রুয়েটে পরে সোহাগ ।ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র ।প্রথম সেমিস্টার এ ভাল রেজাল্ট করছে ।২য় সেমিস্টারে একটু খারাপ করছে । সোহাগ এর এই ভাল রেজাল্ট করার পিছনে তার বাবা-মায়ের অবদান অনস্বীকার্য । তার বাবা-মা তাকে পড়াশুনার ব্যাপারে খুব তাগিদ দেয়।৩য় সেমিস্টার এর ক্লাস টেস্ট,ল্যাব-রিপোর্ট,অ্যাসাইনমেন্ট ইত্যাদির কারণে জীবন যখন দিশেহারা ঠিক তখনি চলে এলো রমযান মাসের ৪৫ দিন এর
ছুটি ।স্বভাবতই বাসায় প্রত্যাবর্তন । তারপর শুরু হয় শেষ রাত্রিতে সেহেরী খাওয়া,সারাদিন রোযা রাখা আর সন্ধ্যায় ইফতারি খাওয়া ।ইফতারি খাবার পর শরীর এক অদ্ভুত ক্লান্তিতে ভরে ওঠে আর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে আসে সোহাগ এর দুইটি চোখ ।
বিস্তারিত»









