আমি জানি আজ আমি যে ব্যপারটা নিয়ে লিখব তা অনেক বিতর্কিত একটি বিষয় । তবে বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে এ ব্যপারটা নিয়ে কথা বলাটা আমার নৈতিক দায়িত্ব । আমি এর আগে ও এ ব্যপারটা নিয়ে বেশ কিছু কাছের মানুষের সাথে কথা বলেছি । তবে আমি বিশ্বাস করি ব্যপারটি নিয়ে আরো বড় কোন space এ কথা বলা দরকার । আমি জানি আমার এই লেখাটা আপনাদের সময় উপোযোগী মনে নাও হতে পারে ।
বিস্তারিত»আমার বাবা-বেলা – ৩
[নয়] কানাডার প্রবাসী জীবন অনেক টানাপোড়েন। বেশ কিছুদিন চাকরীর টাকায় দিন আনা দিন খাওয়া চললো। অবশেষে আমেরিকায় একটি চাকরী জুটলো। কানাডার বেতনের তুলনায় অনেক বেশী। গিন্নীর মনটা ভারী। কিন্তু বাচ্চাগুলো কিছু বুঝে উঠতে পারছে না কি ঘটতে চললো। যথারীতি চাকরীতে যোগদিলাম। র্যালী – নর্থ ক্যারোলিনা। টরন্টো থেকে প্রায় সাড়ে আটশো মাইল। আমাকে প্রতিটি উইকএন্ডের রাতে ওদের ফোনে গল্প বলে ঘুম পাড়াতে হতো। মানে ওরা হোম ফোনটা স্পীকার ফোনে দিতো আর আমি গল্প বলে যেতাম।
বিস্তারিত»তবুও…
ইদানিং কি সব কিছু ভুলে যাচ্ছি? তাই হবে হয়তো। এটা যে আমার নিজের বাসা সেটা বুঝতেই বেশ সময় লেগে গেল। আমাকে অফিসে যেতে হবে, দেরি হয়ে যাচ্ছে। ইশশ… কোন টাইটা পরব বুঝতে পারছিনা। আমার কালার কম্বিনেশন এর ধারনা খুবই খারাপ। শার্ট এর সাথে টাই এর ম্যাচিং করতে পারিনা। ওই তো নিতু ডাকছে “খেতে এসো, দেরি হয়ে যাবে তো!” আমি আর দেরি করলামনা। টেবিলে চলে গেলাম।
বিস্তারিত»কান্না ভেজা রক্ত
দাদীর হাত ধরে বসে আছে ওসমান। দাদীর হাতটা কেমন যেন ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা। উত্তাপ নেই। ওসমানের মুখের চামড়া শুকিয়ে টান ধরেছে। গাল বেয়ে গড়িয়ে পড়া চোখের পানি শুকিয়ে কেমন একটা চ্যাট-পেটে অনুভূতি। কপালের কোনার কাটা জায়গাটা থেকে রক্ত পড়া বন্ধ হয়েছে আপনা আপনি। রক্ত জমে লাল থেকে গাঢ় খয়েরী রঙ নিয়েছে। বাম পায়ের বুড়ো আঙ্গুলের নখটাও উল্টে গেছে। তীব্র ব্যথাটা এখন ঝিমিয়ে এসেছে একটু একটু করে।
বিস্তারিত»যুদ্ধের প্রয়োজনে ধর্ম কিংবা ধর্মের প্রয়োজনে যুদ্ধ
সকালে ঘুম ভাঙল ৫ মিনিটের মধ্যে পরপর দুটো টেক্সট মেসেজ এর শব্দে।একটি মেসেজ এসেছে আরাকান(রোহিঙ্গা) মুসলমানদের সাহায্যের জন্য আরেকটি
মেসেজ এসেছে ফিলিস্তিনের মুসলমান ভাইদের সাহায্যের আবেদন নিয়ে। মেসেজগুলোতে বলা হয়েছে কত সহজে আমি মায়ানমার ও ফিলিস্তিনের মুসলমান
ভাইদের সাহায্যে এগিয়ে আসতে পারি। মোবাইলের মেসেজ অপশন এ গিয়ে ARAKAN অথবা FİLİSTİN টাইপ করে নির্দিষ্ট একটা নাম্বারে পাঠালেই আমার
মোবাইল থেকে ৩ ডলারের মতো কেটে নেয়া হবে এবং তা ARAKAN অথবা FİLİSTİN এর মুসলমান ভাইদের জন্য ব্যবহার করা হবে।
লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১০ (ক,খ)
লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১০ (ক,খ)
রমিত আজাদ
Listening to the Wind of Change
লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১০ (ক)
তৈমুর লং-এর মরদেহ উত্তোলনের শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনীটি এক নিশ্বাসে শুনলো সবাই।
ঃ অবিশ্বাস্য (বলল ইমতিয়াজ)
ঃ গায়ে কাটা দিয়ে উঠেছে (বলল মোস্তাহিদ)
ঃ আমার একটা প্রশ্ন আছে (বলল আমীন)
ঃ কি প্রশ্ন বল (বলল রোমান)
ঃ ওটা যে তৈমুর লং-এরই মরদেহ ছিল,
♥♥♥♥ মেয়েটিকে ভালবেসে ফেলেছি ♥♥♥♥
কি কাজে যেন বাইরে গেলাম ভুলে গিয়েছি। ভুলে যাওয়ার একটা কারনও আছে। কারণটা হচ্ছে আমার গল্পের শিরোনাম। বাহিরে কারেন্ট নাই। বাসা থেকে বের হয়ে একটা মোর ঘুরলাম। ম্যাক্সিমাম বাসায় কোন আলো জ্বলছে না। কিন্তু মনের যখন মিল হয় তখন তারা আর দূরে থাকতে পারে না এর প্রমান আমি আজই পেলাম। একটি বাসায় আলো জ্বলছিল তা আমি দূর থেকেই দেখলাম। একটা সময় আমি হাঁটতে হাঁটতে বাসাটার একদমই কাছে চলে আসলাম।
বিস্তারিত»মাগো, তুমি না হয়
মাগো, আমরা কাঁদিনা; বৃষ্টি ঝড়াই।
ফোঁটা ফোঁটা অশ্রু ঝরে ঝাঁক ঝাঁক বুলেট হয়ে।
মাথার উপর তপ্ত আকাশটা বারুদের রংয়ে মোড়া।
কাঁধে লাগে রক্তচোষার লোলুপ থাবার ঝাপটা।
ঝর ঝর ঝরে শ্রান্তির ঘাম, তবু মাগো;
আমরা ক্লান্ত নই, চোখ পোড়ে আগুনে।
সেই গনগনে আগুনের পানে আমি চেয়ে থাকি-
অশ্রুভেজা ভীরুতার আবেগী জল নিয়ে নয়,
অক্ষম ঘৃনার বিলাসিতা নিয়ে নয়;
ঢাকায় থাকি -১
১।
ঢাকা আমায় কখনোই টানতো না। ভয় ভয় করতো, মনে হত ঢাকা যেন একটা রাক্ষস, গিলে ফেলবে, আমি হারিয়ে যাবোই-যাব সেখানে গেলে ।
তাই, ঢাকায় যারা গর্ব নিয়ে বসবাস করতো সেই সময়ে সেই আশির দশকে, তাদের আমার একটুও হিংসে হত না ।
প্রথম ঢাকায় আসি বোধহয় ৮৫ এর দিকে। আব্বা হজে যাবেন, আমরা সবাই দল বেধে আগমনী এক্সপ্রেসে চড়ে ঢাকা এসেছিলাম ।
বিস্তারিত»জ্বলছে কেন গাজা?
কার দোষে কে পায় সাজা
জ্বলছে কেন গাজা?
কার হুকুমে রক্ত ঝড়ে
মরছে মানুষ তাজা
জ্বলছে কেন গাজা?
চলছে কেন বিমান হামলা
ফুটছে কেন বোমা
কোথায় তোমার শান্তির দূত
বারাক ওবামা
মারতে নেতা হামাস,
বাচ্চা শিশু মরবে কেন
পারলে কারন জানাস
পারলে তুই এবার নাহয়
যুদ্ধটাকে থামাস
ফিলিস্তিনি মরবে কেন
জ্বলবে কেন গাজা?
ছাতা কাহিনী
আমার বড় আপু আমাকে খুব ভালবাসে। আমি তার থেকে পাঁচ বছরের ছোট। ছোট ভাই হবার মজাই আলাদা। অনেক মজার মজার খাবার খাওয়া যায়। বোন চাকুরী করে, তাই অনেক সুন্দর সুন্দর উপহার পাওয়া যায়। আমার মতে, বাবা-মার আদরের থেকেও বোনের আদর অনেক বেশী। আর সবচেয়ে বড় কথা হল, বড়বোন থাকলে গৃহশিক্ষক থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আগে মা যখন সকালে রান্না-বান্না নিয়ে ব্যস্ত থাকতো, তখন আমার বোন আমাকে স্কুলে পাঠাবার জন্য প্রস্তুত করতো।
বিস্তারিত»লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ৯
লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ৯
রমিত আজাদ
Listening to the Wind of Change
ভূমিকাংশ
(সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতন ও পতন পরবর্তী সময়ের উপর ভিত্তি করে একটি ধারাবাহিক উপন্যাস)
যুগে যুগে মানুষ স্বপ্ন দেখেছে আদর্শ সমাজের। সেই আদর্শ সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নানা যুগে মানুষ আঁকড়ে ধরেছে নানা দর্শনকে। ইতিহাসের ধারায় নয়-দশ হাজার বছর পূর্বে গড়ে ওঠা মানব সভ্যতা এ’
বিস্তারিত»ফেলে আসা
ফেলে আসা জীবনের অবাক বাঁকে,হঠাত এসে থমকে দাড়াই।
ফেলে আসা জীবনের অথৈ স্রোতে, নিজেরে ফিরে পেতে চাই।
তাই ভাবি-
একদিন বুঝি হেটে যাব, আবারো এ পথ ধরে।
একদিন বুঝি বৃষ্টি হবে, আবারো ঝুমঝুমিয়ে।
একদিন বুঝি আমি আবারো ফিরে পাবো, এই আমারে।
ফিরে ফিরে পাবার সেই দিনটির অপেক্ষায়, জেগে আছি প্রতিক্ষণ।
ফিরে ফিরে আসার সেই দিনটি হায়! কোথায়, কেমন,কখন?
তরমুজ
শৈশবেই ছিঁচকে চুরিতে হাত পাকায়নি এমন ক্যাডেটের সংখ্যা বিরল। যদিও ক্যাডেটদের কাছে এগুলো কখনোই চুরি নয় বরং নিজেদের প্রাপ্য হক আদায় করা। সেভেন/এইটে খুব বেশি সুযোগ না থাকলেও প্রতিভাবান ছেলেদের কখনোই দাবায়ে রাখা যায়না। আর ক্লাস নাইনে উঠে যাবার পর তো চুরির অঢেল সুযোগ। শুধু চোখ কান খোলা রাখলেই চলে।
আমার সমসাময়িক বেশিরভাগ ক্যাডেটের চুরির হাতেখড়ি পেয়ারা দিয়ে। সেভেনের শিশুরা কথায় কথায় হাসপাতালে ভর্তি হতে পারে( একবার এক জুনিয়রকে মন ভালো না থাকার কারণে এক সপ্তাহ ভর্তি থাকতে দেখেছিলাম )।
বিস্তারিত»জন্মদিনের লেখাঃ মাতাল,আমাকে অগ্নিতে ফেলে চুপ বসে থাকে মা নিষাদ
এই রকম কাঞ্চনরাত্রিতে আমার শঙ্খচারিনী মেতে উঠে তুমুল উল্লাসে
ঘুমের ভেতর কেপে কেপে উঠে আমি দেখি আলোকের বর্ণময় মুখ
ঃ ধূলোরাশি!
অতঃপর ধূলোতেই পড়ে থাকে মিলনের দাগ-রক্ত,বীর্য,থুথু,প্রতারণা
আমাকে ছাড়া আর যাকেই দেহ দেবে গোপনে নীল হয়ে উঠবে ক্রমশ
এবং রাত পার হলেই ভোর,তারপর আবার রাত্রি,আবার মিথ্যে,আবার মিলন
নিয়ম মেনে মেনে প্রতারণা,অতীত ঘরে বসে চুমু খাওয়া
থরথর কাঁপতে কাঁপতে সিড়িঘরের সব ধূলো জমা হয় মেঘের গায়ে
লাল-নীল চিঠি সমূহ কাগজের উড়োজাহাজ হয়ে ঢুকে পড়ে অন্য পুরুষের ঘরে
এরপর বুকের বস্ত্র তুলে দিয়ে,অবিস্তত্র চুলগুলো বিন্যাসকরণ
মৃগনাভি,ঈত্বর ইত্যাদি গায়ে মাখা-তারপর চুপিচুপি গোপন প্রেমিকের প্রতি ফিসফিস-
“মাতাল,আমাকে অগ্নিতে ফেলে চুপ বসে থাকে মা নিষাদ!”

