আমরা যারা শৈশব এবং কৈশোরের সন্ধিকালে স্বৈরাচার থেকে গণতন্ত্রে উত্তরণের নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থান দেখেছি তাদের অনেক আশার সঞ্চার হয়েছিল নব্বই-উত্তর নতুন দিন নিয়ে অগ্রজদের উচ্ছ্বাস দেখে। আমরা একাত্তর দেখিনি। মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি। শুধু গল্প শুনেছি। বইয়ে পড়েছি। কখনো সিনেমায় দেখেছি। আর বিশেষ দিনে টেলিভিশনে যুদ্ধের ফুটেজ দেখেছি। পরিবার এবং পড়শির কাল নিরবধির স্বপ্নে আচ্ছন্ন থেকেছি। ভীষণভাবে মগ্ন হয়েছিলাম নব্বইয়ের নতুন অজানা দিনের শিহরণে। তখন আর কিছু বুঝি বা না-বুঝি সেটা যে বাংলাদেশের রাজনীতি ইতিহাসে একটা মাইলফলক সেটা বুঝতাম।
বিস্তারিত»“তেলাপোকা কেন উল্টে মরে ”
অনিন্দ্য ইমতিয়াজঃ
চিঠিটা খুলে বার বার দেখি
আরও একবার-
লেখাগুলোর উপর হাত বুলোই,
নিস্প্রান এই লেখাগুলো এত সজীব কেন?
কি মায়ায় এরা আমাকে ডাকে-
বারেবার; জানিনা।
মাঝে মাঝে প্রশ্ন করে
কখনও বা উপদেশ, আবার হঠাৎ হঠাৎ –
খুচরো কিছু ভালোবাসার আবেশ।
খাটের পাশে রাখা গিটারটা তুলে নেই
“টুং টাং” কিছু অচেনা সুর –
বইমেলায় মোস্তফা মামুনের নতুন বই………
আমাদের ব্যাচের ব্লগার বন্ধু ফরিদ অবশ্য ইতোমধ্যে ফেসবুকের প্রতিটি পাতায় পাতায় এঁটে দিয়েছে। আমি ওর টাই কপি করলাম। কি আর করা?
ক্যাডেট কলেজ নিয়ে ক্যাডেট নম্বর ৫৯৫, কলেজ ক্যাপ্টেন, ভাইস প্রিন্সিপাল স্যার ইত্যাদি সাড়া জাগানো বই এর লেখক মোস্তফা মামুন (সি ক ক) ভাই এর এবারের বই মেলায় এসেছে নিচের বইগুলো-
১। লাল শার্ট – অন্বেষা প্রকাশন
২।
কম্পিউটার আর আমরা কিছু সেকেলে
“কি বললি? তুই কম্পিউটার দেখছস?”
অবাক নয়নে আমার গুটি কয়েক বন্ধু আমার দিকে তাকিয়ে আছে। আমি অত্যন্ত গর্বের সাথে বুক ফুলিয়ে বললাম, “হ্যাঁ! বাবা নিয়ে গেছিল স্টেশনে।ওইখানে অফিসে নিয়ে আমাকে কম্পিউটার দেখাইছে। আমি ধরছিও!”
বন্ধুরা অবাক হয়ে মস্ত হা করে আমার হাতখানা টিপে দেখে! আলভী কম্পিউটার ধইরা আসছে! সোজা কথা?
এরপর একেকজনের কৌতূহলী প্রশ্ন,
-কম্পিউটার কি করতেছিল রে?
-মানুষকে টিকিট দিতেছিল।
আমি একবার দুঃখ ভুলে বসন্তের ফুল পেতে চাই
আমি একবার দুঃখ ভুলে বসন্তের ফুল পেতে চাই
——————- ডঃ রমিত আজাদ
কাল ছিল শীতের শেষ রাত,
আলোহারা রজনীর নিঝুম নিস্তদ্ধতা,
আজ বসন্তের প্রথম দিন,
ফুলের সৌরভের মাতামাতি, কোকিলের গান।
সৌভাগ্যক্রমে এটিই তোমার জন্মদিন।
কেমন আছ তুমি?
খুব জানতে ইচ্ছা করে আমার।
তুমি কি সুখে আছ?
নাকি আমার মতোই কষ্টে কাটে দিন?
ভোরের আলো
আমি দুঃস্বপ্ন দেখে চিৎকার করতাম
রক্ত মাখা শরীর , ছিন্ন বসন
বোবা চোখের চাহনি,
আমার ঘুম হয়নি হাজারো রাত
রক্ত মাখা শরীর , ছিন্ন বসন
বোবা চোখের চাহনি,
আমাকে তাড়া করে ফেরে।
আমি রাস্তাই হাঁটতাম ভীত হয়ে
আমার চারপাশে পিশাচের দল পতাকা নিয়া উল্লাস করে,
আমি ঘরে বন্দি ছিলাম।
আমি চিৎকার করে বলতে পারিনা
ওরা আমার কণ্ঠ চেপে ধরে
আমি কথা বলা ভুলে গেছিলাম।
শাহবাগ সংহতি প্রবাসে
ঢাকায় যুদ্ধাপরাধের রায়ের প্রতিবাদে শাহবাগ প্রজন্ম আন্দোলন শুরু হয় ৫ই ফেব্রয়ারি থেকে। মুহূর্তেই এই উত্তাল গণজাগরণের ঢেউ দেশের সীমানা পেরিয়ে পৃথিবীর যেখানে যত বাংলাদেশি আছে সবাইকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। উত্তেজিত এবং উচ্ছ্বসিত করেছে। আমরা যারা এই মূহূর্তে দেশান্তরি শাহবাগের ডাক তাদেরকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। সময়ের ডাক। সবাই শুরু থেকেই অর্ন্তজালে খবর সংগ্রহ, মতামত গঠন, এবং নানাভাবে সম্পৃক্ত ছিল। প্রবাসেও সম্মিলিতভাবে কিছু করার তাগিদ অনুভব করছিল।
বিস্তারিত»হঠাৎ দেখা
প্রিজনের ভ্যানে হঠাৎ দেখা
ভাবিনি সম্ভব হবে কোনদিন।
ওয়াজে ওকে বারবার দেখেছি
লালরঙের দাড়িতে
মেন্দির রঙে রাঙা
আজ পরেছে যমটুপি
ফাঁস এটেছে গলায়
কাঁঠালপাতার কচি ঘ্রাণ সারা মুখটি ঘিরে
মনে হলো, কালো রঙের একটা গভীর কুয়োয়
নেয়া হচ্ছে ওকে,
যে কুয়োর পাড়ে মঞ্চ অপেক্ষমান,
রজ্জু দোলে হাওয়ায়
চমকে গেলো আমার ভেতরটা;
চেনা পাঁঠাকে শুঁকলুম আনকোরা বোঁটকা গন্ধে।
প্রসঙ্গঃ শাহবাগ চত্বর
প্রশ্ন জাগে শুধুমাত্র একটি অসম্ভব খারাপ মানুষের অথবা কিছু খুব খারাপ মানুষের প্রস্থান কি এই জাতির ভাগ্যে পরিবর্তন আনতে পারবে কিংবা মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে যে বাংলাদেশ দেখতে চেয়েছিল এই জাতি, সে দেশ কি আমরা দেখতে পারবো?আমি বলি পারবো যদি আমরা আমাদের এই গণজাগরণকে দেশের প্রতিটি ক্ষেত্রে ছড়িয়ে দিতে পারি। আজ এই আন্দোলনে দুর্নীতিমুক্ত একটি দেশ আমারা চাইতেই পারি আর এই ধরনের চাওয়ার মধ্য দিয়ে সত্যিকারের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতিফলন আমাদের মধ্যে জাগ্রত হবে।
বিস্তারিত»ডায়েরি প্রেমী শিক্ষক ও কতিপয় ক্যাডেট
কলেজে নতুন টিচার এসেছেন । তিনি নাকি আবার কোন কলেজের প্রাক্তন প্রিন্সিপল স্যারের পুত্র। এসব নিয়ে কারো মাথা ব্যাথা ছিলোনা। কিন্তুু মাথাব্যথা বেড়ে গেলো যখন জানা গেলো স্যারের অভ্যাস ক্যাডেটদের ডায়েরি পড়া। একে তো ব্যক্তিগত ডায়েরি, তার উপর ক্যাডেটের ডায়েরি, সেটাও আবার সিভিলিয়ান হয়ে! পুরো কলেজের মাথায় আগুন ধরে গেলো। শিক্ষা দিতে হবে উনাকে!
প্রথম পরিকল্পনা, ক্লাসের যে পার্টি ডায়েরি লিখত,তারা ডায়েরি আনা বন্ধ করে দিল প্রেপ টাইমে।
বিস্তারিত»মৃত ব্যাক্তিদের জন্য……
যারা এখনো এই শাহবাগ : প্রজন্ম চত্ত্বর এ আসার মধ্যে কোন লাভ খুজে পাচ্ছেন না (এবং অফিসে যেতে একটু দেরী হচ্ছে বলে যারা আমাদের এই তারুন্যের জাগরন কে গালাগালি করছেন ) তাদের বলছি, ৭১ এ যখন আমাদের পূর্বপুরুষেরা মুক্তিযুদ্ধে গিয়েছিল তাদেরও কোন ব্যাক্তিগত লাভ ছিল না। তারা যুদ্ধ করার জন্য কোন বেতন পেতনা। নিজের কাজ বাদ দিয়ে, সব ছেড়েছুড়ে শুধু মাত্র একটা স্বাধীন দেশের স্বপ্নের জন্য জীবন বাজী রেখে তারা যুদ্ধ করেছিল।
বিস্তারিত»শ্লোগান মশাল
নিঃশেষ না হলেও স্বপ্নগুলো দিন-দিন সংকুচিত আর বিবর্ণ হয়েছে অনেক।শরীর ও আচরন থেকে পিছু হটে তারুন্য এখন বাস করে বুকের খুউব গভীরে; সচরাচর তাকে ঘাটাই না। কিন্ত শাহবাগের গগন-বিদারী শ্লোগান সেখান পর্যন্ত পৌছে গেছে।
বিশ বছর আগে পিজি হাসপাতালের কেবিনে পৃথিবির সবচেয়ে প্রিয় মানুষটির শিয়রে বসে নির্বোধ আশাবাদী হয়ে যখন তার সুস্থতার স্বপ্ন দেখতাম, তখন আমি টিন-এজার।ডাক্তারদের নিরাশা সত্য হয়েছিল; মা চলে গিয়েছিলেন।ফ্যাকালটিতে যাবার পথে কিংবা কোন কাজে শাহাবাগ ক্রস করার সময় বাস কর্মীদের ‘শাহবাগ’ ‘শাহবাগ’চিৎকার আমার সেই শোক-কে জাগ্রত করেছে বারবার……।
বিস্তারিত»অ
বর্ণমালার আর্তি
‘ঘ’ ছিটকে পালালো ঘাসের সঙ্গী হবে বলে,
জ্যামুক্ত ছুটে গেলো তৃণের মূর্ধণ্য ণ
‘আমি কি ভুলিতে পারি’ কণ্ঠে তুলে
নিয়েছে “আ’-কার —
করজোড়ে ঋ-ফলা এসেছে কাছে
অনুনয়ে বলেছে
‘ঘৃণা’ শব্দেরও যোগ্য নয়
কোন রাজাকার।
(গতকালের ফেসবুক স্ট্যাটাস)
বিস্তারিত»