১৯৭১ এর শেষ কয়েকটি মাস।আবার ঢাকা শহর। কোথাও কোন ঝামেলার চিঁহ্ন মাত্র নেই ।চারিদিক জীবনযাত্রা সব স্বাভাবিক। চোখের কোনে কিছু ধরা দিয়েও দেয়না। চারিদিকের মাত্রাতিরিক্ত স্বাভাবিকতা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় কে শুধু সাবধান করে দেয়, কোথায়ও বড় কোন ঘাপলা আছে, বেশ বেখাপ্পা লাগে।দেশ বিদেশে এত কানাঘুষা আর এখানে ‘”সব কুছ ঠিক হ্যাঁয় ” এ হতেই পারেনা। তবে মানুষ গুলিকে খুব নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করলে সব প্রাণহীন দম দেয়া পুতুল “জম্বি”
বিস্তারিত»ফড়িঙের ডানা এবং দুই মিনিটের কবিতা
দরোজা ধরে দাঁড়ায় বিষাদ
তুমি ও নিষাদ,তুমি ও নিষাদ
কূপের থেকে কে জানতে চায়
একটি খুনের দৈব উপায়
রাত বিরহে নেই কোন পাপ
এই বালকের গোপন স্বভাব
সন্ধ্যা হতেই চন্দন কাঠ
আগুন পোড়ায় শবের পাঠ
মানুষ পোড়া ধূসর ছাই
লোকটা যে তালপাতার সেপাই
মরার পরে তার বিধবা স্ত্রী
প্রেমিক পেল এক মিস্তিরি
রাত বাড়তেই অন্ধকারে
দরজা টোকার অভিসারে
দরোজা ধরে দাঁড়ায় বিষাদ
তুমি ও নিষাদ,তুমি ও নিষাদ
সে ভিখু আর সেই পাঁচী
বললো থুথু-বিচ্ছিরি ছি
[মূল লেখাটার ছায়া]
বিস্তারিত»পাঠকের ডায়েরিঃ বন্দীশালা পাকিস্তান
সন্ধ্যার সময় কাজ না থাকলে প্রায়ই বইয়ের দোকানে ঘোরাঘুরি করি, খুব যে একটা বই কিনি তা না বরং এসি বা ফ্যানের হাওয়া খাইতে খাইতে বই দেখাই মূল উদ্দেশ্য। এরকম গত কয়েকদিন আগে গরমের মধ্যে “মধ্যমা” নামক দোকানে এসির হাওয়া খাইতে খাইতে হঠাত তাকের একটা বইয়ের দিকে চোখ পড়ল, হালকা পাতলা হলুদ রঙের একটা বই। কয়েক পৃষ্ঠা উল্টাতেই আগ্রহ জাগল তবে বইয়ের দোকানে বই আগ্রহ জাগালেও সব সময় তা গরীব ছাত্রদের পকেটের অবস্থার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় না।
বিস্তারিত»টাপুর-টুপুর কারিনা কাপুর চেষ্টা
এই সময়ের বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কিংবা এক নম্বর নায়িকার নাম বলতে গেলে কারিনা কাপুরের নামটা চলে আসবে। চার খান সাহেবের সাথে কোন রকম বঝঘট না পাকিয়ে সমান তালে সবার সাথে অভিনয় করে যাচ্ছেন। স্বয়ং শাহরুখ খান নাকি কারিনার ব্যস্ত সময় থেকে তার জন্য সময় বের করতে পারছেন না। ত আমার এই ব্লগের লেখার বিষয় কারিনা কাপুরও নয় অথবা হালের “বডিগার্ড/ রা ডট ওয়ান” হিন্দি ছবির ডিসেকশন করাও নয়।
বিস্তারিত»বুলু! আমার বুলু!
তখন কেবল নতুন নতুন পড়া শিখেছি। “অ তে অজগর আসছে তেড়ে”। “আ তে আমটি আমি খাব পেড়ে”। প্লাস্টিক বইয়ের পাতার রঙিন ছবিগুলো, শব্দগুলো, আর এলোমেলো অক্ষরগুলো নিজেদের জায়গা করে নিচ্ছিল আমার মস্তিষ্কের অন্তর্জালগুলোতে। অনুভূত পৃথিবীটাকে, আশেপাশের কাছের-দুরের মানুষগুলোকে, অনুভূতিগুলোকে ধীরে ধীরে প্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করছি। এমন সময় জানলাম, বাসার চিরচেনা জগতটাকে পাশে রেখে, প্রিয়জনগুলোর সান্নিধ্য ছেড়ে কোন এক জায়গা, স্কুলে নাকি যেতে হবে। ছোট্ট আমি,
বিস্তারিত»ধারাবাহিক উপন্যাস – ৭
পর্বঃ সাত
সাত
একদিন হঠাৎ করেই দেশটা স্বাধীন হয়ে গেল। আমরাও শাহপুর ছেড়ে কুমিল্লায় চলে আসি। মুক্তিযুদ্ধের সময় যে বাসা হয়ে গিয়েছিল মৃত্যু-কুপ, সেই একই বাসাতে এসে আবার উঠি। গোছলখানা সেই আগের মতোই আছে। এখন দিনের বেলাতেও সেখানে যেতে ভয় পাই।
বিস্তারিত»প্রত্যেকে আমরা “নিজের” তরে-২
শুক্রবার ৩০ শে সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর ” অন্য আলোতে” প্রকাশিত ‘প্রথম বাঙালি মিলিয়নিয়ের’ রাম দুলাল দে ‘র কাহিনী পরে অনুপ্রাণিত হলাম, কিছু লিখতে!
শূন্য থেকে উঠে আসা রাম দুলাল নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অংক, ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ১০ টাকা মাসিক বেতনে কোলকাতা বন্দরে নোঙর করা জাহাজের আমদানি-রফতানির কাজ তদারকি করতেন।
১৭৬০~৭০ সালের কথা ।
মনিব মদন মোহন দত্ত একদিন ১৪ হাজার টাকা নগদ দিয়ে রাম দুলালকে কিছু নিলাম সামগ্রী কিনার জন্যে পাঠালেন ।
বিস্তারিত»প্রলাপঃ১১ শূন্যতা ও নির্ভার
তুমি নেই তাই আমি ভালো আছি
আরো কাছাকাছি তুলো মেঘেদের ঘেষাঘেষি গা
ঘাম মেখে নেওয়া ফিরিয়ে দিতে কেউ নেই আর
তুমি নেই তাই করি চিৎকার
ভীষণ খুশিতে তিনফুট লাফ,বৃষ্টির দলে এলোমেলো নাচ
শহরের সব সাদা মেয়েদের চেয়ে চেয়ে দেখি ইচ্ছেমতন
সুযোগ পেলেই রিক্সা আরোহী বড় আপুদের চোখ টিপে দেই
বুক টিপে দেই লোকাল বাসের ব্যস্ত সুযোগে
যা ইচ্ছে তাই লিখতে পারি-বিবেচনাহীন অর্থছাড়া
শ্রাবণের শেষ বাদল ধারায়
ভিজি না এখন;ঘরের ভেতরে কাঁথামুড়ি দিয়ে
প্রবল অলস,ল্যাপটপ খুলে সাদা রমণীর অঙ্ক দেখি
শিল্পের কলঙ্ক দেখি
তুমি নেই তাই রাত হলে কোন ব্যস্ততা নেই
সুযোগ পেলেই
নেটে চ্যাটে বসি খুব সুইট সুইট ছোট আপিদের
সুযোগ পেলেই
খাতা খুলে গুনি দুই তিন তিন-চার দুই এক
তুমি নেই তাই জুতোর ভেতরে জেগেছে পেরেক
দুপুর রোদের এলোমেলো হেটে,কাগজ অফিস
প্রেসের দোকান,সম্পাদকের রাগী ফ্যন্টাসি-মরে গেছে সব।
পৃথিবীতে একদিন… [ পর্ব: ৩ ]

একঃ
ইলেকট্রিসিটি একবার ড্রপ করতেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ২য় জেনারেটর চালু হয়েছে। টেকওভার করার আগে এত নিখুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে নেয়ার পরেও কিভাবে এমন অঘটন ঘটলো কারো মাথায় আসছে না। জ্বালানী হিসেবে এখনকার আধুনিক যানগুলোতে টেনটিনাম-৩ ব্যবহার করা হচ্ছে, সেখানে আমাদেরটায় টেনটিনাম-৫ ক্যাটাগরি ব্যবহার হচ্ছে। এত সহজেই ফুরিয়ে যাবার কথা না।
প্রফেসর সাইফুনো সবাইকে অভয় দিয়ে বললেন,
বিস্তারিত»ধারাবাহিক উপন্যাস – ৬
(এই পর্বে আমি একটা গ্রাম আর সেখানকার যুদ্ধকালীন অবস্থা তুলে ধরেছি। সানা ভাইয়ের ‘স্মৃতির ঝাঁপি’র একটা পর্ব থেকে আমি সেই গ্রামের চিত্র পাই। তারপর উপন্যাসের মানুষগুলোকে সেই গ্রামটাতে নিয়ে যাই। সানা ভাইকে এখানে আর ফরম্যাল ধন্যবাদ দিলাম না)
ছয়
‘কোথায় যাচ্ছি আমরা?’ হিরণ ভাই জিজ্ঞেস করলো।
বিস্তারিত»সাময়িক পোষ্ট: সহযোগিতা চাই
দিন দিন যে দুনিয়াটা কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বোঝা দায়।দুনিয়া না বলে বাংলাদেশ বলে আরও সংক্ষিপ্ত করে ফেলি ব্যপারটা।আগে শুনতাম চাকরি করতে মামা-চাচা লাগে এখন কোথায় ইন্টার্ন করতে গেলেও লাগে।
আমার যারা শ্রদ্ধেয় বড় ভাই আর স্নেহের ছোট ভাই আছেন তাদের একটা ব্যাপারে আমার সাহায্যের খুব দরকার এবং আশা করি আমি নিরাশ হবনা।
এবার সব খুলে বলি আমার বোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক (IR) অনার্স শেষ বর্ষ।তার কারিকুলামের অংশ হিসেবে তিন মাসের ইন্টার্ন করতে হবে।সে অনেক চেষ্টা করে আমার দারস্থ হয়েছিল আর আমি অনেক চেষ্টা করে আপনাদের দারস্থ হলাম।আমার বোনকে আমাদের দেশীয় বা আর্ন্তজাতিক NGO এর থেকে ইন্টার্ন করতে হবে।
ভূমিকম্প : আমরা কী করতে পারি
[কয়েকদিন আগেই বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে হয়ে গেল ভূমিকম্প। যদিও এতে তেমন কোন দৃশ্যমান ক্ষয়-ক্ষতি হয়নি। তবুও মনে হয় সময় এসেছে আমাদের চিন্তা ভাব অনা করার। এই ভূমিকম্পের বেশ কয়েকদিন আগে একটা আর্টিকেল পড়েছিলাম বাংলাদেশের ভূমিকম্প বিষয়ক ঝুকিঁর ব্যাপারে। গুরুত্বপূর্ণ মনে হওয়ার এখানে অনুবাদটা তুলে দিলাম। অনুবাদটি করে দেওয়ার জন্য কয়েকজন বন্ধুকে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। কিছুটা সংক্ষেপিত।]
সম্প্রতি জাপান, হাইতি এবং সুমাত্রার গুরুতর ভূমিকম্পগুলোর পর বিজ্ঞানীরা নজর দিয়েছেন এমন একটি দেশের দিকে,
বিস্তারিত»পৃথিবীতে একদিন…! [ পর্বঃ ২ ]
সবকটা জানালার কাঁচ কালো কাগজ দিয়ে ঢেকে দেয়া।
জানালার কপাটও ভেতর থেকে পুরোপুরি লক করা হয়েছে কিছুক্ষণ আগে।
ছাদ বরাবর ছোট্ট ভেন্টিলেটরটা দিয়ে সামান্য যা একটু আলো এসে পরছে, তাতে পুরোপুরি লাভ না হলেও অন্ততঃ ঘুটুঘুটে অন্ধকার ভাবটা কিছুটা দূর হয়েছে।
তিতিনা, জ্যাকি আর নিনি হাটু ভেঙে মাথা গুজে উপুড় হয়ে বসে আছে একটা কোনায়। এদিকের বেডের সাথে হেলান দিয়ে আছে নিহাদ,
বিস্তারিত»২৩ টি ফৌজদারহাটীয় …
“চাপা মারা” আমাদের এই বাঙালি সমাজে ব্যাপক জনপ্রিয় একটা বিষয়। এটা কে কি ঠিক মিথ্যা বলা যায় কিনা সেটা আমার জানা নেই। কিন্তু মিথ্যার খুবই ছোট ভাই কিংবা বোন হিসেবে এটা যে অপভ্রংশ হয়ে গেছে সে বিষয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই। তবে পাপ হচ্ছে কি হচ্ছে না তার চেয়ে বড় ব্যাপার আমার মতে এই “চাপা মারা” ব্যাপারটার বাঙ্গালী সমাজে দরকার আছে। বাঙ্গালীরা ভুল মেনে নিতে পারেনা,
বিস্তারিত»আমাদের দিন গুলি (ক্যাডেট লাইফ)
মনে পড়ে পড়া ভরা সেই পরীক্ষার রাত
অসমাপ্ত সিলেবাস এলোমেলো বই এর পাতায় অবাক দৃষ্টি পাত
কখন সময় খুঁজে ডিউটি মাস্টারকে ফাঁকি
কখনো ছাঁদে কখনো করিডোরে অনর্থক হাঁটাহাটি
কখনো আড্ডা মুখর গানে রাতের আকাশ হত ভারী
কখনো বিলাসী মন ক্যারিয়ার বিভোর স্বপ্ন আঁকতো তার ই
বিস্তারিত»