চেনা মানুষ, শুভ জন্মদিন সিসিবি আর সুন্দর তানভীর ভাই

‘একটা সময় ছিল, বুচ্ছিস রে সামিয়া…’-তাইফুর ভাই নড়েচড়ে বসলেন। আমি জোরে জোরে মাথা নাড়ালাম, তাইফুর ভাইয়ের সাথে দ্বিমত করব…আমার ঘাড়ে দুইটা মাথা নাই। একটু আস্তে করে অবশ্য বলার চেষ্টা করলাম, না কয়দিন আগেই তো সপ্তাখানেকের জন্য সিসিবি আবার জমে গেছিল। উনি সজোড়ে থাবড় মারলেন, ‘আরে থাম। কামরুল **&#!!* টা তো বলেই দিছে ও আর সিসিবিতে লিখবেনা।’ আমার আবছা ভাবে মনে পড়ে এই মাস দুয়েক আগেই পলাশ নামক একজন ভাইকে নিয়ে কামরুল ভাই একটা পোস্ট দিছে,

বিস্তারিত»

প্রিয়তমা,তোমার জন্যে

প্রিয়তমা,
তোমার কান্নার শব্দ আজ কামানের আওয়াজকে হার
মানায় কেন?
তোমার মন খারাপ কেন এই অবেলায়?

বিস্তারিত»

শিক্ষক VS ক্যাডেট এর ৬বছরের ম্যাচের কিছু ধারাবিবরনি। সিজন ২-এপিসোড-১

সবাই কয় ভদ্রলোকের এক কথা। তাই মেলা দিন হইল এই সিরিজের আর এক পর্ব লিখতে গিয়েও মনের ভিতর খচখচ করছিল। লাস্ট পর্বে কইছিলাম এইডা আর লিখুম না। কিন্তু একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভাইবা দেখলাম হুদাই খচখচ করতেছে। ওই কথা তো আমার জন্য প্রজয্যই না । :goragori: :goragori: :goragori: তাই লিখতে বইসা গেলাম।

 

১) সৈয়দ নুরুল ইসলাম স্যার। বাংলা ডিপার্টমেন্ট। স্যার নতুন আসছেন কলেজে।

বিস্তারিত»

এমনি করে সবাই যাবে…

গানটি ছিল এরকম

এমনি করে সবাই যাবে, যেতে হবে,
দেহের মাপের মাটির ঘরে শুতে হবে,
কেউ রবে না তখন সাথে যারাই ছিলো দিনে-রাতে;
চোখের আলোর ঝাড়বাতিটা নিভিয়ে দেবে, নিভিয়ে দেবে। ……

ফিডব্যাকের ১৪০০ বঙ্গাব্দ এ্যালবামের গান।

বিস্তারিত»

বিরহগাথা

মানুষের জীবনটা এমন কেন? কেন এমন তার চাওয়া-পাওয়া, তার ভালোলাগা-খারাপ লাগা, হাসি-কান্না, বেদনা-সুখগুলো, কেন তারা কোন নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ছুটে চলে লাগামহীন ঘোড়ার মত, আপন খেয়ালে, অর্থহীনভাবে। কেন চেনা মানুষগুলো হঠাৎ করে অচেনা হয়ে যায়, কাছের মানুষগুলো পথ হারিয়ে দূরের অচিন পথিকে পরিণত হয়! কিছুকাল আগের সুখস্মৃতিগুলো ব্যথার তীর হয়ে হৃদয় খুঁড়ে অশ্রু জাগায়। একি মানুষের যে কথাগুলো, স্পর্শগুলো, ভাবের আদান প্রদানের তরঙ্গগুলো খুবই আকাঙ্ক্ষিত,

বিস্তারিত»

গরিব ব্লগারের কথা

প্রথম কিভাবে ব্লগের ঠিকানা পেলাম মনে নেই, বোধহয় গুগলে সার্চ দিয়ে কিংবা ফেসবুকে কোন লিংক পেয়ে। তখন মাত্র কলেজ থেকে বের হইসি। সবকিছুতেই চরম মজা পাই।
কম্পিউটার ঝকঝকে বাংলা দেখা শুরু করলাম সব যায়গায়। অভ্র নিয়ে গুতাগুতি শুরু করলাম। অনেক কিছু পারতাম না। তারপরো ব্লগ লেখার চেষ্টা করতাম। আমি এখন পর্যন্ত আমি অন্য কোনো ব্লগে লিখার সুযোগ পাইনাই 🙁
আমাদের ব্যাচের অনেকেই ভাবতো তখন আমি বোধহয় ব্লগের এডমিন বা কিছু একটা কোনো সমস্যা হইলেই আমারে ফোন কিংবা মেসেজ।

বিস্তারিত»

“শুভেচ্ছা”

আজ সকালে ঘুম ভাঙ্গল ঠাডা পইরা। ঠাডা বুঝেন? বজ্রপাত রে আমাগো এলাকায় ঠাডা কয়।

 

সকালে সারে সাতটা নাগাদ বাপে ফোন দিয়া ঘুম ভাঙ্গাইল।ঘুম জড়ানো গলায় বললাম

-স্লামুয়ালাইকুম আব্বু

-নিচে আয়। আমি তোর বাসার নিচে।

ঘুম ছুইটা গেল। রুমের চারি দিকে তাকাইয়া।রুমের অবস্থা দেখে ইচ্ছা করল সিড়ি দিয়ে না নেমে সরাসরি ছয় তলা থেকে লাফ দিয়া নাইমা যাই।

বিস্তারিত»

একটি অনুরোধ…………………

প্রথমেই সিসিবিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আজকে বহুদিন পরে সিসিবিতে লগিন করলাম। যদিও প্রায়ঃশই সিসিবিতে আসি, কিন্তু কি কারনে যেন লগিন করা হয় না। হঠাৎ করে আজ সিসিবির পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে গেল। :dreamy: :dreamy: ২০০৮ সালের কথা। তখন সবে মাত্র কলেজ থেকে বের হয়েছি। সেনাবাহিনীতে যোগদানের উদ্দেশ্যের চেয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়ার জন্যই ভর্তি হলাম ডিফেন্স গাইড নামক কোচিং সেন্টারে। সেখানেই একদিন পরিচয় মাসরুফ ভাইয়ের সাথে।

বিস্তারিত»

শুভ জন্মদিন প্রিয়

চারটি বছর গেল পরপর
আজকে পড়েছে পাঁচে,
তব জন্মদিন নয়ত মলিন
ভয়াল বিশ্ব আঁচে।

আজকের শুভ দিনে কেউ নিশ্চয়ই আমার ছড়ার অন্ত্যমিল নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না। তবে কপিরাইট নিয়ে যাদের তীব্র খুঁতখুঁতানি তাদের জন্য এই ছড়া আমার লেখা নয়। হুমায়ুন আহমেদের কোন এক গল্পের বইয়ে ছিল। শুধু সিসিবির চার বছর এর সাথে মিলাতে গিয়ে দু-একটা শব্দ এদিক ওদিক করতে হয়েছে।

বিস্তারিত»

পরীক্ষার আগের রাত।

আজ অনেকদিন পরে লিখতে বসেছি। বার বার কেন জানি S.S.C পরীক্ষার আগের দিনের কথা মনে হচ্ছে। ১৯৭৬ সাল।ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ফজলুল হক ভবনের নিচের তলা। বারান্দার সামনেই সবুজ লনের বিস্তার। বন্ধুরা সব পাগলের মত রিভাইজ করছে। আমি বইয়ের কাছেও যাইনি। প্রিয় গীটারটা নিয়ে বারান্দায় টুং টাং করছি।

‘৭৫ সনে মা বাবার সাথে ইন্ডিয়া যাই বেরাতে ।জীবনের  প্রথম বিদেশ সফর। যা দেখি,

বিস্তারিত»

পিঙ্গলকেশী

অনেক দিন থেকেই দেখা হবে হবে করে হয়নি,আজ হয়ে গেল। দেশ থেকে ফেরার পর এই প্রথম। ওর নাম নিনা।ওর বাবা জর্জিয়ান,মা রাশিয়ান। আমার সাথে দেখা হয়েছিল প্রথম ভার্সিটিতে। ও ডেন্টিস্ট এর ছাত্রী।আমাদের ক্লাস আলাদা আলাদা হয়,তার মধ্যে ও আমার থেকেও ২ কোর্স সিনিয়র।

যাই হোক দেখা হওয়া টা কাকতালীয়। আসলে খুবই কাকতালীয়।আমাদের ফিলসপি(দর্শন) ক্লাস ছিল। এই সব ক্লাস সাধারনত ঘুমাবার জন্য,কিম্বা গল্প করার জন্য।

বিস্তারিত»

জগতের সকল নারী সুখী হোক !!!

এটা আমার নিজের গল্প।[ অন্য কারো সাথে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয় !!]

আমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে। বিশ্বাস করেন একটাই। আমাদের অনেক দিনের রিলেশন। প্রায় ৭বছর হল আমরা প্রতিাদিন ঝগড়া করি। প্রতিদিনই প্রায়। এই ৭বছরে খুব বেশী হলে ৭দিন আমাদের মধ্যে কোন ঝগড়া হয় নাই। তাও সেটা এক টানা ৭ দিন হবে না। এক ঘন্টার মধ্যে কখনো কখনো ৩-৪বার ঝগড়া হয় ৩-৪টা ভিন্ন ইস্যু তে।

বিস্তারিত»

ছেড়ে যাবি নাতো

ক্লাস থেকে বের হয়ে একটু চিন্তায় পরলাম।পকেটে মাত্র একশ টাকা।সম্বল বলতে এটুকুই।কাল নীরার জন্মদিন।তিন বছর ধরে একসাথে আছি।মেয়েটাকে কখনোই কিছু দেয়া হয়নি।পৃথীবিতে কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা অল্পতেই খুশী।নীরাও তাই।ও এমন একটা মেয়ে যার কাছে কিছুই লুকানো যায়না।আর তাই তিন বছরের মধ্যে ওর সামনে কখনো মন খারাপ করতে পারিনি।এম্মিতেই ও অনেক বেশি কেয়ারিং।

নীরার সাথে আমার পরিচয় ফার্মগেটে।ইউ সি সি তে কোচিং করার সুবাদে।ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে প্রথমেই নিজেকে গুছিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে।জীবনের বড় একটা অংশ মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে মেয়েদের প্রতি তীব্র কৌতূহল ছিল।যদিও ছেলে হিসেবে আমি বেশ লাজুক প্রকৃতির।একবার কোচিং এর সামনে বসে ফুচকা খাওয়ার পর টাকা দিতে গেলে খেয়াল করলাম পকেটে মানিব্যাগ নেই।এক প্রকার অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম।ছোটবেলা থেকেই আত্মসম্মান বোধটা আমার প্রচন্ড।ফুচকাওয়ালাকে বললাম ‘মামা,মানিব্যাগ ফেলে এসেছি।আমার কাছে টাকা নাই।এই ঘড়িটা রাখুন।দোকানী বিজয়ীর হাসি দিল।স্টিভ জবস আইপড আবিস্কার করে যেমন হাসি দিয়েছিলেন অনেকটা সেরকম।জীবনের সেই চরম অপমান জনক অবস্থা থেকে নীরাই আমাকে রক্ষা করেছিল।সেই থেকে একসাথে আছি।জীবনের বাকীটা পথ ও এভাবেই থাকার ইচ্ছা।

বিস্তারিত»

এ্যানাগ্লিফ

এই বছরের এপ্রিল মাস থেকে রাজধানীতে অবস্থান করছি। ৪ জন মিলে আছি আমার কলেজের-ই এক বন্ধুর বাসায়; ৪ ক্যাডেট বন্ধু, আর কেউ নয়। সুতরাং বলাই বাহুল্য, সময়টা দারুণ যাচ্ছে 🙂

আমাদের প্রতিদিনের একটা কমন কাজ হল অফিস থেকে ফিরে রাতে ডিনারের পর একসাথে রাত জেগে টিভি দেখা। এটা প্রতিটি পরিবারেরই একটা খুব সাধারণ দৃশ্য, কিন্তু ব্যাপারটা আদতে অত স্বাভাবিক নয়। ব্লগের নন-ক্যাডেট ভিজিটর-দের বোঝার সুবিধার্থে বলছি : ক্যাডেট কলেজে একসাথে থার্সডে নাইটে মুভি দেখার ব্যাপারটা অনেক স্পেশাল ছিল।

বিস্তারিত»