মানুষের জীবনটা এমন কেন? কেন এমন তার চাওয়া-পাওয়া, তার ভালোলাগা-খারাপ লাগা, হাসি-কান্না, বেদনা-সুখগুলো, কেন তারা কোন নিয়মের তোয়াক্কা না করেই ছুটে চলে লাগামহীন ঘোড়ার মত, আপন খেয়ালে, অর্থহীনভাবে। কেন চেনা মানুষগুলো হঠাৎ করে অচেনা হয়ে যায়, কাছের মানুষগুলো পথ হারিয়ে দূরের অচিন পথিকে পরিণত হয়! কিছুকাল আগের সুখস্মৃতিগুলো ব্যথার তীর হয়ে হৃদয় খুঁড়ে অশ্রু জাগায়। একি মানুষের যে কথাগুলো, স্পর্শগুলো, ভাবের আদান প্রদানের তরঙ্গগুলো খুবই আকাঙ্ক্ষিত,
বিস্তারিত»গরিব ব্লগারের কথা
প্রথম কিভাবে ব্লগের ঠিকানা পেলাম মনে নেই, বোধহয় গুগলে সার্চ দিয়ে কিংবা ফেসবুকে কোন লিংক পেয়ে। তখন মাত্র কলেজ থেকে বের হইসি। সবকিছুতেই চরম মজা পাই।
কম্পিউটার ঝকঝকে বাংলা দেখা শুরু করলাম সব যায়গায়। অভ্র নিয়ে গুতাগুতি শুরু করলাম। অনেক কিছু পারতাম না। তারপরো ব্লগ লেখার চেষ্টা করতাম। আমি এখন পর্যন্ত আমি অন্য কোনো ব্লগে লিখার সুযোগ পাইনাই 🙁
আমাদের ব্যাচের অনেকেই ভাবতো তখন আমি বোধহয় ব্লগের এডমিন বা কিছু একটা কোনো সমস্যা হইলেই আমারে ফোন কিংবা মেসেজ।
দ্বিতীয় জীবন
“শুভেচ্ছা”
আজ সকালে ঘুম ভাঙ্গল ঠাডা পইরা। ঠাডা বুঝেন? বজ্রপাত রে আমাগো এলাকায় ঠাডা কয়।
সকালে সারে সাতটা নাগাদ বাপে ফোন দিয়া ঘুম ভাঙ্গাইল।ঘুম জড়ানো গলায় বললাম
-স্লামুয়ালাইকুম আব্বু
-নিচে আয়। আমি তোর বাসার নিচে।
ঘুম ছুইটা গেল। রুমের চারি দিকে তাকাইয়া।রুমের অবস্থা দেখে ইচ্ছা করল সিড়ি দিয়ে না নেমে সরাসরি ছয় তলা থেকে লাফ দিয়া নাইমা যাই।
বিস্তারিত»একটি অনুরোধ…………………
প্রথমেই সিসিবিকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা। আজকে বহুদিন পরে সিসিবিতে লগিন করলাম। যদিও প্রায়ঃশই সিসিবিতে আসি, কিন্তু কি কারনে যেন লগিন করা হয় না। হঠাৎ করে আজ সিসিবির পুরনো দিনের কথা মনে পড়ে গেল। :dreamy: :dreamy: ২০০৮ সালের কথা। তখন সবে মাত্র কলেজ থেকে বের হয়েছি। সেনাবাহিনীতে যোগদানের উদ্দেশ্যের চেয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেয়ার জন্যই ভর্তি হলাম ডিফেন্স গাইড নামক কোচিং সেন্টারে। সেখানেই একদিন পরিচয় মাসরুফ ভাইয়ের সাথে।
বিস্তারিত»শুভ জন্মদিন প্রিয়
চারটি বছর গেল পরপর
আজকে পড়েছে পাঁচে,
তব জন্মদিন নয়ত মলিন
ভয়াল বিশ্ব আঁচে।
আজকের শুভ দিনে কেউ নিশ্চয়ই আমার ছড়ার অন্ত্যমিল নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না। তবে কপিরাইট নিয়ে যাদের তীব্র খুঁতখুঁতানি তাদের জন্য এই ছড়া আমার লেখা নয়। হুমায়ুন আহমেদের কোন এক গল্পের বইয়ে ছিল। শুধু সিসিবির চার বছর এর সাথে মিলাতে গিয়ে দু-একটা শব্দ এদিক ওদিক করতে হয়েছে।
বিস্তারিত»পরীক্ষার আগের রাত।
আজ অনেকদিন পরে লিখতে বসেছি। বার বার কেন জানি S.S.C পরীক্ষার আগের দিনের কথা মনে হচ্ছে। ১৯৭৬ সাল।ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের ফজলুল হক ভবনের নিচের তলা। বারান্দার সামনেই সবুজ লনের বিস্তার। বন্ধুরা সব পাগলের মত রিভাইজ করছে। আমি বইয়ের কাছেও যাইনি। প্রিয় গীটারটা নিয়ে বারান্দায় টুং টাং করছি।
‘৭৫ সনে মা বাবার সাথে ইন্ডিয়া যাই বেরাতে ।জীবনের প্রথম বিদেশ সফর। যা দেখি,
বিস্তারিত»পিঙ্গলকেশী
অনেক দিন থেকেই দেখা হবে হবে করে হয়নি,আজ হয়ে গেল। দেশ থেকে ফেরার পর এই প্রথম। ওর নাম নিনা।ওর বাবা জর্জিয়ান,মা রাশিয়ান। আমার সাথে দেখা হয়েছিল প্রথম ভার্সিটিতে। ও ডেন্টিস্ট এর ছাত্রী।আমাদের ক্লাস আলাদা আলাদা হয়,তার মধ্যে ও আমার থেকেও ২ কোর্স সিনিয়র।
যাই হোক দেখা হওয়া টা কাকতালীয়। আসলে খুবই কাকতালীয়।আমাদের ফিলসপি(দর্শন) ক্লাস ছিল। এই সব ক্লাস সাধারনত ঘুমাবার জন্য,কিম্বা গল্প করার জন্য।
বিস্তারিত»জগতের সকল নারী সুখী হোক !!!
এটা আমার নিজের গল্প।[ অন্য কারো সাথে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয় !!]
আমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে। বিশ্বাস করেন একটাই। আমাদের অনেক দিনের রিলেশন। প্রায় ৭বছর হল আমরা প্রতিাদিন ঝগড়া করি। প্রতিদিনই প্রায়। এই ৭বছরে খুব বেশী হলে ৭দিন আমাদের মধ্যে কোন ঝগড়া হয় নাই। তাও সেটা এক টানা ৭ দিন হবে না। এক ঘন্টার মধ্যে কখনো কখনো ৩-৪বার ঝগড়া হয় ৩-৪টা ভিন্ন ইস্যু তে।
বিস্তারিত»ছেড়ে যাবি নাতো
ক্লাস থেকে বের হয়ে একটু চিন্তায় পরলাম।পকেটে মাত্র একশ টাকা।সম্বল বলতে এটুকুই।কাল নীরার জন্মদিন।তিন বছর ধরে একসাথে আছি।মেয়েটাকে কখনোই কিছু দেয়া হয়নি।পৃথীবিতে কিছু কিছু মেয়ে আছে যারা অল্পতেই খুশী।নীরাও তাই।ও এমন একটা মেয়ে যার কাছে কিছুই লুকানো যায়না।আর তাই তিন বছরের মধ্যে ওর সামনে কখনো মন খারাপ করতে পারিনি।এম্মিতেই ও অনেক বেশি কেয়ারিং।
নীরার সাথে আমার পরিচয় ফার্মগেটে।ইউ সি সি তে কোচিং করার সুবাদে।ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়ে প্রথমেই নিজেকে গুছিয়ে নিতে কিছু সময় লাগে।জীবনের বড় একটা অংশ মেয়েদের কাছ থেকে দূরে থাকার ফলে মেয়েদের প্রতি তীব্র কৌতূহল ছিল।যদিও ছেলে হিসেবে আমি বেশ লাজুক প্রকৃতির।একবার কোচিং এর সামনে বসে ফুচকা খাওয়ার পর টাকা দিতে গেলে খেয়াল করলাম পকেটে মানিব্যাগ নেই।এক প্রকার অস্বস্তির মধ্যে পড়লাম।ছোটবেলা থেকেই আত্মসম্মান বোধটা আমার প্রচন্ড।ফুচকাওয়ালাকে বললাম ‘মামা,মানিব্যাগ ফেলে এসেছি।আমার কাছে টাকা নাই।এই ঘড়িটা রাখুন।দোকানী বিজয়ীর হাসি দিল।স্টিভ জবস আইপড আবিস্কার করে যেমন হাসি দিয়েছিলেন অনেকটা সেরকম।জীবনের সেই চরম অপমান জনক অবস্থা থেকে নীরাই আমাকে রক্ষা করেছিল।সেই থেকে একসাথে আছি।জীবনের বাকীটা পথ ও এভাবেই থাকার ইচ্ছা।
বিস্তারিত»এ্যানাগ্লিফ
এই বছরের এপ্রিল মাস থেকে রাজধানীতে অবস্থান করছি। ৪ জন মিলে আছি আমার কলেজের-ই এক বন্ধুর বাসায়; ৪ ক্যাডেট বন্ধু, আর কেউ নয়। সুতরাং বলাই বাহুল্য, সময়টা দারুণ যাচ্ছে 🙂
আমাদের প্রতিদিনের একটা কমন কাজ হল অফিস থেকে ফিরে রাতে ডিনারের পর একসাথে রাত জেগে টিভি দেখা। এটা প্রতিটি পরিবারেরই একটা খুব সাধারণ দৃশ্য, কিন্তু ব্যাপারটা আদতে অত স্বাভাবিক নয়। ব্লগের নন-ক্যাডেট ভিজিটর-দের বোঝার সুবিধার্থে বলছি : ক্যাডেট কলেজে একসাথে থার্সডে নাইটে মুভি দেখার ব্যাপারটা অনেক স্পেশাল ছিল।
বিস্তারিত»মন শুধু মন ছুঁয়েছে
ভিতরটা লাল,নীল আর হলুদ এই তিন রঙের আলোয় আলোকিত হয়ে আছে। আসলে এই তিন আলোর মিশ্রণে তৈরি নতুন একটা আলোয় আলোকিত,আবছা ভাবে। ভিন্ন আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের এই ভিন্নতা মনে হয় চোখের ক্লান্তি ডেকে আনার ব্যাপারে বেশ পারদর্শী। সে কারণেই বুঝি কোনার টেবিলে বসা ছেলেটি রীতিমত হাই তুলেই চলেছে। অথচ পাঁচ মিনিট আগেই যখন এখানে এসে বসল বেশ তরতাজাই দেখাচ্ছিল। এরই মধ্যে ছেলেটার মধ্যে টাংগাইল- ময়মনসিংহের লোকাল বাসের একটা ভাব চলে এসেছে।
বিস্তারিত»sdjhgf
সময় গেলে সাধন হবে না
কটা দিন ধরে একটা ফ্র্যাইজ মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। হোয়াট ইফ। আমিও জানিনা হোয়াট ইফ। হোয়াট ইফ হোয়াট? হোয়াট ইফ ইউ ওয়্যার মাইন। কি হত? না তেমন কেউ না? আই মিন আমার ক্ষেত্রে না। পাঠক হয়তো ভাববেন ভনিতা। হ্যাঁ তা কিছুটা তো বটেই।
আচ্ছা যেহেতু হোয়াট ইফ ইউ ওয়্যার মাইন দিয়েই শুরু করলাম, সো এইটা নিয়েই একটু গ্যাজানো যাক। আমার দেখা মানুষদের মধ্যে একমাত্র ক্যাডেটস আর ভেরী স্পেশাল চিড়িয়া যারা কিনা বুঝে শুনে গ্যাজাইতে ওস্তাদ।
বিস্তারিত»লোডশেডিং এবং …
বহুদিন পরে ব্লগে আসা হলো তাই কলেজের একটা অম্লমধুর স্মৃতি সবার জন্য তুলে দিলাম একটু অন্যভাবে –
“রংপুর ক্যাডেট কলেজের জেনারেটরের বর্তমান অবস্থা কেমন তাহা জানি না, তবে আমাদের সময় কারেন্ট চলিয়া গেলে জেনারেটর চালু হইয়া কারেন্ট আসিতে পাঁচ মিনিটের মত সময় তো লাগিতোই। এই সময়টা ছিলো সিনিয়র জুনিয়র সবার জন্য অনির্ধারিত উপভোগের উপলক্ষ । যাহা হউক, আমরা তখন ক্লাস ইলেভেনে পড়ি। কলেজে নতুন এক টিচার আসিলেন শাহীন স্যার,
বিস্তারিত»