আমি একবার দুঃখ ভুলে বসন্তের ফুল পেতে চাই

আমি একবার দুঃখ ভুলে বসন্তের ফুল পেতে চাই
——————- ডঃ রমিত আজাদ

কাল ছিল শীতের শেষ রাত,
আলোহারা রজনীর নিঝুম নিস্তদ্ধতা,
আজ বসন্তের প্রথম দিন,
ফুলের সৌরভের মাতামাতি, কোকিলের গান।
সৌভাগ্যক্রমে এটিই তোমার জন্মদিন।

কেমন আছ তুমি?
খুব জানতে ইচ্ছা করে আমার।
তুমি কি সুখে আছ?
নাকি আমার মতোই কষ্টে কাটে দিন?

বিস্তারিত»

ভোরের আলো

আমি দুঃস্বপ্ন দেখে চিৎকার করতাম
রক্ত মাখা শরীর , ছিন্ন বসন
বোবা চোখের চাহনি,
আমার ঘুম হয়নি হাজারো রাত
রক্ত মাখা শরীর , ছিন্ন বসন
বোবা চোখের চাহনি,
আমাকে তাড়া করে ফেরে।

আমি রাস্তাই হাঁটতাম ভীত হয়ে
আমার চারপাশে পিশাচের দল পতাকা নিয়া উল্লাস করে,
আমি ঘরে বন্দি ছিলাম।

আমি চিৎকার করে বলতে পারিনা
ওরা আমার কণ্ঠ চেপে ধরে
আমি কথা বলা ভুলে গেছিলাম।

বিস্তারিত»

শাহবাগ সংহতি প্রবাসে

ঢাকায় যুদ্ধাপরাধের রায়ের প্রতিবাদে শাহবাগ প্রজন্ম আন্দোলন শুরু হয় ৫ই ফেব্রয়ারি থেকে। মুহূর্তেই এই উত্তাল গণজাগরণের ঢেউ দেশের সীমানা পেরিয়ে পৃথিবীর যেখানে যত বাংলাদেশি আছে সবাইকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। উত্তেজিত এবং উচ্ছ্বসিত করেছে। আমরা যারা এই মূহূর্তে দেশান্তরি শাহবাগের ডাক তাদেরকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। সময়ের ডাক। সবাই শুরু থেকেই অর্ন্তজালে খবর সংগ্রহ, মতামত গঠন, এবং নানাভাবে সম্পৃক্ত ছিল। প্রবাসেও সম্মিলিতভাবে কিছু করার তাগিদ অনুভব করছিল।

বিস্তারিত»

হঠাৎ দেখা

প্রিজনের ভ্যানে হঠাৎ দেখা
ভাবিনি সম্ভব হবে কোনদিন।

ওয়াজে ওকে বারবার দেখেছি
লালরঙের দাড়িতে
মেন্দির রঙে রাঙা
আজ পরেছে যমটুপি
ফাঁস এটেছে গলায়
কাঁঠালপাতার কচি ঘ্রাণ সারা মুখটি ঘিরে
মনে হলো, কালো রঙের একটা গভীর কুয়োয়
নেয়া হচ্ছে ওকে,
যে কুয়োর পাড়ে মঞ্চ অপেক্ষমান,
রজ্জু দোলে হাওয়ায়
চমকে গেলো আমার ভেতরটা;
চেনা পাঁঠাকে শুঁকলুম আনকোরা বোঁটকা গন্ধে।

বিস্তারিত»

প্রসঙ্গঃ শাহবাগ চত্বর

প্রশ্ন জাগে শুধুমাত্র একটি অসম্ভব খারাপ মানুষের অথবা কিছু খুব খারাপ মানুষের প্রস্থান কি এই জাতির ভাগ্যে পরিবর্তন আনতে পারবে কিংবা মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যে বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিল এই জাতি, সে দেশ কি আমরা দেখতে পারবো?আমি বলি পারবো যদি আমরা আমাদের এই গণজাগরণকে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে ছড়িয়ে দিতে পারি। আজ এই আন্দোলনে দুর্নীতিমুক্ত একটি দেশ আমারা চাইতেই পারি আর এই ধরনের চাওয়ার মধ্য দিয়ে সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিফলন আমাদের মধ্যে জাগ্রত হবে।

বিস্তারিত»

ডায়েরি প্রেমী শিক্ষক ও কতিপয় ক্যাডেট

কলেজে নতুন টিচার এসেছেন । তিনি নাকি আবার কোন কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপল স্যারের পুত্র। এসব নিয়ে কারো মাথা ব্যাথা ছিলোনা। কিন্তুু মাথাব্যথা বেড়ে গেলো যখন জানা গেলো স্যারের অভ্যাস ক্যাডেটদের ডায়েরি পড়া। একে তো ব্যক্তিগত ডায়েরি, তার উপর ক্যাডেটের ডায়েরি, সেটাও আবার সিভিলিয়ান হয়ে! পুরো কলেজের মাথায় আগুন ধরে গেলো। শিক্ষা দিতে হবে উনাকে!

প্রথম পরিকল্পনা, ক্লাসের যে পার্টি ডায়েরি লিখত,তারা ডায়েরি আনা বন্ধ করে দিল প্রেপ টাইমে।

বিস্তারিত»

মৃত ব্যাক্তিদের জন্য……

যারা এখনো এই শাহবাগ : প্রজন্ম চত্ত্বর এ আসার মধ্যে কোন লাভ খুজে পাচ্ছেন না (এবং অফিসে যেতে একটু দেরী হচ্ছে বলে যারা আমাদের এই তারুন্যের জাগরন কে গালাগালি করছেন ) তাদের বলছি, ৭১ এ যখন আমাদের পূর্বপুরুষেরা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল তাদেরও কোন ব্যাক্তিগত লাভ ছিল না। তারা যুদ্ধ করার জন্য কোন বেতন পেতনা। নিজের কাজ বাদ দিয়ে, সব ছেড়েছুড়ে শুধু মাত্র একটা স্বাধীন দেশের স্বপ্নের জন্য জীবন বাজী রেখে তারা যুদ্ধ করেছিল।

বিস্তারিত»

শ্লোগান মশাল

নিঃশেষ না হলেও স্বপ্নগুলো দিন-দিন সংকুচিত আর বিবর্ণ হয়েছে অনেক।শরীর ও আচরন থেকে পিছু হটে তারুন্য এখন বাস করে বুকের খুউব গভীরে; সচরাচর তাকে ঘাটাই না। কিন্ত শাহবাগের গগন-বিদারী শ্লোগান সেখান পর্যন্ত পৌছে গেছে।

বিশ বছর আগে পিজি হাসপাতালের কেবিনে পৃথিবির সবচেয়ে প্রিয় মানুষটির শিয়রে বসে নির্বোধ আশাবাদী হয়ে যখন তার সুস্থতার স্বপ্ন দেখতাম, তখন আমি টিন-এজার।ডাক্তারদের নিরাশা সত্য হয়েছিল; মা চলে গিয়েছিলেন।ফ্যাকালটিতে যাবার পথে কিংবা কোন কাজে শাহাবাগ ক্রস করার সময় বাস কর্মীদের ‘শাহবাগ’ ‘শাহবাগ’চিৎকার আমার সেই শোক-কে জাগ্রত করেছে বারবার……।

বিস্তারিত»

বর্ণমালার আর্তি

‘ঘ’ ছিটকে পালালো ঘাসের সঙ্গী হবে বলে,
জ্যামুক্ত ছুটে গেলো তৃণের মূর্ধণ্য ণ
‘আমি কি ভুলিতে পারি’ কণ্ঠে তুলে
নিয়েছে “আ’-কার —
করজোড়ে ঋ-ফলা এসেছে কাছে
অনুনয়ে বলেছে
‘ঘৃণা’ শব্দেরও যোগ্য নয়
কোন রাজাকার।

(গতকালের ফেসবুক স্ট্যাটাস)

বিস্তারিত»

শাহবাগ শাহবাগ!

মোড় ঘুরতেই জ্বলজ্বলে চোখে এ কে?
ভড়কে গেছি তার ডোরাকাটা বেশ দেখে।
মৃদু হেসে বলেছে টাইগার,
‘ডরাস ক্যান, নস তো রাজাকার,
বেজন্মাদের টুঁটি ছিঁড়বো বলে
এবেলা রাজপথে এলাম চলে;
ততক্ষণ বিনিদ্র বসে থাক
রুদ্র আর বিস্ফোরিত শাহবাগ
ততক্ষণ ঠহল দিতে যাক
বাংলার যত দুর্বীনিত বাঘ’।

(দু’দিন আগের ফেসবুক স্ট্যাটাস)

বিস্তারিত»

একটি সাময়িক পোষ্ট

এক ফোটাও বাড়িয়ে বলছি না।
অন্য যেকোন প্রতিবাদের চাইতে আমাদের প্রতিবাদ ছিলো একেবারেই ভিন্ন।
প্রথমেই গর্ভস্রাবেরা দখল করে নেয় স্মৃতি সৌধ, আমাদের শহীদ মিনার; আমরা তখনো পৌঁছাইওনি লন্ডনের আফতাব আলী পার্কে।
এরপর ওরা পার্কের মাঝের সড়কটি দখলে নেয় সেই সাথে শহীদ মিনার সংলগ্ন স্থানসমূহ।
আমাদের পেছনে ওরা আরেকটি লাইন করে দাঁড়ায়।
আমাদের বামে দাঁড়ায়।
আমাদের ডানে দাঁড়ায়।
বিশ্বাস করেন ভাই সে এক অভাবনীয় অবস্থা।

বিস্তারিত»

কাক-কবি-চিল

১.

অতঃপর ভোর হবে,
আমি হাততালি দিয়ে বলবো,”পায়রা ওড়ো!”
তুমি চা আনতে আনতে বারান্দার রকে বসে একবার দেখবো
ডিগবাজী খেতে খেতে নেমে আসছে আমাদের প্রিয় গিরিবাজ
আমিও বৃদ্ধ হবো একদিন,যেমন তুমিও…আমাদের ধূসর চুলে
হাত রেখে সময়ের ওল বুনে যাবে,
রঙচঙে সুয়েটার গায়ে আমাদের সন্তানেরা রোদ্দুরে দাঁড়াবে
শুধু ভাঁড়ার ঘরের খোলে পড়ে থাকবে পুরোনো মেসেজ,
আর আজকের মতই দুরত্ব- ২৯৩ মাইল মাত্র
আর ইঁদুরের থেকে বেঁচে যাওয়া ৩৩ হাজার ইনবক্স!

বিস্তারিত»

তোমার হাতটা ধরতে দেবে তো?

আজ ভোরের সূর্যটা দেখেছিলে নিশ্চয়ই?

শীতবুড়ির কুয়াশার চাদরের আড়াল থেকে বেড়িয়ে কেমন রঙ্গিন হয়ে উঠেছিলো!

কিন্তু সেই রাঙা রোদ নয়, তোমার রাতজাগা চোখের তারায় ঝিকমিকিয়ে উঠা

দেশপ্রেম আর চেতনা আমার ঘুম ভাঙিয়েছে আজ!

ভোরের প্রথম আলোকরশ্মি মেখে মিটমিটিয়ে হাসছিল জড়াজড়ি করে দাঁড়ানো

রংধনু রঙ ডালিয়া, গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকারা-

কিন্তু তোমাদের তুলির আঁচড়ে জ্বলজ্বল করতে থাকা প্রাণের বর্ণমালা যখন

ব্যানার,

বিস্তারিত»