অটোয়ার জার্নাল – পাঁচ

আই, ইন দ্য মেম্বারশীপ অব মাই ডেস
ডিপার্টমেন্টের লাউঞ্জে একটি বুকশেলফ আছে। সেই শেলফে মানুষজন বই রেখে যায়। যার ইচ্ছা ভাল লাগলে যে কোন বই সেখান থেকে নিয়ে নিতে পারে। আমি একদিন গিয়ে সেখান থেকে তিনটি বই নিয়ে আসলাম। ভারতী মুখার্জির ‘দ্য টাইগার্স ডটার’, ডেনিয়েল মেসনের ‘পিয়ানো টিউনার’ এবং রিচার্ড হ্যারিসের ‘আই, ইন দ্য মেম্বারশীপ অব মাই ডেস’। প্রথম দুটি উপন্যাস এবং শেষটি কবিতার বই।

বিস্তারিত»

ভালবাসা (দুই)

দৌড়ে এসে আর এভাবে লাফ দিয়ে ভুঁড়ির উপর বসবি না। পিলে চমকে যাবে, ভুঁড়ি গলে যাবে।আরে এখন কি আর সেই বয়স আছে নাকি, দৌড়ে এসে লাফ দিয়ে ভুঁড়ির উপর বসে পরা! ওজন বেড়েছে,বড় হয়েছিশ্ না, তুইতো দিনে পঞ্চাশবার বলিস বয়স হয়েছে। আরে তোর বয়সে আমার মা তিন তিনটি সন্তানের মা হয়েছিলেন। ধাড়ী খুকী!
আরাম করে পেটের ওপর সেটেল হয়ে বসে প্রশ্নের ঝাঁপি খুলে দিল আমার রাজকুমারী। 

বিস্তারিত»

শিশিরকবিতা

রাজু শিশির ভালোবাসতো।
প্রথম দেখার নীলচে শেষ বিকেলে
নগরের সাধাসিধে ব্যস্ততায়-
ডানে বাঁয়ে সামনে পেছনে সবখানে
যখন অজস্র মিনিবাস, অজস্র রিকশা
সারে সারে যন্ত্রদানবের অরণ্যে- কোথায়, মনে নেই ঠিক
একফোঁটা শিশির দেখেছিলো রাজু।
রাজু শিশির ভালোবাসতো।

ক্ষণ চলে যায়, মুহূর্ত, দিন-
রাজুর ভেতর বর্ষার দুপুর
এক হৃদয় বর্ষা নিয়ে, রাজু শিশির খোঁজে।
সিংহল সমুদ্র নয়,

বিস্তারিত»

ভালবাসা (এক)

হ্যলো তুই কোথায় ? রাত সাড়ে এগারটা শীতের রাত, আর কোথায় আবার চাট গাঁর বাসায়, লেপের নিচে! তুই কালকেই ঢাকায় চলে আয়, জরুরি দরকার!

জরুরি দরকার যে কি, তা মোটামোটি আমার জানা হয়েই গেছে। নিশ্চয়ই ধানমন্ডির ‘কড়াই গোশত’ এর ইলিশ সস অথবা গুলশান ২ এর ‘খাজানার’ মাটন দম বিরিয়ানী  বা উত্তরার ‘একুশে রেস্তোরার’ গ্রীল চিকেন বা ধানমন্ডির-বনানীর ‘স্টার’ হোটেলের কাচ্চি এবং কাবাব। নিদেন পক্ষে,

বিস্তারিত»

শেষ প্রান্তে

বছর তিনেক আগে কোনো একটা কোরিয়ান মুভি থেকে alzheimer’s symptom সম্পর্কে জেনেছিলাম। যথারীতি অন্যান্য সিনেমার মত সিনেমাটিক রোগ ই মনে হইছিল।পরে অবশ্য অল্প বিস্তর পত্রিকা আর অন্য সিনেমা দেখে জানলাম আসলেই এই রোগের অস্তিত্ব আছে আর এরকম রোগির সংখ্যা ও নেহাত কম নয়।

অফিস এ প্রথম দিন এক কলিগ এর সাথে পরিচয় হল যার বয়স চুরাশি।উনি আমাকে নাম,ধাম,কই থাকি ইত্যাদি সাত সতের জিজ্ঞেস করলেন…

বিস্তারিত»

আমার বিজয়কে কি হাইজ্যাক করতে চাও?

কাজী রশীদ ছিল আমার সাথে পাশ করা এক ইঞ্জিনিয়ার। আজই কথা হচ্ছিল তার সাথে। আমি জানতে চাইছিলাম ৪০ বছর আগের বিজয় দিবসের অনুভুতির সাথে তার আজকের অনুভুতি তুলনা। আমাদের প্রজন্ম খুবই সৌভাগ্যবান যে আমরা প্রত্যেকেই আমাদের সাধ্যমত অবদান রাখতে পেরেছিলাম দেশের এবং জাতীর এক ক্রান্তিলগ্নে।

বরিশালের ছেলে রশীদ – এখনো কথা বলার সময় বলে ‘মনু, কেমন আছো তুমি।’ আমার শুনতে ভাল লাগে। আমি সব সময় সেই সব মানুষদেরকে বেশী পছন্দ করি যারা অকৃতিম এবং কোন ‘শো-অফ’

বিস্তারিত»

“মৌলানা সলায়মান রাজাকারের মুখে স্পঞ্জের স্যান্ডেলের বাড়ি”

রাশিয়া আসার পর থেকেই শুনছি রব ভাইয়ের কথা। উনি একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা। আজ একজন প্রবাসী মুক্তিযোদ্ধার কিছু কথা তুলে ধরার চেষ্টা করব।

সরদার মোঃ আব্দুর রব মুক্তিযুদ্ধের সময় ৯ ও ১০ নাম্বার সেক্টরে যুদ্ধ করেছিলেন,মূলত ৯ নাম্বার সেক্টরে মেজর জলিলের অধীনে। যুদ্ধে যাবার গল্প শুনতে চাইলে গল্প বললেন ভাই। ফেব্রুয়ারী মাসে পাকিস্তান থেকে ছুটিতে বাড়িতে বেড়াতে আসেন রব ভাই এর চাচা শেখ কাতিবুর রহমান,যিনি তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে হাবিলদার পদে কর্মরত ছিলেন।

বিস্তারিত»

বেঁচে থাকার গল্প

ময়নার মা,ও ময়নার মা।কাঁপা কাঁপা কন্ঠে মন্তাজ মিয়ার ডাক।রাত প্রায় দুইটা।ঢাকা শহরের নাগরিক কোলাহল একটু আগে থেমে গিয়েছে।রাস্তার দু পাশে সোডিয়ামের বাতি গুলো ঝাপসা।সেখান থেকে যতটুকু আলো আসে তাও কুয়াশার সাথে মিশে অস্বচ্ছ এক আবহ তৈরি করেছে।পলিথিনের তৈরি অস্থায়ী ঘরের ফাঁক দিয়ে তার কিছুটা আলো ময়নার মার মুখে পরেছে।ষাটোর্ধ মন্তাজ মিয়া কাছে মনে অস্বচ্ছ এই আলোয় ময়নার মাকে আরো মায়াবী লাগছে।কল্পনায় চল্লিশ বছর আগে চলে যায় সে।ঢাকা শহরে নতুন এসেছে ।থাকার জায়গা নেই।একদিন কমলাপুর রেলস্টেশন অন্য দিন গাবতলী যাত্রী ছাউনি।মাঝেমাঝে দোতলা লন্চের ছাঁদে চড়ে সুদূর বরিশাল যাতায়াত করা হত।একসময় বুড়িগঙ্গার গন্ধযুক্ত পানিকে খুব বেশি আপন মনে হত।সবেমাত্র মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়েছে।দেশের অবস্থা বেগতিক।একবেলা খাবার আশায় তাই শহরে পাড়ি জমানো।গ্রামে মন্তাজ মিয়াদের গেরস্থলি ছিল।গোয়ালে তিন চারটা গরু।পুকুরে মাছ।ক্ষেতে সবজি।সবমিলিয়ে একটা সাজানো সংসার।দিনকাল ভালোই কাটছিল।এর মাঝে হঠাত শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ।ফরমান আলীর কমান্ডো বাহিনীতে যোগ দেয় মন্তাজ মিয়া।সুঠাম দেহ আর লম্বা চওড়া শরীর থাকায় প্রায় সব অপারেশনেই মন্তাজ মিয়া নেতৃত্ব দিত।এভাবেই কেঁটে গেল অনেক দিন।একসময় যুদ্ধ শেষ হল।গ্রামে ফিরে নিজের ঘর বাড়ি খুঁজে পেলনা।পাকিস্তানী হানাদাররা লন্ডভন্ড করে দিয়েছে সব।বাড়ির সামনে কয়েকটা নতুন কবর দেখে বুকের ভেতরটা হুহু করে উঠল।সেদিন ই শহরে পাড়ি জমাল মন্তাজ মিয়া।একরাশ বুক ভরা অভিমান নিয়ে।

বিস্তারিত»

অভিমান করে চলে গেলেন দেলোয়ার হোসেন স্যার

অভিমান করে চলে গেলেন দেলোয়ার হোসেন স্যার

 

গত ২৪শে নভেম্বর গিয়েছিলাম রিইউনিয়নে। সিলেট ক্যাডেট কলেজের রিইউনিয়ন, নিজের প্রাণের কলেজের রিইউনিয়ন। অনেকগুলো বছর ধরেই অধির আগ্রহ অপেক্ষা করছিলাম। ২৪ তারিখ দুপুরের দিকে কলেজে ফিরে যখন নিজের ঘরে ফেরার আনন্দে উদ্ভাসিত, ঠিক সে সময়েই একটি দুঃসংবাদ পেলাম। আমাদের প্রিয় দেলোয়ার হোসেন স্যার আর নেই।

প্রথমে ভেবেছিলাম তিনি অসুস্থতা জনিত কারণে ইন্তেকাল করেছেন।

বিস্তারিত»

মহাভারত

সাথীদের উদ্দেশ করে কহে দুঃশাসন,
আমা হস্তেই হৃত হোক এর বসন।

কেন নয়, কেন নয়! এক্ষুণি খোলো
কে আগে কে পরে — যুধিষ্ঠির বলো

অর্জুনই পয়লা যাক রেজিস্ট্রির জোরে
বাকী সবে পরে কোরো মনপ্রাণ ভরে

রাত্রির কি সাধ্য সে শ্রীকৃষ্ণ হয়
সদাঁত চাঁদ জেগে পুরোটা সময়

দ্রৌপদী রক্তে ভাসে পাটক্ষেত্র জুড়ে
ভারত-বীরেরা সব নাচে ঘুরে ঘুরে

বিস্তারিত»

এক বন্ধুর আর্তনাদ

ক্লাশ ফোরের ঘটনা। কি এক কারণে আমি কয়েকদিন ক্লাশে অনুপস্থিত থাকার পর একদিন উপস্থিত হয়ে জানতে পারি, আমাদের ক্লাশে নাকি হেভী ধুন্ধুমার এক ভালো ছাত্র এসেছে। সবার মুখে মুখে তখন ঐ একই কথা। আমার খুব কাছের বন্ধু মিল্টন এসে ফিস ফিস করে বললো, “জানিস, নতুন একটা ছেলে এসেছে আমাদের ক্লাশে। প্রচন্ড ভালো ছাত্র। মনে হয় তোর চেয়েও…।“ ক্লাশে তখন আমি সর্ব স্বীকৃত সেরা ছাত্র। এমনিতেই নিজের নতুন প্রতিদ্বন্দী’র কথা জানতে পেরে যথেষ্ট বিরক্ত,

বিস্তারিত»

পরকীয়া, ব্যক্তিস্বাধীনতা ও সমাজ বিষয়ে আমার ভাবনা

ডিস্ক্লেইমারঃ এই পোষ্ট সাইদ-রুমানা’র প্রসংগ থেকে শুরু হলেও এটা পরকীয়া বিষয়ে সাধারণ ধারণা নিয়ে আলাপ-সালাপ। কাজেই, এখানে ব্যক্তি সাইদ বা রুমানার বিচার কাম্য নয়।

হামীমের পোষ্টের আলোচনাটা এখন এমন একটা অবস্থানে এসে দাড়িয়েছে যেখানে পরকীয়া ব্যক্তিগত নাকি সামাজিক, নৈতিক নাকি আইনগত, এইসব বিষয় নির্দিষ্ট করা প্রয়োজন। কারণ, উল্লিখিত পোষ্টে কিছু মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আমার মনে হয়েছে যে,আমরা দুইটা আলাদা আলাদা লেভেলে পরকীয়া বিষয়টাকে বিবেচনা করছি- নৈতিক এবং আইনগত।

বিস্তারিত»

ভাবনাপঞ্জি

ক’দিন আগেও এ ঘরটা বেশ খোলামেলা ছিল। লোকে তেমনটিই বলত । ক’দিন হল এ ঘরটাকে আমার গুমোট ঘুপচি মনে হচ্ছে। যেন চারপাশটা আমাকে ঠেসে ধরবে।শ্বাস রোধ হয়ে যাবে।ঘর নিয়ে গবেষণার পরিবর্তে এখন আমার অফিসের কাজ-কর্ম নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা ছিল। আর কথা ছিল ছ’টায় বাসায় ফেরার।ততক্ষণে বেলী – আমার স্ত্রীও অফিস থেকে ফিরবে ।ছোট মেয়ে ঝিনুক আরও আগেই স্কুল থেকে ফেরে।সারা দিনের খাটা-খাটুনির পর স্ত্রী-কন্যার সাহচর্যে সব ক্লান্তি-শ্রান্তি মুছে যা্বে।

বিস্তারিত»

একনজরে এই দেশ!

~~~বাংলাদেশ~~~
• বিশ্বের ৭৬তম ধনী রাষ্ট্র।
•অন্যতম শক্তিশালি ১০টি মুসলিম দেশের একটি।
•এখানে রয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় সমুদ্র সৈকত(কক্সবাজার)
•বিশ্বের সবচেয়ে বড় লোনা পানির বনাঞ্চল (সুন্দরবন) এখানে।
•বিশ্বের ১১তম দীর্ঘ সেতু(যমুনা সেতু) তো এদেশেই।
•জাতিসংঘ শান্তি রক্ষা মিশনে সবচেয়ে বেশী সৈন্য প্রেরন করা দেশ।
•রপ্তানিকারক দেশ হিসাবে বিশ্বে ২৭তম, গার্মেন্টস শিল্পে প্রথম।  

প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর এ দেশটি ২০৫০ সালে বিশ্বের অন্যতম ১০টি ক্ষমতাধর দেশের একটিতে পরিণত হতে যাচ্ছে।

বিস্তারিত»

আমার সোনার বাংলা আমি তোমায় ভালবাসি

বাংলাদেশ আমাদের মাতৃভূমি। ::salute::

আজ ১৬ ডিসেম্বর । মহান বিজয় দিবস ।   ::salute::

৩০ লক্ষ (রূপক অর্থে) শহীদ এর আত্মত্যাগ এর বিনিময়ে আমাদের এই স্বাধীনতা ।(আজিজুল ভাই এর অনুমতি ছাড়াই উনার কিছু কথা কোট করছি :“ত্রিশ লক্ষ” শব্দ টা আমরা গাণিতিক ধ্রুব হিসাবে না ধরে,রূপক হিসাবে নিতে পারি। এখানে একটা মতবাদ প্রচারিত আছে যে,জাতির জনক বঙ্গ বন্ধু বিদেশী সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে “তিন লক্ষের স্থলে ভুলে তিন মিলিয়ন”

বিস্তারিত»