সিসিবি কয়েকদিন ধরে খুব নিশ্চুপ ছিল। রকিব ভাই এর মেসেজ পেয়ে বিরাট এক ধাক্কায় অনেক গুলো লেখা আমরা পেয়ে গেলাম। পুরান ব্লগার সবাই মিলিত হল সিসিবিতে।
এখন আবার আগের মত না হলেও খারাপ না। ভালোই ব্লগ আসতেসে, ফেসবুকে প্রচুর সিসিবির লীংক দেখা যায়। খুব ভালো লাগে তখন।
আগে সিসিবিতে কামরুল ভাই, মাসরুফ ভাই, জিহাদ ভাই, মরতুজা ভাদের লেখা দেখলে খুব আগ্রহ নিয়ে পড়তাম।
গল্পটা ছিল অহংকারের
সুনিতা প্রথম যেদিন ক্লাসে এসেছিল সেদিন অন্য সবার মত আমিও তাকে স্প্যানিশ ভেবে ভুল করেছিলাম। সুনিতা স্প্যানিশ না হোক, নিদেনপক্ষে কলম্বিয়ান তো হতে পারতো। এমনটা হয়নি। সুনিতা একজন নাক উঁচু দক্ষিণ ভারতীয় ছিল। ওর আবার ছিল বাড়তি সুবিধা। সুনিতার চোখ টানা টানা না হলেও সে চোখের গভীরতার জন্য তাকে অনায়াসে দশে সাড়ে আট দিয়ে দেওয়া যায়। নীল চোখের মেয়েদের প্রেমে পড়ে যাওয়াটা যাদের অভ্যাস ছিল,
বিস্তারিত»সিসিবি জিটুজিঃচুয়াডাঙ্গা চ্যাপ্টার(মালসিংহীয় পোস্ট)
চাকুরিতে ঢুকার পরে সিসিবি জিটুজিতে আর যাইতে পারিনা।২০১১ এর আগে যখন নিজেরা জিটুজি করার সময় লাইভ ব্লগ, ফটোব্লগ ইত্যাদি দিয়া প্রবাসী এবং উপস্থিত হইতে না পারা সবার কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা দিতাম-এখন আমি নিজেই তার শিকার।আমারে ফাঁকি দিয়া জিতুপি ইচ্ছা মত জিটুজি করে,আমি খালি তাকায় তাকায় দেখি।
কিন্তু আপনাদের মাস্ফ্যু কি আর বইসা থাকার পাত্র? আপনারা জিটুজি করবেন আর আমি খালি ছুপারুস্তমের মত বিরাট কইরা “দেগ-ঘ-শাঁস”
বিস্তারিত»পুরনো দিনের গান
ফেইসবুকে তারেক ভাই একটু আগে কলিম শরাফীর পথে পথে দিলাম ছড়াইয়ারে গানটা শেয়ার দিলেন। দেখেই এই মধ্যরাতে একটু কেমন যেন ভাবালুতায় আক্রান্ত হলাম। আসলে ঠিক ভাবালুতা, নাকি পরীক্ষার ঠিক আগে আগে সকলের যেমন কাজ বাদে অন্য সকল কিছু করতে ইচ্ছে হয়, সেটা, আমি জানিনা। আমি তাই চুপচাপ বেশ কিছু গান শুনতে বসে গেলাম।
পথে পথে দিলাম ছড়াইয়া গানে কলিম শরাফী যখন ভরাট গলায় গাইতে থাকেন,
বিস্তারিত»নস্টালজিয়া পার্ট ২
আজকে আবার লিখা শুরু করলাম ।অনেকেই বলল যে আগের লিখায় নাকি ফিনিশিং ভালো হয় নাই । চেষ্টা করবো এই লিখায় জিনিসটা ঠিক করতে ।
যাই হোক আজকে আলোচনা করবো ক্যাডেট কলেজে ব্যাবহৃত কিছু শব্দ নিয়া । প্রথম শব্দটা হইলো বাক্স । স্বাভাবিক মানুষ বাক্স বলতে যা বুঝে তাহা হলো চতু্রভুজ আকৃতির একটা জিনিস জার মধ্যে জিনিস পত্র রাখা হয় । অথবা কলম পেন্সিল রাখার জিনিস ।
বিস্তারিত»নিখুঁত ছবিটি আমার
ক্লাস শেষে নায়লাকে ঘিরে একটা ছোটখাট জটলা হল । আমাদের ক্লাসেরই একটি ছেলে ওকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছে ।নায়লা রসিয়ে রসিয়ে সে গল্প শোনাচ্ছে।এরকম জটলা প্রায়ই হয়।ক্লাসের বেশির ভাগ মেয়েই বেশ সুন্দর।একেকজন ইতোমধ্যে গড়ে ৬-৭ টা প্রস্তাব পেয়ে গেছে! আমি এধরণের জটলার নিয়মিত শ্রোতা।মন দিয়ে গল্পগুলো শুনি।ওদের মধ্যে আমিই বোধহয় একমাত্র ব্যাতিক্রম।কখনো প্রস্তাব পাইনি।ভবিষ্যতে পাওয়ার সম্ভাবনাও দেখিনা।আমি দেখতে ভাল নই।গায়ের রংটি কাল।চোখে-মুখে সুশ্রীতা আছে কি না জানি না,তবে লোকে আমাকে সুন্দর বলে না।একবার একটা ছেলে পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ‘কালী’ বলে মন্তব্য করেছিল।আমি স্রষ্টার দানকে মেনে নিয়েছি।তবে ইদানীং একটা দানা বাঁধতে যাওয়া অশোভন অনুভূতিকে কিছুতেই তাড়াতে পারছিনা।আমাদের দু’বছরের সিনিয়র এক ভাইকে মনে গেঁথে ফেলেছি।অনুভূতিটা অশোভন এ জন্য যে তাকে চাওয়াটা আমার মোটেই সাজে না।অসাধারণ সুদর্শন একটা মানুষ ফয়সাল ভাই।এমন সুদর্শন পুরুষ বাংলাদেশে খুব কমই দেখা যায়।নিজেই নিজেকে বকাঝাকা করি,তাকে তুমি সেভাবে চেনো না।মানুষ কেমন তা জানো না।শুধুমাত্র রূপ দেখে পাগল হলে হবে?
বিস্তারিত»আশরাফকে খুব মনে পড়ছে
আশরাফকে খুব মনে পড়ছে আজ। কেন জানি না।
সবকিছু তো স্বাভাবিক আছে। হাঁটছি, খাচ্ছি, ঘুরছি। মাঝখানে শুধু ও নেই।আশরাফ কে ছাড়া ওর মা, বাবা, প্রিয়তমা স্ত্রী কেমন আছে কে জানে। আমাদের পাবনা ক্যাডেট কলেজের ১৬তম ব্যাচের বোধকরি সবচেয়ে চৌকস ছেলেটি, বিমান চালাতো। আমরা অনেকে যেখানে সাইকেলই চালাতে পারিনা, সেখানে ও বিমান নিয়ে দিব্বি ঘুরে বেড়াত। মিগ-২৯ চালানোর প্রশিক্ষন পাওয়া অল্প কয়জন অফিসারদের মধ্যে একজন ছিল।
বিস্তারিত»নস্টালজিয়া
আমি আশিক ,পোলাডা অতো ভালা না , তয় খুব খারাপ ও আবার না । যাই হোক ,ক্যাডেট কলেজে যখন ফার্স্ট ঢুকলাম , মোটামুটি ভালো একটা পোলা আছিলাম ,প্রথম যেদিন কলেজে ঢুকলাম এক ভাইয়া জোকস কইরা কয় আচ্ছা মনে করো আমার নাম দুলা তুমি আমারে কি ডাকবা মনে মনে কইলাম হালা, তোমার বইনরে আমি বিয়া করলে আমারে তুমি যা ডাকবা তাই ডাকুম । সামনা সামনি তো আর তাই কয়া যায় না তাই মুখে একটা ভদ্রতার হাসি আইনা কইলাম “ভাইয়া দুলা”
বিস্তারিত»৬ ফাল্গুনঃ শুভেচ্ছা লও কবি
কেউ বলেন তিনি আধুনিকতম কবি; সময়ের অনেক আগেই জন্ম নেওয়া সাহিত্যিক। রবীন্দ্র-যুগের উদ্ভাস কালে জন্মেও তিনি ছিলেন রবীন্দ্র-ছায়ার বাইরে। কেউ বলেন বিষণ্ণতার কবি; লেখনীর পরতে পরতে বিষণ্ণতার-চাপা দুঃখের বীজ বুনে যান; মন খারাপের ছায়ায় লুকিয়ে থাকা ছত্র লিখে যান কালজয়ের জন্য। এতটা অবশ্য বুঝে উঠতে পারি না। আমার জন্য তিনি জীবনের কবি, মন খারাপের কবি, প্রেমের কবি… সৃষ্টির কবি-মৃত্যুর কবি।
কি অবলীলায় তিনি বলে ফেলেনঃ
আলো — অন্ধকারে যাই — মাথার ভিতরে
স্বপ্ন নয়,
অসাধারণ অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদি ও আমার টুকরো কিছু স্মৃতি
অসাধারণ অভিনেতা হুমায়ুন ফরিদি ও আমার টুকরো কিছু স্মৃতি
————————————————- ড, রমিত আজাদ
একদিন স্কুল থেকে বাড়ী ফিরছিলাম রিকসায় চড়ে, আমি এবং আমার সাথে ছিল স্কুলেরই আরেক বন্ধু। ঘটনাটি ১৯৮০ সালের। তখন ঢাকার রাস্তায় ট্রাফিক জ্যাম বলে কিছু ছিল না। গাড়ী ছিল খুব কম। মন্থর গতিতে রিকসা চলত নির্বিঘ্নে। হঠাৎ করে পাশের রিকসায় কাকে যেন দেখলাম। ভালো করে তাকিয়ে দেখি তিনি আর কেউ নন,
বিস্তারিত»একজন কবির মৃত্যু ও নীল বোতাম
একজন কবির মৃত্যু ও নীল বোতাম
পশ্চিমে তেমনি করে ধূসর মেঘ জমে
আগের মত সকাল গড়িয়ে সন্ধ্যা আসে
ফাগুনের বাতাসে আমের বোলের মিষ্টি সুবাস,
সবই আছে পুরাতন আগের মত
শুধু নেই তুমি।
তুমি নেই বলে
রংধনুর রঙ আজ বিবর্ণ,
রঙচটা আমার বহু পুরনো জামার মত।
তুমি নেই বলে
আমার সারা দেহে হাসের মত পালক,
বাংলাদেশ বিষয়ক সভা: যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল এবং জবাবদিহিতা প্রসঙ্গে মতবিনিময়
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের প্রসিকিউটর এডভোকেট জেয়াদ-আল-মালুম সম্প্রতি ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের কয়েকজন সম্মানিত সদস্যের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির সামনে একাত্তরের মানবতা বিরোধী বিচার সংক্রান্ত কর্মকান্ড নিয়ে একটি বক্তব্য পেশ করেন। তার বক্তব্যে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল কিভাবে তদন্ত ও বিচারের উন্নত মানদন্ডের নীতিসমুহ পূঙ্খানুপূঙ্খ অনুসরণ করে তা বর্ণনা করেন। আইসিএসএফ এর অনুবাদ টিম ইংরেজিতে দেওয়া বক্তৃতাটি বাংলায় অনুবাদ করে। যুদ্ধাপরাধীরা এবং তাদের সমর্থনকারী দলগুলোর প্রতিনিয়ত বিচারের মান নিয়ে করা মিথ্যাচারে যারা বিচার ব্যবস্থা নিয়ে সংশয়ী এবং একই সাথে যারা পুরো পক্রিয়া সম্পর্কে ধারণা পেতে চান লেখাটি তাদের কাজে লাগবে বলে আমাদের বিশ্বাস।
বিস্তারিত»অমরত্ব চাই না, শুধু মানুষ হতে চাই
যদি এমন হয়,
আমারে ভেঙ্গে দিলে হবে পৃথিবী হবে উন্মাতাল
আমারে শৃংখল পড়ালে মুক্তির ঘ্রাণে পাগল-পারা হবে এই নিখিল
আমারে চুরমার করে দিয়ে তোমরা হবে মুক্ত বিহংগ
পৃথিবীর সব শোষণের হবে পরাজয় ।
যদি এমন হয়,
আমার দু’চোখে বাঁধন পড়িয়ে তোমরা সবে দেখবে
অন্তরীক্ষের অপরুপ সুধা
আমার কর্ণকুহরে ঢেলে দিয়ে সীসা
তোমরা সবে শুনবে মহাপুরুষের অমিয় সব বাণী
আমায় ঘ্রাণহীন করে করে সবাই মেখে নেবে তোমরা
হিজল পাতার আর শরতের বুনো মেঘের ঘ্রাণ
আমাকে নির্বাক করে দিয়ে তোমরা সগর্জনে বলে উঠবে
অমরত্ব চাই না,
মাস্ফ্যুবাবুর প্রত্যাবর্তন-২
ঠিক করেছিলাম আমার এই ব্লগের নাম পেশাগত জীবনের সাথে মিলিয়ে কিছু রাখব।কিন্তু পরবর্তীতে মনে হল সিসিবিতে তো আমি আমার পেশার পরিচয়ে আসিনি,এখানে এসেছি আমার ক্যাডেট পরিচয়ের সুবাদে।তাছাড়া এটি যেহেতু ব্লগ,নিজের ব্যক্তিগত কথাবার্তাও অবধারিতভাবে চলে এসেছে(যথারীতি পাঠকের বিরক্তির উদ্রেগ ঘটিয়…)।কাজেই,এখানে আমি যে নামে ”বিখ্যাত”(??!!) আমার সিরিজটি সে নামেই চলুক!
১ বছর মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেক সিনিয়র পুলিশ অফিসারকে ছয় মাসের জন্যে বাস্তব প্রশিক্ষণ নিতে হয় যে কোন একটি জেলায়।আমার ক্ষেত্রে এই জেলাটি চুয়াডাঙ্গা হওয়ায় শুরুতেই একজনকে ফোন দিয়েছিলাম,কারণ তাঁর বাড়ি চুয়াডাঙ্গায়।মানুষটি এমন একজন,যাকে ছেলেবেলা থেকেই হিরো হিসেবে জেনেছি।সদাহাস্য এই মানুষটি আমার দেখা সেরা ক্যাডেটদের একজন।এই মানুষটি পারতেননা এমন কিছু আমি ক্যাডেট কলেজে দেখিনি।প্রতিটি খেলায় আক্ষরিক অর্থেই তিনি সেরাদের সেরা ছিলেন।ক্লাস সেভেনে প্রতিদিন সকাল বেলায় তাঁকে ঘুম থেকে ডেকে দেয়ার মাধ্যমে যে সম্পর্কের শুরু,সেই ১৯৯৭ সাল থেকে আজ ২০১২ সালে সেই সম্পর্ক কমে তো নি-ই বরং ঘনীভূত হয়েছে।এই মানুষটিকে নিয়ে হাজার হাজার গল্প শুধু আমার নয়,তাঁর সময়ে সবগুলো ক্যাডেট কলেজের প্রায় প্রত্যেকটি ক্যাডেটেরই থাকার কথা।
বিস্তারিত»কল্পনা
ভালবাসা মানে আকাশ পানে তোমার ছবি আঁকা,
ভালবাসা মানে একাকি সময়ে তোমার পাশে থাকা।
ভালবাসা মানে উষ্ণ সকালে তোমার পদধ্বনি,
ভালবাসা মানে কাজের সময় তোমার হাতছানি।
ভালবাসা মানে ক্লান্ত দুপুরে তোমার পায়ের আওয়াজ,
ভালবাসা মানে তোমার সোনালি শাড়ীর কারুকাজ।
ভালবাসা মানে স্নিগ্ধ বিকালে তোমার হাজারো কথা,
ভালবাসা মানে গোধূলি বেলায় তোমার নীরবতা।
বিস্তারিত»