♥♥♥♥ মেয়েটিকে ভালবেসে ফেলেছি ♥♥♥♥

কি কাজে যেন বাইরে গেলাম ভুলে গিয়েছি। ভুলে যাওয়ার একটা কারনও আছে। কারণটা হচ্ছে আমার গল্পের শিরোনাম। বাহিরে কারেন্ট নাই। বাসা থেকে বের হয়ে একটা মোর ঘুরলাম। ম্যাক্সিমাম বাসায় কোন আলো জ্বলছে না। কিন্তু মনের যখন মিল হয় তখন তারা আর দূরে থাকতে পারে না এর প্রমান আমি আজই পেলাম। একটি বাসায় আলো জ্বলছিল তা আমি দূর থেকেই দেখলাম। একটা সময় আমি হাঁটতে হাঁটতে বাসাটার একদমই কাছে চলে আসলাম।

বিস্তারিত»

মাগো, তুমি না হয়

মাগো, আমরা কাঁদিনা; বৃষ্টি ঝড়াই।
ফোঁটা ফোঁটা অশ্রু ঝরে ঝাঁক ঝাঁক বুলেট হয়ে।
মাথার উপর তপ্ত আকাশটা বারুদের রংয়ে মোড়া।
কাঁধে লাগে রক্তচোষার লোলুপ থাবার ঝাপটা।
ঝর ঝর ঝরে শ্রান্তির ঘাম, তবু মাগো;
আমরা ক্লান্ত নই, চোখ পোড়ে আগুনে।
সেই গনগনে আগুনের পানে আমি চেয়ে থাকি-
অশ্রুভেজা ভীরুতার আবেগী জল নিয়ে নয়,
অক্ষম ঘৃনার বিলাসিতা নিয়ে নয়;

বিস্তারিত»

ঢাকায় থাকি -১

১।
ঢাকা আমায় কখনোই টানতো না। ভয় ভয় করতো, মনে হত ঢাকা যেন একটা রাক্ষস, গিলে ফেলবে, আমি হারিয়ে যাবোই-যাব সেখানে গেলে ।

তাই, ঢাকায় যারা গর্ব নিয়ে বসবাস করতো সেই সময়ে সেই আশির দশকে, তাদের আমার একটুও হিংসে হত না ।

প্রথম ঢাকায় আসি বোধহয় ৮৫ এর দিকে। আব্বা হজে যাবেন, আমরা সবাই দল বেধে আগমনী এক্সপ্রেসে চড়ে ঢাকা এসেছিলাম ।

বিস্তারিত»

জ্বলছে কেন গাজা?

কার দোষে কে পায় সাজা
জ্বলছে কেন গাজা?
কার হুকুমে রক্ত ঝড়ে
মরছে মানুষ তাজা
জ্বলছে কেন গাজা?

চলছে কেন বিমান হামলা
ফুটছে কেন বোমা
কোথায় তোমার শান্তির দূত
বারাক ওবামা

মারতে নেতা হামাস,
বাচ্চা শিশু মরবে কেন
পারলে কারন জানাস

পারলে তুই এবার নাহয়
যুদ্ধটাকে থামাস

ফিলিস্তিনি মরবে কেন
জ্বলবে কেন গাজা?

বিস্তারিত»

ছাতা কাহিনী

আমার বড় আপু আমাকে খুব ভালবাসে। আমি তার থেকে পাঁচ বছরের ছোট। ছোট ভাই হবার মজাই আলাদা। অনেক মজার মজার খাবার খাওয়া যায়। বোন চাকুরী করে, তাই অনেক সুন্দর সুন্দর উপহার পাওয়া যায়। আমার মতে, বাবা-মার আদরের থেকেও বোনের আদর অনেক বেশী। আর সবচেয়ে বড় কথা হল, বড়বোন থাকলে গৃহশিক্ষক থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আগে মা যখন সকালে রান্না-বান্না নিয়ে ব্যস্ত থাকতো, তখন আমার বোন আমাকে স্কুলে পাঠাবার জন্য প্রস্তুত করতো।

বিস্তারিত»

লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ৯

লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ৯

রমিত আজাদ
Listening to the Wind of Change

ভূমিকাংশ

(সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ও পতন পরবর্তী সময়ের উপর ভিত্তি করে একটি ধারাবাহিক উপন্যাস)

যুগে যুগে মানুষ স্বপ্ন দেখেছে আদর্শ সমাজের। সেই আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নানা যুগে মানুষ আঁকড়ে ধরেছে নানা দর্শনকে। ইতিহাসের ধারায় নয়-দশ হাজার বছর পূর্বে গড়ে ওঠা মানব সভ্যতা এ’

বিস্তারিত»

ফেলে আসা

ফেলে আসা জীবনের অবাক বাঁকে,হঠাত এসে থমকে দাড়াই।
ফেলে আসা জীবনের অথৈ স্রোতে, নিজেরে ফিরে পেতে চাই।
তাই ভাবি-
একদিন বুঝি হেটে যাব, আবারো এ পথ ধরে।
একদিন বুঝি বৃষ্টি হবে, আবারো ঝুমঝুমিয়ে।
একদিন বুঝি আমি আবারো ফিরে পাবো, এই আমারে।
ফিরে ফিরে পাবার সেই দিনটির অপেক্ষায়, জেগে আছি প্রতিক্ষণ।
ফিরে ফিরে আসার সেই দিনটি হায়! কোথায়, কেমন,কখন?

বিস্তারিত»

তরমুজ

শৈশবেই ছিঁচকে চুরিতে হাত পাকায়নি এমন ক্যাডেটের সংখ্যা বিরল। যদিও ক্যাডেটদের কাছে এগুলো কখনোই চুরি নয় বরং নিজেদের প্রাপ্য হক আদায় করা। সেভেন/এইটে খুব বেশি সুযোগ না থাকলেও  প্রতিভাবান ছেলেদের কখনোই দাবায়ে রাখা যায়না। আর ক্লাস নাইনে উঠে যাবার পর তো চুরির অঢেল সুযোগ। শুধু চোখ কান খোলা রাখলেই চলে।

আমার সমসাময়িক বেশিরভাগ ক্যাডেটের চুরির হাতেখড়ি পেয়ারা দিয়ে। সেভেনের শিশুরা কথায় কথায় হাসপাতালে ভর্তি হতে পারে( একবার এক জুনিয়রকে  মন ভালো না থাকার কারণে এক সপ্তাহ ভর্তি থাকতে দেখেছিলাম )।

বিস্তারিত»

জন্মদিনের লেখাঃ মাতাল,আমাকে অগ্নিতে ফেলে চুপ বসে থাকে মা নিষাদ

এই রকম কাঞ্চনরাত্রিতে আমার শঙ্খচারিনী মেতে উঠে তুমুল উল্লাসে
ঘুমের ভেতর কেপে কেপে উঠে আমি দেখি আলোকের বর্ণময় মুখ
ঃ ধূলোরাশি!
অতঃপর ধূলোতেই পড়ে থাকে মিলনের দাগ-রক্ত,বীর্য,থুথু,প্রতারণা
আমাকে ছাড়া আর যাকেই দেহ দেবে গোপনে নীল হয়ে উঠবে ক্রমশ
এবং রাত পার হলেই ভোর,তারপর আবার রাত্রি,আবার মিথ্যে,আবার মিলন
নিয়ম মেনে মেনে প্রতারণা,অতীত ঘরে বসে চুমু খাওয়া
থরথর কাঁপতে কাঁপতে সিড়িঘরের সব ধূলো জমা হয় মেঘের গায়ে
লাল-নীল চিঠি সমূহ কাগজের উড়োজাহাজ হয়ে ঢুকে পড়ে অন্য পুরুষের ঘরে
এরপর বুকের বস্ত্র তুলে দিয়ে,অবিস্তত্র চুলগুলো বিন্যাসকরণ
মৃগনাভি,ঈত্বর ইত্যাদি গায়ে মাখা-তারপর চুপিচুপি গোপন প্রেমিকের প্রতি ফিসফিস-
“মাতাল,আমাকে অগ্নিতে ফেলে চুপ বসে থাকে মা নিষাদ!”

বিস্তারিত»

অসমাপ্ত এক চিঠি

[ আজ হুমায়ুন আহমেদ স্যারের জন্মদিন । তাই আজকের ব্লগটা উনাকে উৎসর্গ করতে চাই । স্যারকে খুব সামনা সামনি দেখার ইচ্ছা ছিল । সে ইচ্ছা পুরণ হয়নি বলে বড়ই খারাপ লাগছে । কিন্তু কী আর করা । তবুও স্যারের কাছে একটা চিঠি । হয়তবা এ চিঠিটা স্যার পাবেন না । তবে হয়ত অনেক দূরের সেই দেশ থেকে তিনি হয়তবা এ চিঠিটা দেখবেন । তার খুব নগণ্য এক ভক্তের কিছু পাগলামি ।

বিস্তারিত»

বিবাহ(বার্ষিকী), স্মৃতিচারণ, ও নসিমন (দু)র্ঘটনা – ২

(গত পর্বের পর)

বাসায় ঢুকতেই বিয়ের আমেজ চোখে পড়লো এখানে সেখানে। তবে বেশ ভোর হওয়ায় এখনো পুরোপুরি সরগরম হয়ে উঠেনি। শুরুতেই ইঞ্জিনিয়ারের হাস্যোজ্জ্বল স্বাগতম। দেখে বুঝলাম উনি যারপরনাই আনন্দিত ঢাকা থেকে আমাকে আমদানী করতে পেরে। একটি ঘরে গিয়ে বসলাম। পরিচিত হলাম সাব্বির (সম্ভবত র,ক,ক ২০০১-০৭) ও সুষমার খালাতো/মামাতো/ফুপাতো/চাচাতো (খেয়াল নেই) ভাই রাজিবের সাথে। ওরা তখনো লেপ মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে। কিছুক্ষণের মাঝেই খালাম্মা (ইঞ্জিনিয়ারের মা) এবং অন্যান্য খালারা এসে পরিচিত হলেন।

বিস্তারিত»

বিবাহ(বার্ষিকী), স্মৃতিচারণ, ও নসিমন (দু)র্ঘটনা – ১

মার্কিন মুল্লূকে এসেছি সেই আগস্ট মাসে। এখন পর্যন্ত টাইম জোনের বিশাল পার্থক্যের সাথে মিলিয়ে উঠতে পারি নি। খেই হারিয়ে ফেলি। উদ্দেশ্য ছিলো একটি একটি সুখকর স্মৃতির রোমন্থন করার কিন্তু মন বেশ খারাপ। সকালে উঠেই ফেইসবুকে দেখতে পেলাম ময়মনসিংহের ২০১২ তে পাশ করে যাওয়া একটি মেয়ের ব্রেইন হেমারেজের ঘটনা। জীবনের সাইকেলে প্যাডেল দেয়ার আগেই অনেক অনিশ্চয়তা। ইতমধ্যেই পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর “অতীত ভুলে যাওয়ার” জ্বালাময়ী আহ্বান ও আমাদের অর্থমন্ত্রীর মন্তব্যের স্বেচ্ছাচারী পুতুল খেলা দেখে মন তেতো হয়ে আছে।

বিস্তারিত»

ঘটনাপঞ্জি ২

ক্লাস সেভেনের এক্কেবারে প্রথমদিককার ঘটনা। একজন স্টাফ ছিলেন। নাম তার খোরশেদ। একেবারে প্রথমদিনে তাকে গিয়ে স্যার বলেছিলাম। এবং তিনি বহুত মাইন্ড খাইছিলেন। জীবনে প্রথম দেখসিলাম যে কাউরে স্যার কইলে মাইন্ড খায়। ভাবলাম ও মোর খোদা, কই আইলাম?? যাক গে সে কথা, আসি আসল ঘটনায়। তিনি ছিলেন আমাদের সাবধান স্টাফ। মানে তিনি আমাদের সাবধান হওয়া ছাড়া আর কিছুই শেখান নি। প্রথম দিনে তিনি এসে বলছেন,

বিস্তারিত»

অসুখের অসুখ

আমার হুমায়ুন আহমেদের মতো অসুখবিসুখে চিৎকার করে লোক জড় করতে ভাল্লাগে। বাসায় মা কে কাজ করতে দেইনা, একটু পর পর ডাক দিয়ে রান্নাঘর থেকে নিয়ে আসি।অসুখ সহ্য করতে পারিনা। ছোটবেলায় হতও না। ক্লাসে কতবার গর্ব করে বলেছি আমি সিজারিয়ান বাচ্চা কিন্তু আমার অসুখ হয়না(শোনা কথা _সিজারিয়ান বাচ্চাদের অসুখ বেশি হয়)… এখন তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। ক্লাস এইটের আগে কোনদিন কলেজের হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সুযোগ হয়নি।

বিস্তারিত»

চলুন একটি ঝরে যাওয়ার গল্প বদলে দেই

সেই মেয়েটির গল্প বলি। রাশনা। বাবা মা ডাকে রাশু বলে,আমরা কখনো রাশনা কখনো ওর নামটা একটু পরিবর্তন করে বাসনা। আমাদের কথা শুনেই ওর হাসির বেগ বেড়ে যায়। বন্ধুত্বের দাবী নিয়ে বন্ধুকে অনেক কিছুই বলতে পারি বলা যায়। অনেক সন্ধ্যাবেলা জানালা দিয়ে রাশনা আকাশ দেখতো। ক্যাডেট কলেজের চারদেয়ালের মধ্যে বন্দী হয়ে সীমাহীন মুক্ত আকাশ। কখনো সখনো ওর খুব কাছে চলে যেতাম। পেছন থেকে চোখ চেপে বলতাম,রাশনা একটু তুই হাসনা।

বিস্তারিত»