কথা ছিলো

কথা ছিল তোমায় নিয়ে আকাশ দেখবো,

তোমার হৃদয়ের মতো সুবিশাল,

আকাশ; শরতের আকাশ।

পেজা তুলোর মতো সাদা মেঘগুলো দেখে,

তোমারও উড়তে ইচ্ছে হবে,

আমার হাত ধরে বলবে-চলোনা উড়ে যাই ওই দূর দিগন্তে;

 

কথা ছিল তোমায় নিয়ে উঠবো ওই পর্বতের চূড়ায়,

যেখানে শব্দহীন-কোলাহল আন্দোলিত করবে মন-প্রান!

ঠিক আকাশের কাছাকাছি-

সেখানকার নিষ্ঠুর নিস্তব্ধতা তোমার ভাঙতে ইচ্ছে হবে,

বিস্তারিত»

৩৬ দিনের দেশ-৪

বহু ঝামেলা করে কখন যে চন্ডীগড়ে পৌঁছলাম, এতদিনে আর মনে নেই। চন্ডীগড় ভারতের দুটি রাজ্যের রাজধানী, হরিয়ানা আর পাঞ্জাব। এ শহরের মূল বৈশিষ্ট্য হল, এর পুরোটাই পরিকল্পনা করে গড়ে তোলা। স্থাপত্যের মানুষদের খুব কাছের একটি নাম হলো লি কর্ব্যুসিয়ের। শুরুটা ফরাসী, কিন্তু পরে পুরো বিশ্বের স্থাপত্যের ধারা বদলে দেয়াতে অবদান রাখায় স্থাপত্যের মানুষজন তাঁকে বিশাল গুরু মানেন। এই বিখ্যাত স্থপতির নকশায় গড়ে উঠেছে চন্ডীগড় শহর।

বিস্তারিত»

শুধু ভালবাসি বলেই

দুঃখ পেয়ে তোমার দুচোখ অস্রুসিক্ত হলে,

পাশে গিয়ে আমি দাঁড়াতে পারিনা শুধু ভালবাসি বলে।

তোমার চোখে রাখতে পারিনা আমারও সজল চোখ

বলতে পারিনা কেঁদোনা বন্ধু যতই কষ্ট হোক

বিস্তারিত»

“মানিক বন্দোপাধ্যায় ও তার গল্প লেখার গল্প” -শেষ পর্ব

“মানিক বন্দোপাধ্যায় ও তার গল্প লেখার গল্প” –১ম পর্ব পড়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে…

গল্প লেখার গল্পঃ

“একদিন কলেজের কয়েকজন বন্ধু সাহিত্য নিয়ে আলোচনা করছে। আলোচনা গড়াতে গড়াতে এসে ঠেকলো মাসিকপত্রের সম্পাদকের বুদ্ধিহীনতা, পক্ষপাতিত্ব, দলাদলি প্রবণতা ও উদাসীনতায়। বললাম, ‘কেন বাজে কথা বকছো? ভালো লেখা কি এত সস্তা যে, হাতে পেয়েও সম্পাদকেরা ফিরিয়ে দেবেন? মাসিকগুলি তো পড়ো, মাসে ক’টা ভালো গল্প বেরোয় দেখেছো?

বিস্তারিত»

ধারাবাহিক উপন্যাস – ১১,১২, ১৩

(এই উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট আর সময় বোঝাতে কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা এবং চরিত্র উল্লেখ করা হয়েছে। আর বাদবাকী ঘটনা আর চরিত্রগুলো কাল্পনিক, তবে অবাস্তব নয়। অনেক ঘটনাই বাস্তব আমজনতার অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া হয়েছে।)

এক দুই তিন চার এবং পাঁচ
ছয়
সাত
নয়-আট
দশ

বার

এগার

আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে আমরা ঠাকুরপাড়ায় নিজেদের বাসায় চলে আসি।

বিস্তারিত»

সবুজ মানুষদের গপ্পো


সবুজ মানুষের ইশারা পেতেই চিহ্নিত স্থানে
মাটি খুঁড়ে উত্তোলিত হলো গুপ্তধনের সিন্দুক।
ডালা খুলতেই ফুস করে উড়াল দিল
এক ঝাঁক রঙীন প্রজাপতি !
সময়ের হাতে কিডন্যাপ হয়ে যাওয়া
কিছু সুপ্ত ভাব ও ভাবনা…

চুপিচুপি উড়ে যায় অভিসারে
চঞ্চলপ্রাণ সকল; এক ঝাপটায় উধাও
ওদের গোপন ডেরায় -সবুজের রাজত্বে।
দেবদারু গাছেরা সীমানায় সারিবেধে;
পাতার প্রাচীর বিচ্ছেদকারী সূর্যকিরন ।

বিস্তারিত»

কিছু কৌতুক

প্রশ্নের চাপ

ছোট ছোট দুটি ছেলেকে নিয়ে ট্রেনে উঠেছেন এক ভদ্রলোক। একটির বয়স ৫ আরেকটির বয়স ৭। ভদ্রলোক ট্রেনের একটি বার্থে গিয়ে বসলেন। শিশু দুটি অবিরাম প্রশ্ন করে চলছে, এটা কি? ওটা কি? এমন কেনো? তেমন কেনো? প্রশ্নের চাপে বিরক্ত বাবা একটু পর পর বলছেন, “চুপ কর”। বড় ছেলেটি আবার পাল্টা বলছে, “কেনো চুপ করব?” তার দেখাদেখি ছোটটিও বলছে, “কেনো চুপ করব?” একই বার্থে বসে ছিল এক যুবক।

বিস্তারিত»

ভর্তি যুদ্ধ !!!

আমাদের ছোট ভাই-বোনেরা এখন ভর্তি যুদ্ধ নিয়ে খুব ব্যস্ত ।ইতোমধ্যে তারা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ভর্তি পরীক্ষা দিয়েছে ।অনেকের চান্স হয়েছে, অনেকের হয় নি ।আরও কিছু পরীক্ষা বাকি আছে ।তাদের মুখ থেকে ভর্তির গল্প শুনে এবং আমার কিছু অভিজ্ঞতা আর অনুভূতি থেকে ক্যাডেটদের ভর্তি যুদ্ধের ব্যাপারে কিছু কথা বলছি ।একজন ছাত্রের কোন ভাল প্রতিষ্ঠানে চান্স পাওয়া মূলত দুইটি জিনিস এর উপর নির্ভরশীল ।প্রথমত ছাত্রের অধ্যয়ন এবং দ্বিতীয়ত ছাত্রকে কিভাবে পাঠদান করা হয়েছিল ।চলুন ঘুরে আসি আমাদের প্রিয় ক্যাডেট কলেজ থেকে ।প্রথমে আসি ক্যাডেটদের পাঠদানকারী শিক্ষক প্রসঙ্গে ।দুটি প্রেক্ষাপট এর ভিত্তিতে যদি শিক্ষকের মান বিবেচনা করা যায় ( আমাদের বড় ভাইদের আমলের ক্যাডেট কলেজ এর শিক্ষক আর বর্তমান সময়ের ক্যাডেট কলেজ এর শিক্ষক এবং বর্তমান সময় এর ক্যাডেট কলেজ এর শিক্ষক আর বাইরের নামকরা কলেজ সমূহের শিক্ষক) তাইলে দেখা যাবে যে দুটি ক্ষেত্রেই ক্যাডেট কলেজ এর শিক্ষক এর মান তুলনামূলক ভাবে ভাল নয় ।অনেক ভাল শিক্ষক ক্যাডেট কলেজে সুযোগ সুবিধার অপ্রতুলতার কারণে ক্যাডেট কলেজ ছেড়ে চলে যায় ।এবার আসি ক্যাডেটদের অধ্যয়নের ব্যাপারে ।কলেজ এর বিভিন্ন নিয়ম-শৃঙ্খলা,ডেইলি রুটিন,

বিস্তারিত»

টেস্ট ক্রিকেটে ‘লুইস-মুন্না-কামাল’ পদ্ধতি!!

চট্টগ্রাম টেস্টের হতাশাজনক পরিসমাপ্তি (?) পর বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের মনবেদনা লাঘবে আইসিসির সর্বক্ষমতাময় শারদ পাওয়ার এক ঐতিহাসিক ঘটনার জন্ম দিয়েছেন। ‘লুইস-মুন্না-কামাল’ পদ্ধতিতে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম টেস্টে জয়ী ঘোষণা করেছে আইসিসি।

প্রচলিত ‘ডাকওয়ার্থ-লুইস’ কেন ব্যবহৃত হল না, তা বোঝার আগে আসুন আমরা জেনে নেই ঐ পদ্ধতি কিভাবে কাজ করে।

ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতির প্রধান উপাদান হচ্ছে দলের রিসোর্স বা সম্পদ-অর্থাৎ,

১। একটি দলের নির্দিষ্টসংখ্যক ওভারকে যথাযথভাবে কাজে লাগানো এবং

২।

বিস্তারিত»

ভয়

“কি আশিক ,ভয় পাচ্ছ নাকি ?”
”No please”-‘ভীতুর ডিম্ব ’ আশিক অস্বীকার করলেও no আর please শব্দ দুইটা উচ্চারণের ভাব-ভঙ্গি দেখেই বুঝতে পারলাম বেচারা কি রকম ভয়ের মধ্যে সময় পার করছে ।ডিম লাইটের আলোয় সবার চেহারা বোঝার চেষ্টা করছি।ক্ষণিকের মধ্যে এতটুকু বুঝলাম,আমার বাম পাশের বক্তারা হল কিছু বড় ভাই যারা তাদের পুঁটলি থেকে স্মার্ট ভৌতিক কাহিনি ছুড়ে যাচ্ছে আর ডানপাশের শ্রোতারা যথারীতি আমার নিষ্পাপ শিশুস্বরূপ বন্ধুরা;যারা কিনা সেই গল্পের আঘাতে বিচলিত হয়ে ভয়ের হিমসাগরে হাবুডুবু খাচ্ছে।

বিস্তারিত»

একজন নার্সের স্মৃতিচারণ

একজন নার্সের স্মৃতিচারণ
– ড: রমিত আজাদ

প্রসব ওয়ার্ডে আমার প্রথম কর্মদিবসে,
দুরু দুরু হৃদয়ে, সেবিকার পরশে।
ভয়ে আধমরা হয়েছিলাম শিশুটিকে গ্রহন করতে,
একটি ছোট্ট শরীর পিছলে পড়েছিল আমার হাতে।
আমি তার কানে কানে মৃদুস্বরে বললাম,
“সোনামনি, এই সুন্দর পৃথিবীতে স্বাগতম”।
সময় গড়িয়ে গেল ধীরে ধীরে কতকাল,
ওয়ার্ড থেকে ওয়ার্ডে কেটে গেল কত সাল।
দেখে দেখে কত শত যাতনার দৃশ্য,

বিস্তারিত»

আমার দেখা ‘৭১ এর মুক্তি যুদ্ধ।(বার)

দিনগুলি রোদ্রজ্জল ঝক ঝকে।আর রাত গুলিতে বেশ শীত পরতে শুরু করেছে। তখন ‘গ্লোবাল ওয়ার্মিং’ এর যুগও ছিলনা, নভেম্বর ডিসেম্বর জানুয়ারি আসলেই শীতকাল ছিল।হাড় কাঁপানো শীত। তবে এ নিয়ে আমাদের এত আক্ষেপ ও ছিলনা। বরং আমরা খুশিই ছিলাম। আমার ছোট্ট একটা বুদ্ধি বেশ ভালই কাজ দিচ্ছল।

আমাদের ব্যাচেলর দের থাকার রুম ছিল বারান্দার একদম শেষ মাথায়। বাথরুম এর পার্শে। ফজরের নামাজ শীতের কারনে একসাথে  না পড়ে নিজ নিজ ঘরে পরার পারমিশন পেয়ে গেলাম আব্দুল করিম মিয়া সাহেবের কাছ থেকে।

বিস্তারিত»

ইউসুফ ঝকক (‘৮৩-‘৮৯)

সিসিবি তে উনি, যতদূর জানি, এডজুটেন্ট হিসাবে পরিচিত। ব্লগ এডজুটেন্ট না, ‘Adjutant’ এডজুটেন্ট। গতকাল খবর পেলাম তাঁকে ঢাকা সি.এম.এইচ এ ভর্তি করা হয়েছে। ম্যাসিভ হার্ট এ্যাটাক-এর শিকার। এখন ICU তে আছেন।
সিসিবি’র সকল সদস্যদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি – দোয়া/আরোগ্যকামনা করবেন। আমার ছোটমামা হন, মাত্র ৪০। ছোটমামীও বছরখানেক আগে এ্যাজমাতে মারা যান। এমন ঘটনা খুবই unexpected…

বিস্তারিত»

নীল ত্সিকোরী

নীল ত্সিকোরী
মূল: মারিনা রাতনের
ভাবানুবাদ: ড: রমিত আজাদ

স্মৃতির রং – নীল ত্সিকোরী,
অপার্থিব নিসর্গের সৌন্দর্যে প্রস্ফুটিত।
ত্সিকোরীর নীল রঙে ভরা স্মৃতিবিধুর দিনগুলোতে,
প্রিয়তম আমার, তুমি কি অষ্টপ্রহর কেবল আমাকেই ভাবছ?

বিস্তারিত»

ধারাবাহিক উপন্যাস – ১০

(এই উপন্যাসটির প্রেক্ষাপট আর সময় বোঝাতে কিছু ঐতিহাসিক ঘটনা এবং চরিত্র উল্লেখ করা হয়েছে। আর বাদবাকী ঘটনা আর চরিত্রগুলো কাল্পনিক, তবে অবাস্তব নয়। অনেক ঘটনাই বাস্তব আমজনতার অভিজ্ঞতা থেকে নেওয়া হয়েছে।)

এক দুই তিন চার এবং পাঁচ
ছয়
সাত
নয়-আট
দশ

খবরটা আমিই প্রথম শুনলাম।

বিস্তারিত»