টিকাটুলি টাকা ছাড়া যায়না তো টেকা যে
ট্যাকে টাকা থাকা লাগে একাজে ও সে কাজে
মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, জাতিগত ঘৃণা ও আমাদের আত্ম-পরিচয়ের রাজনীতি
১
সিসিবিতে নিয়মিত আসলেও লেখা হয়না অনেকদিন। কেন, সে’ এক বিরাট ইতিহাস। আজ মনে হলো কিছু একটা লিখি, ইতিহাস নিয়েই, তবে তা’ সিসিবিতে আমার লেখার মাঝে এই লম্বা বিরতি নিয়ে নয়, বরং আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস এবং সেই প্রেক্ষিতে ব্যক্তির বিচার বিষয়ে, মোটাদাগে যা’কে বলা হয় Sociology of Man in War.
মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে আমাদের মাঝে যে সাধারণ ডিসকোর্স চালু রয়েছে, তা’তে ব্যক্তির সামগ্রিক মূল্যায়ণ হয় প্রকৃতপক্ষে একটা বাইনারি স্ট্যান্ডার্ডের মাধ্যমেঃ আক্রান্ত/আক্রমনকারী,
বিস্তারিত»ফটুকব্লগ – দুর্গাপুজা
গতবারের পুজার ফটোব্লগে যতদুর মনে পড়ে টেক্সট ইন্ট্রো দিছিলাম, এবার বাদ দেই সেগুলা। আলসে হয়ে গেছি তো !





সৌদি আরবে ৮ বাংলাদেশীর শিরশ্ছেদ, আমরা কোন যুগে আছি?
আগামীকাল পরীক্ষা আছে তারপরও গতকাল থেকেই একটা খবরে কোনভাবেই মনটাকে স্থির করতে পারছি না। আট বাংলাদেশীর শিরশ্ছেদ। আমি যেমন আগে একবার বলেছিলাম পৃথিবীতে এমন কোন ঘটনা নেই যেটাতে শতভাগ মানুষের মতের মিল ছিল তেমনি এই ঘটনাতেও দেখলাম নানা মুনির নানা মত। কোন এক ব্লগে দেখলাম একজন বলছে শুধু ৮ জন না ৮০০০ জন বাংলাদেশীর শিরশ্ছেদ করা উচিত, কেউ বলছে আইনের সঠিক প্রয়োগ আছে জন্যেই নাকি সৌদি আরবে সবাই শান্তিতে আছে।
বিস্তারিত»এক্সক্লুসিভ ঘটনা
এক্সক্লুসিভ ঘটনা1:জনৈক আলিমুজ্জামান স্টাফকে গালি দেয়ার পর Adj অফিসে:
Adj:তোমরা ক্যাডেট হইয়া আলিমুজ্জামানরে গালি দিছ?
ক্যাডেট:জী স্যার
Adj:ক্যান?
ক্যাডেট:আলিমুজ্জামান স্টাফ হইয়া আমাগো E.D দিছে তাই. . . . 😀
এক্সক্লুসিভ ঘটনা2:একুশে ফেব্রুয়ারীতে জনৈক স্যার কলেজ অডিটরিয়ামে ভাষন দিচ্ছেন।এক পর্যায়ে বললেন….’যে সকল ভাষা শহীদেরা মারা গেছেন আমরা তাদের জন্যে তো দোয়া করবোই যে সকল ভাষা শহীদেরা জীবিত আছেন আমরা তাদের জন্যেও দোয়া করব.
বিস্তারিত»লেইক্ষ্যং ম্রোং এর খোঁজে
বান্দরবানের পথে পথেঃ
“খুম” এবং “ম্রোং” এর দেশ বান্দরবান এর প্রতিটি পাহাড়ে পাহাড়ে ছড়িয়ে আছে বিচিত্রতা । লুকিয়ে আছে এমন সব স্থান যা দেখতে আমদের দেশের ভ্রমন পিপাসুরা ছুটে যান নানা দেশে। আকাশ ভরা মেঘ এর মাঝে লুকিয়ে থাকা পাহাড়, পাথরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া স্রোত যা স্থানীয় ভাষায় খুম নামে পরিচিত,বর্ষার মাঝে তৈরী হওয়া অজস্র ঝরনা যা কিনা ম্রোং নামে পরিচিত,কিংবা পাথরের বুকে বেয়ে চলা ঝিরিতে আমরা খুজে পেতে পারি চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য্য আর রোমাঞ্চের হাতছানি।
আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ।(এগার)
“তেলেপোকা” নিয়ে একটা বিজ্ঞান সাময়িকীতে একবার পড়েছিলাম, এই আজব প্রাণীটির বিচরণ অন্ধকার জগতে।এরা সর্বভুক।স্বজাতীয় দের নিয়েও মাথা ব্যথা নেই। নিজে বাঁচতে পারলেই হল।সমীক্ষায় প্রমানিত হয়েছে, ‘আনবিক বোমায়’ পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকুল মৃত্যু বরন করলেও, কোন আজব উপায়ে খোলস পরিবর্তনের মাধ্যমে “তেলেপোকা” বেঁচে থাকবে।বর্তমানের প্রেক্ষাপটে অপ্রাসঙ্গিক ভাবে কথাগুলি মনে আসলো, তাই লিখে ফেললাম। ভাবছিলাম এই অধ্যায়ে আমি এই প্রজন্মের পাঠকদের যুদ্ধের খল নায়ক ” দালালদের” ব্যপারে কিণচিৎ আলোকপাত করবো।
বিস্তারিত»সৌন্দর্য বিষয়ক কিছু টিপস
দেশে যাওয়ার আগে কিছুটা ভয়ে ভয়ে থাকি। আমার পরিবারের নারীকুল আবার খুব সৌন্দর্য সচেতন। তবে সেরকম পার্লার গামী নয়। নিজেরাই এক একেকজন সৌন্দর্য-বোদ্ধা। সবার নিজস্ব কিছু টিপস আছে। চারপাশের এই সব নারীকুলের চাপে আমার পক্ষে কোনদিনই আদর্শ নারীবাদী হয়ে উঠা গেল না। বরং আমি নিজেই অনেক টিপসের আবিষ্কারকর্তা (কিম্বা কর্ত্রী)। এগুলো সব প্যাটেন্ট করার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু দরদী মন। দেশের দুর্দিনে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সৌন্দর্য-পিয়াসী জনগণের উদ্দেশ্য আজকে কিছু টিপস উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা ভাবছি।
বিস্তারিত»আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ।(দশ)
১৯৭১ এর শেষ কয়েকটি মাস।আবার ঢাকা শহর। কোথাও কোন ঝামেলার চিঁহ্ন মাত্র নেই ।চারিদিক জীবনযাত্রা সব স্বাভাবিক। চোখের কোনে কিছু ধরা দিয়েও দেয়না। চারিদিকের মাত্রাতিরিক্ত স্বাভাবিকতা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় কে শুধু সাবধান করে দেয়, কোথায়ও বড় কোন ঘাপলা আছে, বেশ বেখাপ্পা লাগে।দেশ বিদেশে এত কানাঘুষা আর এখানে ‘”সব কুছ ঠিক হ্যাঁয় ” এ হতেই পারেনা। তবে মানুষ গুলিকে খুব নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করলে সব প্রাণহীন দম দেয়া পুতুল “জম্বি”
বিস্তারিত»ফড়িঙের ডানা এবং দুই মিনিটের কবিতা
দরোজা ধরে দাঁড়ায় বিষাদ
তুমি ও নিষাদ,তুমি ও নিষাদ
কূপের থেকে কে জানতে চায়
একটি খুনের দৈব উপায়
রাত বিরহে নেই কোন পাপ
এই বালকের গোপন স্বভাব
সন্ধ্যা হতেই চন্দন কাঠ
আগুন পোড়ায় শবের পাঠ
মানুষ পোড়া ধূসর ছাই
লোকটা যে তালপাতার সেপাই
মরার পরে তার বিধবা স্ত্রী
প্রেমিক পেল এক মিস্তিরি
রাত বাড়তেই অন্ধকারে
দরজা টোকার অভিসারে
দরোজা ধরে দাঁড়ায় বিষাদ
তুমি ও নিষাদ,তুমি ও নিষাদ
সে ভিখু আর সেই পাঁচী
বললো থুথু-বিচ্ছিরি ছি
[মূল লেখাটার ছায়া]
বিস্তারিত»পাঠকের ডায়েরিঃ বন্দীশালা পাকিস্তান
সন্ধ্যার সময় কাজ না থাকলে প্রায়ই বইয়ের দোকানে ঘোরাঘুরি করি, খুব যে একটা বই কিনি তা না বরং এসি বা ফ্যানের হাওয়া খাইতে খাইতে বই দেখাই মূল উদ্দেশ্য। এরকম গত কয়েকদিন আগে গরমের মধ্যে “মধ্যমা” নামক দোকানে এসির হাওয়া খাইতে খাইতে হঠাত তাকের একটা বইয়ের দিকে চোখ পড়ল, হালকা পাতলা হলুদ রঙের একটা বই। কয়েক পৃষ্ঠা উল্টাতেই আগ্রহ জাগল তবে বইয়ের দোকানে বই আগ্রহ জাগালেও সব সময় তা গরীব ছাত্রদের পকেটের অবস্থার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় না।
বিস্তারিত»টাপুর-টুপুর কারিনা কাপুর চেষ্টা
এই সময়ের বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কিংবা এক নম্বর নায়িকার নাম বলতে গেলে কারিনা কাপুরের নামটা চলে আসবে। চার খান সাহেবের সাথে কোন রকম বঝঘট না পাকিয়ে সমান তালে সবার সাথে অভিনয় করে যাচ্ছেন। স্বয়ং শাহরুখ খান নাকি কারিনার ব্যস্ত সময় থেকে তার জন্য সময় বের করতে পারছেন না। ত আমার এই ব্লগের লেখার বিষয় কারিনা কাপুরও নয় অথবা হালের “বডিগার্ড/ রা ডট ওয়ান” হিন্দি ছবির ডিসেকশন করাও নয়।
বিস্তারিত»বুলু! আমার বুলু!
তখন কেবল নতুন নতুন পড়া শিখেছি। “অ তে অজগর আসছে তেড়ে”। “আ তে আমটি আমি খাব পেড়ে”। প্লাস্টিক বইয়ের পাতার রঙিন ছবিগুলো, শব্দগুলো, আর এলোমেলো অক্ষরগুলো নিজেদের জায়গা করে নিচ্ছিল আমার মস্তিষ্কের অন্তর্জালগুলোতে। অনুভূত পৃথিবীটাকে, আশেপাশের কাছের-দুরের মানুষগুলোকে, অনুভূতিগুলোকে ধীরে ধীরে প্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করছি। এমন সময় জানলাম, বাসার চিরচেনা জগতটাকে পাশে রেখে, প্রিয়জনগুলোর সান্নিধ্য ছেড়ে কোন এক জায়গা, স্কুলে নাকি যেতে হবে। ছোট্ট আমি,
বিস্তারিত»ধারাবাহিক উপন্যাস – ৭
পর্বঃ সাত
সাত
একদিন হঠাৎ করেই দেশটা স্বাধীন হয়ে গেল। আমরাও শাহপুর ছেড়ে কুমিল্লায় চলে আসি। মুক্তিযুদ্ধের সময় যে বাসা হয়ে গিয়েছিল মৃত্যু-কুপ, সেই একই বাসাতে এসে আবার উঠি। গোছলখানা সেই আগের মতোই আছে। এখন দিনের বেলাতেও সেখানে যেতে ভয় পাই।
বিস্তারিত»প্রত্যেকে আমরা “নিজের” তরে-২
শুক্রবার ৩০ শে সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর ” অন্য আলোতে” প্রকাশিত ‘প্রথম বাঙালি মিলিয়নিয়ের’ রাম দুলাল দে ‘র কাহিনী পরে অনুপ্রাণিত হলাম, কিছু লিখতে!
শূন্য থেকে উঠে আসা রাম দুলাল নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অংক, ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ১০ টাকা মাসিক বেতনে কোলকাতা বন্দরে নোঙর করা জাহাজের আমদানি-রফতানির কাজ তদারকি করতেন।
১৭৬০~৭০ সালের কথা ।
মনিব মদন মোহন দত্ত একদিন ১৪ হাজার টাকা নগদ দিয়ে রাম দুলালকে কিছু নিলাম সামগ্রী কিনার জন্যে পাঠালেন ।
বিস্তারিত»