আমলকি

আমলকি-রাত কেটে গিয়ে
জিভের গায়ে লেপ্টে
আসছে
মিষ্টি মিষ্টি ভোর,

দোর খোলা।
মিঠে আলস্যে
শতচ্ছিন্ন কাঁথা দ্যাখে
কুয়াশায় পুরুষটির
ফিরে চলা….

এদিকে
সুধায়-জারিত মেয়েটি
নিজেকে ভোলাবে বলে
স্বপ্নের ঝোলা
আমলকিতে ভরে তোলে…

বিস্তারিত»

অসংলগ্ন ভাবনাচিন্তা ……… প্যাচাল পর্ব

ছোটবেলাতে বার্ষিক পরীক্ষা শেষ হলে দাদাবাড়ি বেড়াতে যেতাম। সেই সময় মেহেরপুর থেকে ফেনি যাওয়া ছিলো গোটা দুই দিনের ব্যাপার। মেহেরপুর থেকে বাসে করে ঢাকা, তারপরে ঢাকা থেকে ট্রেনে করে ফেনি। আবার ফেনি ষ্টেশনে নেমে বিলোনিয়া এক্সপ্রেসে করে বা বাসে চড়ে পরশুরাম। সেখান থেকে রিকশাতে করে দাদাবাড়ি। খুবই ক্লান্তিকর ছিলো এই ভ্রমনটা, কিন্তু তারপরেও, গোটা বছর এই ভ্রমনটার জন্যে অপেক্ষা করতাম। বিশেষ করে শেষ তিন/চার দিন তো কোনোকিছুতেই মনোযোগ বসতো না।

বিস্তারিত»

প্রলাপঃ৬০৯

তোল অবগুন্ঠন,কেটে দাও পলাতকা নাম
এই ভোরে আমিও জানলাম
গত পৌষের কুয়াশা ও প্রেম
বিকেল ও মফস্বল
লালন ও ইউটিউব
এবং কলম
আগুনে পুড়েছে,আগুনে পুড়ছে,আগুনে পুড়বে!

চোখে লেগে আছে তোমারই মুখ
তোমার তিল
তোমার বুক ও তাতে বরফ
তোমার যোনীচিহ্ন ও মঞ্চের কুশীলব

সেই একটা দুপুর আমাদের কাছে কেমন অন্যরকম হয়ে গে’ছিল না?

বিস্তারিত»

ছবির ফ্রেম

পুরনো ডায়রিটা খুলে হঠাত্‍ করেই তিথির মন খারাপ হয়ে গেল। ডায়রির মাঝে রুদ্রের একটা ছবি। বাতাস লেগে প্রায় নষ্ট হয়ে গেছে।রুদ্রের স্মৃতি বলতে তিথির কাছে এটুকুই। পনের বছর আগের ছবি।অনেক কষ্টে তিথি ডায়রিতে লুকিয়ে রেখেছে। কেউ দেখে ফেললে বিপদ। বিবাহিতা স্ত্রীর কাছে স্বামী ছাড়া অন্য যে কারো ছবি থাকাটা গুরুতর অপরাধ। তিথি জানে। তারপরেও রুদ্র বলে কথা। একটা সময় ছিল যখন তিথির প্রতিটি নিশ্বাস জুড়ে ছিল রুদ্র।

বিস্তারিত»

একটি মাত্র ছবি…একটি মাত্র কথা

আমাদের নীল হাউসে ঝাড়ু নিয়ে কুস্তি চলতো প্রায়শই…সেরকমই এক বিকেলে…ঝাড়ুধারী আজিজের নিচে বসা, আমাদের “বস” জিশান।

যেমনটা ছিলো, তেমনটা আর কখনো হবে না বন্ধু…

কিন্তু মৃত্যুও তোকে আমাদের থেকে বিচ্ছিন্ন করতে পারবে না।

তাই বিদায় বলবো না, শুধু ভালো থাকিস…

বিস্তারিত»

ইস্তানবুল,কিছু অভিজ্ঞতা এবং আমি

কথায় আছে যে ক্যাডেট পারে না এমন কাজ খুঁজে পাওয়া খুবই দুষ্কর। তার উপর ক্যাডেট মানেই বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা।ক্যাডেট কলেজের ৬ বছরের জীবন শেষে বাস্তবতার এক বিশাল সমুদ্রে নিজের খুদ্র এক ভেলা নিয়ে পাড়ি জমানোর সময় এই কথাটি আরও এক বার উপলব্ধি করলাম। আজ দেশ, দেশের মাটি ছেড়ে পৃথিবীর অদ্ভুত এক ভূখণ্ডে আমার অবস্থান প্রায় ৪ বছর। ভূখণ্ডটিকে অদ্ভুত বলছি এই কারণে যে এটি না ইউরোপ না এশিয়া।

বিস্তারিত»

বিশ্বাসী মানুষ চাই

কতকালের স্মৃতি আজ ঝরে যাবে ফোঁটায় ফোঁটায়
অথচ এগুলো হবে মূল্যহীন বেদনা
মনের সকল মনি কোঠায় আজ রিক্ততার গাহন
অসহনীয় যন্ত্রণা তাকে করবে সত্যাশ্রয়ী
আজ কোনও গান বাজে না সূর হয়ে
লুকানো আঘাত ফিরে আসে সাগরের ঢেউয়ে।
চারপাশে শুধু অবিশ্বস্ত আলো
আবেগের কাছে তাই বিবেক পরাজিত।
সততা,বিশ্বাস,মেহনতি হাত নতজানু
আবেগ ভালবাসায় অর্জিত জীবন
থেমে যায় মাঝ পথে বারে বারে।

বিস্তারিত»

চলে গেলো জিসান আমাদের সবাইকে কাঁদিয়ে

২০০৩ সালের ৩০ এপ্রিল কলেজে পদার্পণ করেছিলাম । সেই সাথে ক্যাডেট পরিবার এর সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেললাম । আমি ছিলাম সিরাজী হাউস (লাল) আর জিসান ছিল ভাসানী হাউস ।প্রথম দিকে পরিচয় না হলেও আস্তে আস্তে ওর সাথে আমার পরিচয় হয় ।জিসান ছিল A ফর্মে আর আমি ছিলাম B ফর্মে ।জিসান A ফর্মে থাকলেও A ফর্ম আকারে ছোট থাকার কারণে  A ফর্মের ৫ জন আমাদের B ফর্মে ছিল ।কারণ B ফর্মের রুম ছিল আকারে অনেক বড় ।সেই ৫ জন এর ভিতর জিসান ছিল ।৭এবং ৯ এ আমরা এইভাবেই ছিলাম ।

বিস্তারিত»

এক শহরের রূপকথা

আমি যখন ছোটো ছিলাম
এক শহরে গিয়েছিলাম,
দেখি সেথায় দিন দুপুরে,
মানুষ রূপে খাসি চরে ।

ছুটছে সবাই ত্রস্ত পায়ে
এদিক ওদিক ডাইনে বায়ে
বুদ্ধি সেথায় মেলছে পাখা,
ভাবনাগুলো মিলিয়ে রাখা
হঠাৎ পেলাম বাচ্চাটাকে,
ক্রিংক্রিঙ্গিয়ে কেবল ডাকে,
তারে শুধাই, “সঙ্গে নিবি?”
অনেক অনেক লজেন্স পাবি ।

লাভ লজেন্সের লোভেই কিনা?
যায় না বাবু আমায় বিনা ।

বিস্তারিত»

আমেরিকায় আমার ছাত্রজীবনঃ অল্প-স্বল্প গল্প

অনেক দিন ধরে সিসিবিতে কিছু একটা লেখার তাগিদ বোধ করছি। কিন্তু ব্যস্ত আমেরিকান জীবনে সময় কোথায় একটু স্থির হয়ে বসে মনের মধ্যে ছড়ানো ছিটানো ভাবনাগুলো কাগজে কলমে তুলে ধরার? তবে গত সপ্তাহ থেকে আমার ব্যস্ততা কিছুটা কমেছে। ইউনিভার্সিটিতে কোয়ার্টারব্রেক আর ক্রিস্টমাসের ছুটি একসাথে পড়ায় বেশ বড়সড় একটা ছুটি পেয়েছি এবার। সকালে ৬টার সময়, সূর্য ওঠারও আগে আজকাল উঠতে হয়না। আর রাতে টাইম-টেবিল ধরে ১০টার মধ্যে ঘুমাতেও হচ্ছে না।

বিস্তারিত»

হতভাগা আমি ও আমরা

আজকাল পড়াশোনা নিয়ে এত ব্যস্ত থাকি যে কোথাও কিছু করে শান্তি নেই।তবুও আজ এই লেখাটা না লিখতে পারলে মরেও শান্তি পাবনা।সেদিন আমার কিছু সামনেই বোমা বিস্ফোরণে একজন মারা গেল আর যে ভাবে গুম হত্যা চলছে কবে যে আমার নাম্বার চলে আসে বলা মুস্কিল।তাই ভাবলাম লেখাটা লিখেই ফেলি, যদিও এই লেখাটার কোন উপকারিতা আছে কিনা আমার জানা নেই।

আপনাদের মনে আছে কিনা ইউরো জোনের দেশ গুলোতে অর্থনৈতিক সংকটের কারণে বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছে নাগরিকরা।

বিস্তারিত»

অটোয়ার জার্নাল – পাঁচ

আই, ইন দ্য মেম্বারশীপ অব মাই ডেস
ডিপার্টমেন্টের লাউঞ্জে একটি বুকশেলফ আছে। সেই শেলফে মানুষজন বই রেখে যায়। যার ইচ্ছা ভাল লাগলে যে কোন বই সেখান থেকে নিয়ে নিতে পারে। আমি একদিন গিয়ে সেখান থেকে তিনটি বই নিয়ে আসলাম। ভারতী মুখার্জির ‘দ্য টাইগার্স ডটার’, ডেনিয়েল মেসনের ‘পিয়ানো টিউনার’ এবং রিচার্ড হ্যারিসের ‘আই, ইন দ্য মেম্বারশীপ অব মাই ডেস’। প্রথম দুটি উপন্যাস এবং শেষটি কবিতার বই।

বিস্তারিত»

ভালবাসা (দুই)

দৌড়ে এসে আর এভাবে লাফ দিয়ে ভুঁড়ির উপর বসবি না। পিলে চমকে যাবে, ভুঁড়ি গলে যাবে।আরে এখন কি আর সেই বয়স আছে নাকি, দৌড়ে এসে লাফ দিয়ে ভুঁড়ির উপর বসে পরা! ওজন বেড়েছে,বড় হয়েছিশ্ না, তুইতো দিনে পঞ্চাশবার বলিস বয়স হয়েছে। আরে তোর বয়সে আমার মা তিন তিনটি সন্তানের মা হয়েছিলেন। ধাড়ী খুকী!
আরাম করে পেটের ওপর সেটেল হয়ে বসে প্রশ্নের ঝাঁপি খুলে দিল আমার রাজকুমারী। 

বিস্তারিত»

শিশিরকবিতা

রাজু শিশির ভালোবাসতো।
প্রথম দেখার নীলচে শেষ বিকেলে
নগরের সাধাসিধে ব্যস্ততায়-
ডানে বাঁয়ে সামনে পেছনে সবখানে
যখন অজস্র মিনিবাস, অজস্র রিকশা
সারে সারে যন্ত্রদানবের অরণ্যে- কোথায়, মনে নেই ঠিক
একফোঁটা শিশির দেখেছিলো রাজু।
রাজু শিশির ভালোবাসতো।

ক্ষণ চলে যায়, মুহূর্ত, দিন-
রাজুর ভেতর বর্ষার দুপুর
এক হৃদয় বর্ষা নিয়ে, রাজু শিশির খোঁজে।
সিংহল সমুদ্র নয়,

বিস্তারিত»

ভালবাসা (এক)

হ্যলো তুই কোথায় ? রাত সাড়ে এগারটা শীতের রাত, আর কোথায় আবার চাট গাঁর বাসায়, লেপের নিচে! তুই কালকেই ঢাকায় চলে আয়, জরুরি দরকার!

জরুরি দরকার যে কি, তা মোটামোটি আমার জানা হয়েই গেছে। নিশ্চয়ই ধানমন্ডির ‘কড়াই গোশত’ এর ইলিশ সস অথবা গুলশান ২ এর ‘খাজানার’ মাটন দম বিরিয়ানী  বা উত্তরার ‘একুশে রেস্তোরার’ গ্রীল চিকেন বা ধানমন্ডির-বনানীর ‘স্টার’ হোটেলের কাচ্চি এবং কাবাব। নিদেন পক্ষে,

বিস্তারিত»