কার্জন হল জায়গাটা অদ্ভূদ। এবং মায়াময়। সকাল, বিকেল, সন্ধ্যা, রাত্রি – যখনই হোক, চারপাশে স্নিগ্ধ নির্জনতা ঘিরে থাকে সবসময়। ভালোবাসা ব্যাপারটা নাকি আবার নির্জন জায়গায় ভালোভাবে প্রকাশিত হয় – কবি বলে গেছেন। এটা অবশ্য কবি না বলে গেলেও সমস্যা ছিলোনা। কার্জনে কিছুক্ষণ এদিক সেদিক চোখ বুলালেই বোঝা যায় ব্যাপারটা। প্রথম বুঝেছিলাম যখন আইইউটি থেকে কোন এক পহেলা বৈশাখে প্রথমবারের মত ঘুরতে এসেছিলাম এখানে। আর এখন তো নিয়মিতই যাওয়া হয়।
বিস্তারিত»অ্যানাপোলিসের ডায়েরী : ২
২৪ শে আগস্ট , ২০১৩: সার্ভারে কাজ চলছে দেখে রুমের ইন্টারনেট বেশ কয়েকদিন ধরেই ডাউন। ইন্টারনেট বলতে ক্লাসরুমের ওয়াই-ফাই ই এখন ভরসা। যে আমি ৪/৫ দিন আগেও ক্লাসরুম থেকে বের হওয়ার জন্য সবসময় হাসফাস করতাম, সেই আমি ই এখন ক্লাসরুমে পারলে কাথা বালিশ নিয়ে আস্তানা গেড়ে ফেলেছি।ক্লাস শেষ হয়ে যায়, আমি ডেস্ক থেকে নড়িনা। আমার প্রফেসরের এর ধারণা বিদ্যার্জনের প্রতি আমার আগ্রহ রাতারাতি বেড়ে গেছে।শিক্ষক মহোদয় ব্যাপক আনন্দিত।মানুষ জন আনন্দ পেলে ভালোই লাগে।
বিস্তারিত»হারানো বন্ধুটির কাছে আমার খোলা চিঠি :(
প্রাণপ্রিয় বান্ধবী ____,
না তোর নামটা বলব না, কারণ আমার অনেক গুরুত্বপূর্ণ আইডির password এ তোর নাম একটি অংশ হয়ে আছে।
তোর কাছে লিখতে অনেক দেরি হয়ে গেল তাই প্রথমেই তোর কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি । তোর পক্ষে হয়ত এই চিঠিটি পড়া সম্ভব হয়, তবুও লিখছি।
তোর সাথে আমার এমন এক সময় পরিচয়, যখন বন্ধুত্বর সংজ্ঞা তো দূরের কথা মায়ের কোল থেকেই বের হতে পারিনি।
বিস্তারিত»কালো মানুষ, মানুষ
নেলসন রোলিহ্লাহ্লা ম্যান্ডেলা (জোজা উচ্চারণ: [xoˈliːɬaɬa manˈdeːla]; জন্ম: জুলাই ১৮, ১৯১৮ – ডিসেম্বর ৫, ২০১৩) ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকারগণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯৯৪ হতে ১৯৯৯ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র সংগঠন উমখন্তো উই সিযওয়ের নেতা হিসাবে বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ১৯৬২ সালে তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকার গ্রেপ্তার করে ও অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়।
বিস্তারিত»তলিয়ে যাবার আগে
গ্রহণে গ্রাসে যে অন্ধকার
আমার চারপাশ, তারই ঘ্রাণ
অস্তিত্বে চড়াও আবার।
অসহায় আমি আর্তপ্রাণ!
প্রাণপাতে জ্বালি দীপশিখা
দিগন্তে, আলেয়ার উৎসবে
ম্লান সেও যেন এক নির্মম ধোঁকা।
দিশেহারা মুখ গুঁজেছি সময়ের শবে!
ঘুরেফিরে সূর্যোদয় সূর্যাস্ত
নিংড়ানো যে জীবন মিলায়েছে
সেই প্রাচীন শূণ্যতায়, বিবস্ত্র;
শরীর জড়ায়ে শুধুই অন্ধকার আছে!
তার আর কিছু নেই!…
কিঞ্চিৎ রস
ঘোষনাঃ সত্যিকার ঘটনার চরিত্রের সাথে নামের কোন মিল নেই।
ক্লাস সেভেন। মামুন আর দিনার রুমে টেবিল টেনিস খেলে ধরা খেল প্রচন্ড কড়া টিচার আনিস ফিরোজা ম্যাডামের কাছে। ম্যাডামের আবার একটু গুন্ডামী করার মানে পিঠে দুই চারটা দেবার অভ্যাস আছে। মামুন দেখলো কপালে মার নিশ্চিত। তো একা খাবে কেন? সাথে সাথে করুণ সুরে বলল, ম্যাডাম, আমাদের কোন দোষ নাই, আসিফ আমাদের শিখিয়ে দিয়ে রুমে খেলতে বলেছে।
বিস্তারিত»মগের মুল্লুক
কবিতাটা লিখেছিলাম অনেকদিন পূর্বে । বর্তমান পরিস্থিতির সাথে ব্যপক মিল যায় বলে দিলাম ।
নির্বিচারে মরছে মানুষ এ দেশের পথে পথে
হরতাল অবরোধে,
দিকে দিকে শুধু বিশৃংখলা আইন মানেনা কেউ
সংঘাত আর সংগ্রামে আজ উঠেছে মরণ ঢেউ
শাসকগোষ্ঠী মত্ত হয়েছে নতুন খেলাতে মেতে
ওরা চায় শুধু ধোকাবাজি করে ক্ষমতার রশি পেতে
হায় হায় শুধু করি
এসব তামাশা বুঝতে না পেরে আমরা জনতা মরি
এখানে অবুঝ জনতার চোখে ওরা দিয়ে যায় ধূলা
এখানে শাসক মদ গিলে যায়,
শিকির হাইকু ও লুটেরা
Evening Snow falling,
A pair of mandarin ducks
On an ancient lake.
-Masaoka Shiki
রাতে টিভিতে লুটেরা দেখছি।পশ্চিম বঙ্গের জমিদার বাড়িতে তুষারপাত হচ্ছে দেখে আমি অবাক।তবে শেষ পাতার ব্যাপারটা ভাল লাগলো।মনে পড়ল টিআইসি অর্থাৎ টোকিও ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার এর লবি।জাইকা আয়োজিত যুব আমন্ত্রণ প্রশিক্ষণে বাংলাদেশীদের চায়ের কাপে ঝড়।আঁতেলেকচুয়াল রকিব শিকির কবিতা ডাউনোলোড করেছে।খুব খারাপ।এত খারাপ কথা দিয়েও কবিতা লেখে।সে আবার জাপানের একজন বিখ্যাত কবি।আসলে কবি সাহিত্যিকরা একটু হারামি টাইপের হয়।দেখি দোস্ত,কেমন কবিতা ?
বিস্তারিত»বাঘ
একবার একটা বাঘ তার একমাত্র ছেলে মাইকেলকে নিয়ে গেল হরিণ শিকার করতে। মাইকেল হরিণ শিকারে তার বাবা টমাসের থেকেও অনেক বেশি দক্ষ ছিল। বাপ-বেটা দুজন সুন্দরবনের হিরন-পয়েন্টে ঘাসের মধ্যে ভাল একটা ঘনঝোপ ঠিক করে শিকারের পজিশন নিয়ে হরিণের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলো।
বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরে তারা দুজন দেখতে পেল যে, কিছু হরিণ-হরিণী তাদের ছানাপুনা নিয়ে মনের আনন্দে সেই ঘন ঘাসের দিকে আসছে তাদের পেটপূর্তি করতে।
বিস্তারিত»টুকরো বিনোদন
ক্যাডেট কলেজে অনেক ঘটনাই হটাত হটাত ঘটে যায় যা পরে মনে করে অনেক হাসি পায়। তেমন কিছু টুকরো ঘটনা এবং কিছু বোরিং জোক্স নিয়ে হাজির হলাম। এর মধ্যে কিছু কিছু ঘটনা নিজের অভিজ্ঞতা আর কিছু অন্যের কাছে শোনা।
১/ ইসলাম শিক্ষা খাতায় সব সময়ই সবার মুল লক্ষ্য থাকে কিভাবে পৃষ্ঠা সংখ্যা বাড়ানো যায়। এর বাইরে মুল লক্ষ্য হল নীল কালিতে আলাদা কোটেশনে হাদিস/ কোরানের আয়াত লেখা যার অধিকাংশই ছিল নিজের মন গড়া।
বিস্তারিত»ইডি সমাচার
ইডি খাওয়া ক্যাডেটদের প্রাত্যহিক জীবনের একটি অংশ। তবে কারো কারো জন্য তা হয়ে ওঠে অতি-প্রাত্যহিক। ক্যাডেটদেরকে নিয়মিত ইডি লাগানোর মত কষ্টসাধ্য কাজটি সাধারণত স্টাফরাই করে থাকেন (ক্ষেত্রবিশেষে অতি-কর্তব্যপরায়ণ শিক্ষক ও ক্বচিৎ অ্যাডজুটেন্ট-প্রিন্সিপ্যাল)। ইডি লাগানোও যে একটি শিল্প হতে পারে মাঝে মাঝে আমাদের শুভাকাঙ্ক্ষী স্টাফ ও স্যারেরা তা দেখিয়ে দেন। এবারে থাকছে চমকপ্রদ কিছু ইডির বৃত্তান্ত। (* চিহ্ন সংবলিত ইডিগুলো বিশেষভাবে দৃষ্টি আকর্ষণের যোগ্যতা রাখে।)
এক্ষেত্রে হাউস মাস্টার অফিস থেকে ইডির নোটিস সময়মত হাওয়া করা এবং আমাকে তা ব্যবহারের অনুমতি দেয়ায় তাশরীফ মাহমুদ (ফকক,
বিস্তারিত»আমার দার্শনিক সাজার বারোটা বাজা ও কিছু স্মৃতি
গতকাল রাত থেকে স্মৃতিকাতর হয়ে আছি।
গোফ-দাড়ি দুটোই স্বাভাবিক নিয়মে বাড়ছিলো। মাস দুই এর কম না।
চেহারায় কেমন একটা দার্শনিক দার্শনিক ভাব চলে আসছিলো। যদিও দুর্জনেরা নানান আকথা কুকথা বলে আমাকে খোচানোর চেষ্টা করেছেন। আমি তো আয়না দেখতে জানি। জানি আমাকে বেশ লাগছিলো দেখতে। কিন্তু অন্যদের তা সইবে কেনো!
যুগ চেঞ্জ হয়ে গেছে এখন পুরুষেরা গোফ-দাড়ি তো রাখেই না, বরং অনেকে বুকের লোম ও কামায়।
একটি তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন
বি.দ্র. এই পোস্টের লেখক “সত্য কোন দিন চাপা থাকে না” টাইপের ফালতু তত্ত্বে বিশ্বাসী। অতএব কাহিনীটি একটি সত্য ঘটনা থেকে প্রণোদিত। যতটুকু প্রকাশ করলে শুধু স্যারদের উপর দোষ চাপানো যায় ততটুকুই দেয়া হল। নামগুলো কাল্পনিক। কারোর সাথে মিলে গেলে লেখক দায়ী নয়।
সন্ধ্যা ৭টা। ইভনিং প্রেপ চলছে। এখন আবার থার্ড টার্মের টার্ম-এন্ড পরীক্ষা। আমি পড়ি ক্লাস এইটে। আগের দুই টার্মে মাশাল্লাহ(!) রেজাল্ট করায় সায়েন্স পাওয়ার জন্য একটু সিরিয়াসলি পড়ছিলাম।
বিস্তারিত»নির্বাচন সংলাপ
পোলিং এজেন্টরা এদিকে আসেন।এই যে এই বুথের ব্যালট বক্স।স্বচ্ছ, তবু উল্টা করে দেখাচ্ছি।দেখেন, কিচ্ছু নাই।এই যে ঢাকনা।এতে চারপাশে আর মাঝখানে ফুটা আছে। এখন ঢাকনাটা বক্সে লাগাই।এই যে লক।প্লাস্টিকের তৈরী।বক্স আর ঢাকনার ফুটাতে লকটা লাগিয়ে দিলাম টাইট করে।এটা আপনাদের সামনে এই টেবিলে থাক।ঢাকনাতে শুধু উপরের ফুটাটা খোলা থাকল ব্যালট পেপার ঢুকানর জন্য।ওহ্যাঁ, ব্যালট বক্স আর চারটা লকের সিরিয়াল নম্বর বলছি লিখে নেন। আর একটা কথা।এই লকটা একেবারে ওয়ান টাইম।এটা শুধু ছিড়েঁই খোলা যাবে।
বিস্তারিত»কলকাতার চিঠি
নিউমার্কেটের বাসে উঠেই বুঝলাম পূজার সিজনে বের হওয়া মোটেও উচিৎ হয়নি। অসম্ভব ভীড় আর গরমে দাঁড়িয়ে আছি (আমার সিট ভাগ্য খুব খারাপ) , এদিকে উচ্চতা কম বলে উপরের রডও নাগাল পাইনা, তাই হাতের ছাতা ব্যস্ততার সাথে ব্যাগে ঢুকিয়ে দুই সিট ধরে দাঁড়িয়ে গেলাম।
যে সিটের সামনে দাঁড়িয়েছিলাম তাতে দুই বোন বসে ছিল, বড় বোন ছোট জনের চেয়ে খুব বড় না হলেও বুঝদারের মত জানালাটা তুলে দে,খুব রোদ,