শাহবাগ শাহবাগ!

মোড় ঘুরতেই জ্বলজ্বলে চোখে এ কে?
ভড়কে গেছি তার ডোরাকাটা বেশ দেখে।
মৃদু হেসে বলেছে টাইগার,
‘ডরাস ক্যান, নস তো রাজাকার,
বেজন্মাদের টুঁটি ছিঁড়বো বলে
এবেলা রাজপথে এলাম চলে;
ততক্ষণ বিনিদ্র বসে থাক
রুদ্র আর বিস্ফোরিত শাহবাগ
ততক্ষণ ঠহল দিতে যাক
বাংলার যত দুর্বীনিত বাঘ’।

(দু’দিন আগের ফেসবুক স্ট্যাটাস)

বিস্তারিত»

একটি সাময়িক পোষ্ট

এক ফোটাও বাড়িয়ে বলছি না।
অন্য যেকোন প্রতিবাদের চাইতে আমাদের প্রতিবাদ ছিলো একেবারেই ভিন্ন।
প্রথমেই গর্ভস্রাবেরা দখল করে নেয় স্মৃতি সৌধ, আমাদের শহীদ মিনার; আমরা তখনো পৌঁছাইওনি লন্ডনের আফতাব আলী পার্কে।
এরপর ওরা পার্কের মাঝের সড়কটি দখলে নেয় সেই সাথে শহীদ মিনার সংলগ্ন স্থানসমূহ।
আমাদের পেছনে ওরা আরেকটি লাইন করে দাঁড়ায়।
আমাদের বামে দাঁড়ায়।
আমাদের ডানে দাঁড়ায়।
বিশ্বাস করেন ভাই সে এক অভাবনীয় অবস্থা।

বিস্তারিত»

কাক-কবি-চিল

১.

অতঃপর ভোর হবে,
আমি হাততালি দিয়ে বলবো,”পায়রা ওড়ো!”
তুমি চা আনতে আনতে বারান্দার রকে বসে একবার দেখবো
ডিগবাজী খেতে খেতে নেমে আসছে আমাদের প্রিয় গিরিবাজ
আমিও বৃদ্ধ হবো একদিন,যেমন তুমিও…আমাদের ধূসর চুলে
হাত রেখে সময়ের ওল বুনে যাবে,
রঙচঙে সুয়েটার গায়ে আমাদের সন্তানেরা রোদ্দুরে দাঁড়াবে
শুধু ভাঁড়ার ঘরের খোলে পড়ে থাকবে পুরোনো মেসেজ,
আর আজকের মতই দুরত্ব- ২৯৩ মাইল মাত্র
আর ইঁদুরের থেকে বেঁচে যাওয়া ৩৩ হাজার ইনবক্স!

বিস্তারিত»

তোমার হাতটা ধরতে দেবে তো?

আজ ভোরের সূর্যটা দেখেছিলে নিশ্চয়ই?

শীতবুড়ির কুয়াশার চাদরের আড়াল থেকে বেড়িয়ে কেমন রঙ্গিন হয়ে উঠেছিলো!

কিন্তু সেই রাঙা রোদ নয়, তোমার রাতজাগা চোখের তারায় ঝিকমিকিয়ে উঠা

দেশপ্রেম আর চেতনা আমার ঘুম ভাঙিয়েছে আজ!

ভোরের প্রথম আলোকরশ্মি মেখে মিটমিটিয়ে হাসছিল জড়াজড়ি করে দাঁড়ানো

রংধনু রঙ ডালিয়া, গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকারা-

কিন্তু তোমাদের তুলির আঁচড়ে জ্বলজ্বল করতে থাকা প্রাণের বর্ণমালা যখন

ব্যানার,

বিস্তারিত»

রাজাকারের ফাঁসী চেয়ে

জেগেছে আজ লাখো প্রাণ; মুক্তির নয়া নিশান।
শাহবাগ, প্রেস ক্লাব, চত্ত্বরে চত্ত্বরে-
জেলা, উপজেলা, শহর ছাপিয়ে সারা দেশ জুড়ে;
আমিও আছি তাদের ভীড়ে।
ভাই, আজ আমি দেশ নিয়ে তর্ক করতে পারব না,
ভাই, আজ আমি ব্যাখ্যা দিতে পারব না;কেন রাজাকারদের ঘৃণা করি ।
মুহুর্মুহু শুনতে চাওয়া আমার প্রিয় কথাগুলো আজ শুনতে পারব না,
ঠাট্টা, চাপা, আড্ডা কিছুই আজ মারতে পারব না,

বিস্তারিত»

আমার ভাষা – আমার ভালোবাসা – পর্ব ১

আমার ভাষা – আমার ভালোবাসা – পর্ব ১
——————————— ডঃ রমিত আজাদ

ভূমিকাংশ

শহীদ মিনারের সাদাকালো ছবি তার নীচে লেখা, ‘আমরা সালামের ভাই, আমরা বরকতের ভাই’। খুব ছোটবেলায় (‘৭৫/’৭৬ সালের কথা বলছি) ফেব্রুয়ারী মাস এলেই দৈনিক সংবাদপত্র ‘দৈনিক বাংলা’-য় একটি কলাম দেখতে পেতাম এই শিরোনামে। আগ্রহ জাগলো মনে, প্রতি ফেব্রুয়ারীতে এই কলাম আসে কেন? কি লেখা আছে এই কলামে?

বিস্তারিত»

বাঁচি অন্যের জন্য

এটা প্রায় দেড় বছর আগের কথা। বারডেম হাসপাতালে গিয়েছিলাম ব্লাড ডোনেট করতে। একজন প্রৌঢ়, বয়স ৭০/৮০ হবে, ডায়াবেটিক। ইঁদুর জাতীয় কোন প্রাণীর কামড় থেকে ইনফেকশন, সেখান থেকে গ্যাংগ্রীন, তাই পা কেটে ফেলতে হবে। ভদ্রলোকের পরিবার-পরিজন সবাই সেখানে উপস্থিত। ছেলে-মেয়ে, তাদের স্বামী-স্ত্রী-সন্তান। সবাই বিহারী। ভাঙ্গা ভাঙ্গা উর্দু, আরও ভাঙ্গা ইংরেজী, এবং তার চেয়েও করুণভাবে ভাঙ্গা বাংলা মিলিয়ে কোন এক ভাষায় তারা আমার সাথে কথা বলছিলেন। যার শতকরা ৯০ ভাগই আমার বোঝার ক্ষমতার বাইরে।

বিস্তারিত»

স্বীকারোক্তি… সহজ স্বীকারোক্তি

বাহ, আজ অনেকদিন পর খুব ভালো অনুভব করছি। প্রচন্ড আত্মবিশ্বাসী মনে হচ্ছে নিজেকে। শিরায় শিরায় আজ আমার খুশির ঢল নেমেছে। মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদন্ড হয়েছে, ফাসি হয়নি। তাই আমার আজ আনন্দিত উদ্বেলিত না হবার কোন কারন নেই। নিজেকে বেশ হালকা লাগছে। সারাটা দিন একটা মুচকি হাসি গালে লাগিয়ে ঘুরছি। সত্যি বলতে কি, এই খুশীর শুরু হয়েছিল বাচ্চুর পলাতক হবার পর থেকেই। ফাসির আদেশ হয়েছে তো কি?

বিস্তারিত»

দাউ দাউ করে জ্বলুক পাপ মোচনের এই খান্ডব দাহন

দাউ দাউ করে জ্বলুক পাপ মোচনের এই খান্ডব দাহন

(৭১ এর হায়েনা, হিংস্র রাজাকারদের ফাঁসি বাস্তবায়নের দাবিতে শাহবাগ মোড়ে দূর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা তরুণ মুক্তিসেনাদের উদ্দেশ্যে, জয় হোক নতুন প্রজন্মের)

কাদের-নিজামী-মুজাহিদ-সাঈদী আর গোলাম আযমদের রক্ত চাই- মৃত্যু চাই
মৃত্যু চাই- বিচার চাই, বিচার চাই- বিচার চাই দাবিতে
চীৎকার করে করে মায়েদের চীৎকার বোনদের চীৎকার-
ক্ষীণ হয়ে আসে সব শহীদের চীৎকার !

বিস্তারিত»

ঋণ শোধের প্রহর

একটা সময় ছিল যখন মুক্তিযোদ্ধাদের মুখ থেকে গল্প শুনতাম তৃষ্ণা ভরা বুক নিয়ে, পাঠ্য বইয়ের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাস পড়তাম জানার জন্য, অবজেক্টিভ প্রশ্ন উত্তর করার জন্য নয়।
জেনেছি, বুঝেছি, শুনেছি। মনে মনে কত ভেবেছি যদি আরেকবার এমন একটা অবস্থায় এসে বাংলাদেশ দাঁড়ায় তবে বুক চিতিয়ে লড়াই করবো।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়টা ছিল গৌরবের আর স্বাধীনতার অপেক্ষায় প্রহর গুনবার। সেই গৌরব আর স্বাধীনতা আমাদের মাটিতে এসেছে,

বিস্তারিত»

রক ক্যাডেট-ক্যাডেট কলেজে ছেলেদের বেড়ে ওঠার কিছু প্রতিচিত্র

ক্যাডেট কলেজের বৈচিত্রময় জীবন এবং কৈশোরের হরেক রকম মানসিক বিকাশের ধরন… ও, একদল কিশোরের বেড়ে ওঠা নিয়েই … রক ক্যাডেট
(জয়তী প্রকাশনী, স্টল নং- ২৮২, অমর ২১শে বইমেলা, ২০১৩)

অন্যরকম জীবনচিত্র নিয়ে নিরব শব্দে অংকিত এই প্রামাণ্য কথন। বিশেষ এক সামাজিক আচারের চলমান ছবিতে- কৈশোরের বিকাশ, মনোবৈকল্য, স্বপ্নস্বাদ আর ইচ্ছেছেদন। ফুঁস করে ভেসে ওঠে- ব্যস্ত জীবনের অদ্ভূত একাকীত্ব, রাত জেগে চুপিচুপি জোছনা পানের আনন্দ,

বিস্তারিত»

বিষন্ন বিরিওজা – ৩

বিষন্ন বিরিওজা – ৩
—————————- ডঃ রমিত আজাদ

(পূর্ব প্রকাশিতের পর থেকে)

বিকাল বেলাটা সাশা আমার রূমে কাটালো। আমরা চা নাস্তা খেয়ে গল্পগুজব করে কাটালাম। এদেশে সামারে বিকালটা ভীষণ লেংদি হয়। দশটার দিকে সূর্য ডুবি ডুবি করল। আমাদের হিসাবে এটাকেই সন্ধ্যা বলতে হয়। সেসময় সাশা বলল, “চল আমার রূমে গিয়ে ডিনারটা সেরে নেই। তাই করলাম।

নিরুদ্বিগ্নভাবেই ভাবেই কেটে গেল বিকাল আর সন্ধ্যাটা।

বিস্তারিত»

মধ্যবিত্ত আমরা

আমাদের মধ্যবিত্ত পরিবার, তাই আমরা এক ঈদে মার্কেটের মোটামুটি সবচেয়ে সুন্দর জামা পড়ি আর আরেক ঈদে আম্মার হাতে বানানো জামা পড়ি। আমাদের মাসের শুরুতে অনেক টাকা ওড়ানো হয় কিন্তু সেই মাসের শেষেই আমাদের পরিবার প্রধান হিসাবের খাতা খুলে ভ্রু কুঁচকে ভাবতে থাকেন কিভাবে বাকি আট দশটা দিন যাবে। আমাদের ইগো এত বেশি যে আমরা আমাদের উচ্চবিত্ত পরিচিতদের কাছ থেকে নিতান্ত ঠেকায় না পড়লে সাহায্য নেই না,

বিস্তারিত»

অপূর্ণতা ( নামটি কিন্তু হতে পারত রেড কার্ড)

অপূর্ণতা ( নামটি কিন্তু হতে পারত রেড কার্ড)
অনিন্দ্য ইমতিয়াজ–

না! হলনা।
এবারও হলনা।
ছুটতে ছুটতে এবারও  তার কাছে পৌছেছিলাম-
কিন্তু কি লাভ ?
তাকে তো পাওয়া হলনা।
তাকে দেখলাম, অনুভব করলাম
এমনকি মাড়িয়ে এলাম – তার ছায়াও
কিন্তু সে এবারও হেসে গেল বিদ্রুপের হাসি।
বিদ্রুপ ! উপহাস !
এগুলোই কি কেবল বরাদ্দ আমার জন্যে ?
হয়ত হ্যাঁ ।
ভাগ্যবিধাতা হয়ত আমায় দেখে শুধুই দীর্ঘশ্বাস ফেলেন…

বিস্তারিত»

খেলাঘর

খেলাঘর
অনিন্দ্য ইমতিয়াজ
(………………………………………… this is dedicated to all cadets of 53rd batch of fcc)

আমি কোন বিতর্ক করতে আসিনি,
আসিনি কোন উপদেশ দিতে
শুধু একটি গল্প বলতে এসেছি,
শুধু একটি গল্প।
নাহ! এ কোন ইতিহাস নয়,
রূপকথা? তাও নয়,
শুধুই গল্প, শুধুই কল্পনা –
“একটা ঘর ছিল, খেলাঘর,
খেলার জন্য কিছু পুতুল, সুতো আরও কত কি!
পুতুলগুলো যেন ঠিক লজ্জাবতীর পাতা,
একে অন্যকে আড়াল করে ফেলত পরম মায়ায়
যেন কেউ ছুঁতে না পারে।

বিস্তারিত»