রাজশাহী ক্যাডেট কলেজকে পদ্মার ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ মেরামতের প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। নদী ভাঙ্গনের খবর ফেসবুকে পেয়ে ব্লগ লিখেছিলাম। ব্যস্ততার জন্য দেখতে যেতে পারিনি। গত ১১.১০.২০১৩ তারিখ শুক্রবার একটু সময় পেয়ে চলে গেলাম রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের সামনে পদ্মার ধারে। ‘নিরিবিলি’ আর ‘অবলোকন’-এর মাঝখানে বাঁধানো ঘাট। সিড়ি দিয়ে প্রায় তিন তলা সমান নীচে নামা যায় ( পড়ুন নামা যেত )।
বিস্তারিত»ছেদোকথা
দবিরঃ
ওই আওমি লিগ
কেমন আছিস?
চান্দু!
দবিরঃ
শালা হাচিনা কি তোর শ্বাশুড়ি লাগে?
ক্যান?
দবিরঃ
তুই তো হাচিনা ছাড়া কিসুইইইই বুঝশ না
হা হা
আই লাইক হাসিনা
দবিরঃ
তোর সব পোস্ট তো তাইইইই বলে
বাট আমি আওয়ামী লীগ না।
দবিরঃ
তার অসভ্য-অভব্য কথার জন্য পছন্দ করিস?
পাষ্টে আমি বিএনপি রে ভোট দিছি।
বিস্তারিত»হেলাল হাফিজের কবিতা ওড়না: কিছু বিতর্ক এবং আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি
হেলাল হাফিজ অতিসাম্প্রতিক কালে আবার কবিতা লিখছেন। কবির পয়ষট্টিতম জন্মদিন উপলক্ষে যুগান্তরের সাহিত্য পাতায় তিনটি কবিতা ছাপা হয়েছে। এর মধ্যে একটি কবিতার নাম ওড়না। বলাবাহুল্য কবির সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা এর আগে বহু লেখায় উল্লেখ করেছি। সেই সূত্রে এই কবিতাটির প্রসব বেদনায় যখন কবি ছটফট করছেন তখন আমি কবির সাথে ছিলাম। প্রায়ই তিনি অনুভূতিহীন অন্যমনস্ক হয়ে যেতেন। স্বাভাবিক দৃষ্টিতে কবিরা একটু অন্যমনস্ক,অগোছালো থাকবে এটাই নিয়ম হলেও কবি হেলাল হাফিজ অত্যন্ত গোছানো একজন মানুষ।
বিস্তারিত»ওয়েস্টার্নঃ ঠান্ডা প্রতিশোধ! (পর্ব ৩)
৫।
টাকা-পয়সা মিটিয়ে দিয়ে ন্যাশ টেলিগ্রাফ অফিস থেকে বের হতেই দেখল রাস্তার উপর তিনজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। ওদের মধে সবচেয়ে কুৎসিতদর্শন লোকটা বলে উঠল,
-তুমি কেভিন ন্যাশ?
-কে জানতে চাইছে?
-আমি হেনরি ওয়াকার, এইচ এম র্যাঞ্চ এর ফোরম্যান। আমাদের বস হ্যারি মার্টিন তোমাকে যেতে বলেছে, তোমার সাথে পরিচিত হতে চায়।
হজ্বঃবঞ্চনার অন্য নাম
এখন হজ্বের মৌসুম। প্রতিবারের মত এবারও কোটি মানুষ পাপ মোচনের আশায় ছুটে গিয়েছে সৌদি আরব। বাংলাদেশী হজ্বযাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৯০ হাজার। ফেসবুকেও মাঝে মাঝে পাপমোচনের খুশি দেখছি ইদানিং। মক্কায় গিয়ে গরমের মধ্যেও প্রচণ্ড প্রশান্তি অনুভব করছেন হাজী ভাই বোনেরা,কেঁদে বুক ভাসাচ্ছেন,নামাযে দাঁড়ালে মনে হচ্ছে এর চেয়ে শান্তির কিছু নেই। একটা সময় ছিল মানুষ সারাজীবন পাপ করে শেষ বয়সে হজ্বে যেত তবে গত কয়েক বছর যাবত এই প্রথাটা চেঞ্জ হচ্ছে।
বিস্তারিত»গুঁড়ো দুধ!!!!
২০০১ সাল। স্থানঃ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ড্রিল গ্রাউন্ডে নামার সিঁড়ি।
মাস মনে করতে পারছি না। রাত ১২ টা বেজে ১০ মিনিট।
একটু আগেই আইয়ুব বাচ্চু (এল আর বি) র কনসার্ট শেষ হয়েছে। তার আগে একটা কালচারাল শোতে উপস্থাপনা করেছেন গিয়াস ভাই। কনসার্টের এক পর্যায়ে দেখলাম বাচ্চু ভাই গিয়াস ভাইয়ের খুব প্রশংসা করল। তাঁকে স্পেশাল থ্যাংকস জানালো।
আমি একটু খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম গিয়াস ভাই আমাদের কলেজ এর এক্স ক্যাডেট।আমাদের থেকে ১৮ ব্যাচ সিনিয়র।
বিস্তারিত»কলেজ আউট
বাজার থেকে আজ তা প্রায় বারোটা বছর পর হবে, একটি ভিডিও গেমসের সিডি কিনে এনে করিম আর তার ছেলে সজীব খেলছে। করিম তো বুড়া আর সজীব ক্লাস ফাইবে পড়ে কিন্তু তা সত্বেও দুজন খেলাটার স্বাদ পেতে মোটেও বাকি রাখছে না। সজীবের মা মিসেস লিজা করিম অবাক হয়ে বাপ-বেটার কান্ডটা দেখছে। খেলাটার নাম “কলেজ পলায়ন-১”।
।এক।
১৯৯৫ সাল। নবম শ্রেনীর ছাত্র করিম আর হায়দার।
বিস্তারিত»তিতো ওজিসান
জোর করেই তোমার মা তোমাকে আমার কোলে তুলে দেয়
তার পর বেশ কটা বছর আমার আত্মা হয়েছিলে,
বিশ্বাসই করতে পারবেনা আমাকে কতটা ভালবাসতে
দেড় বছরেই অনেক কথা শিখে গিয়েছিলে
আব্বু ডাক শোনার জন্যে তোমাকে কত আব্বু বলেছি !
পিচ্চি হলেও ভুলটা করনি কখনও।
তোমাদের ছোট্ট বাসায় আমার আশে পাশেই থাকতে
খাওয়ানর সময়টাতে পারলে পেটের মধ্যে ঢুকতে।
একটা কথা মনে হলে এখনও হাসি পায়
আমরা খেতে বসলে ভ্যাঁ করে হিসি করে দিতে।
অতঃপর…!!!
নিহাল কে ভালোবাসে অরিন। নিহাল নামটা খুব পছন্দ ওর। প্রথম যেদিন ওর প্রেমে পড়ল সেদিন বৃষ্টি ছিল, ছেলেটা ওকে অনেকগুলো গোলাপ দিয়েছিল। ভালোবাসার সময়গুলো কেমন জানি কেটে যায়। একটু ঘুরতে যাওয়া, হাত ধরে বসে থাকা, হাতধরাটা ন্যাকামি হলেও অদ্ভুত শান্তি লাগে,৫ আঙ্গুল বারবার আরেক হাতের স্পর্শে ঘেমে গেলেও হাত না ছাড়ার অনুভূতি অন্যরকম। চোখের সামনে দিনগুলো ভাসে। যেদিন নিহাল ওর গলা টিপে ধরে টাকা চাইল সেদিন অরিনের জন্মদিন ছিল।
বিস্তারিত»কবি হেলাল হাফিজ ও ব্যক্তিগত অনুভূতি
মুল লেখাঃ
কবি হেলাল হাফিজের সাথে আমার পরিচয় খুবই অদ্ভুত ভাবে। এক বিকেলে চারুকলার সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে ঢেলে সাজানো বই গুলোর দিকে চোখ বোলাতেই একটি বই চোখে লেগে যায়। যে জলে আগুন জ্বলে। চোখে লাগার মতোই বই। অদ্ভুত শিরোনাম। বই হাতে নিয়ে কয়েক পাতা ওল্টাতেই একটা কবিতা চোখে পড়ে। এক নিমিষেই পড়ে ফেলি।
“প্রেমের কষ্ট ঘৃণার কষ্ট
নদী এবং নারীর কষ্ট
অনাদর ও অবহেলার তুমুল কষ্ট
কষ্ট নেবে কষ্ট?”
শিরোনামহীন শব্দচয়ন…!!!
সুখ দুঃখ নিয়ে এই ছোট্ট জীবনে অনেক ভাবতে হয়েছে আমাকে। সেটা যে কারনেই হোক আমার চিন্তাধারা খুলে যায় ২০০৪ সালে শহীদ ক্যাডেট কোচিং এ থাকাকালীন ভবন-১ এ থাকতে। ৪ তালার হাবিব স্যার এর ফ্ল্যাট এ শুয়ে এক বিকালে বেডমেটের সাথে কথা বলতেসিলাম। রাজীব নাম ছিল ছেলেটার। খুব গরীব পরিবারের ছেলে, শুদ্ধ ভাষায় কথা বলা শিখেনি বলে কারও সাথে তেমন কথা বলত না, আর আমার ডুয়েল পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার ছিল আই মীন খুব তাড়াতাড়ি পরিবর্তনশীল ছিলাম বলে আলাদা থাকতাম,তাই আমার বেডমেট হিসাবে স্যার ওকে ঠিক করে দিয়েছিলেন এই ভেবে যে আমিও বেশি কথা বলিনা আর রাজীব ও বলেনা,
বিস্তারিত»আই সি সি এল এম … আহা!
আমি ক্লাস টেনে থাকতে আইসিসিএলএমএম হয় কুমিল্লা ক্যাডেট কলেজে (২০০৭ সালে)। আমার কলেজে টেস্ট চলে, ৫ টা পরীক্ষা দিয়ে আমাকে বলা হয় বাকি গুলা পরের টার্ম এ এসে দিতে। আমি কলেজের স্যার-ম্যাডাম দের টেস্ট পরীক্ষা নিয়ে এহেন অবহেলায় মনে মনে ঠিক করি, এস এস সি তে ফেল করে কলেজের নাম ডুবাবো। পত্রিকায় নাম আসবে মেধাবি(!) ছাত্রী নাচ গান করতে গিয়ে অকৃতকার্য। আইসিসিএলএমএম এ গিয়ে এত্ত এত্ত বয়েজ ক্যাডেট দেখে মন টাই ভালো হয়ে গেলো!
বিস্তারিত»একটি ‘ক্রাশ’ কিংবা অনেকগুলো বিরহের গান..
আমার ক্রাশ খাওয়ার হিস্টোরি বহুত বড়। জীবনে অনেক বার অনেক মেয়ের উপরে ক্রাশ খেয়েছি। সোজা বাংলায় “একতরফা প্রেমে পতিত” হয়েছি। আমি বন্ধুবান্ধবদের সাথে বেশ কথা-বার্তা বলতে পারি, আড্ডা মারায় ওস্তাদ; তা সে ছুটির দিন হোক, আর পরীক্ষার আগের দিনই হোক। কিন্তু মেয়েদের সাথে আমি পুরো উল্টো স্বভাবের। অপরিচিত বা স্বল্প পরিচিত যে কোন মেয়ের সাথে কথা বলতে গেলেই আমার কেন জানি পেটের মধ্যে মোচড়ানো শুরু করে।
বিস্তারিত»একজন অসামান্য ক্রাচধারী
ব্যক্তিগত পর্যায়ে কর্নেল তাহের বহুদিন যাবত আমার কাছে ছিল অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও সম্মানের সাথে উচ্চারিত এক আজন্ম বিপ্লবীর নাম। তথাপি তার ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক জীবনের খুঁটিনাটি আমার অজানা ছিল এই সেদিন পর্যন্তও। অসংখ্য ধন্যবাদ ডাঃ শাহাদুজ্জামান স্যারকে, “ক্রাচের কর্নেল” বইয়ের মাধ্যমে আমার সে ঘাটতি খানিকটা পূরন করে দেবার জন্য। স্যারের সাথে চট্টগ্রামের বিখ্যাত বইয়ের বাসা “বাতিঘর” এ একটা সমগ্র সন্ধ্যা কাটাবার দুর্লভ সুযোগ আমার হয়েছে।
বিস্তারিত»যখন আমি ক্যাডেট ছিলাম(পর্ব ৫)
আইসিসিএলএলএম ও কিছু গোপন দুঃখঃ
ছোট বেলা থেকেই মা আমাকে বলতেন, নিজের যা আছে তাই নিয়ে সন্তুষ্ট থাকা উচিৎ। কম থাকার কারণে আমাকে কখনো কষ্ট পেতে হয়নি, পেতে হয়েছে বেশি থাকার কারণে। ব্যপারটা আরেকটু গুছিয়ে বলি।
মানুষ হিসেবে আমি প্রচণ্ড আবেগী। শৈশবের রঙ্গিন জীবনটা কৈশোরে মোড় নেয়ার সাথে সাথে এই আবেগটা বেশ বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো বৈকি। প্রেম- ভালোবাসা সংক্রান্ত ব্যপারগুলো নিয়ে ভাবার শুরুটা তখন।
বিস্তারিত»