১৪ মে, ১৯৭১।
পিরোজপুর জেলার কৃষ্ণনগর গ্রাম।
ঊর্মিলা সকালে উঠেই বুঝতে পারল, আর একটি অবশ দিন অপেক্ষা করছে তার জন্য। সারাদেশে কি যে শুরু হল, যুদ্ধ,গুলি আর বিপ্লব। ঊর্মিলা অনেক কিছুই বুঝতে পারে না,গতবার যখন তার ভাই ঢাকা থেকে বেড়াতে এসেছিল, তখন বাবা আর ভাই কে অনেক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে শুনেছে,আইয়ুব খান, মনায়েম খান, রাও ফরমান আলি এই সব নাম গুলো বার বার ওর কানে আছড়ে পরছিল।
প্রথম প্রেম

1985 shale Humayun ahmeder shakkatkar nicche shangbadik shakoor majid
বালকটি যে কারণে মুগ্ধ হয়েছিলো
শাকুর মজিদ
ছেলেটি তখন একেবারেই কিশোর। চৌদ্দ-পনেরো বছর বয়স। ক্লাস নাইনে পড়ে। ক্লাসের বই ছাড়াও গল্প উপন্যাসের বইয়ের প্রতি তার বেশ ঝোঁক। বিশেষ করে রহস্য উপন্যাস। কাজী আনোয়ার হোসেন, রোমেনা আফাজ প্রায় শেষ। সে যেখানে পড়াশুনা করে, এটা একটা আধাসামরিক আবাসিক বিদ্যানিকেতন। যদিও সে পড়ে স্কুলের ক্লাসে,
বিস্তারিত»বিকৃত লালসা, আক্রমণ ও সমসাময়িক ধারনা
অনেক হতাশা থেকে লিখতে বসা। প্রত্যেকটি বিষয় এর যুক্তিযুক্ত সমালোচনা বিষয়টিকে করে তোলে অনেক বেশি গ্রহনযোগ্য আর নিখুঁত। কিন্তু আমরা মনে হয় সব বিষয় ছেড়ে নারীর পোশাক নিয়ে মেতেছি। আমাদের সকল যুক্তি আলোচনা, সমালোচনা এখন পোশাকবদ্ধ। শালীন আর অশালীন পোশাকের পার্থক্য নিরূপণে আমরা বুদ্ধি যুক্তি আর ধর্ম ব্যবহার করছি। পোশাক স্বাধীনতা আমাদের কতটুকু??? আমরা কতটুকু স্বাধীন?? নাকি আমাদের ধর্ম, কৃষ্টি কালচার শুধু নারী নিবদ্ধ???
জাফর ইকবাল সাহেবের মেয়ের ছবি দেখলাম কোন এক ব্লগে।
বিস্তারিত»কালো দিন এবং কিছু অপ্রাসঙ্গিক কথা
(লেখাটা শুরু করেছিলাম কামরুলের কালো দিনের মন্তব্য করতে গিয়া। এতো বড় হইয়া গেলো যে লেখা হিসাবেই দিয়া দিলাম।)
সিলেটের আরও অনেক কাহিনী পাওয়া যায়। পামোশ যেখানেই গেছেন অনেক কাহিনীর জন্ম দিয়েছেন। ব্যাক্তিগত জীবনে প্রবল ধর্মকর্মকরা এই মানুষটির ভাগ্য কেন এমন; কে জানে? ঝিনাইদহের এক বড় ভাই অইদিন পামোশের কথা বললেন। পামোশ কুমিল্লা থেকে আমাদের কলেজে বদলি হয়ে আসলেন অইখানে ঝামেলা করার জন্য।
বিস্তারিত»১১.১১.১১
ক.
দু সপ্তাহের বেশি সময় ধরে ইন্টারনেটের বাইরে ছিলাম। টিভি খবর কিংবা খবরের কাগজ, কোন কিছুর সাথেই যোগাযোগ ছিল না। তাই আশেপাশের অনেক ঘটনাই টের পাইনি। আজকে দুপুর নাগাত ঘুম থেকে উঠে অনেকিন পরে ফেসবুকে ঢুকে দেখলাম বেশ একটা উৎসব উৎসব ভাব। আজকে ১১.১১.১১!!! ফেসবুক বা ইন্টারনেট না থাকলে মনে হয় টেরই পেতাম না, শুধু এই তারিখ না, আরো কত কিছুই যে টের পেতাম না কে জানে!
ক্লাস নাইন ১৯৮০
১ ফেব্রুয়ারী, ১৯৮০।
গতকাল রাত ১২টায় শ্রীমঙ্গল স্টেশন থেকে মেইলে উঠেছিলাম। দ্বিতীয় শ্রেণীর কামরা। সকাল ১০ টায় ট্রেন এসে থামলো চট্টগ্রাম স্টেশনে। আজ জীবনের দ্বিতীয় বারের মতো চট্টগ্রাম নিউ মার্কেটে ঘুরাঘুরি করলাম। ওখানে এসকেলেটার দিয়ে দোতলায় উঠা যায়। আমি কয়েক বার উঠা-নামা করলাম। বিকেল ৪টায় নাভিদের সাথে কলেজে চলে এলাম। বছরের শুরুতে একমাস উইন্টার ভ্যাকেশন ছিলো। কাল থেকে শুরু হবে নতুন ক্লাসে নতুন জীবন।
ভালো থাকুন মনোয়ারুল হাসান বিপ্লব ভাই ও রুখসানা লোপা আপু
গতকাল ল্যাবে বসে ঝিমাচ্ছি এমন সময় কেউ একজন খোমাখাতায় নক করে বললো ভাই মির্জাপুরের এক্স ক্যাডেট এক বড়ভাই মারা গেছে জানেন? খবরটা শুনে মন খারাপ হয়ে গেলো। মৃত্যু সংবাদ শুনলেই আমার ভালো লাগে না, তার মাঝে মৃত্যুটা যদি হয় পরিচিত কোন মানুষের সেটা মেনে নেয়া কষ্টেরই। তবে পরিচিত বলে ফেললাম অবলীলায় অথচ তাকে আমি কখনও দেখিনি। তারা যে বছর কলেজ থেকে বের হয়ে গেছেন তার পরের বছর আমরা ঢুকেছি।
বিস্তারিত»১০ই নভেম্বর, শহীদ নূর হোসেন দিবস স্মরণে লেখা দুটি কবিতা- ‘হৃদয়ের রাজপথে’ ও ‘নূর হোসেন’
হৃদয়ের রাজপথে
———————
শহর জুড়ে সে ছড়িয়েছে শপথের ঘ্রাণ,
তপ্ত পথের বুকে উড়িয়েছে ধূলো,
অবাধ্য ঝাঁকড়া চুলে যুবকের অবিনাশী দেহ
রক্ত-আখের বুকে জড়িয়েছে প্রাণ।
সৌর তারা ছাওয়া আকাশের মতো
নূর হোসেন আজও জাগে অনির্বার
স্বদেশের দিনরাত্রি জুড়ে;
বিদীর্ণ সে বুকের রক্তে ভাসে পথ মাঠ নদী
উন্মাদনায় হাসে মাটি বাংলার।
বোনেরা কোত্থেকে ছুটে এসে ওই উদোম,
বিস্তারিত»সৃষ্টিকর্তার কোন অবদানকে তোমরা অস্বীকার করবে? -২।
ব্যাপারটা শুরু অনেকটা fun থেকে, হালকা মেজাজের গল্প থেকে।বাবা-মা হজ্জ থেকে আসার পর সব ভাইবোন গোল হয়ে বসে গল্প শুন ছিলাম।অর্থাৎ “আম্মা গাঁধি” আর তাঁর শ্রদ্ধেও পিতাজান এই হজ্জ সফরে কি কি বোকামি করাতে আব্বার কি অসুবিধায় পড়তে হয়েছিল, তার ফিরিস্তি শুনছিলাম। আম্মা মৃদু প্রতিবাদের সাথে শুনছিলেন এবং স্বভাবসিদ্ধ মৃদু মৃদু হাসছিলেন।
মা কোন এক ধর্মীয় বইতে নাকি পড়েছিলেন, হজ্জে স্বামীর টাকার চেয়ে নিজের টাকা অথবা ছেলের টাকায় গেলে সব থেকে বেশি ভাল।
বিস্তারিত»ধারাবাহিক উপন্যাস – ১৮
আঠার
একদিন আম্মা হোসনা আপার বাসা থেকে ঘুরে আসলেন। বাসায় এসে জানালেন হোসনা আপা আসলে অনেক দুঃখ নিয়ে লন্ডন থেকে ফিরে এসেছেন। কিরণ ভাই আমেরিকায় পড়তে গিয়ে একজন আমেরিকান মেয়ে
বিয়ে করে ফেলেছে। হোসনা আপার আশা ছিল লেখাপড়া শেষ করে কিরণ ভাই দেশে ফিরবে। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশকে গড়ে তুলতে নিজের মেধা আর শ্রম দিবে। উনি ভুলেও কখনও ভাবেননি যে আমেরিকা গিয়ে এতো
সহজে কিরণ ভাই দেশকে ভুলে যাবে।
ভালবাসার আহবান
শেষ বিকেলের আলোয় রাঙা, মধ্য গগন জুড়ে,
সূর্য ডোবে সূর্য ওঠে, আকাশখানি ফুঁড়ে ।
সেই বিকেলের আবছা আলোয় ,আঁধারখানাই বাড়ে,
সূর্য-দেবু! হাসোনা ভাই! একটু দেখি তারে?
তারে দেখে দিন কাটে মোর, তার চোখেতেই রাত,
তারে বিনে হয় নাকো ভোর, হয় নাকো প্রভাত।
আমি জানি । আমি বাসি! সেও কি তা জানে?
বিস্তারিত»জন্মদিনের লেখা
তোমরা চাও আমার হাত বন্ধ হোক?
আমার লেখার খাতা কাগজ জব্দ হোক?
আমার মুখ বন্ধ হোক,চুপ থাকুক নীল ফড়িং
রূপকথার মৃত্যু হোক-এই তো চাও
মেঘলা দিন ভোর না হোক-এই তো চাও?
ঠিক আছে ,আমিও তবে বিষ নিলাম নীল শিরায়
হাত পোড়াই,মুখ পোড়াই-শান্তি পাও তোমরা সব?
নইলে কি আর তিন জুলাই,ঠোঁট পোড়াই,ঠোঁট পোড়াই
ভুল করি,রাত জেগে ভুল করি
ভুল বুকে প্রেম রেখে ভুল করি,ভুল ঘড়ি
ভুল সময় নষ্ট হয়,প্রেমবিহীন প্রেমবিহীন
অঘ্রাণের শেষ বেলায় আজ হোক আমার মৃত্যুদিন!
বাংলাদেশ এর ২ বিজ্ঞানী কি পারবেন ইতিহাস হতে ?
বর্তমান বিশ্বের অন্যতম সেরা বিজ্ঞানী আইনস্টাইন এর নাম আমরা কম বেশি সবাই জানি ।উনার সেই বিখ্যাত সূত্র
E=mc²
এর কথা আমরা সবাই কম বেশি শুনেছি ।অনেক সময় শুনতাম যে তার এই সূত্র ভুল প্রমাণ করতে গিয়ে অনেকে পাগল হয়ে গেছে ।জানিনা কথাটি কতটুকু সত্যি।এইচ এস সি লেভেল এ এসে এই সূত্রের সাথে পরিচয় ঘটে ।
১৯০৫ সালে প্রকাশিত আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব থেকে জানা যায় যে “the speed of light is a “cosmic constant”
বিস্তারিত»ফিরে আসা (শেষ পর্ব)
২০০০ সালের মে-জুন মাসের দিকে হবে । সময়টা সকালের সবচাইতে ‘Rush Hour’. New York MTA’র দুই নম্বর লাইনের শেষ প্রান্তে Brooklyn College – Flatbush Avenue থেকে উঠেছি বলে বসার সিট পেয়েছি।গন্তব্য ম্যনহাটন।Clark Street আর Wall Street এর মাঝে সম্ভবত East River এবং সমুদ্রের মোহনার নিচ দিয়ে টিউব লাইন, তাই বাইরের কিছু দেখার যো নেই। বেশ সময় নেয় নদীর তলদেশটা পাড় হতে।বসে বসে তাই মানুষ দেখছি।
বিস্তারিত»ধারাবাহিক উপন্যাস – ১৬, ১৭
আগের পর্ব
ষোল
একদিন সামাদ স্যারের বাসায় গেলাম। স্যার আমার জন্য অনেক করেছেন। বিশেষ করে অংক পরীক্ষার আগের দিন বাসায় এসে সাহস দিয়ে গেছেন। স্যারের বাসাটা আমাদের বাসা থেকে খুব একটা দূরে না, হেটেই যাওয়া যায়। একা একাই চলে আসলাম। স্যারের বাসা থেকে বেরুলেই সেই বিশাল দেবদারু গাছ। সেদিন দেখি এই গাছটার গুড়িতে হেলান দিয়ে মানিকদা আরও কয়েকটা ছেলের সাথে গল্প করছে।
বিস্তারিত»