এক্সক্লুসিভ ঘটনা

এক্সক্লুসিভ ঘটনা1:জনৈক আলিমুজ্জামান স্টাফকে গালি দেয়ার পর Adj অফিসে:

Adj:তোমরা ক্যাডেট হইয়া আলিমুজ্জামানরে গালি দিছ?
ক্যাডেট:জী স্যার
Adj:ক্যান?
ক্যাডেট:আলিমুজ্জামান স্টাফ হইয়া আমাগো E.D দিছে তাই. . . . 😀

এক্সক্লুসিভ ঘটনা2:একুশে ফেব্রুয়ারীতে জনৈক স্যার কলেজ অডিটরিয়ামে ভাষন দিচ্ছেন।এক পর্যায়ে বললেন….’যে সকল ভাষা শহীদেরা মারা গেছেন আমরা তাদের জন্যে তো দোয়া করবোই যে সকল ভাষা শহীদেরা জীবিত আছেন আমরা তাদের জন্যেও দোয়া করব.

বিস্তারিত»

লেইক্ষ্যং ম্রোং এর খোঁজে

লেইক্ষ্যং ম্রোংনৌপথে পাবেন অনেক সাথী
বান্দরবানের পথে পথেঃ
“খুম” এবং “ম্রোং” এর দেশ বান্দরবান এর প্রতিটি পাহাড়ে পাহাড়ে ছড়িয়ে আছে বিচিত্রতা । লুকিয়ে আছে এমন সব স্থান যা দেখতে আমদের দেশের ভ্রমন পিপাসুরা ছুটে যান নানা দেশে। আকাশ ভরা মেঘ এর মাঝে লুকিয়ে থাকা পাহাড়, পাথরের বুক চিরে বয়ে যাওয়া স্রোত যা স্থানীয় ভাষায় খুম নামে পরিচিত,বর্ষার মাঝে তৈরী হওয়া অজস্র ঝরনা যা কিনা ম্রোং নামে পরিচিত,কিংবা পাথরের বুকে বেয়ে চলা ঝিরিতে আমরা খুজে পেতে পারি চোখ জুড়ানো সৌন্দর্য্য আর রোমাঞ্চের হাতছানি।

বিস্তারিত»

আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ।(এগার)

“তেলেপোকা” নিয়ে একটা বিজ্ঞান সাময়িকীতে একবার পড়েছিলাম, এই আজব  প্রাণীটির বিচরণ অন্ধকার জগতে।এরা সর্বভুক।স্বজাতীয় দের নিয়েও মাথা ব্যথা নেই। নিজে বাঁচতে পারলেই হল।সমীক্ষায় প্রমানিত হয়েছে, ‘আনবিক বোমায়’ পৃথিবীর সমস্ত প্রাণীকুল মৃত্যু বরন করলেও, কোন আজব উপায়ে খোলস পরিবর্তনের মাধ্যমে “তেলেপোকা” বেঁচে থাকবে।বর্তমানের প্রেক্ষাপটে অপ্রাসঙ্গিক ভাবে কথাগুলি মনে আসলো, তাই লিখে ফেললাম। ভাবছিলাম এই অধ্যায়ে আমি এই প্রজন্মের পাঠকদের যুদ্ধের খল নায়ক ” দালালদের” ব্যপারে কিণচিৎ আলোকপাত করবো।

বিস্তারিত»

সৌন্দর্য বিষয়ক কিছু টিপস

দেশে যাওয়ার আগে কিছুটা ভয়ে ভয়ে থাকি। আমার পরিবারের নারীকুল আবার খুব সৌন্দর্য সচেতন। তবে সেরকম পার্লার গামী নয়। নিজেরাই এক একেকজন সৌন্দর্য-বোদ্ধা। সবার নিজস্ব কিছু টিপস আছে। চারপাশের এই সব নারীকুলের চাপে আমার পক্ষে কোনদিনই আদর্শ নারীবাদী হয়ে উঠা গেল না। বরং আমি নিজেই অনেক টিপসের আবিষ্কারকর্তা (কিম্বা কর্ত্রী)। এগুলো সব প্যাটেন্ট করার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু দরদী মন। দেশের দুর্দিনে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সৌন্দর্য-পিয়াসী জনগণের উদ্দেশ্য আজকে কিছু টিপস উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা ভাবছি।

বিস্তারিত»

আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ।(দশ)

১৯৭১ এর শেষ কয়েকটি মাস।আবার ঢাকা শহর।  কোথাও কোন ঝামেলার চিঁহ্ন মাত্র নেই ।চারিদিক  জীবনযাত্রা সব স্বাভাবিক।  চোখের কোনে কিছু ধরা দিয়েও দেয়না। চারিদিকের  মাত্রাতিরিক্ত স্বাভাবিকতা ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় কে শুধু সাবধান করে দেয়, কোথায়ও বড় কোন  ঘাপলা আছে, বেশ বেখাপ্পা লাগে।দেশ বিদেশে এত কানাঘুষা আর এখানে ‘”সব কুছ ঠিক হ্যাঁয় ” এ হতেই পারেনা। তবে মানুষ গুলিকে খুব নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করলে সব প্রাণহীন দম দেয়া পুতুল “জম্বি”

বিস্তারিত»

ফড়িঙের ডানা এবং দুই মিনিটের কবিতা

দরোজা ধরে দাঁড়ায় বিষাদ
তুমি ও নিষাদ,তুমি ও নিষাদ
কূপের থেকে কে জানতে চায়
একটি খুনের দৈব উপায়
রাত বিরহে নেই কোন পাপ
এই বালকের গোপন স্বভাব
সন্ধ্যা হতেই চন্দন কাঠ
আগুন পোড়ায় শবের পাঠ
মানুষ পোড়া ধূসর ছাই
লোকটা যে তালপাতার সেপাই
মরার পরে তার বিধবা স্ত্রী
প্রেমিক পেল এক মিস্তিরি
রাত বাড়তেই অন্ধকারে
দরজা টোকার অভিসারে

দরোজা ধরে দাঁড়ায় বিষাদ
তুমি ও নিষাদ,তুমি ও নিষাদ

সে ভিখু আর সেই পাঁচী
বললো থুথু-বিচ্ছিরি ছি

[মূল লেখাটার ছায়া]

বিস্তারিত»

পাঠকের ডায়েরিঃ বন্দীশালা পাকিস্তান

সন্ধ্যার সময় কাজ না থাকলে প্রায়ই বইয়ের দোকানে ঘোরাঘুরি করি, খুব যে একটা বই কিনি তা না বরং এসি বা ফ্যানের হাওয়া খাইতে খাইতে বই দেখাই মূল উদ্দেশ্য। এরকম গত কয়েকদিন আগে গরমের মধ্যে “মধ্যমা” নামক দোকানে এসির হাওয়া খাইতে খাইতে হঠাত তাকের একটা বইয়ের দিকে চোখ পড়ল, হালকা পাতলা হলুদ রঙের একটা বই। কয়েক পৃষ্ঠা উল্টাতেই আগ্রহ জাগল তবে বইয়ের দোকানে বই আগ্রহ জাগালেও সব সময় তা গরীব ছাত্রদের পকেটের অবস্থার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ হয় না।

বিস্তারিত»

টাপুর-টুপুর কারিনা কাপুর চেষ্টা

এই সময়ের বলিউডের সবচেয়ে জনপ্রিয় কিংবা এক নম্বর নায়িকার নাম বলতে গেলে কারিনা কাপুরের নামটা চলে আসবে। চার খান সাহেবের সাথে কোন রকম বঝঘট না পাকিয়ে সমান তালে সবার সাথে অভিনয় করে যাচ্ছেন। স্বয়ং শাহরুখ খান নাকি কারিনার ব্যস্ত সময় থেকে তার জন্য সময় বের করতে পারছেন না। ত আমার এই ব্লগের লেখার বিষয় কারিনা কাপুরও নয় অথবা হালের “বডিগার্ড/ রা ডট ওয়ান” হিন্দি ছবির ডিসেকশন করাও নয়।

বিস্তারিত»

বুলু! আমার বুলু!

তখন কেবল নতুন নতুন পড়া শিখেছি। “অ তে অজগর আসছে তেড়ে”। “আ তে আমটি আমি খাব পেড়ে”। প্লাস্টিক বইয়ের পাতার রঙিন ছবিগুলো, শব্দগুলো, আর এলোমেলো অক্ষরগুলো নিজেদের জায়গা করে নিচ্ছিল আমার মস্তিষ্কের অন্তর্জালগুলোতে। অনুভূত পৃথিবীটাকে, আশেপাশের কাছের-দুরের মানুষগুলোকে, অনুভূতিগুলোকে ধীরে ধীরে প্রকাশ করার যোগ্যতা অর্জন করছি। এমন সময় জানলাম, বাসার চিরচেনা জগতটাকে পাশে রেখে, প্রিয়জনগুলোর সান্নিধ্য ছেড়ে কোন এক জায়গা, স্কুলে নাকি যেতে হবে। ছোট্ট আমি,

বিস্তারিত»

ধারাবাহিক উপন্যাস – ৭

এক দুই তিন চার এবং পাঁচ
ছয়

পর্বঃ সাত

সাত

একদিন হঠাৎ করেই দেশটা স্বাধীন হয়ে গেল। আমরাও শাহপুর ছেড়ে কুমিল্লায় চলে আসি। মুক্তিযুদ্ধের সময় যে বাসা হয়ে গিয়েছিল মৃত্যু-কুপ, সেই একই বাসাতে এসে আবার উঠি। গোছলখানা সেই আগের মতোই আছে। এখন দিনের বেলাতেও সেখানে যেতে ভয় পাই।

বিস্তারিত»

প্রত্যেকে আমরা “নিজের” তরে-২

শুক্রবার ৩০ শে সেপ্টেম্বর প্রথম আলোর ” অন্য আলোতে” প্রকাশিত ‘প্রথম বাঙালি মিলিয়নিয়ের’ রাম দুলাল দে ‘র কাহিনী পরে অনুপ্রাণিত হলাম, কিছু লিখতে!

শূন্য থেকে উঠে আসা রাম দুলাল নিজের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অংক, ইংরেজি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে ১০ টাকা মাসিক বেতনে কোলকাতা বন্দরে নোঙর করা জাহাজের আমদানি-রফতানির কাজ তদারকি করতেন।

১৭৬০~৭০ সালের কথা ।

মনিব মদন মোহন দত্ত একদিন ১৪ হাজার টাকা নগদ দিয়ে রাম দুলালকে কিছু নিলাম সামগ্রী কিনার জন্যে পাঠালেন ।

বিস্তারিত»

প্রলাপঃ১১ শূন্যতা ও নির্ভার

তুমি নেই তাই আমি ভালো আছি
আরো কাছাকাছি তুলো মেঘেদের ঘেষাঘেষি গা
ঘাম মেখে নেওয়া ফিরিয়ে দিতে কেউ নেই আর
তুমি নেই তাই করি চিৎকার
ভীষণ খুশিতে তিনফুট লাফ,বৃষ্টির দলে এলোমেলো নাচ
শহরের সব সাদা মেয়েদের চেয়ে চেয়ে দেখি ইচ্ছেমতন
সুযোগ পেলেই রিক্সা আরোহী বড় আপুদের চোখ টিপে দেই
বুক টিপে দেই লোকাল বাসের ব্যস্ত সুযোগে
যা ইচ্ছে তাই লিখতে পারি-বিবেচনাহীন অর্থছাড়া
শ্রাবণের শেষ বাদল ধারায়
ভিজি না এখন;ঘরের ভেতরে কাঁথামুড়ি দিয়ে
প্রবল অলস,ল্যাপটপ খুলে সাদা রমণীর অঙ্ক দেখি
শিল্পের কলঙ্ক দেখি

তুমি নেই তাই রাত হলে কোন ব্যস্ততা নেই
সুযোগ পেলেই
নেটে চ্যাটে বসি খুব সুইট সুইট ছোট আপিদের
সুযোগ পেলেই
খাতা খুলে গুনি দুই তিন তিন-চার দুই এক
তুমি নেই তাই জুতোর ভেতরে জেগেছে পেরেক
দুপুর রোদের এলোমেলো হেটে,কাগজ অফিস
প্রেসের দোকান,সম্পাদকের রাগী ফ্যন্টাসি-মরে গেছে সব।

বিস্তারিত»

পৃথিবীতে একদিন… [ পর্ব: ৩ ]

একঃ

ইলেকট্রিসিটি একবার ড্রপ করতেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে ২য় জেনারেটর চালু হয়েছে। টেকওভার করার আগে এত নিখুত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখে নেয়ার পরেও কিভাবে এমন অঘটন ঘটলো কারো মাথায় আসছে না। জ্বালানী হিসেবে এখনকার আধুনিক যানগুলোতে টেনটিনাম-৩ ব্যবহার করা হচ্ছে, সেখানে আমাদেরটায় টেনটিনাম-৫ ক্যাটাগরি ব্যবহার হচ্ছে। এত সহজেই ফুরিয়ে যাবার কথা না।

 

 

প্রফেসর সাইফুনো সবাইকে অভয় দিয়ে বললেন,

বিস্তারিত»

ধারাবাহিক উপন্যাস – ৬

এক দুই তিন চার এবং পাঁচ

(এই পর্বে আমি একটা গ্রাম আর সেখানকার যুদ্ধকালীন অবস্থা তুলে ধরেছি। সানা ভাইয়ের ‘স্মৃতির ঝাঁপি’র একটা পর্ব থেকে আমি সেই গ্রামের চিত্র পাই। তারপর উপন্যাসের মানুষগুলোকে সেই গ্রামটাতে নিয়ে যাই। সানা ভাইকে এখানে আর ফরম্যাল ধন্যবাদ দিলাম না)

ছয়

‘কোথায় যাচ্ছি আমরা?’ হিরণ ভাই জিজ্ঞেস করলো।

বিস্তারিত»

সাময়িক পোষ্ট: সহযোগিতা চাই

দিন দিন যে দুনিয়াটা কোন দিকে এগিয়ে যাচ্ছে বোঝা দায়।দুনিয়া না বলে বাংলাদেশ বলে আরও সংক্ষিপ্ত করে ফেলি ব্যপারটা।আগে শুনতাম চাকরি করতে মামা-চাচা লাগে এখন কোথায় ইন্টার্ন করতে গেলেও লাগে।
আমার যারা শ্রদ্ধেয় বড় ভাই আর স্নেহের ছোট ভাই আছেন তাদের একটা ব্যাপারে আমার সাহায্যের খুব দরকার এবং আশা করি আমি নিরাশ হবনা।
এবার সব খুলে বলি আমার বোন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আর্ন্তজাতিক সম্পর্ক (IR) অনার্স শেষ বর্ষ।তার কারিকুলামের অংশ হিসেবে তিন মাসের ইন্টার্ন করতে হবে।সে অনেক চেষ্টা করে আমার দারস্থ হয়েছিল আর আমি অনেক চেষ্টা করে আপনাদের দারস্থ হলাম।আমার বোনকে আমাদের দেশীয় বা আর্ন্তজাতিক NGO এর থেকে ইন্টার্ন করতে হবে।

বিস্তারিত»