একটা গান চাই, গান।
সংগ্রামের কথা বলার গান,
বন্ধুর পথে চলার গান,
ক্ষুদিরামের মত মরার গান,
সমাজ জীবন থেকে সরার গান,
শক্ত শেকড় থেকে নড়ার গান,
মুক্তির আরোহণে চড়ার গান।
একটা গান চাই, গান।
সকল প্রেমকে মিছে বলার গান,
অনুভূতিদের পিষে ফেলার গান,
সত্যি ভালোবাসার খরার গান,
নষ্ট পিশাচদের মরার গান,
গরীব মানুষদের জরার গান,
আমি যে ব্যাপারটা বলব টা হয়ত আপনার কাছে খুব সাধারন লাগতে পারে। হয়ত অনেক আগে থেকেই আপনি জানেন । কিন্তু আমি ব্যাপারটা ভেবে ভেবে অনেক আগে বের করেছিলাম। এমন একটা বয়সে যখন টা ভাবা আমার পক্ষে কঠিন ছিল।
আমরা একটা জিনিস্কে একই সাথে দুই জায়গায় দেখতে পারি । এই ব্যাপারটা নিয়ে আমি চিন্তা করেছিলাম যখন আমি ক্লাস নাইন এ পড়ি। আমি আমার খাতায় এই ব্যাপারটা লিখে রেখেছিলাম ।
ঢাকার রেসকোর্স ময়দান। সময়টা প্রায় বিকাল ৪টার কাছাকাছি। জেনারেল অরোরা, মাঝে জেনারেল নিয়াজী এবং তার পাশে মুক্তিবাহিনীর একজন তরুণ অফিসার দৃপ্ত পদক্ষেপে সামনের দিকে হেটে চলেছেন আত্নসমর্পনের জন্য নির্ধারিত স্থানের দিকে।কাঁধে ঝোলানো চায়নীজ অটোমেটিক রাইফেলটি যেন বোঝাতে চাইছে এখনো যে কোন অপ্রিয় এবং আকষ্মিক ঘটনার জন্য প্রস্তুত তিনি। তরুনের নাম মেজর হায়দার। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত যিনি ছিলেন কুমিল্লা সেনানিবাসের কমান্ডো ব্যাটেলিয়নের একজন অফিসার।
একটি হাতে লেখা দলিল সম্প্রতি ইরাকের আবু গারীব কারাগার থেকে উদ্ধার হয়। ফাতেমা ঐ এলাকার একজন খ্যাতিমান মুজাহিদের বোন। আমেরিকান সৈন্যরা কিছুদিন পূর্বে ঐ মুজাহিদের বাড়িতে হটাত হামলা চালায়। কিন্তু তাকে পায় না। তারা তার বোনকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায় যেন ঐ মুজাহিদ নিজ থেকে ধরা দেয়।ফাতেমার মূল চিঠিটি এখানে দেয়া হল যা মাফকারাট আল ইসলামে(আরবী নিউজ এজন্সি) ইংরেজী অনুবাদসহ আরবীতে ছাপা হয়েছিল।
মাঝে ইচ্ছা হয় বিদ্রোহে ফেটে পড়ি
আমার শরীর এর অনুতে অনুতে তেজস্ক্রিয়তা
আমি ফেলানি কে দেখিনি
দেখিনি আমার স্বদেশী বাংলাদেশীকে কোরবানি হতে
আমি তোমাদের অনুভব করি আমার সত্তায়
আমার ভালবাসায়।
দেখিছি নির্লজ্জ এর মত তোমাদের নিরবতা।
সহানুভুতির বদলে তোমাদের পৈশাচিক উল্লাস আমাকে নিথর করে
আমার ইচ্ছা হয় আলো দেখতে, আলো দেখাতে
আলপিনে আটকানো তোমাদের চোখ।
সব গুলো আলপিন তুলে ফেল
অনুভব কর দুঃশাসন
বোমার মত ফেটে পড়
মানচিত্র বাচাও
নয়তো মানচিত্র খাবে শকুনে।
ক্যাডেট কলেজের লিডারশীপ বিষয়টা একটি জমজমাট আলোচনা। অনেক দিন ধরেই ভাবছি লিখব,লেখা হয়ে ওঠে না।দেখা যাক সত্যকারের লিডারশীপ বিষয় টা কি??
আমি মনে করি, নেতা হলেন সেই ব্যক্তি যিনি এমন কিছু ঘটান যা সাধারণভাবে ঘটার কথা নয়। বস্তুত যা স্বাভাবিকভাবে ঘটবে, তার জন্য নেতার প্রয়োজন হয় না_ যে কোনো ব্যক্তিই তা করতে পারেন। সত্যিকারের নেতা অনন্য, অসাধারণ, অতুলনীয়, অভাবনীয় কিছু সৃষ্টি করেন। নেতা বড় কাজ করেন।
ইমন কলেজে উঠেই নতুন মোবাইল কিনেছে। আনন্দে তাই এখন সবার ছবি তুলে বেড়াচ্ছে। তার ছোট বোন রুমে শুয়ে শুয়ে বই পড়ছে, বড় বোন বাথরুম থেকে গোসল থেকে বের হয়েছে; এরকম কত মজার ছবি। -এই কি করিস,এসব ছবি তুলছিস কেন? দেখছিস না আমি রেডি না। -দাড়াও না আপু, একটু মজা করি। আরে তুলতে দাও না। ক্লিক।
সুন্দরবন নিয়ে অনেক উন্মাদনা অনেক কিছু হল। এর থেকে সত্যিকার অর্থে কে লাভবান হল তা প্রশ্নই থেকে গেল। একটি বিতর্কিত সংগঠনের আয়োজন করা এই প্রতিযোগিতায় আমরা বেশিরভাগ মানুষই কিছু না বুঝেই অংশগ্রহন করলাম। আমাদের এমনভাবে বুঝানো হল যে ভোট দিলেই হয়ে যাবে কিন্তু আরো অন্যান্য বিষয়ও যে বিবেচনায় এসেছে এই বাপারটা আমাদের প্রচার মাধ্যম বা ফোন কোম্পানী কেউই বলে নি। তাতে যে তাদের লস।
যাই হোক এই উন্মাদনার মাঝে আব্দুর নূর তুষার একটি পোস্ট এ বলেছিলেন সুন্দরবনে অধিক মানুষের আনাগোনা এই বনের আসল সৌন্দর্য নষ্ট করতে পারে।
১ জানুয়ারী’ ৮৩।
অবশেষে তুমি এলে। অনেক প্রতীক্ষার পর, কোনো আড়ম্বর বা আনুষ্ঠানিকতা ছাড়া। তুমি যুগযুগান-রে মহাকালের সূচনা এভাবেই দাও কোনো একটি দিনের মাধ্যমে। তিরাশী, বিরাশিতে তুই পঁচা ছিলি। এ বছর আমার সাথে ভালো আচরণ করিস।
ক। বাসায় ছুটিতে গেলে সেখানে ঈদে আমার কর্মসূচী বেশ একটা সেট প্যাটার্নের । সকালে নামাজ , কিছুটা খাওয়া-দাওয়া আর তারপর সবগুলা টি ভি চ্যানেল এ প্রগ্রামের সাথে সাথে মজা করে এ্যড দেখা । সবগুলা চ্যানেল একসাথে যেন কম্পিটিশনে নামে কে কার চেয়ে বেশি এ্যড দেখাতে পারবে । এবার তার সাথে সন্ধ্যা থেকে শুরু হল খুব বাজে রকম জ্বর । তা এমন ই যে মাথাটা বিছানা থেকে উঠানো যেন পৃথিবীর সবচেয়ে ভারী কাজ করা ।
৫ জানুয়ারী ’৮২।
উইন্টার ভ্যাকেশনে বাড়ি আছি। সামনে এস এস সি পরীক্ষা। পড়াশুনা ছাড়া আর কোনো কাজ নাই। কিন’ আমি আছি আমার রেডিও নিয়ে। শ্রীলংকা ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন থেকে আপকে ফরমাইশ অনুষ্ঠান যতক্ষণ চলে আর কিছু করিনা। শুধু গান শুনি।
১১ জানুয়ারী ’৮২।
আমার কোনো প্রিপারেশন নাই। একা একা নিজে রুটিন করে নিজে পড়ছি। তুহীন দুইজন মাস্টার রেখেছে।