“নগর সভ্যতা”

“নগর সভ্যতা”

 

হে নগর –

সভ্যতার নিশান দিগ্বিদিক উড়িয়ে

আজ তুমি তিলোত্তমা,

লাল-নীল এই শহরে তুমি আজ

অপ্সরা- তব দেহে মেখে নিয়ে মৃদু লাজ

সুরম্য দালান আর অট্টালিকা-প্রাসাদ মাঝে

করিছ মানবের জয়গান।

 

হায়, তবে ভুলিছ বসি

ঐ প্রাসাদ-পরে ঢাকিয়াছ যারে

ছায়াময় সে কোণে

জড়াজড়ি করে বাস শত শত

মানুষ-রূপী দ্বিপদের –

বিস্তারিত»

ভালবাসার মানুষ

এখন কত দিবস হয়েছে।ভালবাসা দিবস, মা দিবস, বাবা দিবস। এসব আমাদের দিনগুলিতে ছিলনা। খুবই সাদা মাটা ছিল আমাদের দিনগুলি। প্রকৃতি হয়তো কিছু ‘সোনার মানুষ’ সৃষ্ট করে আমাদের সেই অভাব ঘুচিয়েছিল ।

ভদ্রলোকের সাথে প্রথম পরিচয় হয় ‘ চৈত্র সংক্রান্তির ‘ দিনে।আমার স্পষ্ট মনে আছে ।মনে থাকার কারনও আছে,বলছি।

১৯৮৮~৮৯ সালের দিকের কথা। অফিসে মন খারাপ করে বসে আছি। এই আধুনিক কালে চৈত্র মাস নিয়ে ব্যবসা জগতের এই ব্যাপারগুলি আর সহ্য হয়?

বিস্তারিত»

বাংলা বনাম ইংরেজি – ভিন্নমত

১।    খুব ভয়ে ভয়ে লিখছি। যদিও মত প্রকাশের ক্ষেত্রে আমি বরাবরই খুব বাড়াবাড়ি রকমের স্ট্রেইট ফরোয়ার্ড। বাংলা আর ইংরেজি নিয়ে আমাদের যে দ্বিধাবিভক্তি আর ফেব্রুয়ারি মাস এলেই যে বাংলা প্রীতিটা হঠাৎ যেন পূর্ণিমার তিথিতে সাগরের বাণ ডাকার মত ফুসে উঠে; এই ব্যাপারটা নিয়ে লিখার হালকা পাতলা লোভটা সামলাতে পারলাম না। বিশেষ করে ব্লগে, টিভিতে, কাগজে (ইন্টারনেটের কল্যাণে প্রবাসে বসেও বাংলা পত্রিকা পড়া যাচ্ছে) সর্বত্র বাংলার এমন ব্যান্ড বাজতে দেখে লিখতে বসে গেলাম।

বিস্তারিত»

দুইটি প্যারোডি

আজিকার ক্যাডেট
আমাদের যুগে আমরা যখন
খেলেছি ক্রিকেট(রুম) খেলা,
তোমরা এ যুগে সেই বয়সেই
ফেসবুকে থাকো মেলা।
আমরা যখন রাতের আঁধারে
করিয়াছি ডাব চুরি,
তোমরা এখন ডাউনলোড মারো
আইটেম ভুরি ভুরি।
FGCC,MGCC সব
তোমাদের চেনা,
আমরা শুনেছি সেখানে রয়েছে
কত পরী অজানা।
দুর কলেজের অজানা কাহিনী
তোমরা শোনাও সবে,
ক্যাডেটে ক্যাডেটে জানা পরিচয়
কেমন করিয়া হবে।:-P

ক্যাডেটের সাধ
আমি হব সকাল বেলার ক্যাডেট,

বিস্তারিত»

প্রসঙ্গ : ইংরেজি মন্তব্য

সিসিবিতে বেশ কিছুকাল পর আবারও লোক সমাগম বেড়েছে। তবে সেই সাথে একটা ব্যাপার পরিলক্ষিত হচ্ছে: ইংরেজি হরফে করা মন্তব্যের আধিক্য হঠাৎ করেই আগের তুলনায় বেড়ে গিয়েছে।

সিসিবি একটি বাংলা ব্লগ। আমরা আমাদের দৈনন্দিন কথা বার্তায় যেভাবে ইংরেজির ব্যবহার করি, সেইভাবে পোস্টে এবং মন্তব্যে ইংরেজি বাংলা মিশিয়ে কিংবা ইংরেজির প্রাধান্য বা ইংরেজি অক্ষরের ব্যবহার সিসিবিতে সবসময়ই ভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়ে থাকে। ইংরেজি বা অন্য ভাষায় করা মন্তব্য প্রকাশের নিশ্চয়তা দেয়া হচ্ছে না।

বিস্তারিত»

শ্রেষ্ঠ বীর

আমি শ্রেষ্ঠ বীর বলে মানি না একিলিসকে ,
যদিও কালজয়ী ইলিয়াডের অমর চরিত্র সে।
কিন্তু তার ছিল হেফাস্টাস নির্মিত বর্ম,
আর দেবী এথেনির সুতীব্র অনুগ্রহ।
শ্রেষ্ঠ
বীর মানব না হেকটরকেও,
সে ট্রয়ের শ্রেষ্ঠ বীর ঠিকই,
কিন্তু একিলিসের মুখোমুখি হওয়ার সাহস সে পায়নি।
কেন শ্রেষ্ঠ বীর বলব রামকে?
যার সঙ্গী ছিল বিশাল বানর বাহিনী,
কিংবা লক্ষণ,

বিস্তারিত»

অ-তে অজগর। অজগরটি আসছে তেড়ে।

একঃ

জীবনে প্রথমবার বই কিনেছিলাম ঊনিশশো নব্বইয়ের ডিসেম্বরে -বড় আপার বার্ষিক পরীক্ষা শেষে। ‘বর্ণ পরিচয়’ নামের সে বইয়ের প্রথম বাক্যটায় আঙুল রেখে বড় আপা বলতো- “বল্। অ-তে অজগর। অজগরটি আসছে তেড়ে।” আমি বড় আপার আঙুল রাখা ছবিটায় তাকাতাম- দেখতাম, বিদঘুটে একটা সাপ অ-এর দিকে ছুটে যাচ্ছে। মনে হতো, সেই বিদঘুটে অজগর অ-এর গায়ে এক্ষুণি আঘাত করবে। অ-এর জন্য আমার মন কেমন করে উঠলে বড় আপাকে বলতাম,

বিস্তারিত»

আ’মরি বাংলা ভাষা

আমরা যে হুজুগে বাঙালি তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাঙালির হুজুগ নিয়ে গল্প কেচ্ছারও শেষ নেই। শেষ হবেও না। সৈয়দ মুজতবা আলীর গাঁজা নিয়ে একটা মজার গল্প আছে। অনেকেই পড়েছেন হয়তো। যারা পড়েননি তাদের জন্য স্মৃতি থেকে একটু তুলে দিচ্ছি। দেশভাগের পর কোন এক নিয়মের গ্যাড়াকলে পড়ে তৎকালীন পূর্ব বঙ্গ থেকে ভারতে গাঁজা রপ্তানি বন্ধ। (সাধুসন্ন্যাসীদের আবার এই মহার্ঘ বস্তুটি না হলে চলে না। আমাদের লাল মিয়া ওরফে সুলতানের নাকি দৈনিক ৫০০ টাকার গাঁজা লাগতো।

বিস্তারিত»

আফ্রিকা থেকে…

মাসখানেকের বেশি সময় অন্তর্জালবিহীন থাকার পরে গত কিছুদিন যাবৎ আবারো এই জালে জড়িয়ে পড়ছি। এই সাময়িক বিরতিতেই অনেকখানি অনভ্যস্ততা চলে এসেছে, আগের মত সেই তাগিতও বোধ করি না অন্তর্জালে ঢুঁ মারার জন্য। এর মাঝে অনেক পরিবর্তনও এসেছে, কিছু পছন্দ হয়েছে, কিছু হয়নি। নতুন নতুন অনেক কিছুও চোখে পড়েছে। তবে সবচেয়ে ভাল লেগেছে একটা পুরোনো হয়ে যাবার ঘটনা, সিসিবির পুরোনো হয়ে যাওয়াকে। কী এক যাদুমন্ত্রে জানি সিসিবি আবারো জমে উঠেছে,

বিস্তারিত»

আশরাফ এবং আমি

১.
কখনো ভাবিনি আশরাফকে নিয়ে কিছু লিখব বা লিখতে হতে পারে। শরিফের আশরাফকে খুব মনে পড়ে লেখাটি ব্লগে দেখে আমারও লিখতে ইচ্ছা হল। আমি কদাচিৎ ব্লগ পড়লেও কখনো লিখি না। পড়াটাও খুবই অনিয়মিত। কুমিল্লার তৌহীদ আমাকে শরিফের লেখাটা পড়ে না শুনালে হয়ত পড়াও হত না। লিখা-লিখির অভ্যাসটা একদমই নেই। তবুও চেষ্টা করব।

২.   
আশরাফকে আলাদা করে চিনতে পেরেছিলাম প্রথম ক্লাস এইটে থাকতে।

বিস্তারিত»

“এ কে – ৪৭” (একে ৪৭ এর জনক কালাশনিকভ এর কাহিনী অবলম্বনে রচিত)

“এ কে – ৪৭”
(একে ৪৭ এর জনক কালাশনিকভ এর কাহিনী অবলম্বনে রচিত)

 

কালাশনিকভ –
তুমিও তো চেয়েছিলে কবি হতে-
পাতা কুড়োনো শৈশবে – যখন ঘোরলাগা পৃথিবী
কবিতার পংতির মতোই ঝিরি ঝিরি বহমান –
হতে পারতে দিগ্বিজয়ী তুমি
রবীন্দ্রনাথ, শেলী কিংবা রুমীর মতো
অক্ষরের মালায় যারা এখনো গাঁথে
আমাদের হৃদয়ে ভালবাসার অমর কাব্য-গাঁথা ।

বিস্তারিত»

আনুশেহ’র ভারচ্যুয়াল ‘রাই’

সকালে নাস্তা খেতে খেতে দৈনিক পত্রিকাগুলোয় নজর দিচ্ছিলাম। এমন সময় লুবনা আপার ফোন। লুবনা আপা অর্থাৎ লুবনা মরিয়ম। এবিসি রেডিও’তে “অপরাজিতা” নামে নারীর গল্প-কথার একটা আয়োজনের সঞ্চালক আমি। সেই আয়োজনে এসেছিলেন তিনি। তখন থেকে পরিচয়। স্নেহ করেন। মাঝে-মধ্যে ফোন করেন।

পরিচিতদের ফোন পেলে একটু ভয়ে ভয়ে ধরি আজকাল। তাদের ফোনগুলো অবশ্য আসে ভালোবাসার দাবি থেকেই। এবিসি রেডিও’তে কোনো ভুলভাল হলে, কিছু খারাপ লাগলে বা ভালো লাগলে তারা ফোন করেন।

বিস্তারিত»

রানওয়ে

আজ দিনের শুরুটা হলো মগজ দৌড়িয়ে। যেমনে পারি গজগজ করে মুখস্থ করে পরীক্ষার খাতায় উগড়ে দিতে পারলে বাঁচি। কিন্তু আফসোস, পড়াশোনার ইচ্ছার সাথে পাল্লা দিয়ে পড়া মুখস্থ করার ক্ষমতা কমছে ধীরে ধীরে। সেটা বুঝলাম পরীক্ষা দিতে বসে। প্রশ্ন কমন নিয়ে প্রস্তুতি নিলে যেটা হয়, ‘কমন পাইলে কোপাও আর না পাইলে কোপ খাও’, আজকে কমন পেয়েও কোপানোর ধারে কাছে যেতে পারলাম না। উৎসাহ নিয়ে একেকটা প্রশ্ন উত্তর করা শুরু করি,

বিস্তারিত»

একুশে বইমে্লাতে প্রকাশিত সিসিবি এর লেখক হেলাল মুহাম্মদ এর লেখা ‘হৃদয়ের রাজপথে’ থেকে দুটি কবিতা

সিসিবি ব্লগের লেখক হেলাল মুহাম্মদ (সিলেট ক্যাডেট কলেজ এর ক্যাডেট, বাংলাদশ সেনাবাহিনীর সাবেক মেজর) এর কবিতার বই ‘হৃদয়ের রাজপথে’ একুশে বইমেলাতে ‘পাঠসুত্র প্রকাশনী (স্টল নং- ৩০৭)’থেকে প্রকাশিত হয়েছে।

আমাদের  পাঠকদের জন্যে ‘হৃদয়ের রাজপথে’ থেকে দুটি কবিতা দেয়া হলঃ
“মোগাদিসু থেকে বলছি”

 

এক মুঠো ভাত…

সাকুল্যে এক মুষ্টি খাদ্য চাই

এক বোতল পানি…

এক কোটি সোমালীয় বসে আছি বুভুক্ষায়,

বিস্তারিত»

ছোটগল্প : স্বপ্ন, ভালোবাসা অথবা যাপিত জীবনের গল্প

একটি রোমান্টিক গল্প লিখবার জন্য গল্পটি শুরু হয়। গল্পের শুরু বাছাইয়ে সমস্যা হয়। যাপিত জীবন থেকে কেটে নেওয়া কোন সময়ের থেকে তার শুরু। রোমান্টিক হবার প্রয়োজনেই গল্পের শুরুতে তাই স্বপ্নের পিছে ছুটে চলা কোন মানবকে দেখা যায়। তারপরে আপন শিরোনামেই গল্পের পরিসর বাড়ে খণ্ড খণ্ড দৃশ্য কল্প দিয়ে।

স্বপ্নের হাতছানিতে ছুটে চলা

নগরীর বুকে যখন রাত গভীর হয়, সময়কে যখন ক্ষণিকের জন্য স্থবির মনে হয়,

বিস্তারিত»