আনুশেহ’র ভারচ্যুয়াল ‘রাই’

সকালে নাস্তা খেতে খেতে দৈনিক পত্রিকাগুলোয় নজর দিচ্ছিলাম। এমন সময় লুবনা আপার ফোন। লুবনা আপা অর্থাৎ লুবনা মরিয়ম। এবিসি রেডিও’তে “অপরাজিতা” নামে নারীর গল্প-কথার একটা আয়োজনের সঞ্চালক আমি। সেই আয়োজনে এসেছিলেন তিনি। তখন থেকে পরিচয়। স্নেহ করেন। মাঝে-মধ্যে ফোন করেন।

পরিচিতদের ফোন পেলে একটু ভয়ে ভয়ে ধরি আজকাল। তাদের ফোনগুলো অবশ্য আসে ভালোবাসার দাবি থেকেই। এবিসি রেডিও’তে কোনো ভুলভাল হলে, কিছু খারাপ লাগলে বা ভালো লাগলে তারা ফোন করেন।

বিস্তারিত»

রানওয়ে

আজ দিনের শুরুটা হলো মগজ দৌড়িয়ে। যেমনে পারি গজগজ করে মুখস্থ করে পরীক্ষার খাতায় উগড়ে দিতে পারলে বাঁচি। কিন্তু আফসোস, পড়াশোনার ইচ্ছার সাথে পাল্লা দিয়ে পড়া মুখস্থ করার ক্ষমতা কমছে ধীরে ধীরে। সেটা বুঝলাম পরীক্ষা দিতে বসে। প্রশ্ন কমন নিয়ে প্রস্তুতি নিলে যেটা হয়, ‘কমন পাইলে কোপাও আর না পাইলে কোপ খাও’, আজকে কমন পেয়েও কোপানোর ধারে কাছে যেতে পারলাম না। উৎসাহ নিয়ে একেকটা প্রশ্ন উত্তর করা শুরু করি,

বিস্তারিত»

একুশে বইমে্লাতে প্রকাশিত সিসিবি এর লেখক হেলাল মুহাম্মদ এর লেখা ‘হৃদয়ের রাজপথে’ থেকে দুটি কবিতা

সিসিবি ব্লগের লেখক হেলাল মুহাম্মদ (সিলেট ক্যাডেট কলেজ এর ক্যাডেট, বাংলাদশ সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর) এর কবিতার বই ‘হৃদয়ের রাজপথে’ একুশে বইমেলাতে ‘পাঠসুত্র প্রকাশনী (স্টল নং- ৩০৭)’থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

আমাদের  পাঠকদের জন্যে ‘হৃদয়ের রাজপথে’ থেকে দুটি কবিতা দেয়া হলঃ
“মোগাদিসু থেকে বলছি”

 

এক মুঠো ভাত…

সাকুল্যে এক মুষ্টি খাদ্য চাই

এক বোতল পানি…

এক কোটি সোমালীয় বসে আছি বুভুক্ষায়,

বিস্তারিত»

ছোটগল্প : স্বপ্ন, ভালোবাসা অথবা যাপিত জীবনের গল্প

একটি রোমান্টিক গল্প লিখবার জন্য গল্পটি শুরু হয়। গল্পের শুরু বাছাইয়ে সমস্যা হয়। যাপিত জীবন থেকে কেটে নেওয়া কোন সময়ের থেকে তার শুরু। রোমান্টিক হবার প্রয়োজনেই গল্পের শুরুতে তাই স্বপ্নের পিছে ছুটে চলা কোন মানবকে দেখা যায়। তারপরে আপন শিরোনামেই গল্পের পরিসর বাড়ে খণ্ড খণ্ড দৃশ্য কল্প দিয়ে।

স্বপ্নের হাতছানিতে ছুটে চলা

নগরীর বুকে যখন রাত গভীর হয়, সময়কে যখন ক্ষণিকের জন্য স্থবির মনে হয়,

বিস্তারিত»

জন্মদিন ব্লগ

সিসিবি কয়েকদিন ধরে খুব নিশ্চুপ ছিল। রকিব ভাই এর মেসেজ পেয়ে বিরাট এক ধাক্কায় অনেক গুলো লেখা আমরা পেয়ে গেলাম। পুরান ব্লগার সবাই মিলিত হল সিসিবিতে।
এখন আবার আগের মত না হলেও খারাপ না। ভালোই ব্লগ আসতেসে, ফেসবুকে প্রচুর সিসিবির লীংক দেখা যায়। খুব ভালো লাগে তখন।
আগে সিসিবিতে কামরুল ভাই, মাসরুফ ভাই, জিহাদ ভাই, মরতুজা ভাদের লেখা দেখলে খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তাম।

বিস্তারিত»

গল্পটা ছিল অহংকারের

সুনিতা প্রথম যেদিন ক্লাসে এসেছিল সেদিন অন্য সবার মত আমিও তাকে স্প্যানিশ ভেবে ভুল করেছিলাম। সুনিতা স্প্যানিশ না হোক, নিদেনপক্ষে কলম্বিয়ান তো হতে পারতো। এমনটা হয়নি। সুনিতা একজন নাক উঁচু দক্ষিণ ভারতীয় ছিল। ওর আবার ছিল বাড়তি সুবিধা। সুনিতার চোখ টানা টানা না হলেও সে চোখের গভীরতার জন্য তাকে অনায়াসে দশে সাড়ে আট দিয়ে দেওয়া যায়। নীল চোখের মেয়েদের প্রেমে পড়ে যাওয়াটা যাদের অভ্যাস ছিল,

বিস্তারিত»

সিসিবি জিটুজিঃচুয়াডাঙ্গা চ্যাপ্টার(মালসিংহীয় পোস্ট)

চাকুরিতে ঢুকার পরে সিসিবি জিটুজিতে আর যাইতে পারিনা।২০১১ এর আগে যখন নিজেরা জিটুজি করার সময় লাইভ ব্লগ, ফটোব্লগ ইত্যাদি দিয়া প্রবাসী এবং উপস্থিত হইতে না পারা সবার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিতাম-এখন আমি নিজেই তার শিকার।আমারে ফাঁকি দিয়া জিতুপি ইচ্ছা মত জিটুজি করে,আমি খালি তাকায় তাকায় দেখি।

কিন্তু আপনাদের মাস্ফ্যু কি আর বইসা থাকার পাত্র? আপনারা জিটুজি করবেন আর আমি খালি ছুপারুস্তমের মত বিরাট কইরা “দেগ-ঘ-শাঁস”

বিস্তারিত»

পুরনো দিনের গান

ফেইসবুকে তারেক ভাই একটু আগে কলিম শরাফীর পথে পথে দিলাম ছড়াইয়ারে গানটা শেয়ার দিলেন। দেখেই এই মধ্যরাতে একটু কেমন যেন ভাবালুতায় আক্রান্ত হলাম। আসলে ঠিক ভাবালুতা, নাকি পরীক্ষার ঠিক আগে আগে সকলের যেমন কাজ বাদে অন্য সকল কিছু করতে ইচ্ছে হয়, সেটা, আমি জানিনা। আমি তাই চুপচাপ বেশ কিছু গান শুনতে বসে গেলাম।

পথে পথে দিলাম ছড়াইয়া গানে কলিম শরাফী যখন ভরাট গলায় গাইতে থাকেন,

বিস্তারিত»

নস্টালজিয়া পার্ট ২

আজকে আবার লিখা শুরু করলাম ।অনেকেই বলল যে আগের লিখায় নাকি ফিনিশিং ভালো হয় নাই । চেষ্টা করবো এই  লিখায় জিনিসটা ঠিক করতে ।

যাই হোক আজকে আলোচনা করবো ক্যাডেট কলেজে ব্যাবহৃত কিছু শব্দ নিয়া ।  প্রথম শব্দটা হইলো বাক্স । স্বাভাবিক মানুষ বাক্স বলতে যা বুঝে তাহা  হলো চতু্রভুজ আকৃতির একটা জিনিস জার মধ্যে জিনিস পত্র রাখা হয় । অথবা কলম পেন্সিল রাখার জিনিস ।

বিস্তারিত»

নিখুঁত ছবিটি আমার

ক্লাস শেষে নায়লাকে ঘিরে একটা ছোটখাট জটলা হল । আমাদের ক্লাসেরই একটি ছেলে ওকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছে ।নায়লা রসিয়ে রসিয়ে সে গল্প শোনাচ্ছে।এরকম জটলা প্রায়ই হয়।ক্লাসের বেশির ভাগ মেয়েই বেশ সুন্দর।একেকজন ইতোমধ্যে গড়ে ৬-৭ টা প্রস্তাব পেয়ে গেছে! আমি এধরণের জটলার নিয়মিত শ্রোতা।মন দিয়ে গল্পগুলো শুনি।ওদের মধ্যে আমিই বোধহয় একমাত্র ব্যাতিক্রম।কখনো প্রস্তাব পাইনি।ভবিষ্যতে পাওয়ার সম্ভাবনাও দেখিনা।আমি দেখতে ভাল নই।গায়ের রংটি কাল।চোখে-মুখে সুশ্রীতা আছে কি না জানি না,তবে লোকে আমাকে সুন্দর বলে না।একবার একটা ছেলে পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ‘কালী’ বলে মন্তব্য করেছিল।আমি স্রষ্টার দানকে মেনে নিয়েছি।তবে ইদানীং একটা দানা বাঁধতে যাওয়া অশোভন অনুভূতিকে কিছুতেই তাড়াতে পারছিনা।আমাদের দু’বছরের সিনিয়র এক ভাইকে মনে গেঁথে ফেলেছি।অনুভূতিটা অশোভন এ জন্য যে তাকে চাওয়াটা আমার মোটেই সাজে না।অসাধারণ সুদর্শন একটা মানুষ ফয়সাল ভাই।এমন সুদর্শন পুরুষ বাংলাদেশে খুব কমই দেখা যায়।নিজেই নিজেকে বকাঝাকা করি,তাকে তুমি সেভাবে চেনো না।মানুষ কেমন তা জানো না।শুধুমাত্র রূপ দেখে পাগল হলে হবে?

বিস্তারিত»

আশরাফকে খুব মনে পড়ছে

আশরাফকে খুব মনে পড়ছে আজ। কেন জানি না।

সবকিছু তো স্বাভাবিক আছে। হাঁটছি, খাচ্ছি, ঘুরছি। মাঝখানে শুধু ও নেই।আশরাফ কে ছাড়া ওর মা, বাবা, প্রিয়তমা স্ত্রী কেমন আছে কে জানে। আমাদের পাবনা ক্যাডেট কলেজের ১৬তম ব্যাচের বোধকরি সবচেয়ে চৌকস ছেলেটি, বিমান চালাতো। আমরা অনেকে যেখানে সাইকেলই চালাতে পারিনা, সেখানে ও বিমান নিয়ে দিব্বি ঘুরে বেড়াত। মিগ-২৯ চালানোর প্রশিক্ষন পাওয়া অল্প কয়জন অফিসারদের মধ্যে একজন ছিল।

বিস্তারিত»

নস্টালজিয়া

আমি আশিক ,পোলাডা অতো  ভালা না , তয় খুব খারাপ ও আবার না । যাই হোক ,ক্যাডেট কলেজে যখন ফার্স্ট ঢুকলাম , মোটামুটি ভালো একটা পোলা আছিলাম ,প্রথম যেদিন কলেজে ঢুকলাম  এক ভাইয়া জোকস কইরা কয় আচ্ছা মনে করো আমার নাম দুলা তুমি আমারে কি ডাকবা মনে মনে কইলাম হালা, তোমার বইনরে আমি বিয়া করলে আমারে তুমি যা ডাকবা তাই ডাকুম । সামনা সামনি তো আর তাই কয়া যায় না তাই মুখে একটা ভদ্রতার হাসি আইনা কইলাম “ভাইয়া দুলা”

বিস্তারিত»

৬ ফাল্গুনঃ শুভেচ্ছা লও কবি

কেউ বলেন তিনি আধুনিকতম কবি; সময়ের অনেক আগেই জন্ম নেওয়া সাহিত্যিক। রবীন্দ্র-যুগের উদ্ভাস কালে জন্মেও তিনি ছিলেন রবীন্দ্র-ছায়ার বাইরে। কেউ বলেন বিষণ্ণতার কবি; লেখনীর পরতে পরতে বিষণ্ণতার-চাপা দুঃখের বীজ বুনে যান; মন খারাপের ছায়ায় লুকিয়ে থাকা ছত্র লিখে যান কালজয়ের জন্য। এতটা অবশ্য বুঝে উঠতে পারি না। আমার জন্য তিনি জীবনের কবি, মন খারাপের কবি, প্রেমের কবি… সৃষ্টির কবি-মৃত্যুর কবি।

কি অবলীলায় তিনি বলে ফেলেনঃ

আলো — অন্ধকারে যাই — মাথার ভিতরে
স্বপ্ন নয়,

বিস্তারিত»

অসাধারণ অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদি ও আমার টুকরো কিছু স্মৃতি

অসাধারণ অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদি ও আমার টুকরো কিছু স্মৃতি

————————————————- ড, রমিত আজাদ

একদিন স্কুল থেকে বাড়ী ফিরছিলাম রিকসায় চড়ে, আমি এবং আমার সাথে ছিল স্কুলেরই আরেক বন্ধু। ঘটনাটি ১৯৮০ সালের। তখন ঢাকার রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম বলে কিছু ছিল না। গাড়ী ছিল খুব কম। মন্থর গতিতে রিকসা চলত নির্বিঘ্নে। হঠাৎ করে পাশের রিকসায় কাকে যেন দেখলাম। ভালো করে তাকিয়ে দেখি তিনি আর কেউ নন,

বিস্তারিত»

একজন কবির মৃত্যু ও নীল বোতাম

একজন কবির মৃত্যু ও নীল বোতাম

পশ্চিমে তেমনি করে ধূসর মেঘ জমে
আগের মত সকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা আসে
ফাগুনের বাতাসে আমের বোলের মিষ্টি সুবাস,
সবই আছে পুরাতন আগের মত
শুধু নেই তুমি।

তুমি নেই বলে
রংধনুর রঙ আজ বিবর্ণ,
রঙচটা আমার বহু পুরনো জামার মত।

তুমি নেই বলে
আমার সারা দেহে হাসের মত পালক,

বিস্তারিত»