ঘুম থেকে উঠে দেখি বিশ মিনিট দেরী করে ফেলেছি। এখন সাড়ে আটটা বাজে। প্রতিদিন আটটায় ঘুম থেকে ওঠার অভ্যাস। কোন কোন দিন আটটা দশ বেজে যায়। কোন মতে ব্রাশ হাতে নিয়ে বেসিনে গেলাম। বিপদ যখন আসে সব দিক থেকেই আসে। পৃথীবির তিন ভাগ জলের হিসেবটা ঢাকা শহরের বাড়ীওয়ালাদের কাছে হয়তো অজানা। তা না হলে ভাড়াটিয়ারা পানির অভাবে মরবে কেন? ভাড়াটিয়া শব্দটার সাথে টিয়া পাখির অপূর্ব মিল রয়েছে।
বিস্তারিত»ধূসর স্বপ্ন
চিঠি …(১)
সর্বশেষ কবে চিঠি লিখেছেন মনে করতে পারবেন ? ব্যাপারটা নিতান্তই সহজ কাজ হবার কথা নয়। মুঠোফোন আর ক্ষুদেবার্তার মধুর অত্যাচারে যোগাযোগের এই সনাতন পদ্ধতি অতি বিপন্নের তালিকায় ঢুকে গেছে। একটু ভুল বলে ফেললাম মনে হচ্ছে। সরকারি চিঠি পত্রের কল্যাণে চিঠি বিলিপত্রের ব্যবস্থা এখনও অটুট…:D।
চিঠি নিয়ে এই মাতামতির কারনটা খুব বেশি কিছু নয়। আজ সন্ধ্যাবেলা পুরানো এক বইয়ের মধ্যে একটা চিঠি পেলাম। ছোট নোটপ্যাড টাইপ এর পাতা।
বিস্তারিত»কষ্ট ও নীরবতা…আমার চলা
সোডিয়াম লাইট এর মিটি মিটি আলোয়
পথ চলতে চলতে মাঝে মাঝে থেমে যাই,
চোখ ধাঁধানো কোন চলন্ত বাস কিংবা ট্রাকের
হেডলাইটের আলোয়,
মনের অজান্তে ক্ষীন সেই টিমটিমে
লন্ঠনের কাছে চলে যাই।
কেয়েকটা ঝিঁঝিঁপোকা
অথবা কয়েকটা জোঁনাকি।
আমার খড়কুটোর ঘরের
ছোট্ট জানালার ফাঁক দিয়ে
শেষ রাতের ঝুলেপড়া চাঁদটা
মাঝে মাঝে নীরবে কথা বলে,
যখন আমি আমার কাছে হেরে যাই।
একটা কবিতা……অতঃপর তুমি
মন্ত্রমুগ্ধের মতো আমার সাদা ক্যানভাস এ
তাকিয়ে আছি , সাদা ক্যানভাস
আর কিছু নেই।
আমার কিংবা আমার আকাশ
প্রতিচ্ছবি,ব্যস্ত স্বপ্ন কিংবা
আমার শহুরে নীরব প্রাণহীন
সকাল।
জানো একটুও ছাপ
পড়েনি তোমার।
আমার ক্যানভাস রংহীন
নাহ, অবশ্যই তোমার জন্য নয়।
একবারও কেন ভাবনি ?
আমি তোমায় ভালবাসিনি
করুণা করেছিলাম, আজ
তাই তোমাকে ভাবতে ঘৃণা হয়
ভাগ্যিস ভালবাসিনি।
জীবনের টুকরো – দেশবিদেশে (পূবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ১)
১
নিউ ইয়র্কে যখন সূর্যাস্ত বাংলাদেশে তখন সূর্যোদয়। তারপরও পাশ্চাত্য আর প্রাচ্য বলতে আমরা মূলত সংস্কৃতির পার্থক্য বুঝি – দ্রাঘিমার নয়। আমি পূবের মানুষ। থাকি এখন পশ্চিমে। তবে ছোট হয়ে আসা এই পৃথিবীতে প্রবাসী শব্দটার মধ্যে এখন আর কোন জৌলুস নেই। বরং প্রবাসী মানেই রেমিটেন্স নয়তো মেধা-পাচার। এই একবিংশ শতাব্দীতে বাংলাদেশের আনাচে-কানাচে এমন এলাকা এখন বিরল যেখানে অন্তত: একজনও প্রবাসে থাকে না। তবে বাঙালিদের বিশ্ব-ভ্রমণ আজকালকার বিষয় নয়।
“চলে আসিস ভালবাসার শঙ্খচিল হয়ে”

দেয়াল টপকে আমরা দুই বন্ধু সুন্দর পালিয়ে যেতাম।নদী পাড় হয়ে নীলগঞ্জ চলে যেতাম। ক্ষেত থেকে তুলে খেতাম তরমুজ আর বাঙ্গি।রাডার এর ছাদে গিয়ে আকাশ কুসুম স্বপ্ন দেখতাম।
ভর্তি হয়ে গেলাম ক্যাডেট কলেজে।বন্ধুত্ব ছিঁড়ল না একফোঁটাও।আমার সব ছুটিতে আমার বাসাত নিয়মিত আসতো ও।ও ছিল আমার জন্য জীবন্ত একফোঁটা কৌতুক। মুহূর্তে মুহূর্তে হাসতে থাকা প্রানবন্ত একটা ছেলে।
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলি একবুক স্বপ্ন নিয়ে।ইংরেজিতে গ্র্যাজুয়েট হবি বলে।ফিরে এলি লাশ হয়ে।রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে।শুনলাম সিণ্ডিকেট করে ৩ ছাত্র কে ১ বছরের জন্য সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।প্রবাদ শুনতাম “লঘুপাপে গুরুদণ্ড”
কাঁচা হাতের কাজ
প্রথমত সবাইকে নতুন বছরের বাসী শুভেচ্ছা। ঝিমিয়ে পরা সিসিবিতে নতুন বছরে অনেক নতুন এর আনাগোনা দেখে খুব ভালো লাগছে। আর নিত্য নতুন বিষয়বস্তুর উপর পোস্ট পড়ছে দেখেও খুব ভাল লাগল। বহুদিন কোন লেখালেখি হয় না, আর কিছু মানুষের মত আমিও এসে কিছুক্ষন ঘোরাঘুরি করি, ২/১ টা ইমো ছেড়ে মাউসের ক্লিকের উপর থেকেই আবার চলে যাই।
বিগত বছরের হিসাব কিতাব খুলে বসতে চাই না,
বিস্তারিত»দিবা সপ্ন
দোষ কি যদি হই ক্ষুদ্র পাখির মতো
ঠিকানাবিহীন আকাশজুড়ে ভবঘুরে
ক্লান্ত পরিস্রান্ত ঘরে ফিরি , কে বা
দেবে এমন ঘরের খোঁজ
নাম না জানা নানা রঙের দুঃখ
পেয়েও ঘুম আসে না , দুঃখের সাথে আড়ি
আমি সারথপর,
একলা ঘরে নিজের মুখোমুখি , অবসাদে এলিয়ে
পড়েও সুখের পেছন ছুটি ,
বিস্তারিত»ব্রুটাসের অট্টহাসি
ব্রুটাস, তুমি এইখানে, এদিকটায় এসো
বঙ্গদেশে তোমাকে অভ্যর্থনা জানাতে
হাজারে হাজার সাঁজোয়া গাড়ির প্যারেড,
অশ্বারোহী কিংবা তরবারী স্যলুট
যেটাই তুমি চাও, প্রস্তুত।
চল্লিশ বছর আগের হাড়গোড়
-বেশি নয়, হাজার বিশেক খুব জোর
নিখোঁজ কিছু নিখোঁজ সংবাদ, দুটো চারটে ধর্ষণ
সব কিছু ভুলে গেছি, কসম!
চার চার করে কত বছরের মসনদ চাই,
বিস্তারিত»আমি চোখ বুজে যাকে খুঁজছি তার সাথী হোক প্রিয় অন্ধ

আমি চোখ বুজে যাকে খুঁজছি তার সাথী হোক প্রিয় অন্ধ
বুকে হাত রেখে যাকে চাইছি তার পায়ে হোক মৃদু নৃত্য
তার ঠোঁটে লেগে আছে কুয়াশা
আমার বুক পকেটে রক্ত
আর একবার সে নড়লেই কেপে উঠবে সারা বিশ্ব
তাই তার নাম করে বারবার
এই এলোমেলো পথে হাটছি
আর চাইছি সে বিড়বিড় করে আমার নাম ডাকুক
আজ রাত্রির শেষ স্বপ্নে চোখে লেগে থাকা দৃশ্যে
তার বুকে মুখ রাখতেই
উড়ে এলো তিন পায়রা,
অবশেষে বাড়ি ফেরা
কয়েকমাস ধরে আমি এমপ্লয়েড বেকার।মাঝে মাঝে অফিসের কাজের চাপে বাসায় ফিরি রাত দশটায় আর মাঝে মাঝে কাজের অভাবে অফিসে বসে বসে জেগে দিবা স্বপ্ন দেখি …সরকারি অফিস হলে নিশ্চয় মাছি মারতাম, নেহায়েত সিসিটিভি নামক আপদ টা আছে দেখে টেবিলে মাথা রেখে ঘুমাইতে পারিনা,বড়ই দুঃখের ব্যাপার।
যাই হোক এরকম অকামের দিনগুলাতে যে পরিমান চিন্তা আমি করি,তা যদি শুধু ভাল চিন্তা করতাম তো কবেই দার্শনিক হয়ে যেতাম ।আজ হঠাত হাবিজাবি চিন্তার মাঝে একটা স্মৃতি মনে পড়ে গেল।বাকি আর সবগুলা ক্যাডেটের মতই ক্যাডেট শব্দটা শুনলেই আমি আপ্লুত হয়ে যাই।আবার সব কাজ বাদ দিয়ে মনে মনে চিন্তা করি আর হা হুতাশ,ইশ আবার যদি ক্লাস সেভেন হতাম।
বিস্তারিত»পারফ্যুম
একান্তে নিয়ে
আলতো
ইশারায়
যেই আমাকে
মুক্ত করে দিলে
হাওয়ায়,
আঃ!
মুহুর্তের জন্যে
জগৎটা জমে গেছে
নিমীলিত চোখ,
মুগ্ধ ঘ্রাণের সুযোগে
জন্মান্তরের বন্দী
বুদ্বুদগুলো
ঝাঁকে ঝাঁকে
সহস্র প্যারাসুট মেলে
তোমার সারাগায়
নেমে এলে
দ্বিধায়
শতধা হয়ে
করেছি অনুনয়
সখী,
আজ বেড়াতে
না গেলেই কি নয়!
জগতের সকল নারী সুখী হোক !!! এপিসোডঃ ২
আবার বসলাম লিখতে। যারা আগের লেখাটা পড়ছেন তারা নিচের প্যারাটা না পড়লেও হবে। ঠিক করছি ধারাবাহিক নাটকের শুরুর নাম দেখানোর মত এই সিরিজের প্রতি পর্বেই এটুকো দিয়ে দিব।
এটা আমার নিজের গল্প।[ অন্য কারো সাথে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয় !!]
আমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে। বিশ্বাস করেন একটাই। আমাদের অনেক দিনের রিলেশন। প্রায় ৭বছর হল আমরা প্রতিাদিন ঝগড়া করি। প্রতিদিনই প্রায়।
বিস্তারিত»সাম্প্রতিক শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস এবং প্রাসঙ্গিক কথা
ইদানিং খোমাখাতায় বিভিন্নজনের তথ্য দেখতে গেলে আমি বেশ মজা নিয়ে লক্ষ্য করি রাজনৈতিক দর্শনের জায়গাটাতে খুব গর্ব ভরে পূরণ করা আছে “আমি রাজনীতি ঘৃণা করি”।লেখাটার মধ্য দিয়ে নিজেকে ফ্রেশ প্রমাণের একটা উন্নাসিক ভাব খেয়াল করি বলেই হয়তো আমার কাছে আপত্তিকর মনে হয় তা। কারণ রাজনীতি ঘৃণা করি বলে রাজনীতিকে নিজের বলয়ের বাইরে ডিফাইন করার প্রক্রিয়াটি আমি মনে করি একধরণের ভেজিটেশন প্রক্রিয়া। আর এর মাধ্যমে নোংরা রাজনীতিবিদদের নোংরামিকে প্রতিবাদ করার জায়গাটা থেকে আমরা সরে আসি।
বিস্তারিত»