ্চিত নই। তবে বিটিআরসি থেকে খুব ঘন ঘন এসএমএস পেয়েছি একসময়। যার মৌলিক ভাষ্য ছিল “তথ্য জানা আমার অধিকার” এবং যেকোন তথ্যের জন্য একটা সুনিদির্ষ্ট ওয়েব সাইটে যাবার আমন্ত্রন জানানো হচ্ছিল। যদিও আমি সেই সাইটে গিয়ে খুব হতাশ হয়েছিলাম। আমার মনে হয়েছিল যে মন্ত্রনালয় আমন্ত্রন জানাচ্ছেন এবং যে মন্ত্রনালয় সাইটটি তৈরী করছেন,
বিস্তারিত»ফটুব্লগ !!
বেশ কিছুকাল হলো সিসিবিতে আসি, ঘুরি, পড়ি…তারপর ভেগে যাই। লেখা আর কীবোর্ড দিয়া বেরই হয় না। তাই বাধ্য হয়েই এবার রবিন ভাই স্বীকৃত ডজিং ছবি ব্লগ। (পিরাদা, পিডায়েন না :party: )
১)এখানে ঘুঘুর ডাকে অপরাহ্নে শান্তি আসে মানুষের মনে;
এখানে সবুজ শাখা আঁকাবাঁকা হলুদ পাখিরে রাখে ঢেকে;
জামের আড়ালে সেই বউকথাকওটিরে যদি ফেল দেখে
একবার — একবার দু’পহর অপরাহ্নে যদি এই ঘুঘুর গুঞ্জনে
ধরা দাও — তাহলে অনন্তকাল থাকিতে যে হবে এই বনে………
বৃষ্টি অথবা শহরের কিছু দৃশ্যকল্প এবং একটি অগল্প
১
কালো মেঘ আর সাদা বৃষ্টির মিতালিতে স্বপ্নের সাদাকালো রঙে প্রকৃতি সেজেছে আজ হয়তো তার জন্যই । পিচঢালা তপ্ত রাস্তাও বর্ষণ অবগাহনে আজ শান্ত। ধূলোর চাদর ঝেড়ে নগরী আজ বিদায় জানিয়েছে যেন জমে থাকা ধুসর সময়কে। বৈদ্যুতিক তারের উপর বসে ভিজছে কিছু কাক। কে জানে হয়তো বা তাদের মাঝেও বৃষ্টি শান্তির বাণী ছড়িয়ে দিয়েছে। হালকা বাতাসের মৃদু আদর আর বর্ষিত বারির আশীর্বাদে গাছগুলোকেও একটু পুলকিত মনে হচ্ছে।
বিস্তারিত»