ইদানীং কোন লেখকের লেখা পড়তে যতটানা আগ্রহ বোধ করি তার চাইতে কেন জানি বেশি আগ্রহ জাগে ঐ লেখকের নিজের সম্বন্ধে, সেই সাথে তার লেখা সমূহের পেছনের ইতিহাস সম্বন্ধে, যা বেশির ভাগ সময় আমাদের কাছে অজানাই থেকে যায়। কল্পজগতের নাটকের চাইতে লেখকের নিজের জীবন যে ভাবনা তা আমার কাছে অনেক অনেক বেশি নাটকীয় মনে হয়। সেই সব অজানা কাহিনী যতই একের পর এক পাপঁড়ি মেলে ধরে ততই বিস্মিত হই।
বিস্তারিত»সঙ্গিনী
যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই,
পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন,
যদি দেখ কেহ নাই, চাও একমুঠো ঠাই,
নিও আমা হতে একরাশ যতন।
যদি ছেড়ে যাও দেশ, পথ হয়ে যায় শেষ,
পথের সঙ্গী করে নিও তুমি আমায়;
খোলা আকাশের তলে, মোরা দুইজনে মিলে,
পথ খুঁজে নেব শত সহস্র তারায়।
বিস্তারিত»ইমরান ভাই এর কলেজ তাণ্ডব !!!!!!
কিছু দিন আগে রাজশাহীতে সকল এক্সক্যাডেট নিয়ে হলো গেট টুগেদার ।সেই খানে ইমরান ভাই এর সাথে পরিচয় ।ইমরান ভাই পাবনা ক্যাডেট কলেজ(আমার কলেজ) এর ১৪ তম ব্যাচ এর একজন এক্সক্যাডেট।গেট টুগেদার এর অন্যতম স্পন্সর ।উনার বাড়িও পাবনা ।সবসময় পাবনার ভাষায় কথা বলেন ।উনার সাথে পরিচিত হবার পর উনার কাছ থেকে তার কলেজ লাইফ এর কিছু মজার ঘটনা শুনি ।সেই ঘটনা গুলো মোটামুটি বর্ণনা করছি :
১)একদিন ইমরান ভাই ও উনার সাথে দুইজন বন্ধু মিলে গেমস টাইম এ ডাব পারতে যান ।যথারীতি উনারা ডাব গাছে ।
বিস্তারিত»মাই এ্যাডজুটেন্টস
এ্যাডজুটেন্ট শব্দটি প্রথম শুনি বড় ভাই এবং আব্বা কথা বলার সময় ৮৭ কিংবা ৮৮ সালের দিকে। সেই এ্যাডজুটেন্টের নাম ছিল মেজর কীর্তন রঞ্জন চাকমা। তিনি রংপুর ক্যাডেট কলেজের এ্যাডজুটেন্ট ছিলেন। আমার ভাই তাকে খুব পছন্দ করতেন। তিনিও আমার ভাইকে খুব স্নেহ করতেন। আমার আব্বাও কীর্তন রঞ্জন চাকমাকে মানুষ হিসাবে পছন্দ করতেন, সেটি অকোপটে বলতেন। বলতেন, চাকমারা মানুষ ভাল। আমার এ্যাডজুটেন্ট শব্দটি শুনতেই কেমন একটু শিহরণ জাগতো।
বিস্তারিত»মামা সমাচার
ছোট্ট বেলার কাব্য গাঁথা মামার বাড়ি যাই,
এত সাধের আম কুড়ানো মামাটি আজ নাই;
ক’জন চেনে মামা কে আজ,ক’জনই তার ঘর,
স্বার্থ যখন, মামা তখন, নেই ত কেটে পর।
নতুন করে দেশে এল নতুন সে হাঙ্গামা,
বিস্তারিত»বিনির্মাণ
মাঝে মাঝে কোলাহল মুখ ফিরিয়ে নেয় জলের প্রবাহের মতো শব্দের ঢেউ এলোমেলো যত্রতত্র হঠাৎ খুলে যায় স্রোতমুখ তার অন্যদিকে কোন অন্য মানুষের দিকে
কোলাহলে পিঠ রেখে অন্ধকার দেখি
গাঢ় বিশুদ্ধ অন্ধকার জ্বলছে মেরুদণ্ডহীন
লতানো গাছের মতো নমনীয়, নতজানু
জড়িয়ে আছে বিদ্যুল্লতা
একা একা তীব্র মৌন
নেই আপত্তি নেই অভিযোগ
নেই পুরানো হিসাব মেটানোর দায়
একটা ফ্ল্যাট স্যান্ডের পরে ফটফট করতে করতে পাঁচ তলার ফ্ল্যাটে উঠে দেখি হাতুড়ি এবং লোহা দিয়ে দুইজনে দেয়াল ভাঙছে।
বিস্তারিত»একজন কলেজ আউটের গল্প
অনেক দিন হাসিনা।একটা সময় ছিল যখন হাসির অর্থ ছিল অনেক।ইদানিং জোকস শুনলেও বিরক্ত লাগে।ক্যাডেট থাকা অবস্থায় বেশ হাসি খুশী ছিলাম।কারনে অকারনে হাসতাম।একবার স্যার নিউটনের গতি সূত্র পড়াচ্ছেন।আমি পেছন থেকে হাসতেছি।স্যার বললেন ‘হাসছো ক্যানো?
আমি জবাব দিলাম ‘স্যার ভাবতেছি নিউটন যদি নারিকেল গাছের নিচে বসে থাকতেন আর মাথায় যদি নারিকেল পড়ত তাহলে কি হত?স্যারের উত্তর দেয়ার আগেই আমার জনৈক ক্লাসমেট উত্তর দিল ‘দোস্ত তাহলে লস অফ ইমোশন তৈরি হত.
বই সমালোচনাঃ The Good Muslim
বই সমালোচনা: দ্যা গুড মুসলিম
কিছুদিন আগে তাহমিমা আনামের দ্যা গুড মুসলিম বইটি পড়লাম। প্রায় তিনশ পৃষ্ঠার বই। বইটি পড়ার সময় প্রথমেই যে বিষয়টি মুগ্ধ করে তা হল ইংরেজি ভাষার সাথে লেখকের একাত্মবোধ। লেখার ক্ষেত্রটিতে লেখকের স্বচ্ছন্দতা পরবর্তীতে পাঠকের পড়ার ক্ষেত্রটিকেও সহজ করে দেয়। তাহমিমা আনামের প্রথম বই ‘এ গোল্ডেন এজ’ আমার পড়া হয়নি। এটি দ্য গুড মুসলিমের আগের পর্ব। তবে প্রথম বইটি না পড়লেও পরেরটি বুঝতে কোন অসুবিধা হয়নি।
বিস্তারিত»মিস্টি আসলে কতো মিস্টি!!
এক. ‘চিনি’ দারুণ মিস্টি শব্দ। বুঝের বয়স থেকেই চিনি বা মিস্টি খেতে পছন্দ করেছি। মা গল্প করেন, ভালোবাসতাম বলে শিশু বয়সে বাবা প্রায়ই অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে আমার জন্য মিস্টি নিয়ে আসতেন। আমি নাকি ছোট ভাইবোনদের তুলনায় একটু বেশি ‘সুযোগ-সুবিধা’ পেয়েছিলাম! স্মৃতিতে ভাসে গুড়ো দুধের সঙ্গে চিনি মিশিয়ে কতো খেয়েছি। এই কদিন আগেও ফ্রিজ খুলে প্যাকেট থেকে তুলে নিয়ে মুখে চালান করেছি কতো মিস্টি।
বিস্তারিত»হচ্ছে কি এসব?
অনেকদিন পর লিখছি। শেষ লেখাটা লেখার পর পরই ঠিক করে ফেলেছিলাম কি নিয়ে লিখবো।
সাধারণ নিয়মে বছরে ৩৬৫ দিন; লিপ ইয়ারের ঝামেলা যদি বাদ দেই। এই ৩৬৫ দিনের প্রতিটি দিনেই কোন না কোন দিবস পালন হচ্ছে পৃথিবীর কোথাও না কোথাও। আমি হাতে গোণা কয়টি বাদে বাকিগুলোর হিসাব রাখিনা; ২১শে ফেব্রুয়ারি, ২৫শে মার্চ, ১৬ই ডিসেম্বর। ১লা বৈশাখ। এইতো। ব্যাক্তিগত দিনগুলির কথা না হয় বাদই দিলাম।
বিস্তারিত»কষ্ট
নিয়তির সাথে লুকোচুরি খেলে স্বপ্নেরা মোরে ডাকে,
স্বপ্নের মাঝে তোমায় পেয়েছি গোধূলি ক্ষণের ফাঁকে।
তবু কিছু স্মৃতি দহন করেছে হৃদয় খানিরে অল্প,
সুখপাখিরা নীরব থাকে শুনে সে আজব গল্প।
মনের মাধুরী মিশিয়ে যাহাকে সপ্নেতে খুঁজে পাই,
বাস্তবতার কঠিন আলোকে হারাতে বসেছি তাই।
বেথাতুর মন, দেখেছে শ্রাবণ, শ্রাবণ মেঘের দিন,
তাই দেখে বুঝি কাকাতুয়া ডাকে বাজিয়ে আপন বীন।
বিস্তারিত»সিরিয়াস একটা কথা!
বেশ অনেক দিন ধরেই সিসিবি’র নীরব পাঠক।জায়গাটা এখন এতই আপন হয়ে গেছে যে মন ভাল লাগলেও এখানে আসি,খারাপ লাগলেও এখানে আসি।দেশ,বিদেশে কোন আলোচিত ঘটনা ঘটলে অপেক্ষা করি সিসিবি’র কেউ কখন এই বিষয়ে কিছু লিখবে।শুধু লেখাই না,মন্তব্যগুলোও অনেক মনযোগ দিয়ে পড়ি।মাঝে মাঝেই লিখতে মন চায়,কিন্তু সাহস হয় না কখনো।আজকে অনেক সাহস করে কিছু একটা লিখেই ফেল্লাম।লেখাতে অনেক ভুল আছে জানি।ভাইয়া এবং আপুরা সেই ভুলগুলো ধরিয়ে দিবেন বলে আশা করছি।
বিস্তারিত»মাঠে এবং মাঠের বাইরে
ক।
এবারের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজ নিয়ে কেন জানি খুব একটা আশাবাদী ছিলাম না, যদিও সাধারনত আমি খুবই আশাবাদি ধরনের সমর্থক। (এক যুগের বেশি সময় ধরে আর্সেনালকে সাপোর্ট করা বলে কথা)। কিন্তু আমাদের টাইগারেরা যখন টি২০ সিরিজে ওদেরকে হোয়াইট ওয়াশ করলো (হোক না এক ম্যাচের সিরিজ) তখন ওয়ানডে সিরিজ নিয়ে আশাবাদী হয়ে উঠলাম। কিন্তু সে আশায় যথারীতি গুড়ে বালি। এখন শেষ ওয়ানডে বাকি মান সম্মান বাঁচানোর জন্য।
আসুন একজন মা কে বাঁচাই:রকিমুন্নেছা ম্যাডাম
সপ্তম শ্রেনীর কথা। প্রচন্ড মন খারাপ নিয়ে ক্লাসে বসে আছি। অনেক দিন বাসা থেকে চিঠি আসেনা। আম্মুর মুখটাও ঝাপসা হয়ে এসেছে। ডেস্কের ওপর বসে ডায়রি লিখছি। হঠাত্ কে যেন পেছন থেকে একটা হাত আমার মাথার ওপর রাখল। অদ্ভুত মায়াবী সে হাতের শীতল স্পর্শ ছিল কিছুটা উষ্ণ আদরের মত। সবেমাত্র কলেজে এসেছি। সব স্যার ম্যাডামদের নাম ও জানিনা। পেছনে তাকিয়ে দেখি বানু ম্যাডাম। যদিও পরে নামটা জেনেছিলাম।
বিস্তারিত»আলাপন
ঝিক-মিক-ঝিক তারার ঝিলিক হাজার তারা জ্বলে
শুনতে কি চাও এই তারারা ডাক দিয়ে কি বলে?
আপন আপন কোন আলাপন করছে এসব তারা
যায় না শোনা কোন সে তাদের নীরব সুরের ধারা?
ঝল-মল-ঝল সূর্য উজল জগৎ করে আলো
এক নিমিষে দেয় সরিয়ে রাতের আঁধার কালো।
জানতে কি চাও সূর্য এমন ডাক দিয়ে কি বলে?
বিস্তারিত»