চূড়ার খোঁজে

গত বছরের ১০ নভেম্বর নর্থ আল্পাইন ক্লাব বাংলাদেশ থেকে আমরা ৬ জন নেপালের অন্নপুর্ণা রিজিয়ন এর চুলু ইস্ট (২১,৫৯৫ ফিট ) নামক পর্বতের চুড়ায় উঠতে সক্ষম হই । সেই চুড়ায় পৌছানোর কাহিনী নিয়েই এই সিরিজ লেখার চেষ্টা ।

Life can only be understood backwards; but it must be lived forwards. – Søren Kierkegaard

রাতের বেলা তিন ঘণ্টার চড়াই উতরাই এর পরে একটা ট্যেকনিকাল খাঁজ এর ঠিক আগে এসে আমরা পুরো টিম দাঁড়িয়েছি।

বিস্তারিত»

যা হবার…

 

বশির কাকার সাথে গুটিগুটি পায় একটা পুরনো দোতলা বাড়ির গেটে এসে দাঁড়ায় লাচি।ওর হাতের স্বচ্ছ পলিথিনের ব্যাগে একটা ফ্রক আর একটা প্যান্টের অস্তিত্ব টের পাওয়া যায়।কাকা কলবেল বাজায়।কারও সাড়াশব্দ মেলে না।৪-৫ বার অনবরত বাজিয়ে যাওয়ার পর লাচির বয়সী একটা মেয়ে গেট খুলে দেয়।লাচির দিকে তাকিয়ে তার মুখে হাসি ফোটে।

‘বশির আংকেল,কাজের মেয়ে পেয়ে গেছেন ! বাঁচলাম ! গেট খুলতে খুলতে আমার অবস্থা শেষ !’

এক ভদ্রমহিলা ভেতর থেকে বেরিয়ে আসেন।

বিস্তারিত»

ফোরলান-সুয়ারেযদের দেশে

১৫ই জুলাই ২০১০

দীর্ঘ এক মাসের ভয়েজ শেষে আমরা পৌঁছলাম মন্টিভিডিও বন্দর -এ। সিঙ্গাপুর থেকে মন্টিভিডিও কয়েক হাজার মাইল পথ। দক্ষিণপূর্ব এশিয়া থেকে ল্যাটিন অ্যামেরিকা। ভ্রমণ ক্লান্তি  আমাদের সকলকে জেঁকে ধরেছিল। যদিও কেপটাউন এ একদিন এর যাত্রা বিরতি ছিল কিন্তু সেটা  শুধু জ্বালানী ও প্রয়োজনীয় রসদ সংগ্রহের জন্য।

দক্ষিণ  অ্যামেরিকা মহাদেশের দক্ষিণ পশ্চিমাংশের ছোট্ট দেশ উরুগুয়ে। এই  মহাদেশে তার চেয়ে ছোট  দেশ কেবল সুরিনাম-ই আছে।  

বিস্তারিত»

“প্রত্যাবর্তন”

 

“প্রত্যাবর্তন”

 

কৃষ্ণ অমাবস্যার নিশীথে ঘোর লাগা পায়ে ফিরে ফিরে আসি এই চেনা বাঁকে

নগরের ঘন্টাধ্বনি সূদুর কোন নীলিমায় ভেসে ভেসে ডাকে —

লক্ষ্মীপেঁচার আহ্বানে এই জংলার তীরে তবু আমি ফিরে ফিরে আসি

চঁড়ুইয়ের ঘুম লাগা প্রহরে ঢোল কলমীর দোলে দোলে

প্রগাঢ় অন্ধকারে হৃদয়ের উৎস নীড়ে এক সমুদ্র তৃষ্ণা নিয়ে —

এই নিশীথবেলায়।

বিস্তারিত»

ভালবাসার বৃষ্টি

সকাল থেকে বৃষ্টি হচ্ছে। অঝর ধারায়। ঘুম থেকে উঠতে ইচ্ছা করছে না। একটু নড়েচড়ে আবার ঘুমিয়ে গেলাম। ঘুম ভাঙল মুঠোফোনের MSG Tone শোনার পর। চোখ বুজে মোবাইল টা হাতে নিলাম। নাম্বারটা পরিচিত । ০১৭৪১১৪….

“তুমি কি এখনও বৃষ্টি ভালোবাসো ?”

Msg-টা পড়ার পর থেকে সবকিছু এলোমেলো হয়ে গেল। কোথায় যেন হারিয়ে ফেললাম নিজেকে। আজকাল আমার আমি কেই চিনতে বড় কষ্ট হয়।

বিস্তারিত»

চমৎকার সময়

আজকে সকালে উঠে হঠাৎ মনে হল, আমরা আসলে খুব সুন্দর একটা সময়ে বাস করছি। ট্র্যাফিক জ্যাম, তীব্র গরম, ইলেক্ট্রিসিটি শুন্যতা, মাথাহীন রাজনীতি সব ছাড়িয়েও এই সময়টা সুন্দর, কারণ ঠিক এই চলমান সময়ে পৃথিবী একটা নতুন কনসেপ্টের সাথে পরিচিত হচ্ছে, আর সেটা হলো ওপেন সোর্স কনসেপ্ট। আমাদের জীবনের অনেক সীমাবদ্ধতাকে ছাড়িয়েও পৃথিবীটা আসলে এগিয়ে যাচ্ছে সভ্যতার দিকে, যেটা আমাদের চোখে স্পষ্টত দৃশ্যমান না, কিন্তু খুব ধীরে ধীরেই পরিবর্তনটা আসলে ঘটছে।

বিস্তারিত»

“ফাঁসি চাই — তোমার, তোমাদের”

 

“ফাঁসি চাই — তোমার, তোমাদের”

 

ন্যায়বিচার চাই —

তুমি চাও বা না চাও,

আমি চাই, আমরা চাই

স্বাধীন এই বাংলায় আইনের শাসন চাই।

 

হাতের বদলে হাত, চুলের বদলে চুল,

রক্তের বদলে রক্ত

আর খুনের বিপরীতে ফাঁসি চাই।

এই ফাঁসি —

আমাদের অনাগত শিশুদের

রক্তের নিরাপত্তা দেবে,

বিস্তারিত»

গুল-গল্পের আসর ২ !!!

(এখানে বর্ণিত সকল ঘটনা, স্থান, কাল, পাত্র…কাল্পনিক)

১।
গত মাসের কথা। এক কলিগ দেখি মনমরা হয়ে বসে আছেন। কথা বলে জানতে পারলাম তার বেশ কয়েকদিন অফিসে আসার দেরি হয়েছে। আমাদের অফিসের নিয়ম হল মাসে তিনদিনের বেশি লেট করলে একদিনের বেতন কাটা যাবে। আমি বললাম, ‘আরে মিয়া চিন্তা কইরেন না…বেতন কাটলে আমাকে জানাবেন। সব ঠিক করে দেব!’
দুই দিন পর তার কল।

বিস্তারিত»

অভিনন্দন এহসান ভাই

এহসান ভাই যখন ছোট ছিল তখন লিভারপুল খালি চ্যাম্পিয়ন হইতো। এইটা দেইখা এহসান ভাই লিভারপুলরে ভালোবাইসা ফালাইলো। প্রথম প্রেম, ফার্স্ট লাভ।
এহসান ভাই বড় হইয়া দেখলো লিভারপুল খালি লাড্ডু-গুড্ডু হয়, কিছুই পারে না। বছরের পর বছর ফেল্টুস মারে।
তবু ভাইজানের ভালোবাসা কমে না। প্রথম প্রেম তো, ফার্স্ট লাভ!

সেই লিভারপুল আইজকা আধাযুগ পরে ছোটখাট একখান ট্রফি জিতছে, কার্লিং কাপ। এহসান ভাই নিশ্চয়ই খুশিতে ইয়ের বোতল খুলে ফেলছে।

বিস্তারিত»

স্বপ্ন

ইদানিং অনেক সকাল বেলা মিশু ভার্সিটিতে চলে আসে। ক্লাস থাকে না। তাও আসে। একটা লাভ অবশ্য আছে- ফাকা রাস্তায় সকাল বেলা একটানে চলে আসা যায়। আর হাত খরচের টাকা বাচানো তো আছেই!! এসেই প্রথম কাজ চা-সিগারেটের টঙ্গে ঢোকা কিংবা একটা সিগারেট ধরিয়ে আনমনে অজানার উদ্দেশ্যে হেটে চলা। আজকেও সে চলে এসেছে অনেক আগে। আজকে একটু বেশিই আগে হয়ে গেছে। টং গুলাও এখনো খুলেনি। কি আর করার।

বিস্তারিত»

মনে মনে বলি

একটা সময় ছিল যখন অনেককিছু এলোমেলো ভাবতাম। আজ থেকে প্রায় দশ বারো বছর আগে। ভাবতাম একদিন পৃথিবী অন্যরকম সুন্দর হবে। নিজেকে চেনার চেষ্টা করতাম। নিজেকে নিজেই প্রশ্ন করতাম। তখন ঢাকায় থাকতাম। সেই দিনগুলো সত্যি দখিনো হাওয়ার মতো সুন্দর ছিল। অবুঝ সময় সবসময়ই নিশুতিরাতের তারার মতো ঘোর লাগা অতীত। তখন ঢাকার ফুটপাত, ল্যাম্পপোষ্ট, জ্যাম, জারুল, রাধাচূড়া, কদম, কৃষ্ণচূড়া, কাকপক্ষীরা অভয় দিতো – চারপাশে যা দেখো তা সত্যি না।

বিস্তারিত»

আমার প্রিয় বন্ধুটি

সে খুব ভালো বন্ধু ছিলো আমার। বন্ধুত্বের শুরু থেকেই তার প্রতি আমার ছিলো সীমাহীন আবদার।আর সে দিনেরপর দিন ক্লান্তিহীনভাবে আমার আবদারগুলো মিটিয়ে চলত।তার কন্ঠের গান শুনে, মন খারাপ থাকলেও মন ভালো হয়ে যেত আমার।আমি খুব কবিতা ভালোবাসতাম।আমি কোনকবিতা পড়তে চাইলে সে কোত্থেকে যেন সে খুজে এনে দিত কবিতাটি।সে বোধহয়পণ করেছিল আমার কোন চাওয়া অপূর্ণ থাকতে দিবে না সে।যেন আমার আকাঙ্ক্ষা মেটানোর জন্যই তার জন্ম।তার সাধ্য হয়ত অনেক কম।কিন্তু তার সাধ্যের সবটুকু সে উজাড় করে দিয়েছে শুধুই আমার জন্য।অথচ এই আমি!কী ভীষণ স্বার্থপর!নিজের বন্ধুর সুবিধা-অসুবিধার কথা কখনো ভাবিইনি আমি।যে আমাকে দিতে দিতে আজক্লান্ত,নিঃস্ব ওরিক্ত।বিনিময়ে আমি তাকে অত্যাচারই করে গেছি সারাজীবন।

বিস্তারিত»

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারী

আজ ২৫ ফেব্রুয়ারী । পিলখানা হত্যাযজ্ঞে শহীদ হয়েছিলেন আমাদের ৫৭ জন সেনা অফিসার। তাদের মধ্যে আমাদের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সিনিওর ভাইয়ারাও ছিলেন। তাদের স্মরণে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করছিল ক্যাডেট কলেজ ব্লগ। আজ ৩ বছর পেরোতেই কি আমরা ঝিমিয়ে গেলাম? আমাদের অনুভূতি গুলো ভোতা হয়ে যাচ্ছে বোধ হয়। আমরা কি আজ তেমনি মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করতে পারি না আজ? মতামত চাই। অতিথিদের কেও আমন্ত্রন জানাচ্ছি মতামত দেবার জন্য।

বিস্তারিত»

আধা ঈশ্বরী


বিশাল লাইব্রেরিতে আমি যখন ঢুকি,একটা বিশাল মানসিক প্রশান্তি পাই। অনেকটা বটতলা বটতলা একটা আমেজ। মাঝে মাঝে বিনা পয়সায় ইন্টারনেট গুঁতাগুঁতি,সব মিলিয়ে খারাপ যায় না সময়।
কোন এক বিকালে বসে আছি সেখানে,এক টেবিলে একা একা। হিবিজিবি চিন্তা ভাবনা করছি। সামনে অবশ্য বই খুলে রেখেছি। আর একটা এটলাস।
খট খট শব্দ ঠিক টেবিলের সামনে এসে থামল। চোখ না তুলেই বুঝলাম মানবী। এমন শব্দ একমাত্র হাইহিল বুট থেকেই আসা সম্ভব।

বিস্তারিত»

পঁচিশে ফেব্রুয়ারি, ২০১২

ক্ষমা করে দিয়েছি শিক্ষকদের, ভেবেছিলাম যাদের কোনদিন ক্ষমা করবোনা, ক্ষমা করেছি বাবা-মাকে, ছোটবেলায় ভিডিও গেমস খেলার জন্য দেওয়া সীমাহীন শাস্তির জন্য, ভেবেছিলাম কোনোদিন ক্ষমা করবোনা তাদেরও। বড় হয়ে গেছি হয়তো, শৈশবের করা শাসনের কথা ভেবে এখন মাঝে রাতে আবেগ অনুভব করি কেবল, রাগ নয়, ঘৃণা নয়। কিন্তু এতোকিছুর পরেও ক্ষমা করতে পারিনা, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণীতে পাওয়া এডজুটেন্টকে। যিনি আদৌ সুস্থ মানুষ ছিলেন কিনা এখনও আমি নিশ্চিত নই,

বিস্তারিত»