মুঠোফোনের কবিতা – ২৩ ও ২৪

২৩
বৃষ্টি আমায় ডেকেছিল;বিষাদ পার্বণে,
সবটুকু তার লুকিয়ে রেখে;নয়ন গহনে।
পুড়িয়েছিল স্বপ্ন যত;নীরব প্রত্যাখ্যানে,
আজো পোড়ায় বৃষ্টি আমায়;
স্মৃতির দহনে।।

২৪
বিজনে বসিয়া; ভাবি আনমনে,
উতলা হাওয়ায়; শুধাই জনে জনে,
আমারে কী হায় রাখিবে স্মরণে?
জনম গেল তাহার বিহনে,
জুড়াইবে কী এ জ্বালা একক মরণে?
না কী পোড়াইবে জনম জনমে!

বিস্তারিত»

আমাদের বাবা

ছিঁচকাঁদুনে বলতে যা বোঝায় আমি হুবহু ওইরকম। মাঝে মাঝে আমি নিজের উপর ই মহা বিরক্ত। ছোটবেলায় নাকি কাঁদতে কাঁদতে হেঁচকি উঠে একবার মরতে বসেছিলাম দম আটকে। সেই থেকে আমার বাপ মা হাজার অপরাধ করলেও আমাকে একটু প্রয়োজনের বেশি ই ছাড় দিত। ফলাফল হচ্ছে এখনকার একগুঁয়ে আমি । বাড়িতে লাটসাহেবের মত আরামের জীবন ছেড়ে  ক্যাডেট কলেজে যাওয়ার বিন্দুমাত্র ইচ্ছা আমার ছিলনা। তাও যখন আমাকে ভুলিয়ে ভালিয়ে কলেজে পাঠাইল,

বিস্তারিত»

আরশী নগরের পড়শী

আমি নিয়মিত ভারতীয় ক্যাডবেরি খাই, আর আমার ঐ যে, ওকেও কিনে দেই। আমি ভারতীয় টাইটানের ফাস্টট্র্যাকের ঘড়িও পড়ি, সুন্দরী মেয়েরা যাতে আমার দিকে ছুটে ছুটে আসে সে আশায় আমি ভারতীয় বডি স্প্রেও ব্যবহার করি। কিন্তু আমার সমস্যা অন্যখানে।

আমাদের বাড়ির পাশের আরশী নগরের পড়শী রাষ্ট্র অখাদ্য স্বাদহীন চাল, ডাল, পিয়াজ, রশুন, সুস্বাদু ফেন্সিডিল আর বর্ডারের বিএসেফ এর গুলি ছাড়াও আরো কিছু সংকৃতি পাঠাচ্ছে।

বিস্তারিত»

স্মৃতির পাতায় বিটিভি : প্রসঙ্গ বিদেশি সিরিয়াল

সময়টা আশির দশকের শেষ দিকে অথবা নব্বই দশকের শুরুতে। সেই সময়টা মনের পাতায় এলেই শান্ত সৌম্যভাব কাজ করে। তখন শহরের ধূলোবালি হয়তো কম ছিলো এখনকার চেয়ে। নাগরিক যান্ত্রিকতায় ছেয়ে যাওয়া এই শহরের বুকে হয়তো একটু বেশি প্রাণের স্পন্দন ছিলো। সেই সময়ের শিশুদের শৈশবে হয়তো শান্ত নীরবতার স্থান এখনকার চেয়ে একটু বেশি। দুপুর শেষ করে বিকেলের ছুটোছুটি কিংবা নিরর্থক ক্রীড়ার আয়োজনও ছিলো তখন বেশি। আর বিকেল শেষে সন্ধ্যার আগে অথবা দুপুর শেষে বিকালের আগে টেলিভিশনের পর্দায় কার্টুনের আনাগোনাও তখনকার সময়ের এই আমার জীবনের একটা অংশ হয়ে গিয়েছিলো।

বিস্তারিত»

তেলেপোকারা ফিরে আসে!

একটা  গুরুত্ব পূর্ণ  সরকারী অফিসে বসে আছি। সাড়ে বারটায় এপয়েনমেনট ছিল, এখন  দুপুর ২.৩০ । হয়ত দুপুরের খাবারের পর ডাক পরবে। শীততাপ নিয়ন্ত্রিত অভ্যর্থনা কক্ষে বসে আফিস-অধিপতিদের নাম এবং সময়কালের ক্রম তালিকা পড়তে পড়তে এক জায়গায় এসে বার বার হোঁচট খাচ্ছিলাম ,”মতিউর রহমান নিজামি”, মাননীয় শিল্প মন্ত্রী।

সত্যি সেল্যুকাস কি বিচিত্র এদেশ !

তরুন নবাব সিরাজ বা খুদিরাম যেমন বলে গিয়েছিলেন,

বিস্তারিত»

জীবনের ওপারে আকাশগঙ্গা…..

মৃত্যু- যখন আসার কথা তখনই আসবে। সময়মতোই এসে হাজির হবে-
উদার কপাটে-
থামানো যাবে না তাকে কোনমতে।

ক্ষয়রোগ বাসা বেঁধেছে- চলে যেতে কীটস এর পথে। শরীরটা শেষ ঝাকুনি দিয়ে
থেমে যাবে অবশেষে- চির দুখী বিদায়ে।
ভাবতেই পারি না কোনভাবে- নাহ! মানতেই পারি না যে!

এই আলোর মতো জীবনটা, এই চৈত্রের হলকা হলকা হাওয়ার মতো জীবনটা
আমার- নাই হয়ে যাবে একেবারে!

বিস্তারিত»

অস্থিরতা

ভালোবাসা-
অস্থির ভাবনার কী স্বস্তিময় এক ঠিকানা!
অনুভূতি, অনুরণন,অনোনুমেয় প্রকম্পন,
অবাধ্য আচরন- কতই না অসাধারন ক্ষন
ক্ষনস্থায়ী, আটপ্রৌড়ে, আর দশটা দিনের মত নয়।
তামাশা দর্শনের উদ্দেশ্যহীন দিনের শেষে,
অমূল্য হৃদয় বিকোনোয় লোকসানের ভয় আর
মোহকে ছিন্ন করা স্থির সেই দৃষ্টি,
কেমনে ভুলিব আমি,
আকাংক্ষাহীন, নিশ্চুপ বাক্যপূর্ণ, গভীর সাগর।
কতই না নিরাপদ, বিশ্বস্ত, অটল পর্বত।
তবু অস্বস্তি মনে,

বিস্তারিত»

আর্থ আওয়ার( ধরিত্রী উদ্ধার)

শনিবার ছিল। হাফ ডে। তাই কিছু একটা করবার লোভ সামলাইতে পারছিলাম না। আর যদি সেটা হয় ধরিত্রী উদ্ধার তাহলে তো কথাই নাই।
সন্ধ্যা সাড়ে আট থেকে সাড়ে নয় পর্যন্ত ধরিত্রী উদ্ধার করে ফিরে আসলাম। এক ঘণ্টা রুমে সব বিদ্যুৎ বন্ধ রেখেছি কম কি?
উৎসব ছিল হেরমিটেজ প্রাঙ্গনে। বিশাল এক চত্তর। ক্যামেরা ভালো না আমার,তবু সবার সাথে শেয়ার করতে চাই

সব শেষে একটা বিষয়,হয়ত অনেকেই জানেন।

বিস্তারিত»

আমি কেন ব্লগে লেখালেখি কমালাম?

[প্রাককথনঃ ‘সদালাপ’ নামে একটা ব্লগের উদ্দেশ্যে মূলত এই প্রবন্ধটা লেখা। তবে বিনে পয়সায় উপদেশ বিতরণের মজ্জাগত খাসলতের ওপরে কোনোক্রমেই উঠতে সক্ষম না হওয়ায় শেষমেশ সিসিবিতেও লেখাটা পাঠালাম। লেখাটা সিসিবির অধিকাংশ লেখার বা আলাপচারিতার ধারার সাথে খুব একটা সংগতিপূর্ণ না হলেও লেখার সার্বিক মেসেজটা হয়ত কারো কারো কিঞ্চিত উপকারে লাগতেও পারে, বিশেষ করে সিসিবির যেসব সদস্যরা ধর্ম নিয়ে অন্যান্য ব্লগে লেখালেখি করেন, তাদের।

আরেকটা কথা।

বিস্তারিত»

প্রতিবিম্ব

এই তো সেদিন রাতে,
চারপাশের কোলাহল যখন আরেকটি ভোরের প্রতীক্ষায়
রাতজাগা তারা রা আলো জ্বেলে ক্লান্ত
ঠিক তখন মুখোমুখি হয়েছিলাম একটি ছায়ার।

প্রথমে ভেবেছি স্বপ্ন বুঝি,
আশৈশব কল্পনার কোন এক অস্পৃশ্য চরিত্র
বুঝি নেমে এসেছে স্বর্গ থেকে মর্ত্যে ।

ভেবেছিলাম হাত বাড়ালেই হয়ত বা  অধরা,
ভালো করে চোখ মেলে তাকিয়ে দেখি-
ছায়া টা দাঁড়িয়ে আছে ঠায়
ভুতুড়ে গল্পের মত……

বিস্তারিত»

লিখছি নয়, পড়ছি

বিভিন্ন ব্যাস্ততায় লেখা হয়ে ওঠেনি বেশ কিছুদিন। তবে সময় পেলেই ব্লগে ঢু মেরে গেছি, অন্তত মন্তব্যগুলো মিস না করার চেষ্টা করেছি। সময় যেটুকু পাচ্ছি পড়ে পার করছি।

হুমায়ুন আজাদ এর বইগুলো আবার পড়ছি। বাংলাদেশে থাকলে একই অনুভূতি (বই পড়ার) হতো কিনা বলতে পারছি না। এই বিদেশের মাটিতে ব’সে, বিশেষ ক’রে এই স্বাধীনতার মাসে ছাপ্পানো হাজার বর্গমাইল পড়ার অনুভূতি কিছুটা আলাদা বৈকি।

বিস্তারিত»

বৃষ্টি শেষের গান

লেখার শুরুতেই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের তৃতীয় ব্যাচের ক্যাডেট, মুক্তিযোদ্ধা লেঃ কর্নেল(অবঃ) খায়রুল আলম বেলাল ভাইকে। ভাইয়া অশেষ ধন্যবাদ,এই সময়ের একজনকে সেই সময়ে নিয়ে যাবার জন্য।

আমার মা’র কথা

মা’র জন্য আমাকে প্রায়ই বিব্রত হতে হয়। বিশ্বাস করুন প্রায়ই হতে হয়। বিশেষ করে ছুটি শেষে কলেজে ফেরার সময়। মা আমাকে বিদায় দিতে রেলষ্টেশন পর্যন্ত চলে আসেন । আমি সব সময়ই চাইতাম- বিদায় পর্বটা অন্তত বাড়িতেই শেষ হোক।

বিস্তারিত»

জীবনের টুকরো – দেশবিদেশে (পূবের মানুষ যখন পশ্চিমে – ৩)

বাংগালিরা নাকি খুব সমালোচনাপ্রবণ। আমার কাছে এক্ষেত্রে পশ্চিমাদের খুব একটা ধোয়া তুলসী পাতা বলে মনে হয় না। সমালোচনা পৃথিবীর সব জায়গাতেই হয়। বরং আমি বলব পশ্চিমে পাবলিক ফিগারদের যে রকম চুলচেরা বিশ্লেষন এবং জবাবদিহিতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়, পূবে সেরকমটা হয় না বললেই চলে। এর একটা উকৃষ্ট উদাহরণ হিসেবে দুই প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের কথা ধরা যাক। একজন পশ্চিমের বিল ক্লিনটন আর আমাদের এরশাদ।

বিস্তারিত»

স্বাধীনতাযুদ্ধে ভিনদেশী বন্ধুরা

১৯৭১.
২৬৬ দিন।
তিরিশ লক্ষ জীবন। যেখানে হিসাব করলে দাঁড়ায় প্রতি মিনিটে প্রায় ৮ টি প্রাণ। অগণিত মা- বোনের সম্ভ্রম আর শত- সহস্র মানবিকতা বিরোধী অপরাধের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি পাঁচ বর্ণের একটি শব্দ  “ বাংলাদেশ”। আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধে বাংলা মায়ের দামাল ছেলেদের অবদান অনস্বীকার্য কিন্তু বহির্বিশ্বে অনেক বন্ধু ছিল যারা এই বাংলা মায়ের জন্য যুদ্ধে নেমেছিল। তবে তাঁদের যুদ্ধটা ছিল একটু ভিন্ন। তাঁদের যুদ্ধ ছিল এই ছোট্ট ব-দ্বীপটাতে সত্যিকার অর্থে কি ঘটছে তা বিশ্ববাসীকে অবগত করা।

বিস্তারিত»