ভিতরটা লাল,নীল আর হলুদ এই তিন রঙের আলোয় আলোকিত হয়ে আছে। আসলে এই তিন আলোর মিশ্রণে তৈরি নতুন একটা আলোয় আলোকিত,আবছা ভাবে। ভিন্ন আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের এই ভিন্নতা মনে হয় চোখের ক্লান্তি ডেকে আনার ব্যাপারে বেশ পারদর্শী। সে কারণেই বুঝি কোনার টেবিলে বসা ছেলেটি রীতিমত হাই তুলেই চলেছে। অথচ পাঁচ মিনিট আগেই যখন এখানে এসে বসল বেশ তরতাজাই দেখাচ্ছিল। এরই মধ্যে ছেলেটার মধ্যে টাংগাইল- ময়মনসিংহের লোকাল বাসের একটা ভাব চলে এসেছে।
বিস্তারিত»sdjhgf
সময় গেলে সাধন হবে না
কটা দিন ধরে একটা ফ্র্যাইজ মাথার মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। হোয়াট ইফ। আমিও জানিনা হোয়াট ইফ। হোয়াট ইফ হোয়াট? হোয়াট ইফ ইউ ওয়্যার মাইন। কি হত? না তেমন কেউ না? আই মিন আমার ক্ষেত্রে না। পাঠক হয়তো ভাববেন ভনিতা। হ্যাঁ তা কিছুটা তো বটেই।
আচ্ছা যেহেতু হোয়াট ইফ ইউ ওয়্যার মাইন দিয়েই শুরু করলাম, সো এইটা নিয়েই একটু গ্যাজানো যাক। আমার দেখা মানুষদের মধ্যে একমাত্র ক্যাডেটস আর ভেরী স্পেশাল চিড়িয়া যারা কিনা বুঝে শুনে গ্যাজাইতে ওস্তাদ।
বিস্তারিত»লোডশেডিং এবং …
বহুদিন পরে ব্লগে আসা হলো তাই কলেজের একটা অম্লমধুর স্মৃতি সবার জন্য তুলে দিলাম একটু অন্যভাবে –
“রংপুর ক্যাডেট কলেজের জেনারেটরের বর্তমান অবস্থা কেমন তাহা জানি না, তবে আমাদের সময় কারেন্ট চলিয়া গেলে জেনারেটর চালু হইয়া কারেন্ট আসিতে পাঁচ মিনিটের মত সময় তো লাগিতোই। এই সময়টা ছিলো সিনিয়র জুনিয়র সবার জন্য অনির্ধারিত উপভোগের উপলক্ষ । যাহা হউক, আমরা তখন ক্লাস ইলেভেনে পড়ি। কলেজে নতুন এক টিচার আসিলেন শাহীন স্যার,
বিস্তারিত»কিছু একটা লিখতে চাই…অনেকদিন পর…
নানাবাড়িটি মেঘনার ঠিক পাড়েই। আশুগঞ্জ, বি-বাড়িয়া। ছোটখাট আবাসিক এলাকার মত এই নানাবাড়ির শেষ সীমানায় অবস্থিত আমার খালার ৫ তলা অট্রালিকার দো-তালায় আমার থাকা হয় পেশার সুবাদে। মেঘনা কিন্তু বয়ে চলেছে ৫০ গজ পিছন দিয়েই। নিজেকে সৌভাগ্যবান বলতে কার্পণ্য করি না কখনো। ছাদে উঠে প্রায়শই নদী ও তার আশেপাশে দেখার অভ্যাসটা বেশ ভালো ভাবেই গড়ে উঠেছে। এখন আবার শীতের আগমন। শুকিয়ে যাওয়া নদীর উপরে মাছের খোঁজে শ্যেন দৃষ্টিতে টহল দিচ্ছে শিকারী বাজ,
বিস্তারিত»টিউশনি
রেহনুমাদের হলের গেটে অসংখ্য পোস্টার সাঁটা।চিত্র প্রদর্শনী,নাট্যোৎসব,আবৃত্তি কোর্স,বিতর্ক প্রতিযোগীতা –এসব তো আছেই,সেই সাথে টিউশনি আর পার্ট টাইম চাকরীর পোস্টারও অনেক।আজকাল টিউশনির বিভিন্ন মিডিয়া আছে।তারা বিশাল তালিকা ঝুলিয়ে দেয়-‘অমুক অমুক জায়গার তমুক তমুক ক্লাসের ছাত্র/ছাত্রীর জন্য শিক্ষিকা প্রয়োজন!’ অবচেতন মনেই এতদিন সেসব পোস্টারের দিকে তাকিয়েছে রেহনুমা।খুব একটা গা করেনি।শুধু টিএসসিতে চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর কোন পোস্টার থাকলে সেদিকে আগ্রহ নিয়ে তাকায়।সময়-সুযোগ মিলে গেলে দু’একটা সিনেমা দেখা হয়ে যায়।কিন্তু গত চার-পাঁচদিন ধরে গেটের পোস্টারগুলো খুব ভালভাবে খেয়াল করছে ও,বিশেষ করে টিউশনিগুলোর।একটা টিউশনির খুব দরকার।ডিপার্টমেন্ট থেকে একটা ট্যুর আয়োজন করা হয়েছে বান্দরবানে।হাজার চারেক টাকা লাগবে।কিন্ত মার কাছে টাকার কথা মুখ ফুটে বলার সাহস নেই তার।ছোট চাকুরে মায়ের ঘাড়ে বেশি বোঝা চাপাতে ইচ্ছে করেনা ।তাছাড়া সামনে আছে ঈদ।মা আর ছোট ভাইকে কোন কিছু উপহার দেয়ার শখটা উথলে উঠছে মনে।গতমাসে শুধু ডাল-ভাত-ভর্তা খেয়ে খাবারের খরচ থেকে বেশ কিছু টাকা বাঁচিয়েছিল সে।ভেবেছিল সেটা দিয়ে মা আর ভাইয়ের জন্য কিছু একটা কিনবে।কিন্তু মার্কেটে গিয়ে একটা সালোয়ার-কামিজ এত পছন্দ হল যে মা-ভাইয়ের কথা বেমালুম ভুলে হুট করে কিনে ফেলল সেটা।এখন মনে মনে নিজেই নিজেকে দুষছে-রেহনুমা,তুমি বড় স্বার্থপর মেয়ে!নিজেরটা খুব ভাল বোঝ!এত্ত বড় একটা মেয়ে তুমি,অথচ এখনো মায়ের টাকায় চল!কখনো মাকে দিয়েছ কিছু ?
বিস্তারিত»আফটার এণ্ড বিফোর এভরি ইভেন্ট জোকস – ৩
নিয়ামত
এ ঘটনা-ও জামিলকে নিয়ে। র-জামিল নয়, ফ-জামিলকে নিয়েই এবং এ কাহিনীতে আরও একজন আছে যার নাম সায়েম।
আমাদের এস.এস.সি পরীক্ষার সময় যেবার ঘোষণা দিয়ে দিল যে অপশনাল সাবজেক্ট বা ফোর্থ সাবজেক্ট যোগ হবে না, তখন তো সবাই খুশিতে আত্নহারা। যাক একটা সাবজেক্ট কম পড়তে হবে। আর এই খুশিতে আত্নহারা হবার বহিঃপ্রকাশ ঘটল মিড-টার্ম বা পাক্ষিক পরীক্ষার খাতায় আর ই.ডি. গ্রাউণ্ডে।
বিস্তারিত»ছোটগল্প : ব্যস্ত শহরের অনিঃশেষ গল্প
রাত যৌবনবতী হবার অনেক আগেই শহরের আলোকবিন্দুগুলো তাদের উপস্থিতি জানান দিতে শুরু করে। উপর থেকে তাকালে আকাশের তারার মতোই অসীম মনে হবে ছোট ছোট বিন্দুগুলোকে। এই তারকাসম আলোকে ঘিরে সতত সঞ্চারণমান মানুষগুলো আবর্তিত হয় আপন নিয়মে। ব্যস্ত শহরের মানুষগুলো বয়ে চলে নিজেদের পেছনে একেকটি গল্প। মানুষগুলোর সাথে গল্পগুলো ছুটে চলে,হেঁটে বেড়ায় ক্রমাগত। তাই শত গল্পের মাঝেকার ছোট সাবসেট এই গল্পের আরিফের নেশায় টলায়মান হয়ে বাসে উঠা,
বিস্তারিত»আফটার এণ্ড বিফোর এভরি ইভেন্ট জোকস – ২
সূরা যিলযাল
প্রিটেস্ট অথবা টেস্ট পরীক্ষা হবে। ইসলাম শিক্ষা পরীক্ষায় একটা অবজেক্টিভ প্রশ্ন দেয়া হয়েছিল- সূরা যিলযাল কোথায় অবতীর্ণ হয়? অপশনগুলো ছিল- মক্কা, মদীনা, জেদ্দা, কোনটিই নয়। সবার ধারণা ছিল যে সেবার প্রশ্ন একটু কঠিন হবে কারণ স্যারই বলে দিয়েছিলেন যে প্রশ্ন কঠিন করা হবে। যাই হোক, অডিটোরিয়াম থেকে বের হয়ে সবাই যখন উত্তর মিলাতে ব্যস্ত; কেউ বলে দোস্ত এটার আন্সার কি, কেউ বলে দোস্ত ঐটা কি লিখছস,
বিস্তারিত»হ্যালো ব্যবসা
অগ্রহায়ণ মাস যাইতেছে, তথাপিও শীতের দেখা মিলিতেছে না। আসি আসি বলিয়াও শীত জাঁকিয়া বসিতে পারিতেছে না কেন, তাহা নিয়ে মাঝে মাঝে চিন্তিত হইয়া মন আকু পাকু করিয়া উঠিলেও ইহার রহস্য ভেদ করিতে পারিতেছেনা। আমার এই ভোঁতা মস্তিষ্ক কোন কারণ না পাইয়া শেষে দোষটা দিয়া বসিতেছে ঐ নন্দঘোষ অভাগা বাঙ্গালীর উপর। বাঙ্গালীর সংখ্যা যেইভাবে এই ভূখণ্ডে বাড়িতেছে তাহাতে অদূর ভবিষ্যতে শুধু শীত কেন, বর্ষাকালও যে বাংলাদেশের বুক থেকে হারিয়া যাইয়া শুধু গ্রীষ্মের জন্য জায়গা করিয়া দিবে তাহা ভাবিবার মত বিষয় হইয়া দাঁড়ায়াইছে।
বিস্তারিত»আফটার এণ্ড বিফোর এভরি ইভেন্ট জোকস – ১
পরোটা
ক্লাস সেভেনের ঘটনা। আমাদের ব্যাচে জামিল দুইজন। একজন র-জামিল, অন্যজন ফ-জামিল।
র-জামিল মানে রবীন্দ্র হাউসের জামিল আর ফ-জামিল মানে ফজলুল হক হাউসের জামিল। ঘটনাটা ফ-জামিলকে নিয়ে।
ডাইনিং হলে খাবার সময় কিছু চাইলে পাশের সিনিয়র ভাইদের কি বলতে হইত এটা আমাদের সবার মনে আছে। যেমন- ভাত দরকার হলে বলতাম, “প্লিজ ভাই এক্সকিউজ মি, ভাই, ভাত পাস করেন”। অথবা ডাল দরকার হলে বলতাম,
বিস্তারিত»একটা গান চাই
একটা গান চাই, গান।
সংগ্রামের কথা বলার গান,
বন্ধুর পথে চলার গান,
ক্ষুদিরামের মত মরার গান,
সমাজ জীবন থেকে সরার গান,
শক্ত শেকড় থেকে নড়ার গান,
মুক্তির আরোহণে চড়ার গান।
একটা গান চাই, গান।
সকল প্রেমকে মিছে বলার গান,
অনুভূতিদের পিষে ফেলার গান,
সত্যি ভালোবাসার খরার গান,
নষ্ট পিশাচদের মরার গান,
গরীব মানুষদের জরার গান,
একটি ভাবনা
স্যার
আমি যে ব্যাপারটা বলব টা হয়ত আপনার কাছে খুব সাধারন লাগতে পারে। হয়ত অনেক আগে থেকেই আপনি জানেন । কিন্তু আমি ব্যাপারটা ভেবে ভেবে অনেক আগে বের করেছিলাম। এমন একটা বয়সে যখন টা ভাবা আমার পক্ষে কঠিন ছিল।
আমরা একটা জিনিস্কে একই সাথে দুই জায়গায় দেখতে পারি । এই ব্যাপারটা নিয়ে আমি চিন্তা করেছিলাম যখন আমি ক্লাস নাইন এ পড়ি। আমি আমার খাতায় এই ব্যাপারটা লিখে রেখেছিলাম ।
অপারেশন ফার্মগেট
১৬ই ডিসেম্বর,১৯৭১
ঢাকার রেসকোর্স ময়দান। সময়টা প্রায় বিকাল ৪টার কাছাকাছি। জেনারেল অরোরা, মাঝে জেনারেল নিয়াজী এবং তার পাশে মুক্তিবাহিনীর একজন তরুণ অফিসার দৃপ্ত পদক্ষেপে সামনের দিকে হেটে চলেছেন আত্নসমর্পনের জন্য নির্ধারিত স্থানের দিকে।কাঁধে ঝোলানো চায়নীজ অটোমেটিক রাইফেলটি যেন বোঝাতে চাইছে এখনো যে কোন অপ্রিয় এবং আকষ্মিক ঘটনার জন্য প্রস্তুত তিনি। তরুনের নাম মেজর হায়দার। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যিনি ছিলেন কুমিল্লা সেনানিবাসের কমান্ডো ব্যাটেলিয়নের একজন অফিসার।
বিস্তারিত»মনেরই পাশে
ছিল অবিরাম লুকোচুরি
ছিল অভিমান ঘুনসুঁটি
ছিল আড্ডা মুখর রাতের আকাশ
ছিল ফুটবল গ্রাউন্ডে যুদ্ধ
ছিল হৃদয় অবরুদ্ধ
ছিল ভালোবাসার অনন্ত আশ্বাস
ছিল ক্যান্টিন রোজ সেখানে
ভীড় উপচে পরা আয়োজন
ছিল করিডোর ছিল মায়াডোর
আজ তোদের খুব প্রয়োজন
ছিল শান্তি ভুল ভ্রান্তি
ছিল নিরালায় বসে গল্প
ছিল স্বপ্ন ছিল আশা
আর হতাশা ছিল অল্প
ছিল শাস্তি তবু মাস্তি
ছিল নিয়মের ফাঁকে ফাক ঝোক
তবু টুপটাপ সুরে ঝুপঝাপ
কেঁটে যেত তাতে সব শোক
রোজ সন্ধ্যায় কি যে মন চায়
তবু বই খুলে রাখা লাগত
তবু ডেস্কে মহা রিস্কে
চোখের ক্লান্তির ঘুম নামত
ছিল চিত্কার কত হুংকার
ছিল টিচারের কত অভিযোগ
পাশ ফেলের মহাভয়ে
মন পড়ায় দিত মনোযোগ
প্রতি রাতে হাতে হাতে
কত কার্ড খেলা জমে উঠত
কালি পরা চোখের তার
যেন তারই কথা শুধু বলত
তবু হাসি ভালোবাসি সেই বাঁশি ঘুম ভাঙাবে
জানি জানালায় কোন অবেলায়
আলো এসে রুম রাঙাবে
এই জীবনের কিছু শ্রাবনের
ছিল লুকোনো কিছু ধারা
অকারনে অভিমানে ঝড়া
তারার রাত পাহাড়া
সেই শান্তির কিছু ক্লান্তি
জমা বালিশের কোন কাভারে
মুখখানি অভিমানি তাই
এড়ায় যেন সবারে
তবু বন্ধু তোরা সিন্ধু
ছিলি মরুময় কোন সাহারায়
তোরা আছিস তোরা থাকিস
ভালোবাসার রাত পাহাড়ায়
তোরা বন্ধুর পথে বন্ধু
এই জীবনের সব পথচলায়
বায়ু হয়ে যাস বয়ে
স্মৃতির খোলা জানালায়.
