অপূর্ণতা ( নামটি কিন্তু হতে পারত রেড কার্ড)

অপূর্ণতা ( নামটি কিন্তু হতে পারত রেড কার্ড)
অনিন্দ্য ইমতিয়াজ–

না! হলনা।
এবারও হলনা।
ছুটতে ছুটতে এবারও  তার কাছে পৌছেছিলাম-
কিন্তু কি লাভ ?
তাকে তো পাওয়া হলনা।
তাকে দেখলাম, অনুভব করলাম
এমনকি মাড়িয়ে এলাম – তার ছায়াও
কিন্তু সে এবারও হেসে গেল বিদ্রুপের হাসি।
বিদ্রুপ ! উপহাস !
এগুলোই কি কেবল বরাদ্দ আমার জন্যে ?
হয়ত হ্যাঁ ।
ভাগ্যবিধাতা হয়ত আমায় দেখে শুধুই দীর্ঘশ্বাস ফেলেন…

বিস্তারিত»

খেলাঘর

খেলাঘর
অনিন্দ্য ইমতিয়াজ
(………………………………………… this is dedicated to all cadets of 53rd batch of fcc)

আমি কোন বিতর্ক করতে আসিনি,
আসিনি কোন উপদেশ দিতে
শুধু একটি গল্প বলতে এসেছি,
শুধু একটি গল্প।
নাহ! এ কোন ইতিহাস নয়,
রূপকথা? তাও নয়,
শুধুই গল্প, শুধুই কল্পনা –
“একটা ঘর ছিল, খেলাঘর,
খেলার জন্য কিছু পুতুল, সুতো আরও কত কি!
পুতুলগুলো যেন ঠিক লজ্জাবতীর পাতা,
একে অন্যকে আড়াল করে ফেলত পরম মায়ায়
যেন কেউ ছুঁতে না পারে।

বিস্তারিত»

অবশেষে ‘বিতংস’

সিসিবিতে ধারাবাহিকভাবে একটি উপন্যাসটি লিখছিলাম। সেটি গত বছর বই আকারে বের হওয়ার কথা ছিল। শেষ পর্যন্ত তা হয়েছেও। তবে বইমেলাতে নয়। বছরের শেষে ডিসেম্বর মাসে। আগামী প্রকাশনী থেকে। ২০১৩’র বইমেলাতে সে বইটি আগামী প্রকাশনীর স্টলে পাওয়া যাবে। এবার নিশ্চিত হয়েই কথাটি বলছি। কারণ বইটি আমার হাতে এসেছে। আর আগামী প্রকাশনীও তাদের তালিকাতে বইটির নাম উল্লেখ করেছে। গতবার বইমেলাতে উপন্যাসটি বের হবার কথা ছিল বলে অনেকেই আমার কাছে তার খোঁজ জানতে চেয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

গণতন্ত্রের তন্ত্র-মন্ত্র – ২

গণতন্ত্রের তন্ত্র-মন্ত্র – ২
—————- ডঃ রমিত আজাদ

যে গণতন্ত্র সক্রেটিসকে হত্যা করেছে


গণতন্ত্র বর্তমান বিশ্বের সবচাইতে জনপ্রিয় রাজনৈতিক মতাদর্শ বা দর্শন। কি এই গণতন্ত্র, কোথা থেকে এর উদ্ভব, এই দর্শন প্রতিষ্ঠার পিছনে কারা ছিলেন, বিশ্বের অতিত ইতিহাসে গণতন্ত্র কখন কেমন ছিল, কি করে তা রাষ্ট্রযন্ত্রে স্থান পেল, কতটুকু সফল এই রাজনৈতিক মতাদর্শ, এর বিকল্প কিছু আছে কিনা;

বিস্তারিত»

একটি অসমাপ্ত তালিকা

ক্যাডেট কলেজের কিছু জায়গা প্রায়ই মিস করি। শুধু আমি না, আমার ধারণা আরো অনেকেই হয়তো এই জায়গা গুলো কে এখনো ফিল করে। একটা ইনকমপ্লিট লিস্ট বানানোর চেষ্টা করলাম। লিস্টে শুধু আনকনভেনশনাল জায়গা গুলো রাখার চেষ্টা করেছি।

১) টিভি রুম: নতুন করে কিছু বলার নেই। অনেক স্মৃতি এর সাথে জড়িত। বৃহস্পতিবারের মুভি শো , হিন্দি গানের চ্যানেল, ইউরোপিয়ান ফুটবল লিগ .. কত স্মৃতি। জুনিয়র লাইফে নিচে বসে অনেক কষ্ট করে মাথা উচু করে টিভি দেখা আর সিনিয়র লাইফে ২/৩ টা চেয়ার নিয়ে পুরো মহারাজা স্টাইলে টিভি দেখা কোনটাই ভুলবার নয়!

বিস্তারিত»

বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ড : ইসলাম কী বলে

সম্প্রতি বিশ্বজিৎ দাসের হত্যাকান্ড প্রতিটি বিবেকবান মানুষের অন্তরে দাগ কেটে গেছে। প্রকাশ্য দিবালোকে রাজধানী শহরে অসংখ্য চোখ ও ক্যামেরার সামনে একজন বনী আদমকে কুপিয়ে কুপিয়ে মৃত্যুমুখে পতিত করার এ ঘটনাকে হত্যাকান্ড না বলে মানব হত্যার প্রদর্শনী বললেই বেশি মানানসই হবে। এ নৃশংস পৈশাচিক কান্ড ইসলামপূর্ব জাহিলিয়াত তথা অন্ধকার যুগের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

বিশ্বজিৎ দাসকে হত্যা করা হয়েছে প্রায় কয়েক সপ্তাহ হতে চললো (০৯/১২/১২)।

বিস্তারিত»

শিশুদের জিয়া

শিশুদের জিয়া
————– ডঃ রমিত আজাদ

দিনটি ছিল মহান একুশে ফেব্রুয়ারী। শহীদ মিনারের ঠিক উল্টা দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা বাগানে, একটি আড়াই বছরের শিশুকে মালি বা পিওন ধমকা ধমকি করছে, ফুল ধরেছে বলে। বাবা-মা মালিকে বোঝাতে পারছে না। তারপর আমি এগিয়ে গেলাম, “কি হয়েছে, আপনি বাচ্চাটাকে ধমকাচ্ছেন কেন?” বলল, “বাচ্চাটা ফুল ছিড়ছে তাই”। আমি বললাম, “ফুল তো ছিড়ে নাই, ধরেছে মাত্র”। ছোট শিশুটির বাবা বলল,

বিস্তারিত»

এক জন সাধারন ক্রিকেট দর্শক

আমার জীবনে ক্রিকেট কিভাবে এল জানি না। এই দেশের আর সব ছেলেদের মতো একদিন আমিও খেলাটা কোনও ভাবে শিখে গেলাম।প্রথম খেলা দেখার কথা যা মনে পরে তা হল ৯৬ এর বিশ্বকাপ ফাইনাল অস্ট্রেলিয়ার সাথে শ্রীলংকার।আর খেলা দেখার শুরু মোটামুটি ৯৭-৯৮ এরদিকে।প্রথম কোনও দল সাপোর্ট করলাম পাকিস্তান।সেবার পাকিস্তান এর সাথে শ্রীলংকার খেলা হয়েছিলো ঢাকাতে।প্রথম ওয়াসিম আকরাম আর শোয়েব আখতার এর খেলা দেখলাম।ওয়াসিম আকরাম সেই সিরিজে বোল্ড করে স্ট্যাম্প ভেঙ্গেছিল যা আমার তখনকার বালক মনে ব্যাপক দাগ কেটেছিল।এরপরে ৯৮ এ হোল উইলস ইন্টারন্যাসনাল কাপ।এবার হয়ে গেলাম সাউথ আফ্রিকার ভক্ত।

বিস্তারিত»

একটি নিঃস্বার্থ মৃত্যু এবং আমার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ

আমার জীবনের প্রথম লেখা, সত্য একটা ঘটনা দিয়ে শুরু করছি। এখানে কোনোকিছুই কাল্পনিক অথবা অতিরঞ্জিত নয়।
একটি বিষয়ে প্রথমেই বলে রাখা দরকার, বিষয়টি হচ্ছে – লেখার ভিতরে হয়তো অনেক ভুল পাবেন, আশা করি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন। লেখাটি আমার খুব প্রিয় বন্ধু জহির কে নিয়ে।

২১মে, ১৯৯২, চট্টগ্রাম
আমরা ৫৬ জন ১১-১২ বছর বয়সী দুরন্ত ছেলে এক অচেনা জায়গায় একত্রিত হলাম।

বিস্তারিত»

ছড়ে যাওয়া ছড়া

ক্ষিপ্ত নদীর ক্লান্ত দুটি পাড়,
নগর কার্নিশে থিতিয়ে পরা আঁধার।
একলা ডেকে ঘুমিয়ে পরা ডাহুক,
অদৃশ্য রাখাল জোরসে হানে চাবুক।
কাল দেহ;তারচে কাল পেছন,
থকথকে ঘায় নীল মাছি ভনভন।
থেমে যাওয়া টোনাটুনির গল্প,
কষে টানি এগোয় যদি অল্প।
বেঁচে থাকাই নাপাক কহেন কেহ,
নিকোটিনে শুদ্ধ করি দেহ।
আঙুল ফাঁকে ঘুমায় ক্লান্ত আগুন,
হোঁচট খাওয়া অন্ধ সবাই দেখুন।

বিস্তারিত»

স্বপ্নের দোষ

লেখার স্থান, কাল,পাত্র সবই কাল্পনিক। বাস্তবের সাথে মিলে গেলেও যেতে পারে, তবে সেক্ষেত্রে লেখক দায়ী নয়।

কিছু একটা মাথার মধ্যে জটলা পেকে আছে হাযম সাহেবের, আস্বাভাবিক ভাবে ঘুম ভেঙ্গে গছে।বাইরে আলো ফুটতে শুরু করেছে কেবল।অনেক দিন ধরেই এই ভোর হওয়া দেখছেন, একটা সময় খুব ভাল লাগত। এখন আর ভাল লাগে না। ভাল লাগাটা চলে গেছে ’৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর থেকে। এর আগে পাকিস্তানের সূর্যোদয় দেখতেন তিনি,

বিস্তারিত»

রাজশাহীতে AMEC এর কম্বল বিতরণ

গতকাল  রাজশাহীতে হয়ে গেলো  Association of Mymensingh Excadets(AMEC) এর কম্বল বিতরণ । AMEC এর পক্ষ থেকে কম্বল বিতরণীতে ছিলেন জিনাত শামা  আপা (০২-০৮) , তাসনুভা আপা (০২-০৮), শফিকা মনি ( ০৩-০৯), তাসনিম মিতু (০৪-১০),সিফাত (০৪-১০), সাদিয়া আরজু (০৪-১০)।

উনাদের সহযোগিতায় ছিলেন কবির ভাই(প ক ক, ৮৯-৯৫), জামিল ভাই(প ক ক, ৯৬-০২), মুকতাদির( ম ক ক, ০৫-১১), প্রিয়াঙ্কা( জ গ ক ক, ০৫-১১)এবং আমি।

বিস্তারিত»

স্মৃতিতে নির্মল সেন

স্মৃতিতে নির্মল সেন
————- ডঃ রমিত আজাদ

নির্মল সেন নামটির সাথে পরিচিত প্রায় জ্ঞান হওয়ার পর থেকেই ।  নির্মল সেনকে ব্যাক্তিগতভাবে দেখার ও কথা বলার সুযোগ হয়েছিল। তিনি আমার ফুপা মরহুম মোজাম্মেল হক-এর পেশাগত ও রাজনৈতিক জীবনের শিষ্য ছিলেন। দেশবিভাগের পর নির্মল সেনের পুরো পরিবার ভারতে চলে গেলে, তিনি যখন দ্বিধায় পড়েছিলেন ভারত চলে যাবেন কি দেশে থাকবেন,

বিস্তারিত»

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার এবং তুরস্কের মামাবাড়ির আবদার

২০০৯ সালে তুরস্ক সরকারের স্কলারশিপ পেয়ে তুরস্কে আসা। এর পর দেখতে দেখতে কখন যে তিনটা বছর কেটে গেলো টেরই পেলাম না।গত তিন বছরে অনেক নতুন অভিজ্ঞতা হয়েছে,চোখের সামনেই ঘটে গেছে অনেক আজব আজব ঘটনা।সেই ঘটনাগুলো লিখতে বসিনি কারণ এটি কোন দিনপঞ্জিকা নয়।আমার এই লেখার বিষয়বস্তু হলো তুরস্কের রাষ্ট্রপতি আব্দুল্লাহ গুল এর লেখা একটি চিঠি।এতদিনে হয়তো সবাই জানেন সেই চিঠির কথা।যেই চিঠিতে গুল সাহেব গোলাম আযম কে ফাঁসি না দেয়ার আবদার করেছেন।এই আবদারকে আমার মামাবাড়ির আবদার বলেই মনে হয়।তার চিঠির পর আবার একদল টার্কিশ নাগরিক ‘’অন অ্যারাইভাল’’ ভিসার সুযোগ নিয়ে তাদের লম্বা নাকগুলো গলিয়ে এসেছে বাংলাদেশে।

বিস্তারিত»