বাংলার গ্রাম

প্রতি ঈদে অপেক্ষায় থাকি কবে গ্রামে যাব
প্রানভরে মাঠে দাড়িয়ে সতেজ বাতাস খাব।
চোখজুড়ে দেখব আমি গ্রামবাংলার সবুজ,
গ্রামে যাওয়ার জন্য তাই মনটা আমার অবুঝ।

বুক ভরে ঘ্রান নেব সরিষা ক্ষেতে যেয়ে
আমি নদীর ওপাড়ে যাব ছোট ডিঙ্গি বেয়ে।
কখনো বা হারিয়ে যাব ধান ক্ষেতের মাঝে,
গ্রাম ঘুরে নগ্ন পায়ে ফিরব ঘরে সাঁঝে।

নদিতে নেমে সাঁতার কাটব আরও ধরব মাছ
খালে আমি শাপলা তুলবো লুঙ্গি দিয়ে কাছ।

বিস্তারিত»

অন্যরকম ডায়েরী

কলেজে থাকতে ডায়েরী লেখার অভ্যাস অনেকেরই থাকে, আমারও ছিল। তবে কখনোই নিয়মিত হতে পারিনি। একবার-দুবার নয়, চার-চারবার ডায়েরী লেখা শুরু করি। প্রথমটা ক্লাস সেভেনে। দ্বিতীয়টা মনে নেই, তৃতীয়টা ক্লাস নাইন-এর শেষ থেকে এস.এস.সি. পর্যন্ত। শেষবার ক্লাস টুয়েলভে।

প্রথমটায় ছিল ক্লাস সেভেন-এর এক বাচ্চা ক্যাডেট-এর সুখ(!)-দুঃখের কথা। এমনকি কোন সিনিয়রের কাছে কি পানিশমেন্ট খেয়েছি, পরিমাণসহ লেখা! তৃতীয়টা কিছুটা পরিপক্ক। তবে তৃতীয়টায় আর গতানুগতিক থাকতে ভালো লাগলো না,

বিস্তারিত»

টুকরো টুকরো কাব্য

//

জীবনের পথে কতকিছু ঘটে, মানুষেরা বোঝে ভুল,

ছোট ফুসকুড়ি, তবু যেন তা-ই মনে হয় নাকফুল।

বিশ্বাস ভাঙে, বিশ্বাস গড়ে, ভাঙে না যে সখ্যতা,

জীবনের পথে চলতে চলতে হতে পারে মূর্খতা।

অপরাধ করে অপরাধী যদি পোড়ে শোকানল তাপে,

ক্ষমা হয়ে যায়, যদি বা একটু বিচারক চোখ কাঁপে।

//

//

জানি একদিন যেতে হবে চলে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে,

বিস্তারিত»

অরন্যের একটি দিন এবং একটি রাত্রি…





ওপেনিং শট।
লিংক রোডের মাথায় স্থানীয় বাজারে তখন লোক সমাগম একেবারেই নেই বললেই চলে।
রাস্তার পাশে চা’র স্টলে কোন ক্রেতা নেই। দোকানদার বসে গোছগাছ করছে ঝাপি তুলবার জন্য।
ক্যামেরা ডানে প্যান করে মসজিদের বাইরে এসে স্থির হবে-
গ্রামের মসজিদে তখনো তারাবী নামাজ চলছিল।
কাট করে – শুভ’র গাড়ি।

বিস্তারিত»

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সমীপে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আমি যত টুকু জানি আপনি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। তার মানে আপনি ইসলাম ধর্মে বিশ্বাস করেন। ইসলাম ধর্মে “পরকাল” বলে একটা বিষয় আছে। যেটাতে বিশ্বাস না করলে মুসলিম হওয়া যায় না। সেখানে দুনিয়ার সকল কাজের হিসেব দিতে হয়। আমাকে যেমন হিসাব দিতে হবে যে আমার নিরাপরাধ এত গুলা ভাই-বোন মারা গেল তাদের জন্য আমি কি করলাম? আপনাকেও হিসাব দিতে হবে যে, আপনি শপথ করে এই মানুষগুলার দায়িত্ব নিয়েছিলেন,

বিস্তারিত»

আপন কেমনে ভাবি?

আগুনে পোড়ে শরীরখানা, আগুনে পোড়ে হৃদয়।
আগুন ঝরে দুচোখ বেয়ে, আগুন ছড়ায় হৃদয়।
কয়লা হল মানুষগুলো, কি যে অবলীলায়!
কোথায় গেল রক্ষকেরা, হিংস্র-লোলুপ ভক্ষকেরা-
কোথায় গিয়ে মুখ লুকালো বানীপুরুষেরা?
গীর্জাভাংগা আওয়াজ ওঠেনি; ঘন্টাধ্বনিতে,
ঘুম ভাংগানো শাঁখ বাজেনি করুণ বেদনাতে,
আযান, দোয়া যায়নি শোনা কোন মসজিদেতে;
অহিংস সব ভান্তেরা তাই জপে গেছে নীরবতা!
কোথায় গেল এত শত বুদ্ধি,

বিস্তারিত»

লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১০ (গ)

লিস্টনিং টু দ্য উইন্ড অফ চেইঞ্জ ১০ (গ)

ঃ চটপটি একটা মজার খাবার তাইনা? (বেশ মজা করে খেতে খেতে বলল মোস্তাহিদ)
ঃ মজার তো নিঃসন্দেহে। তাই তো সবাই হুমড়ি খেয়ে পরি। তোকে চটপটি নিয়ে একটা মজার ঘটনা বলি। (বললাম আমি)
ঃ বান্ধবিকে নিয়ে চটপটি খেতে এসেছিলি, তারপর কি হয়েছিল তাই বলবি তো। (হাসতে হাসতে বলল আমীন)
ঃ বান্ধবি কোথায় পাবো আবার?

বিস্তারিত»

শীতের সকালে চায়কভ্‌স্কি

একটুকরো কালো মেঘ,
তুলতুলে হাওয়ার পাল –
বেহালা হাতে দাঁড়িয়েছে
বিষণ্ণ সকাল।

উদ্বাহু গাছ ওই
ন্যাড়া ডাল নয়,
যেন শিকড়ে বিঁধেছে
ফ্যাকাশে আকাশ!
বাদামি সব পাতারা
হাওয়ার পায়ে পায়ে
ঝরে গিয়ে সার সার
হাঁসের অবোধ ছানা হয়ে
লাল-সবুজের পরোয়া বিনেই
রাস্তা পেরোয়

কি যেন কি নেই
কি জানি কি নেই!

বিস্তারিত»

ইস্তানবুলের ডায়েরি

সময়কে যদি বহমান এক নদীর সাথে তুলনা করি তাহলে জীবনের ওই দুঃখগুলোকে বলতে হবে বহমান ওই নদীতে ভেসে থাকা ছোট ছোট কচুরিপানা। প্রবাসী জীবনের কেটে যাওয়া ৪ টি বছরে পরিকল্পনার ছকে এসেছে নানা রকমের পরিবর্তন আর জীবন পেয়েছে বাস্তবতাকে মুখোমুখি করে দেখার সুযোগ। পরিচিতি লাভ করেছে সেই সব সংগ্রামী মানুষের যারা হয়তবা ছোট ছোট স্বপ্ন বুকে বেঁধে পাড়ি দিয়েছিল মাতৃভূমিকে ছেড়ে হাজার হাজার মাইলের পথ…দেখেছিল রঙিন এক স্বপ্ন আর যাদের বুকের আশায় ছিল মাতৃভূমিতে ফেলে আসা আত্মীয় স্বজন ও মা বাবা…উন্নয়নশীল দেশের কিছু খেটে খাওয়া মানুষজনের সেই স্বপ্নগুলোকে আমি হয়তবা আমার ডায়রিতে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে আবদ্ধ করতে পারব না কিন্তু হয়তবা আমি পরিচয় করিয়ে দিতে পারব তাদের আশা নিয়ে বেঁচে থাকার সেই সংগ্রামকে…

বিস্তারিত»

গন্ধ

সবকিছুরই একটা গন্ধ আছে_

মানুষের সৃষ্টি গন্ধ;

নাকে আমার লাগছে বড়,

পোড়া লাশের গন্ধ।

সবাই একে-অপরকে দোষ দিয়েছে_

করেছে কেউ চোখ বন্ধ;

সবচেয়ে আমার লাগে বাজে,

নোংরা রাজনীতিরই পঁচা গন্ধ।

মরছে মানুষ, জ্বলছে মানুষ_

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আজ বন্ধ;

দিন-দুপুরের অপরাধী মানুষ,

ভাবছে সবাই অন্ধ।

বিস্তারিত»

ঘটনাবলী-১

বিঃদ্রঃ নিচের প্রতিটি ঘটনার সকল চরিত্র বাস্তব এবং ঘটনা গুলো সত্য। এই ঐতিহাসিক ঘটনা গুলোর বর্ননা শুধু আমার। তাই ঘটনা গুলোর দায়িত্ব নিতে আমি অস্বীকৃতি জানাচ্ছি। শুধু বর্ননার হেরফেরের দায়িত্বটুকু আমার।

ছেলেপেলের কামকাজতো কিছু হয় না খালি অকাম কইরা বেড়ায়, কয়ডা অকামের কাহিনী কই,

১) আমার বাসায় কিছু পোলাপাইন আসছে। সবাই আমার ব্যাচের ক্যাডেট। তো আমাদের তানজিল যখন আমার বাসায় পৌছাইছে যে সময় আমার বাপ আমাদের বর্তমান কাম-কাজ ও আমাদের ভবিষ্যত নিয়ে বিশদ জ্ঞান দিচ্ছিল।

বিস্তারিত»

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল (ICT) বিষয়ক হেগ-এর অধিবেশনে আলোচনা

নেদারল্যান্ডস-এর হেগ শহরে গত ২১ নভেম্বর রোম সংবিধি-এর আওতাধীন ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্ট (আইসিসি)-এর রাষ্ট্রপক্ষসমূহের সম্মেলনের (Assembly of States Parties) অংশ হিসেবে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনাল (আইসিটি)-এর ওপর বিশেষ একটি অধিবেশন আয়োজিত হয়। মূলত দেশীয় আইনের প্রক্রিয়ায় দেশীয় ট্রাইবুনালে আন্তর্জাতিক অপরাধের বিচারের উদাহরণ হিসেবেই আইসিটি বিষয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এই আগ্রহ। এখানে উল্লেখ্য, রোম সংবিধি কেবল এ-ধরনের দেশীয় বিচারের উদ্যোগের অনুমোদনই করে না, উৎসাহিতও করে।

বিস্তারিত»

প্রবাস জীবন ও প্রথম পোস্ট এর সাময়িক উত্তেজনা

১)মাঝে মাঝে ভাবতেই অবাক লাগে। দেখতে দেখতে ছয় মাস কাটিয়ে দিলাম ইউএস এ তে। গত ডিসেম্বর এর সময় শুনলাম একাডেমি তে ১ টা অফার এসেছে  । ১ জন ক্যাডেট নিবে ওরা। চার বছর এর জন্য।  ইউএস নেভাল একাডেমি ! সেই বিখ্যাত আনাপোলিস। এই মুভি টা  দেখে ফাস্ট টার্ম এ মোরাল  নেবার চেষ্টা করেছিলাম। যাই হোক, আমার কি? আমার দরকার কমিশন। ঐটাতে ই  আমি খুশি। আনাপোলিস আমার লাগবে না।

বিস্তারিত»

আমি বাংলায় কথা কই

আমি জানি আজ আমি যে ব্যপারটা নিয়ে লিখব তা অনেক বিতর্কিত একটি বিষয় । তবে বাংলাদেশের একজন নাগরিক হিসেবে এ ব্যপারটা নিয়ে কথা বলাটা আমার নৈতিক দায়িত্ব । আমি এর আগে ও এ ব্যপারটা নিয়ে বেশ কিছু কাছের মানুষের সাথে কথা বলেছি । তবে আমি বিশ্বাস করি ব্যপারটি নিয়ে আরো বড় কোন space এ কথা বলা দরকার । আমি জানি আমার এই লেখাটা আপনাদের সময় উপোযোগী মনে নাও হতে পারে ।

বিস্তারিত»

আমার বাবা-বেলা – ৩

[নয়] কানাডার প্রবাসী জীবন অনেক টানাপোড়েন। বেশ কিছুদিন চাকরীর টাকায় দিন আনা দিন খাওয়া চললো। অবশেষে আমেরিকায় একটি চাকরী জুটলো। কানাডার বেতনের তুলনায় অনেক বেশী। গিন্নীর মনটা ভারী। কিন্তু বাচ্চাগুলো কিছু বুঝে উঠতে পারছে না কি ঘটতে চললো। যথারীতি চাকরীতে যোগদিলাম। র‌্যালী – নর্থ ক্যারোলিনা। টরন্টো থেকে প্রায় সাড়ে আটশো মাইল। আমাকে প্রতিটি উইকএন্ডের রাতে ওদের ফোনে গল্প বলে ঘুম পাড়াতে হতো। মানে ওরা হোম ফোনটা স্পীকার ফোনে দিতো আর আমি গল্প বলে যেতাম।

বিস্তারিত»