মাস্ফ্যুবাবুর প্রত্যাবর্তন

১) ফেসবুকে আমার ইনবক্সে রকিব্বার মেসেজ দেখে ভাবলাম বাহ! ছেলেটা আমাকে আলাদা করে লেখা দিতে বলেছে! কিন্তু ফয়েজ ভাইয়ের স্ট্যাটাসের পরিপ্রেক্ষিতে[উনার স্ট্যাটাস পড়ে ভেবেছিলাম সিসিবিতে আগুন লেগেছে বা এই টাইপ কিছু] এসে বুঝলাম যে বদটা সবাইকে হুবহু একই মেসেজ পাঠিয়েছে!ঠিক করেছি বেটা এবার দেশে আসার সাথে সাথে ওকে এয়ারপোর্ট থেকেই লাল দালানে চালান করে দিবো!

২) “প্রথম রাত-সারদাতে” নামে এক বছরেরও বেশি সময় আগে সিসিবিতে শেষ ব্লগ লিখেছিলাম।এরপর কেটে গেছে অনেক সময়,বেসিক ট্রেনিং শেষ করে আমি এখন চুয়াডাঙ্গায় বাস্তব প্রশিক্ষণে নিয়োজিত।আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই ক্রাইম ফাইটিং এর ভয়ঙ্কর জগতে সরাসরি প্রবেশ করতে যাচ্ছি।এই সময়ে পরিবর্তিত হয়েছে অনেক কিছুই,যাদের থাকার কথা ছিলো তারা অনেকেই চলে গিয়েছে-আবার অভূতপূর্বভাবে নতুন মানুষের আগমন ঘটেছে।কিন্তু কমেনি সিসিবির প্রতি ভালোবাসা,তাই পুরোন দিনের সব্বাইকে একসাথে দেখে আর দেরি না করে চলে এলাম[জুনাদার ভাষায় আমার দুই ফোঁটা যোগ করতে]।

বিস্তারিত»

অল্প কথায় বিরাট খবর

১৯৮০’র ২৮ মে দিনটা বুধবার ছিল,১৮ জানুয়ারী ২০১২ দিনটাও তাই । মিল খুঁজতে গেলে শুধু এইটুকুই । বাকী সবটুকুই অমিল । ৮০ সালের ওই দিনটাতে আমার মা প্রায় ৫ ঘন্টা ভয়ংকর কষ্টের পর আমার জন্ম দেন । পিরোজপুরের মত মফস্বল শহরে তখনকার সবচাইতে ভাল ডাক্তারটাই এক সময় আমার বাবাকে কাছে ডেকে বললেন – “কাকে চাও ? মা নাকি বাচ্চা ?” ৩২ বছর আগে আমার বাবা যে উত্তরটি দিয়েছিলেন আল্লাহ না করুন আজ আমাকেও যদি একই অবস্থায় পড়তে হতো তাহলে আমিও একই উত্তরই দিতাম –

বিস্তারিত»

অনেক বদলেছে পৃথিবী, এখনো ভালবাসি সিসিবি…!!!

আজ সকালে টি বয়ের মেসেজ পড়ে মেজাজ খারাপ হয়ে গেল…বিলাডি কয় কি না ‘অগাবগা জগা যা খুশি কিছু একটা দেন…!!’ সিসিবির আকাশ-বাতাস সাক্ষী, কোন দিন কোয়ালিটির সাথে কম্প্রোমাইজ করি নাই…আজও করি না…স্প্যানিশে একটি সুন্দর কথা আছে ‘ইকার ক্যাসিয়াস পিকে পুয়োল রামোস অ্যালবা ইনিয়েস্তা জাভি অ্যালোনসো টরেস ভিয়া…’ অর্থাৎ ‘এক সময় থেমে যাবে ঝড়, উত্তাল সাগর হবে শান্ত, বালু চরে রেখে যাবে কিছু স্মৃতি…’ সুতরাং কোয়ালিটিই হচ্ছে শেষ কথা!!

বিস্তারিত»

সাথে থাকুন

ভালোবাসা মানে কি? আমাদের মত জ্ঞানী গুনী মানুষেরা এর উত্তরে তাদের জ্ঞানের ঝাপি খুলে দিবেন, আমি নিশ্চিত। তবে ভালোবাসা জিনিসটা আমার কাছে সবসময়ই খুব ঘোলাটে, খুব অস্পষ্ট। নিজেকে মাঝে মাঝে খুব আবেগহীন মানুষ বলে মনে হয়। ভালোবাসা ধরে রাখতে পারি না, ভালোবাসা একটানা দিয়েও যেতে পারিনা কেন জানি। বিশেষ করে আজকাল্কার এই প্রযুক্তি নির্ভার দিনে যাখানে সবাই হাপিয়ে উঠার সময়ও পাচ্ছে না যুগের সাথে তাল মিলাতে মিলাতে- কোন কিছুই ঠিক চিরন্তন না,

বিস্তারিত»

একটি অপ্রকাশিত স্মৃতিচারণ

৭ মে, ২০০২. আমার এই ক্ষুদ্র জীবনের সবচেয়ে স্মরনীয় দিন। এদিন আমরা ২৫তম ব্যাচের পঞ্চাশজন কিশোর মনের মধ্যে ভয়, উৎকন্ঠা, কৌতুহল আর গর্ব মিশ্রিত আশ্চর্য এক অনুভূতি নিয়ে প্রবেশ করেছিলাম পাবনা ক্যাডেট কলেজ অঙ্গনে। ঠিক সেদিন থেকেই শুরু হয়েছিল আমার ক্লাশ সেভেনের দুঃসহ দিনগুলো। ক্যাডেট কলেজে ক্লাস সেভেনের সময়টা যে কত কষ্টের সেটি আমি সেদিন থেকেই খুব ভালভাবে বুঝেছিলাম। ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে নূন্যতম ধারণা পাওয়ার আগেই আমার cadet life- এর দ্বিতীয় দিনেই আমার গাইড আজহার ভাইয়া আমাকে পাঙ্গাইছিল।

বিস্তারিত»

ব্লগর ব্লগর…

পুরাকালে ট্যাগোর নামে এক লোক জন্মেছিলেন। সম্পর্কে তিনি আমার আংকেল হন, আমি তাই তাঁহাকে ট্যাগোর আংকেল বলে ডাকি। ইতিহাসে লেখা নাই, কিন্তু আমি জানি, তিনি আরও নানাবিধ গুণের সাথে সাথে, ত্রিকালদর্শীও ছিলেন। আজি হতে শতবর্ষ আগে, কোন এক মলিন প্রভাতে তিনি দিব্যচোখে দেখতে পেয়েছিলেন, তাহার ভাইজতা, মানে এই অধম আমি ২০১২ সন ইং নাগাদ এসে এক অতি নেশারু দ্রব্য নিয়া হাবুডুবু খাইবো। আমার দু;খে দুখী হয়ে তিনি গীত রচনা করিলেন,

বিস্তারিত»

এলোমেলো-৮: চলো পাল্টাই

জীবন নাকি একটা বহমান নদীর মত। কিন্তু আমার জীবনটা মনে হয় আর নদীর মত নাই, থেমে আছে চুপটি হয়ে। অফিস যাওয়া, বাসায় ফেরা, গেইম খেলা, খাওয়া, ঘুমিয়ে পড়া-এই টাইপ একটা জীবন যাচ্ছে আমার প্রতিদিন। এর মাঝে অবশ্য ব্যতিক্রমও আছে, সেই দিনগুলোয় মনে হয়- নাহ! পৃথিবীতে সুখ বলে কিছু একটা জিনিস আছে। সেই সুখের স্মৃতিও দীর্ঘস্থায়ী হয়না, পুরনো চক্রে পরে উধাও হয়ে যায়।

চাকরীর জীবন বেড়ে যাচ্ছে,

বিস্তারিত»

হিস্টোলজির অ আ ক খ ( ত্বক)

বিজ্ঞান নিয়ে এটি আমার প্রথম লেখা। এনাটমি কিম্বা প্রাণরসায়ন নিয়ে হয়ত অনেকেই লিখছেন। তাই সেই দিকে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি হিস্টোলজি নিয়ে লিখব,এবং সিরিজ আকারে। এক একটি পর্বে এক একটি তন্ত্র অথবা অঙ্গ তুলে ধরার চেষ্টা করব।

প্রথমেই ত্বক/চামড়া/স্কিন নিয়ে লিখব।

ল্যাটিন পরিভাষায় চামড়াকে বলা হয় ডের্মিস। আর ইংরেজি পরিভাষায় স্কিন। স্কিন মানবদেহের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। চামড়াকে মানবদেহের সবথেকে বড় একক অঙ্গ বলা হয়।

বিস্তারিত»

যাচ্ছে জীবন – ৫

আজকে সিসিবি তে এসে অবাক হয়ে গেছি। একবার ভাবলাম যে কোন ঝামেলা হইছে নাহলে কিভাবে এত্তো জন পুরান ব্লগার এক সাথে লেখা দিয়েছে। দুই তিন বার ভালো করে দেখলাম তারিখ ঠিক আছে কিনা। যাইহোক সব ঠিকঠাক আছে। তার একটু পরে দেখি ফেসবুকে আমার ইনবক্স এ দাশুর চিঠি ‘একটা লেখা দেন সিসিবিতে’, তখন বুঝলাম এই কারবার।

সিসিবি প্রতিদিন আসা হয় কিন্তু মিড লাইফ ক্রাইসিস চলতেসে ইদানিং কালে,

বিস্তারিত»

ইসলাম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক ও মুসলিমবিশ্ব


বইয়ের প্রচ্ছদ দেখে খানিকটা ধান্ধায় পড়ে গেলাম আমি- ইসলামিক বইয়ের প্রচ্ছদ এত ‘কালারফুল’ কিম্বা এমন কাব্যিক কাব্যিক হয় নাকি? প্রচ্ছদ শিল্পী, চারু পিন্টুকে ইমেইলে তা জানালে ওনার মোবাইলে ফোন করতে বললেন আমাকে। চারু পিন্টু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইন্সটিউট থেকে পাশ করেছেন অনেকদিন আগে। বইয়ের প্রচ্ছদ করছেন দীর্ঘদিন ধরে। কথায় কথায় জানালেন, অন্তত হাজার খানেকের ওপরে বইয়ের প্রচ্ছদ এঁকেছেন তিনি এ যাবৎকাল।

বিস্তারিত»

ফাকিবাজী ব্লগর ব্লগর + পাত্রি চাই

১। সাইটের পরিসংখ্যান অনেক দিন পর দেখে ভাল লাগছে। ম্যালা ভিজিটর আর পুরান সদস্যদের আনাগোনা। তবে সবচাইতে অবাক হইছি কাম্রুলরে দেইখা। আমি তো ভাবছিলাম তুমি আন্দামানে পাচার হয়া গেছ। বিয়া টিয়া করছ নাকি?

২। রকিব পোলাডা মনে হয় সবাইরে খোচাইতাছে লেখা দেওনের লাইগা। নইলে আমারে ফেসবুকে তো কেউ কোনদিন মেসেজ দেয় না।

৩। আব্বা আম্মা এসেছিলেন গত বছরের শেষে। এসেই আম্মার মর মর অবস্থা।

বিস্তারিত»

কই গেল?! কই গেল?! কই গেল?!

বহু হলো নাক ডাকা, সাথে “ধীরে চল্”
কই সব পলাতক ব্লগারের দল?

কই গেল জাস্ট ফ্রেন্ড মাস্ফূ দ্যা ঠোলা
কুড়িগ্রাম , চুয়াডাঙা, নাকি গেছে ভোলা?
কই গেল রায়হান আবীরের লেখা
কেন আর টিটো দা কে যায়নাকো দেখা।
কই গেল টুশকিটা ? মদীনা, না কাবা?
কই গেল আমাদের রুমকির বাবা?
কই গেল বাথরুমে টেনে আসা বিড়ি
কই গেল তাইফুর মাম্মার সিঁড়ি?

বিস্তারিত»

আবদারের ফলে…

নাহ, এই আজকাল কোথাও শান্তি নাই। অশান্তি আর অশান্তি। সব কিছু দিন দিন অসহ্য হয়ে যিইতাছে। অফিস, জ্যাম ছাড়া মিনে হয় জীবনে আর কিছু নাই।

কেমন লাগে যখন অফিস থেকে ৩ ঘন্টা জ্যাম পার হয়ে বাসায় এসে ফেসবুকে চা ওয়ালার আবদার দেখলে? পুরাই মামার বাড়ি টাইপের। “একটা ফয়েজীয় টাইপের হইলেও লেখা দেন”।

কেমন বিয়াদপ, ফয়েজ ভাইয়ের বাসায় নাহয় গ্যাস নাই, তাই বলে এইভাবে বলতে হবে?

বিস্তারিত»

নিবিড় নিশীথ

নিশীথ বানানটা কি ঠিক লিখলাম? দীর্ঘ ঈ-কার হবে? নাকি হ্রস্ব ই-কার? ভাবছি। ইদানিং বানান-ফোবিয়া হয়েছে। বাটে পড়ে কিছু লেখায় বানানশুদ্ধি করতে হয়েছে। ফলে লাভের চাইতে ক্ষতি হলো বেশি। যা বানান ঠিকঠাক জানতাম, শুদ্ধ করতে গিয়ে সেগুলো এখন ভুল জানি। ভুলভাল করে তারপর নিজেই নিজেকে অবোধ দেই, দার্শনিক হয়ে যাই। সক্রেটিস বলেছেন পৃথিবীতে ভুল শুদ্ধ কিছু নাই*। চালাইতে পারলে সবই ঠিক, চালাইতে না পারলে সবই ভুল।

বিস্তারিত»

চাকর…

রকিব্বা চা ওলা আমারে কয়, ভাইয়া আপনে আজকে কিছু একটা লিখেন।
আমি কইলাম, আমি তো তো লেখা ভুইলা গেছি। কীবোর্ড দিয়া আজকাল যা প্রসব করি সেইটা দেইখা নিজেরই হলুদ রঙয়ের আবর্জনা ছাড়া কিছু মনে হয় না।
হারামি তবু বলে, নাহ ভাইয়া আজকে কিছু লিখতে হবেই।

আমি বসে বসে ভাবি। আগে আমি মনের আনন্দে লিখতাম। এখন লিখি পয়সার জন্য। মনের আনন্দে যতদিন লিখছি ততদিন টাকা ছিল না,

বিস্তারিত»