“কি আশিক ,ভয় পাচ্ছ নাকি ?”
”No please”-‘ভীতুর ডিম্ব ’ আশিক অস্বীকার করলেও no আর please শব্দ দুইটা উচ্চারণের ভাব-ভঙ্গি দেখেই বুঝতে পারলাম বেচারা কি রকম ভয়ের মধ্যে সময় পার করছে ।ডিম লাইটের আলোয় সবার চেহারা বোঝার চেষ্টা করছি।ক্ষণিকের মধ্যে এতটুকু বুঝলাম,আমার বাম পাশের বক্তারা হল কিছু বড় ভাই যারা তাদের পুঁটলি থেকে স্মার্ট ভৌতিক কাহিনি ছুড়ে যাচ্ছে আর ডানপাশের শ্রোতারা যথারীতি আমার নিষ্পাপ শিশুস্বরূপ বন্ধুরা;যারা কিনা সেই গল্পের আঘাতে বিচলিত হয়ে ভয়ের হিমসাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে।
একজন নার্সের স্মৃতিচারণ
একজন নার্সের স্মৃতিচারণ
– ড: রমিত আজাদ
প্রসব ওয়ার্ডে আমার প্রথম কর্মদিবসে,
দুরু দুরু হৃদয়ে, সেবিকার পরশে।
ভয়ে আধমরা হয়েছিলাম শিশুটিকে গ্রহন করতে,
একটি ছোট্ট শরীর পিছলে পড়েছিল আমার হাতে।
আমি তার কানে কানে মৃদুস্বরে বললাম,
“সোনামনি, এই সুন্দর পৃথিবীতে স্বাগতম”।
সময় গড়িয়ে গেল ধীরে ধীরে কতকাল,
ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ডে কেটে গেল কত সাল।
দেখে দেখে কত শত যাতনার দৃশ্য,
আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ।(বার)
দিনগুলি রোদ্রজ্জল ঝক ঝকে।আর রাত গুলিতে বেশ শীত পরতে শুরু করেছে। তখন ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ এর যুগও ছিলনা, নভেম্বর ডিসেম্বর জানুয়ারি আসলেই শীতকাল ছিল।হাড় কাঁপানো শীত। তবে এ নিয়ে আমাদের এত আক্ষেপ ও ছিলনা। বরং আমরা খুশিই ছিলাম। আমার ছোট্ট একটা বুদ্ধি বেশ ভালই কাজ দিচ্ছল।
আমাদের ব্যাচেলর দের থাকার রুম ছিল বারান্দার একদম শেষ মাথায়। বাথরুম এর পার্শে। ফজরের নামাজ শীতের কারনে একসাথে না পড়ে নিজ নিজ ঘরে পরার পারমিশন পেয়ে গেলাম আব্দুল করিম মিয়া সাহেবের কাছ থেকে।
বিস্তারিত»ইউসুফ ঝকক (‘৮৩-‘৮৯)
সিসিবি তে উনি, যতদূর জানি, এডজুটেন্ট হিসাবে পরিচিত। ব্লগ এডজুটেন্ট না, ‘Adjutant’ এডজুটেন্ট। গতকাল খবর পেলাম তাঁকে ঢাকা সি.এম.এইচ এ ভর্তি করা হয়েছে। ম্যাসিভ হার্ট এ্যাটাক-এর শিকার। এখন ICU তে আছেন।
সিসিবি’র সকল সদস্যদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি – দোয়া/আরোগ্যকামনা করবেন। আমার ছোটমামা হন, মাত্র ৪০। ছোটমামীও বছরখানেক আগে এ্যাজমাতে মারা যান। এমন ঘটনা খুবই unexpected…
নীল ত্সিকোরী
নীল ত্সিকোরী
মূল: মারিনা রাতনের
ভাবানুবাদ: ড: রমিত আজাদ
স্মৃতির রং – নীল ত্সিকোরী,
অপার্থিব নিসর্গের সৌন্দর্যে প্রস্ফুটিত।
ত্সিকোরীর নীল রঙে ভরা স্মৃতিবিধুর দিনগুলোতে,
প্রিয়তম আমার, তুমি কি অষ্টপ্রহর কেবল আমাকেই ভাবছ?
ধারাবাহিক উপন্যাস – ১০
(এই উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট আর সময় বোঝাতে কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা এবং চরিত্র উল্লেখ করা হয়েছে। আর বাদবাকী ঘটনা আর চরিত্রগুলো কাল্পনিক, তবে অবাস্তব নয়। অনেক ঘটনাই বাস্তব আমজনতার অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া হয়েছে।)
এক দুই তিন চার এবং পাঁচ
ছয়
সাত
নয়-আট
দশ
খবরটা আমিই প্রথম শুনলাম।
বিস্তারিত»তুমি আমায় ভালোবেসেছিলে
তুমি আমায় ভালোবেসেছিলে
– ড: রমিত আজাদ
তুমি আমায় ভালোবেসেছিলে,
আমি তোমায় ভালোবাসিনি।
তুমিও জানতে তা,
তবু তুমি এসেছিলে,
পাওয়ার প্রত্যাশা নিয়ে উদ্ভাসিত হৃদয়ে।
তোমার ভাষাহীন নির্বাক চোখ,
তমসায় ছেয়েছিল।
তোমার অভিমানি মন,
এ মনে পায়নি ঠাঁই।
পরাজিত প্রেম আকুল হয়ে ছুটেছে নিরুদ্দেশ,
বিস্তারিত»জীবনের টুকরো দেশবিদেশে (অকুপাই ওয়াল স্ট্রীট)
১
প্রথমে ভেবেছিলাম প্রিয় সিসিবির গেট টুগেদার নিয়ে লিখব। পরে মনে হল ‘অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট’ নিয়ে লিখি। সময়টা বড়ই কঠিন। অন্ধের যেমন হাতি দর্শন আমার তেমনি অর্থনীতি বয়ান। দেশে থাকতে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় দুই ক্রেডিটের অর্থনীতির একটা কোর্স করেছিলাম। ব্যাস, এই বিষয়টাতে আমার প্রথাগত পুঁথি গেলা এই পর্যন্তই। তাই আমার অর্থনীতি বয়ান হবে অনেকটাই এরকম –
’হাতি দেখতে কেমন?’
’খসখসে।’
২
প্রথমেই আমেরিকার অর্থনীতির কথা বলি।
বিস্তারিত»একটি ক্রিকেটীয় গল্প
বলা নেই কওয়া নেই সেদিন হঠা ৎ করেই নিতু আমাকে বলে বসলো, “আচ্ছা, তুই সবসময় গাধার মত সানগ্লাস পরে থাকিস কেন?”
আমি ঘাস খাচ্ছিলাম। মানে ঘাসের ডগা চিবুচ্ছিলাম । এহেন বেরসিক মন্তব্যে আমার মাথায় খুন চড়ে গেলো । বললাম “আমি গাধা?”
“হ্যাঁ, গাধা নয়তো কি?গাধা ছাড়া কি কেউ এমন ঘাস চিবায়?”
মৌন থেকে আমাকে স্বীকার করতেই হল যে গাধা ছাড়া এমনি করে কেউ ঘাস খায় না ।
বিস্তারিত»অসমাপ্ত সমাপ্তি
কাল থেকে আবার ব্যস্ততা বেড়ে যাচ্ছে।নতুন ছাত্র ছাত্রী ভর্তি হবে।আমি আবার ওদের ক্লাস টীচার।সকাল সাতটায় প্রধান শিক্ষক স্কুলে উপস্থিত থাকতে বলেছেন।বুঝতে পারছিনা কী হবে।আমি মানুষ হিসেবে বেশ এলোমেলো স্বভাবের।এতগুলো বাচ্চাকে একসাথে কন্ট্রোল করতে পারবো কিনা জানিনা।কিন্তু চাকুরীর প্রয়োজনে করতেই হবে।ঢাকা শহরে বর্তমানে চাকরীর খুব আকাল।এছাড়া ব্যাচেলরদের কেউ বাড়ি ভাড়াও দিতে চায়না।সেক্ষেত্রে এই চাকুরীটার একটা সুবিধা আছে।স্কুল কর্তৃপক্ষ দুই রুমের একটা বাসাও ঠিক করে দিয়েছে।মোটামুটি আরামের চাকরী।প্রতি মাসে বেতনের এক অংশ চলে যায় মৌরীর শখ পুরন করতে।যদিও মৌরী আমার কাছে নেই আজ দশ বছর।তারপরেও ওর শখটা যত্ন করে আমি টিকিয়ে রেখেছি।খুব অদ্ভুত স্বভাবের ছিল মেয়েটা।
বিস্তারিত»“মানিক বন্দোপাধ্যায় ও তার গল্প লেখার গল্প” -১ম পর্ব
ইদানীং কোন লেখকের লেখা পড়তে যতটানা আগ্রহ বোধ করি তার চাইতে কেন জানি বেশি আগ্রহ জাগে ঐ লেখকের নিজের সম্বন্ধে, সেই সাথে তার লেখা সমূহের পেছনের ইতিহাস সম্বন্ধে, যা বেশির ভাগ সময় আমাদের কাছে অজানাই থেকে যায়। কল্পজগতের নাটকের চাইতে লেখকের নিজের জীবন যে ভাবনা তা আমার কাছে অনেক অনেক বেশি নাটকীয় মনে হয়। সেই সব অজানা কাহিনী যতই একের পর এক পাপঁড়ি মেলে ধরে ততই বিস্মিত হই।
বিস্তারিত»সঙ্গিনী
যেখানে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই,
পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন,
যদি দেখ কেহ নাই, চাও একমুঠো ঠাই,
নিও আমা হতে একরাশ যতন।
যদি ছেড়ে যাও দেশ, পথ হয়ে যায় শেষ,
পথের সঙ্গী করে নিও তুমি আমায়;
খোলা আকাশের তলে, মোরা দুইজনে মিলে,
পথ খুঁজে নেব শত সহস্র তারায়।
বিস্তারিত»ইমরান ভাই এর কলেজ তাণ্ডব !!!!!!
কিছু দিন আগে রাজশাহীতে সকল এক্সক্যাডেট নিয়ে হলো গেট টুগেদার ।সেই খানে ইমরান ভাই এর সাথে পরিচয় ।ইমরান ভাই পাবনা ক্যাডেট কলেজ(আমার কলেজ) এর ১৪ তম ব্যাচ এর একজন এক্সক্যাডেট।গেট টুগেদার এর অন্যতম স্পন্সর ।উনার বাড়িও পাবনা ।সবসময় পাবনার ভাষায় কথা বলেন ।উনার সাথে পরিচিত হবার পর উনার কাছ থেকে তার কলেজ লাইফ এর কিছু মজার ঘটনা শুনি ।সেই ঘটনা গুলো মোটামুটি বর্ণনা করছি :
১)একদিন ইমরান ভাই ও উনার সাথে দুইজন বন্ধু মিলে গেমস টাইম এ ডাব পারতে যান ।যথারীতি উনারা ডাব গাছে ।
বিস্তারিত»মাই এ্যাডজুটেন্টস
এ্যাডজুটেন্ট শব্দটি প্রথম শুনি বড় ভাই এবং আব্বা কথা বলার সময় ৮৭ কিংবা ৮৮ সালের দিকে। সেই এ্যাডজুটেন্টের নাম ছিল মেজর কীর্তন রঞ্জন চাকমা। তিনি রংপুর ক্যাডেট কলেজের এ্যাডজুটেন্ট ছিলেন। আমার ভাই তাকে খুব পছন্দ করতেন। তিনিও আমার ভাইকে খুব স্নেহ করতেন। আমার আব্বাও কীর্তন রঞ্জন চাকমাকে মানুষ হিসাবে পছন্দ করতেন, সেটি অকোপটে বলতেন। বলতেন, চাকমারা মানুষ ভাল। আমার এ্যাডজুটেন্ট শব্দটি শুনতেই কেমন একটু শিহরণ জাগতো।
বিস্তারিত»মামা সমাচার
ছোট্ট বেলার কাব্য গাঁথা মামার বাড়ি যাই,
এত সাধের আম কুড়ানো মামাটি আজ নাই;
ক’জন চেনে মামা কে আজ,ক’জনই তার ঘর,
স্বার্থ যখন, মামা তখন, নেই ত কেটে পর।
নতুন করে দেশে এল নতুন সে হাঙ্গামা,
বিস্তারিত»