অপারেশন ফার্মগেট

১৬ই ডিসেম্বর,১৯৭১

ঢাকার রেসকোর্স ময়দান। সময়টা প্রায় বিকাল ৪টার কাছাকাছি। জেনারেল অরোরা, মাঝে জেনারেল নিয়াজী এবং তার পাশে মুক্তিবাহিনীর একজন তরুণ অফিসার দৃপ্ত পদক্ষেপে সামনের দিকে হেটে চলেছেন আত্নসমর্পনের জন্য নির্ধারিত স্থানের দিকে।কাঁধে ঝোলানো চায়নীজ অটোমেটিক রাইফেলটি যেন বোঝাতে চাইছে এখনো যে কোন অপ্রিয় এবং আকষ্মিক ঘটনার জন্য প্রস্তুত তিনি। তরুনের নাম মেজর হায়দার। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যিনি ছিলেন কুমিল্লা সেনানিবাসের কমান্ডো ব্যাটেলিয়নের একজন অফিসার।

বিস্তারিত»

মনেরই পাশে

ছিল অবিরাম লুকোচুরি
ছিল অভিমান ঘুনসুঁটি
ছিল আড্ডা মুখর রাতের আকাশ
ছিল ফুটবল গ্রাউন্ডে যুদ্ধ
ছিল হৃদয় অবরুদ্ধ
ছিল ভালোবাসার অনন্ত আশ্বাস

ছিল ক্যান্টিন রোজ সেখানে
ভীড় উপচে পরা আয়োজন
ছিল করিডোর ছিল মায়াডোর
আজ তোদের খুব প্রয়োজন

ছিল শান্তি ভুল ভ্রান্তি
ছিল নিরালায় বসে গল্প
ছিল স্বপ্ন ছিল আশা
আর হতাশা ছিল অল্প

ছিল শাস্তি তবু মাস্তি
ছিল নিয়মের ফাঁকে ফাক ঝোক
তবু টুপটাপ সুরে ঝুপঝাপ
কেঁটে যেত তাতে সব শোক

রোজ সন্ধ্যায় কি যে মন চায়
তবু বই খুলে রাখা লাগত
তবু ডেস্কে মহা রিস্কে
চোখের ক্লান্তির ঘুম নামত
ছিল চিত্‍কার কত হুংকার
ছিল টিচারের কত অভিযোগ
পাশ ফেলের মহাভয়ে
মন পড়ায় দিত মনোযোগ

প্রতি রাতে হাতে হাতে
কত কার্ড খেলা জমে উঠত
কালি পরা চোখের তার
যেন তারই কথা শুধু বলত

তবু হাসি ভালোবাসি সেই বাঁশি ঘুম ভাঙাবে
জানি জানালায় কোন অবেলায়
আলো এসে রুম রাঙাবে

এই জীবনের কিছু শ্রাবনের
ছিল লুকোনো কিছু ধারা
অকারনে অভিমানে ঝড়া
তারার রাত পাহাড়া

সেই শান্তির কিছু ক্লান্তি
জমা বালিশের কোন কাভারে
মুখখানি অভিমানি তাই
এড়ায় যেন সবারে

তবু বন্ধু তোরা সিন্ধু
ছিলি মরুময় কোন সাহারায়
তোরা আছিস তোরা থাকিস
ভালোবাসার রাত পাহাড়ায়

তোরা বন্ধুর পথে বন্ধু
এই জীবনের সব পথচলায়
বায়ু হয়ে যাস বয়ে
স্মৃতির খোলা জানালায়.

বিস্তারিত»

ফাতিমার চিঠি আমাদের কাছে……………..

একটি হাতে লেখা দলিল সম্প্রতি ইরাকের আবু গারীব কারাগার থেকে উদ্ধার হয়। ফাতেমা ঐ এলাকার একজন খ্যাতিমান মুজাহিদের বোন। আমেরিকান সৈন্যরা কিছুদিন পূর্বে ঐ মুজাহিদের বাড়িতে হটাত হামলা চালায়। কিন্তু তাকে পায় না। তারা তার বোনকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায় যেন ঐ মুজাহিদ নিজ থেকে ধরা দেয়।ফাতেমার মূল চিঠিটি এখানে দেয়া হল যা মাফকারাট আল ইসলামে(আরবী নিউজ এজন্সি) ইংরেজী অনুবাদসহ আরবীতে ছাপা হয়েছিল।

ফাতেমার চিঠি

“পরম করুনাময় আল্লাহতা’য়ালার নামে

(হে মুহাম্মদ) তুমি বলো,

বিস্তারিত»

বিদ্রোহে ফেটে পড়ি

মাঝে ইচ্ছা হয় বিদ্রোহে ফেটে পড়ি
আমার শরীর এর অনুতে অনুতে তেজস্ক্রিয়তা
আমি ফেলানি কে দেখিনি
দেখিনি আমার স্বদেশী বাংলাদেশীকে কোরবানি হতে
আমি তোমাদের অনুভব করি আমার সত্তায়
আমার ভালবাসায়।
দেখিছি নির্লজ্জ এর মত তোমাদের নিরবতা।
সহানুভুতির বদলে তোমাদের পৈশাচিক উল্লাস আমাকে নিথর করে
আমার ইচ্ছা হয় আলো দেখতে, আলো দেখাতে
আলপিনে আটকানো তোমাদের চোখ।
সব গুলো আলপিন তুলে ফেল
অনুভব কর দুঃশাসন
বোমার মত ফেটে পড়
মানচিত্র বাচাও
নয়তো মানচিত্র খাবে শকুনে।

বিস্তারিত»

চড়ুই-গল্প

চড়ুই আমার
নিলয় অলিন্দ নিলয় করো
ঘুলঘুলিতে কুটো,
সারিয়ে দেবে
কিসে বলো
হৃৎপিন্ডের ফুটো…

বিস্তারিত»

তথাকথিত নেতৃত্ব ও গুণাবলী

ক্যাডেট কলেজের লিডারশীপ বিষয়টা একটি জমজমাট আলোচনা। অনেক দিন ধরেই ভাবছি লিখব,লেখা হয়ে ওঠে না।দেখা যাক সত্যকারের লিডারশীপ বিষয় টা কি??
আমি মনে করি, নেতা হলেন সেই ব্যক্তি যিনি এমন কিছু ঘটান যা সাধারণভাবে ঘটার কথা নয়। বস্তুত যা স্বাভাবিকভাবে ঘটবে, তার জন্য নেতার প্রয়োজন হয় না_ যে কোনো ব্যক্তিই তা করতে পারেন। সত্যিকারের নেতা অনন্য, অসাধারণ, অতুলনীয়, অভাবনীয় কিছু সৃষ্টি করেন। নেতা বড় কাজ করেন।

বিস্তারিত»

অতঃপর……………..

ঘটনা ১

ইমন কলেজে উঠেই নতুন মোবাইল কিনেছে। আনন্দে তাই এখন সবার ছবি তুলে বেড়াচ্ছে। তার ছোট বোন রুমে শুয়ে শুয়ে বই পড়ছে, বড় বোন বাথরুম থেকে গোসল থেকে বের হয়েছে; এরকম কত মজার ছবি। -এই কি করিস,এসব ছবি তুলছিস কেন? দেখছিস না আমি রেডি না। -দাড়াও না আপু, একটু মজা করি। আরে তুলতে দাও না। ক্লিক।

কয়েক ঘন্টা পর…

-কিরে নতুন মোবাইল কিনছস নাকি?

বিস্তারিত»

সুন্দরবন নিয়ে উন্মাদনার কিছুটা কি আমরা পর্যটনশিল্প বিকাশে কাজে লাগাতে পারি না?

সুন্দরবন নিয়ে অনেক উন্মাদনা অনেক কিছু হল। এর থেকে সত্যিকার অর্থে কে লাভবান হল তা প্রশ্নই থেকে গেল। একটি বিতর্কিত সংগঠনের আয়োজন করা এই প্রতিযোগিতায় আমরা বেশিরভাগ মানুষই কিছু না বুঝেই অংশগ্রহন করলাম। আমাদের এমনভাবে বুঝানো হল যে ভোট দিলেই হয়ে যাবে কিন্তু আরো অন্যান্য বিষয়ও যে বিবেচনায় এসেছে এই বাপারটা আমাদের প্রচার মাধ্যম বা ফোন কোম্পানী কেউই বলে নি। তাতে যে তাদের লস।
যাই হোক এই উন্মাদনার মাঝে আব্দুর নূর তুষার একটি পোস্ট এ বলেছিলেন সুন্দরবনে অধিক মানুষের আনাগোনা এই বনের আসল সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারে।

বিস্তারিত»

ক্লাস টুয়েলভ ১৯৮৩

১ জানুয়ারী’ ৮৩।
অবশেষে তুমি এলে। অনেক প্রতীক্ষার পর, কোনো আড়ম্বর বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া। তুমি যুগযুগান-রে মহাকালের সূচনা এভাবেই দাও কোনো একটি দিনের মাধ্যমে। তিরাশী, বিরাশিতে তুই পঁচা ছিলি। এ বছর আমার সাথে ভালো আচরণ করিস।

৩ জানুয়ারী’ ৮৩।
”আল্লাহ তা’য়ালা তোমাকে যতটুকু দান করিয়াছেন, ততোটুকুতে শানি- থাকিয়া এবং তাহার শুকরিয়া আদায় করিয়া পরিশ্রম করিতে থাক। অবশ্যই আল্লাহ তা’য়ালা একদিন তোমাকে সম্মানিত আসনের মালিক করিবে॥”

৮ জানুয়ারী’ ৮৩।

বিস্তারিত»

স্বপ্নপাঠ

শিয়রে এসে
সবুজ প্রহর
দাঁড়ালে
মধ্যযামে,
স্বপ্নেরা
ঝরে যায়
পাপড়ির
ছদ্মনামে

ছোঁবার
আকুলতায়
পাখিটি
ঘুমকাতুরে
ঠোঁটে
জোটাতে
পেরেছে
কিছু
একপেয়ে
অবকাশ
মোটে….

______________________________________________________________________

রুম্মানের এই ছবি নিয়ে লিখতে গেলে টের পেলাম, কি অসীম রোমান্টিকতাই না ওকে ভর করেছিলো আঁকার সময়।

বিস্তারিত»

আজাইরা কষ্ট,অসীম প্রতীক্ষা

ক। বাসায় ছুটিতে গেলে সেখানে ঈদে আমার কর্মসূচী বেশ একটা সেট প্যাটার্নের । সকালে নামাজ , কিছুটা খাওয়া-দাওয়া আর তারপর সবগুলা টি ভি চ্যানেল এ প্রগ্রামের সাথে সাথে মজা করে এ্যড দেখা । সবগুলা চ্যানেল একসাথে যেন কম্পিটিশনে নামে কে কার চেয়ে বেশি এ্যড দেখাতে পারবে । এবার তার সাথে সন্ধ্যা থেকে শুরু হল খুব বাজে রকম জ্বর । তা এমন ই যে মাথাটা বিছানা থেকে উঠানো যেন পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী কাজ করা ।

বিস্তারিত»

ক্লাস ইলেভেন ১৯৮২

৫ জানুয়ারী ’৮২।
উইন্টার ভ্যাকেশনে বাড়ি আছি। সামনে এস এস সি পরীক্ষা। পড়াশুনা ছাড়া আর কোনো কাজ নাই। কিন’ আমি আছি আমার রেডিও নিয়ে। শ্রীলংকা ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন থেকে আপকে ফরমাইশ অনুষ্ঠান যতক্ষণ চলে আর কিছু করিনা। শুধু গান শুনি।

১১ জানুয়ারী ’৮২।
আমার কোনো প্রিপারেশন নাই। একা একা নিজে রুটিন করে নিজে পড়ছি। তুহীন দুইজন মাস্টার রেখেছে।

২৮জানুয়ারী ’৮২।

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রলাপ ০১৬

১।
আমার প্রবাস জীবন প্রায় ৮ বছর হতে চলল। ৮ বছরে প্রায় ১৫ খানা ঈদ করেছি একা একা। বেশির ভাগ ঈদই ক্লাস করে কিংবা ঘুম দিয়ে পার করে দিয়েছি। এবারের কোরবানি ঈদ একেবারে ব্যতিক্রম কাটল। একটাবারের জন্য ও মন খারাপ হয়নি। খুব খারাপ হলেও একবারের জন্য ও মনে হয়নি যে দেশে থাকলে ভাল হত। সত্যি বলতে কি দেশ ই আমার সাথে ছিল এবার। আমার আম্মু ছিল এইবার আমার কাছে।

বিস্তারিত»

ক্লাস টেন ১৯৮১

১৫ জানুয়ারী ’৮১।
সকালে জালাল চাচার সাইকেল নিয়ে বিয়ানী বাজার গিয়েছিলাম জমিনের রেজিষ্ট্রি হবে। বড় চাচার আসার কথা ছিলো ১টা পর্যন-। কিন’ ২টা পর্যন- যখন এলেন না, তখন আমি সাইকেল নিয়ে বাড়ির দিকে রওয়ানা দিলাম। বিয়ানী বাজারে খবর পেলাম আমাদের গ্রাম দোয়াখার সাথে পাশের গ্রাম পুরষপালের মারামারি হয়েছে। তাতে আমাদের গ্রামের একজন মারা গেছে। আমি দ্রুত বাড়ির দিকে আসতে থাকি। এ সময় শুনি আমাদের গ্রাম নয়,

বিস্তারিত»