গল্পের নাম নেই……

সেদিন ক্যাফেতে আমিন ভাই(pcc 24) এর সাথে দেখা; বললেন, “ABCX( Association of BUETian Ex- Cadets) এর ম্যাগাজিন বেরোচ্ছে, কিছু লিখলে আমার কাছে দিও; ছাপা হওয়ার ১০০% গ্যা্রান্টি সহকারে জমা নিচ্ছি”। বললাম, “ইনশা আল্লাহ, দেখি কী করি”।

রাতে বসেছি class test এর জন্য পড়তে। হঠাৎ মনে হল কিছু লেখা দরকার।

বেশ কিছু দিন আগের একটি দৃশ্য মনে পড়লো। টিউশনিতে যাচ্ছিলাম বাসে করে।

বিস্তারিত»

ইকোনমিস্ট-আমার দেশের অপপ্রচারণা : ষড়যন্ত্রের নতুন ফ্রন্ট (প্রসঙ্গঃ ICT হ্যাকিং)

বাংলাদেশের চলমান আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল শুরু থেকেই নানা ধরণের শত্রুর মোকাবেলা করে কাজ করছে। দেশে এবং বিদেশে, মিডিয়ায় অথবা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ফোরামে বিরামহীনভাবে চলছে অপপ্রচারণা, ট্রাইবুনালের ইমেজ ধ্বংস করার চেষ্টা, ট্রাইবুনালের কাজকে ব্যাহত করার অপচেষ্টা। আমরা দেখেছি বহির্বিশ্বে টবি ক্যাডম্যানের মতো লোকেরা কীভাবে ট্রাইবুনাল সম্পর্কে মিথ্যাচার করে বেড়িয়েছে, দেখেছি আলি আলগামদির মতো মিডিয়াবাজেরা সৌদি আরব সহ বিভিন্ন দেশের পত্র-পত্রিকায় বাংলাদেশ এবং ট্রাইবুনাল সম্পর্কে ভ্রান্ত ধারণা ছড়িয়েছে,

বিস্তারিত»

আমার অ্যাথলেট জীবন


আমি কখনই নিবেদিতপ্রাণ অ্যাথলেট ছিলাম না, ছিলাম না কোন দুর্দান্ত দৌড়বিদ, লম্ফবিদ, নিক্ষেপকারীও। তাই লেখাটার নাম “আমার অ্যাথলেট জীবন” না হয়ে “আমার দর্শক জীবন” হলেই বোধহয় নামকরণের সার্থকতা প্রকাশ পেত।

অতীতের কোন এক ক্লান্ত বিকেলে প্রিফেক্ট/জে.পি.-র চাপে পড়ে একদল ক্লাস সেভেনের দিক-বিদিগ্‌জ্ঞানশুণ্য দৌড়ে (যেটাকে ইংরেজীতে HITS বলে) প্রথম সারিতে না থাকতে পারার দরুন আমি কোনদিন স্প্রিন্টার হতে পারলাম না!

বিস্তারিত»

অন্তরালে ১

১) পরদিন সকালে অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতা শুরু হবে। সকালের প্যারেড শেষে কলেজের প্রত্যেকটি ক্যাডেট খুব ব্যস্ত। যারা অ্যাথলেট তারা নিজের ইভেন্ট নিয়ে ব্যস্ত। ক্লাস টুয়েলভ হাউস চ্যাম্পিয়নশিপের জটিল সমীকরণের সহজতম সমাধান ও তার বিকল্প খোঁজা নিয়ে ব্যস্ত। ইলেভেন আসন্ন জুনিয়র প্রিফেক্টশিপ আর নিজের সম্ভাবনা নিয়ে নানান বাস্তব-অবাস্তব কল্পনায় ব্যস্ত। হাউস টেন্টের আড়ালে কিংবা পোল-ভল্টের প্রকাণ্ড ফোমে শুয়ে বসে টেস্ট পেপার হাতে ‘অবজেক্টিভ সলভ’ করায় ব্যস্ত এস এস সি ক্যান্ডিডেটরা।

বিস্তারিত»

বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ দিন

 

বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ দিন
————– ডঃ রমিত আজাদ

দিনটিকে মেঘাচ্ছন্ন বা রৌদ্রজ্জ্বল কোনটাই বলা যাবেনা,
একটু উষ্ণ অথচ মৃদু বাতাস বইছে
আর আমরা একদল তরুণ-তরুণী
অনেকটাই বিমর্ষ চোখে দাঁড়িয়ে আছি
প্রাচীন চিত্রকরদের আঁকা ছবির মত
বিশ্ববিদ্যালয়ের দালানের সামনে,
সবুজ চত্বরের অপূর্ব দৃশ্যপটে।

এই জ্ঞানের তীর্থস্থানে আমাদের সময় শেষ,

বিস্তারিত»

দশ পয়সার আইসক্রীম

দশ পয়সার আইসক্রীম
————ডঃ রমিত আজাদ

(উৎসর্গঃ যার কায়া হয়েছে মৃত্তিকা ও মহাকালের অংশ, যার আত্মা ফিরে গিয়েছে তাঁর স্রষ্ঠার কাছে, সেই আমার শ্রদ্ধেয় দাদীমা-কে)

গভীর রাতের স্বপ্ন ভেঙে ডুকরে কেদে উঠি
চঞ্চলা হাওয়ার মায়াবী মেঘ স্বপ্ন হয়ে
গুন্জন তোলে এক শৈশব ফাগুনের কাব্য
স্মৃতির জলপ্রপাতের তুমুল জলরাশির ভেতর হারিয়ে যাই
ফেলে আসা জীবনের অথৈ স্রোতে

আমি তখন স্কুলে যেতে শুরু করেছি
স্কুলের গুরুত্ব বুঝিনা
শুধু বুঝি,

বিস্তারিত»

তোমাদের জন্য লেখা।

বাংলাদেশ ক্রিকেটের অধিকাংশ বাজে দিনের সাথের আমার মন্দ ভাগ্যের চিরায়ত সম্পর্ক। পরিস্কার করে বললে, যেখানে আমি থাকি সেখানে বাংলাদেশ থাকে না, তারা নিচে চলে যায়। হাস্যকরভাবে হেরে যায়। মাঠ হয়ে যায় এক অসহায় আত্মসমর্পণ মঞ্চ। হাতের কাছে থাকা ম্যাচটা বাংলাদেশ দল ছুঁয়ে আসতে পারে না।

বৈপরীত্যের এই সম্পর্কটা কবে থেকে শুরু হয়েছে, সেটা ভাবতে গেলে ২০০৪ সালে ফিরে যেতে হয়। নিউজিল্যান্ড বাংলাদেশের ওয়ান ডে সিরিজ চলছে।

বিস্তারিত»

রাসচন্দ্র-রাতে

এসো, চলে এসো আজকের শিশিরচাঁদে। একা একা স্নান করো পূর্ণিমা জলে ।
কুয়াশায় ভিজে ভিজে, ভরা চাঁদে ডুবে ডুবে, নেমে এসো জোছনা তলে।

১০৪ শরীর পোঁড়ানো তাপে, আলোক বন্যায় বসে, একরাশ বিষাদ শ্বাস-
তারপর মারা যেও চন্দ্রাঘাতে।
ঢলে পড়ো, ঢলে পড়ো, এই মধু-কষ্ট-রাতে।

এসো-না থাক, সবকিছু থেমে থাক-
একা যাক-চলে যাক কিছুখণ, একা যাকনা জীবন, হোক কষ্টের নিরূপন এই জোছনাতলে।

বিস্তারিত»

প্রবাস জীবনের ভালো লাগা টুকরো অনুভূতি কিংবা সময়ের গল্প

এক

এক এক করে দিন পার হয়। ল্যাপি ছাড়া কোন ঘড়ি না ব্যবহার না করায় ঘড়ির কাটার টিকটিক শব্দে সময়ের এগিয়ে যাওয়া টের পাই না। তবে প্রতিদিনের শুরুতে আমার ঘরের জানালা দিয়ে দেখা দূরের পাহাড়ের রঙ বদল কিংবা বরফ-রোদের পালাবদল সঙ্গোপনে জানান দিয়ে যায় সময়ের পরিক্রমাকে। এক দুই তিন করে মোটামুটি ভাবে ছাব্বিশটি মাস পার হয়ে গেছে। সময়ের ব্যাপ্তির বিশালত্ব কতটুকু তা বিষয়ভেদে ভিন্ন হতে পারে,

বিস্তারিত»

কুয়াশার দেশে, উৎসবের শেষে

শীতকাল সময়টা আমার খুব অপছন্দের ছিল ক্যাডেট কোচিং এর কারনে। ভোর সাড়ে পাঁচটায় ঘুম থেকে উঠে যখন শীতে কাঁপতে কাঁপতে পড়তে যেতাম, সদ্য শেখা সমস্ত গালি মনে মনে বাবা মায়ের উপর ঝাড়তাম। আমার শীতবিরক্তি কেটে গেল ক্লাস সেভেনে থাকতে। এসিস্ট্যান্ট হাউস প্রিফেক্ট তাহসিন ভাইয়ের বক্তব্য ছিল হাউসে কোন “পোল্ট্রি” ক্যাডেট থাকবে না। সেই সুবাদে দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী প্রতিদিন পিটিতে ১৫ টা পুশআপ দিয়ে পার পেয়ে গেলেও সপ্তম,

বিস্তারিত»

লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১১

 

লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১১

রমিত আজাদ

Listening to the Wind of Change

 

রমনার সবুজ বুকে দাঁড়িয়ে চারদিকটাকে ছবির মত সুন্দর মনে হলো হঠাৎ। পায়ের নীচে ঘন সবুজ ঘাঁসে ছাওয়া তেপান্তর, ছোট-বড় হরেক রকমের সবুজ গাছে আচ্ছন্ন হয়ে যাওয়া চতুর্দিক, তাদের কোন কোনটাতে ভাবী সন্তানের আগমনের ইঙ্গিত, অর্থাৎ ফুটে আছে মন কাড়া সব নানা রঙের ফুলের শোভা,

বিস্তারিত»

বাংলার গ্রাম

প্রতি ঈদে অপেক্ষায় থাকি কবে গ্রামে যাব
প্রানভরে মাঠে দাড়িয়ে সতেজ বাতাস খাব।
চোখজুড়ে দেখব আমি গ্রামবাংলার সবুজ,
গ্রামে যাওয়ার জন্য তাই মনটা আমার অবুঝ।

বুক ভরে ঘ্রান নেব সরিষা ক্ষেতে যেয়ে
আমি নদীর ওপাড়ে যাব ছোট ডিঙ্গি বেয়ে।
কখনো বা হারিয়ে যাব ধান ক্ষেতের মাঝে,
গ্রাম ঘুরে নগ্ন পায়ে ফিরব ঘরে সাঁঝে।

নদিতে নেমে সাঁতার কাটব আরও ধরব মাছ
খালে আমি শাপলা তুলবো লুঙ্গি দিয়ে কাছ।

বিস্তারিত»

অন্যরকম ডায়েরী

কলেজে থাকতে ডায়েরী লেখার অভ্যাস অনেকেরই থাকে, আমারও ছিল। তবে কখনোই নিয়মিত হতে পারিনি। একবার-দুবার নয়, চার-চারবার ডায়েরী লেখা শুরু করি। প্রথমটা ক্লাস সেভেনে। দ্বিতীয়টা মনে নেই, তৃতীয়টা ক্লাস নাইন-এর শেষ থেকে এস.এস.সি. পর্যন্ত। শেষবার ক্লাস টুয়েলভে।

প্রথমটায় ছিল ক্লাস সেভেন-এর এক বাচ্চা ক্যাডেট-এর সুখ(!)-দুঃখের কথা। এমনকি কোন সিনিয়রের কাছে কি পানিশমেন্ট খেয়েছি, পরিমাণসহ লেখা! তৃতীয়টা কিছুটা পরিপক্ক। তবে তৃতীয়টায় আর গতানুগতিক থাকতে ভালো লাগলো না,

বিস্তারিত»

টুকরো টুকরো কাব্য

//

জীবনের পথে কতকিছু ঘটে, মানুষেরা বোঝে ভুল,

ছোট ফুসকুড়ি, তবু যেন তা-ই মনে হয় নাকফুল।

বিশ্বাস ভাঙে, বিশ্বাস গড়ে, ভাঙে না যে সখ্যতা,

জীবনের পথে চলতে চলতে হতে পারে মূর্খতা।

অপরাধ করে অপরাধী যদি পোড়ে শোকানল তাপে,

ক্ষমা হয়ে যায়, যদি বা একটু বিচারক চোখ কাঁপে।

//

//

জানি একদিন যেতে হবে চলে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে,

বিস্তারিত»

অরন্যের একটি দিন এবং একটি রাত্রি…





ওপেনিং শট।
লিংক রোডের মাথায় স্থানীয় বাজারে তখন লোক সমাগম একেবারেই নেই বললেই চলে।
রাস্তার পাশে চা’র স্টলে কোন ক্রেতা নেই। দোকানদার বসে গোছগাছ করছে ঝাপি তুলবার জন্য।
ক্যামেরা ডানে প্যান করে মসজিদের বাইরে এসে স্থির হবে-
গ্রামের মসজিদে তখনো তারাবী নামাজ চলছিল।
কাট করে – শুভ’র গাড়ি।

বিস্তারিত»