ক্ষিপ্ত নদীর ক্লান্ত দুটি পাড়,
নগর কার্নিশে থিতিয়ে পরা আঁধার।
একলা ডেকে ঘুমিয়ে পরা ডাহুক,
অদৃশ্য রাখাল জোরসে হানে চাবুক।
কাল দেহ;তারচে কাল পেছন,
থকথকে ঘায় নীল মাছি ভনভন।
থেমে যাওয়া টোনাটুনির গল্প,
কষে টানি এগোয় যদি অল্প।
বেঁচে থাকাই নাপাক কহেন কেহ,
নিকোটিনে শুদ্ধ করি দেহ।
আঙুল ফাঁকে ঘুমায় ক্লান্ত আগুন,
হোঁচট খাওয়া অন্ধ সবাই দেখুন।
স্বপ্নের দোষ
লেখার স্থান, কাল,পাত্র সবই কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে মিলে গেলেও যেতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে লেখক দায়ী নয়।
কিছু একটা মাথার মধ্যে জটলা পেকে আছে হাযম সাহেবের, আস্বাভাবিক ভাবে ঘুম ভেঙ্গে গছে।বাইরে আলো ফুটতে শুরু করেছে কেবল।অনেক দিন ধরেই এই ভোর হওয়া দেখছেন, একটা সময় খুব ভাল লাগত। এখন আর ভাল লাগে না। ভাল লাগাটা চলে গেছে ’৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর থেকে। এর আগে পাকিস্তানের সূর্যোদয় দেখতেন তিনি,
বিস্তারিত»রাজশাহীতে AMEC এর কম্বল বিতরণ
গতকাল রাজশাহীতে হয়ে গেলো Association of Mymensingh Excadets(AMEC) এর কম্বল বিতরণ । AMEC এর পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণীতে ছিলেন জিনাত শামা আপা (০২-০৮) , তাসনুভা আপা (০২-০৮), শফিকা মনি ( ০৩-০৯), তাসনিম মিতু (০৪-১০),সিফাত (০৪-১০), সাদিয়া আরজু (০৪-১০)।
উনাদের সহযোগিতায় ছিলেন কবির ভাই(প ক ক, ৮৯-৯৫), জামিল ভাই(প ক ক, ৯৬-০২), মুকতাদির( ম ক ক, ০৫-১১), প্রিয়াঙ্কা( জ গ ক ক, ০৫-১১)এবং আমি।
বিস্তারিত»স্মৃতিতে নির্মল সেন
স্মৃতিতে নির্মল সেন
————- ডঃ রমিত আজাদ

নির্মল সেন নামটির সাথে পরিচিত প্রায় জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই । নির্মল সেনকে ব্যাক্তিগতভাবে দেখার ও কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। তিনি আমার ফুপা মরহুম মোজাম্মেল হক-এর পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনের শিষ্য ছিলেন। দেশবিভাগের পর নির্মল সেনের পুরো পরিবার ভারতে চলে গেলে, তিনি যখন দ্বিধায় পড়েছিলেন ভারত চলে যাবেন কি দেশে থাকবেন,
বিস্তারিত»যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং তুরস্কের মামাবাড়ির আবদার
২০০৯ সালে তুরস্ক সরকারের স্কলারশিপ পেয়ে তুরস্কে আসা। এর পর দেখতে দেখতে কখন যে তিনটা বছর কেটে গেলো টেরই পেলাম না।গত তিন বছরে অনেক নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে,চোখের সামনেই ঘটে গেছে অনেক আজব আজব ঘটনা।সেই ঘটনাগুলো লিখতে বসিনি কারণ এটি কোন দিনপঞ্জিকা নয়।আমার এই লেখার বিষয়বস্তু হলো তুরস্কের রাষ্ট্রপতি আব্দুল্লাহ গুল এর লেখা একটি চিঠি।এতদিনে হয়তো সবাই জানেন সেই চিঠির কথা।যেই চিঠিতে গুল সাহেব গোলাম আযম কে ফাঁসি না দেয়ার আবদার করেছেন।এই আবদারকে আমার মামাবাড়ির আবদার বলেই মনে হয়।তার চিঠির পর আবার একদল টার্কিশ নাগরিক ‘’অন অ্যারাইভাল’’ ভিসার সুযোগ নিয়ে তাদের লম্বা নাকগুলো গলিয়ে এসেছে বাংলাদেশে।
বিস্তারিত»মিউজক ব্লগ-৬: গ্রামি এওয়ার্ড ২০১৩ অনুষ্ঠানের টিকেট বিনামুল্যে জিতে নিন!
আসন্ন ফেব্রুয়ারী ১০ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে গানের জগতের সেরা পুরস্কার গ্রামি এওয়ার্ডস ২০১৩।
কিন্তু এর আগে হয়ে গেল নোমিনেশন বা মনোনয়ন। ৫৫তম এই অনুষ্ঠানটি সাজাতে অনেক কিছুই করা হচ্ছে।
যেমন রেকর্ডিং একাডেমি (এটা গ্র্যামি ফাউন্ডেশন ও মিউজিকেয়ার নামের সংস্থা মিলিয়ে একটা চ্যারিটি আর ডিস্ট্রিবিউসন করার কোম্পানিও বটে) বের করতে যাচ্ছে মনোনীতদের নিয়ে একটি গানের সিডি।
বিস্তারিত»ডায়রি
ডায়রি
১৫ডিসেম্বার ২০১২
সবাই বলে –আমি না’কি ঠিক আমার বাবার মত।সেই নাক,সেই চোখ,সেই চেহারা।আমি আবার এত কিছু বুঝি না।জমজ ভাইবোনদের ভেতরই আমি মিল পাই না,আর তো বাপ-ছেলে!কিন্তু বাবার সাথে আমার মিল আছে।স্বভাবের মিল,অভ্যাসের মিল; তাও আবার যে-সে অভ্যাস ন্য।ডায়রি লেখার অভ্যাসের মিল।বাবা প্রচুর ডায়রি লিখতেন যেই অভ্যাস পৈতৃক সূত্রে আমার পাওয়া।বাবা সেগুলো রেখেও গেছেন আমার জন্য,কিন্তু সেগুলো পড়া বারন আমার।বাবা না’কি ফুফুকে বলে গিয়েছিলেন ২০ বছর হবার আগে যেন কোনভাবেই সেইগুলো আমাকে পড়তে দেওয়া না হয়।না আমার বাবা কোথাও ঘুরতে যান নি,আমাদের ছেড়ে পালিয়েও যাননি।উনি আর নেই।ঢাকা ভার্সিটির টিচার ছিলেন,
“Eating Haram Getting Fat”
ফেসবুকের এক্স-ক্যাডেট ফোরামে Megamind Habib এর দেয়া পোস্ট টা ছিল
{ “যে ছেলের হাতের লেখা খারাপ তার চরিত্র খারাপ আর যে ছেলে বাংলা বানান জানেনা তার রক্তে বিষ! ” – কিরণ কুমার মণ্ডল স্যার ! 😀 😀 😀 }
তার নিচে সবার কমেন্টস থেকে কয়েকটা ঘটনা এক করে একটা পোস্ট বানাইয়া ফেলসি। যে যেটা লিখছে নাম সহ দিয়া দিছি।
বিস্তারিত»দুঃস্বপ্ন
সবইতো সরলরেখা ছিল
অথচ প্রতিনিয়ত কত কি ভাবি ;
চারদিকে অসভ্যতার মাত্রা বেড়েই চলেছে
মাঝে মাঝে নিজেকেও অসভ্য বোধ হয়
কখনো কখনো মনে হয় আমি বোধ হয় মানুষ নই।
মানুষ হলে
শকুনের যৌনাঙ্গ খুবলে খাওয়ার গল্প
কিভাবে এতো নিরুত্তাপ হয়ে শুনি ?
মসজিদ মন্দির আর গির্জায় একাকার সমাজ
তারপরেও প্রশ্ন জাগে
প্রভাতে কেন দেখি শিরোনাম
হিংস্র পিশাচ মানুষ যম
ছিঁড়ে ছিঁড়ে খাচ্ছে প্রকৃতির সবচেয়ে সুন্দরতম ।
আমার পঞ্চসত্ত্বা
আমার পাঁচটি ইন্দ্রিয় বহুদিন ধরেই অক্ষম
আমার দৃষ্টি,আমার শ্রবণ,আমার স্পর্শ,
আমার স্বাদ,আমার ঘ্রাণেরা সহস্র শতাব্দী ধরে বিমর্ষ।
যেদিন আমায় প্রথম কবিতা শুনিয়েছিলে
সেদিন থেকেই আমি বধির। তারপর কত তানসেনের গান,
রবিশঙ্করের সেতার,টিনের চালে বৃষ্টি,চুড়ির টুং টাং।কেউই
কাঁপাতে পারেনি আমার বধির কানের পর্দা।
একবার তোমার কাঁধে পড়ে থাকা নাতিদীর্ঘ ভেজা চুলে
নাক ডুবিয়েছিলাম।তারপর কি যে হলো আমার ?
নির্বাসনের কবিতা
১.
তেতুল বনে উঠবে জোছনা
তিতলী তুমি থাকবে কি?
মধ্য রাতে দূরের পথে হাতটি ধরে হাঁটবে কি?
নিঃসীম রাতের নিরবতায় একটি কথা বলবে কি?
ছন্নছাড়া বিষন্নতায় মনের সাথে চলবে কি?
জোছনা থাকে মুখ লুকিয়ে চাঁদের চোখে দেখো
তিতলী তুমি অন্য আকাশ,
আমায় পাশে রেখো
২.
মানবী তোমার মুখে ঢেলে দেব বিষ
মানবী ঈশারায় দাও যদি শিস
মানবী তোমার খুনে রাঙাবো এ হাত
মানবী তোমার মনে হোক বজ্রপাত
মানবী তোমাকে চাওয়া সুবিশাল পাপ
মানবী তোমাকে তাই দেই অভিশাপ
মানবী হবেনা সুখী,কেঁদে যাবে বেলা
মানবী আমাকে যদি করো অবহেলা
মানবী তোমার মন ভেঙে যাক ঝরে
আশ্রয় খুঁজবে তখন আমার ই ঘরে.
মেরেই যাবে? মরেই যাবে?
মানব সভ্যতায় মানুষের হাতে মানুষ হত্যা; সে হোক ধনে, মানে, প্রানে, সচেতনে বা অবচেতনে, সভ্যতার সমপরিমান প্রাচীনত্বের দাবীদার। তবে কালে কালে এর ধরন, প্রকাশ ও ভংগী বদলেছে। এই যে যেমন আজকাল এক নারী ডেকে নিয়ে যায় আরেক নারীকে শ্বাপদে ভরা অন্ধকূপে। এই যে যেমন বন্ধু ডেকে নিয়ে ছাদে ওঠায় আরেক বন্ধুকে- অনেক উপর থেকে ফেলে দেবে বলে। ছাত্র বই ছেড়ে ধরা অস্ত্রে কেড়ে নেয় আরেক ছাত্রের জ্ঞানের দ্যুতি।
বিস্তারিত»ভালবাসি ৫৫
(গত ২০ ডিসেম্বর ছিল আমাদের পাসিং আউট প্যারেডের ছয় বছর পূর্তি।বন্ধু তোদের অনেক মিস করছি)
BMA তে জয়েন করেছিলাম ১১ জানুয়ারি,২০০৫ –দিনটা সবসময় খেয়াল থাকেনা।তবে ঘটনাগুলা ভালই মনে আছে।এয়ারপোরট রেল স্টেশন থেকে পারিবারিক বিদায়।সম্ভবত শারেক আমাদের একটা বিশাল গ্রুপের জন্য কয়েকটা বগি ম্যানেজ করেছিল।আমার ঠিক খেয়াল নাই-অনেক ভায়া হয়ে টাকা জমা দিয়েছিলাম কিনা।সেদিন শৈত্যপ্রবাহ ছিল-তার পরও জার্নিটা খারাপ লাগেনি।জীবনের প্রথম ট্রেন জার্নি বলে কথা।তাও আবার A REAL JOURNEY TO HELL………।
বিস্তারিত»স্বপ্ন বদল
একে একে প্রায় সবার নাম, স্কুল আর লক্ষ্য জানা গেল। সমাজে আদৃত কোন পেশাই বাদ পড়ল না এবং সেই সাথে দেশের জন্য জীবন উৎসর্গ করার অঙ্গীকারও সুস্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হোল । বড় শহরের নামজাদা স্কুল থেকে মফস্বল বা গণ্ডগ্রামের অপরিচিত স্কুলের কিশোরদের স্বপ্নিল চোখের ঝিলিক দেখে ফর্ম মাস্টার আপ্লুত। এমন স্বপ্নময় পরিবেশেও আমি ঘামতে শুরু করলাম। ধীরে ধীরে আমার পালা এগিয়ে আসছে, আতংকে আমার গলা শুকিয়ে আসছে।
বিস্তারিত»তারুণ্যের প্রচেষ্টাকে যারা স্বাগত জানাত চান, তাদেরকে স্বাগতম ( বইমেলার জন্য লেখা আহ্বান)
একটি লিটল ম্যাক’এর জন্য কিছু থিম বেইজড কবিতা, ছড়া, অনুকাব্য, ছোটগল্প (ওয়ার্ড লিমিট সর্বোচ্চ ৮০০-১২০০), রম্য, প্রবন্ধ-নিবন্ধ (সর্বোচ্চ শব্দসীমা ৮০০-১৫০০), সাহিত্য পর্যালোচনা, প্রভৃতি লেখা আহ্বান করা হচ্ছে। এসব লেখা দিয়েই সাজানো হবে প্রথম সংখ্যা। বইমেলা থেকেই যাত্রা শুরু। ১৫ জানুয়ারীর ভিতরে মেইল করে লেখা পাঠাতে পারেন। লেখা পাঠাবার ঠিকানা, paglaraza@gmail.com. ব্যক্তিগত যোগাযোগ- আলীম হায়দার, ০১৭১৭-৫২২২০৬।
ইচ্ছুক এবং আগ্রহী ব্যক্তিরা লেখা দিবেন আশা করি।
বিস্তারিত»