বৃহস্পতিবার

সময়টা এখন শুধুই অপেক্ষার,

ছিল কি এসবের কোন দরকার?

ব্যস্ততার এই জগৎজোড়া কারবার,

অবচেতনে মনের একান্ত সরলতাকে_

করে দেয় ছারখার।

মন শুধুই বলতে চাই বারবার_

আপনজনকে পাশে পেতে চাই আবার;

শতজনের সাথে খেয়ে নানান স্বাদের খাবার,

আমাদের সবার শুধু একহবার সময় হয়_

সপ্তাহের ছুটির আগেরদিন রোজ বৃহস্পতিবার।

বিস্তারিত»

একটা অপচেষ্টা ।

বি এম এ তে বসে গান লিখার চিন্তা করাটাও হাস্যকর জানি । তবুও এই ক্ষুদ্র প্রয়াস ।

আমার হাতে আজ একলা আকাশ,
স্মৃতি হয়ে আছ তুমি,
নির্ঘুম এই রাতে আজ,
আমার পাশে নেই তুমি ।

ছুঁয়ে দেখ , হাতে রেখে হাত,
কান পেতে শোনো , পাবে আমার ডাক ।

চল যাই আকাশে , মেঘেদের সাথে ,

বিস্তারিত»

আহূতি

ছায়াদের পিছুপিছু অনেকদূর হেঁটে এসেছি আমি।
এবার আমি ফিরে যাব আয়নার ওপাশে।
গলিত সূর্যের ফোঁটায় ফলনশীল উদগ্র ফোস্কার ক্ষেত আমার পিঠে।
আমি ফিরে যাব সেই ছেলেটির কাছে।
যার মুখ আমি আজও দেখি বিস্তীর্ণ ধানক্ষেতে।
সূর্যের বিপরীতে দাঁড়ানো সেই ছেলেটি!
উদ্ধত সূর্যালোকের তীর্যক আক্রমণে উদ্ভাসিত!
অথচ আলোহীন ভীতিকর কী গহীন দুইচোখ !
প্রথম চাঁদের পর পৃথিবীর সব অমাবস্যা জমাট বেঁধেছে সে আঁধারে।

বিস্তারিত»

স্মৃতিরা গানের ভাঁজে

দুটি মন আর নেই দুজনার। রাত বলে আমি সাথী হবো যে। গানটি মনে পড়লো খুব উদ্ভট এক সময়ে। কমোডে বসে ছিলাম বেশ কিছুক্ষণ। হঠাৎ একরকম গলা ছেড়েই কিছুটা ভুল হলেও গেয়ে উঠলাম। চার লাইন গেয়েই থেমে গেলাম। সুর বাদে আর কিছু মনে নেই। ২৩ বছর আগেকার কোন এক সকালে প্যানাসনিক ক্যাসেট প্লেয়ারে বাজতে থাকা গানের কলি এভাবে মনে পড়ায় অনেকটাই হতহম্ভ আমি। ঘুরেফিরে চারলাইন বেশ কিছুক্ষণ গাইবার চেষ্টা করলাম।

বিস্তারিত»

নদী ভাঙ্গনে হুমকির মুখে রাজশাহী ক্যাডেট কলেজঃ ফলোআপ

রাজশাহী ক্যাডেট কলেজকে পদ্মার ভাঙ্গন থেকে রক্ষার জন্য কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ মেরামতের প্রাথমিক কাজ শুরু করেছে। নদী ভাঙ্গনের খবর ফেসবুকে পেয়ে ব্লগ লিখেছিলাম। ব্যস্ততার জন্য দেখতে যেতে পারিনি। গত ১১.১০.২০১৩ তারিখ শুক্রবার একটু সময় পেয়ে চলে গেলাম রাজশাহী ক্যাডেট কলেজের সামনে পদ্মার ধারে। ‘নিরিবিলি’ আর ‘অবলোকন’-এর মাঝখানে বাঁধানো ঘাট। সিড়ি দিয়ে প্রায় তিন তলা সমান নীচে নামা যায় ( পড়ুন নামা যেত )।

বিস্তারিত»

ছেদোকথা

দবিরঃ 
ওই আওমি লিগ
কেমন আছিস?

চান্দু!

দবিরঃ  

শালা হাচিনা কি তোর শ্বাশুড়ি লাগে?

ক্যান?

দবিরঃ  

তুই তো হাচিনা ছাড়া কিসুইইইই বুঝশ না

হা হা
আই লাইক হাসিনা

দবিরঃ 

তোর সব পোস্ট তো তাইইইই বলে

বাট আমি আওয়ামী লীগ না।

দবিরঃ 

তার অসভ্য-অভব্য কথার জন্য পছন্দ করিস?

পাষ্টে আমি বিএনপি রে ভোট দিছি।

বিস্তারিত»

হেলাল হাফিজের কবিতা ওড়না: কিছু বিতর্ক এবং আমাদের ধর্মীয় অনুভূতি

হেলাল হাফিজ অতিসাম্প্রতিক কালে আবার কবিতা লিখছেন। কবির পয়ষট্টিতম জন্মদিন উপলক্ষে যুগান্তরের সাহিত্য পাতায় তিনটি কবিতা ছাপা হয়েছে। এর মধ্যে একটি কবিতার নাম ওড়না। বলাবাহুল্য কবির সাথে আমার ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা এর আগে বহু লেখায় উল্লেখ করেছি। সেই সূত্রে এই কবিতাটির প্রসব বেদনায় যখন কবি ছটফট করছেন তখন আমি কবির সাথে ছিলাম। প্রায়ই তিনি অনুভূতিহীন অন্যমনস্ক হয়ে যেতেন। স্বাভাবিক দৃষ্টিতে কবিরা একটু অন্যমনস্ক,অগোছালো থাকবে এটাই নিয়ম হলেও কবি হেলাল হাফিজ অত্যন্ত গোছানো একজন মানুষ।

বিস্তারিত»

ওয়েস্টার্নঃ ঠান্ডা প্রতিশোধ! (পর্ব ৩)

পর্ব ১
পর্ব ২

৫।

টাকা-পয়সা মিটিয়ে দিয়ে ন্যাশ টেলিগ্রাফ অফিস থেকে বের হতেই দেখল রাস্তার উপর তিনজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। ওদের মধে সবচেয়ে কুৎসিতদর্শন লোকটা বলে উঠল,
-তুমি কেভিন ন্যাশ?
-কে জানতে চাইছে?
-আমি হেনরি ওয়াকার, এইচ এম র‍্যাঞ্চ এর ফোরম্যান। আমাদের বস হ্যারি মার্টিন তোমাকে যেতে বলেছে, তোমার সাথে পরিচিত হতে চায়।

বিস্তারিত»

হজ্বঃবঞ্চনার অন্য নাম

এখন হজ্বের মৌসুম। প্রতিবারের মত এবারও কোটি মানুষ পাপ মোচনের আশায় ছুটে গিয়েছে সৌদি আরব। বাংলাদেশী হজ্বযাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৯০ হাজার। ফেসবুকেও মাঝে মাঝে পাপমোচনের খুশি দেখছি ইদানিং। মক্কায় গিয়ে গরমের মধ্যেও প্রচণ্ড প্রশান্তি অনুভব করছেন হাজী ভাই বোনেরা,কেঁদে বুক ভাসাচ্ছেন,নামাযে দাঁড়ালে মনে হচ্ছে এর চেয়ে শান্তির কিছু নেই। একটা সময় ছিল মানুষ সারাজীবন পাপ করে শেষ বয়সে হজ্বে যেত তবে গত কয়েক বছর যাবত এই প্রথাটা চেঞ্জ হচ্ছে।

বিস্তারিত»

গুঁড়ো দুধ!!!!

২০০১ সাল। স্থানঃ ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ড্রিল গ্রাউন্ডে নামার সিঁড়ি।
মাস মনে করতে পারছি না। রাত ১২ টা বেজে ১০ মিনিট।

একটু আগেই আইয়ুব বাচ্চু (এল আর বি) র কনসার্ট শেষ হয়েছে। তার আগে একটা কালচারাল শোতে উপস্থাপনা করেছেন গিয়াস ভাই। কনসার্টের এক পর্যায়ে দেখলাম বাচ্চু ভাই গিয়াস ভাইয়ের খুব প্রশংসা করল। তাঁকে স্পেশাল থ্যাংকস জানালো।

আমি একটু খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম গিয়াস ভাই আমাদের কলেজ এর এক্স ক্যাডেট।আমাদের থেকে ১৮ ব্যাচ সিনিয়র।

বিস্তারিত»

কলেজ আউট

বাজার থেকে আজ তা প্রায় বারোটা বছর পর হবে, একটি ভিডিও গেমসের সিডি কিনে এনে করিম আর তার ছেলে সজীব খেলছে। করিম তো বুড়া আর সজীব ক্লাস ফাইবে পড়ে কিন্তু তা সত্বেও দুজন খেলাটার স্বাদ পেতে মোটেও বাকি রাখছে না। সজীবের মা মিসেস লিজা করিম অবাক হয়ে বাপ-বেটার কান্ডটা দেখছে। খেলাটার নাম “কলেজ পলায়ন-১”।

।এক।

১৯৯৫ সাল। নবম শ্রেনীর ছাত্র করিম আর হায়দার।

বিস্তারিত»

তিতো ওজিসান

জোর করেই তোমার মা তোমাকে আমার কোলে তুলে দেয়
তার পর বেশ কটা বছর আমার আত্মা হয়েছিলে,
বিশ্বাসই করতে পারবেনা আমাকে কতটা ভালবাসতে
দেড় বছরেই অনেক কথা শিখে গিয়েছিলে
আব্বু  ডাক শোনার জন্যে তোমাকে কত আব্বু বলেছি !
পিচ্চি হলেও ভুলটা করনি কখনও।

তোমাদের ছোট্ট বাসায় আমার আশে পাশেই থাকতে
খাওয়ানর সময়টাতে পারলে পেটের মধ্যে ঢুকতে।
একটা কথা মনে হলে এখনও হাসি পায়
আমরা খেতে বসলে ভ্যাঁ করে হিসি করে দিতে।

বিস্তারিত»

অতঃপর…!!!

নিহাল কে ভালোবাসে অরিন। নিহাল নামটা খুব পছন্দ ওর। প্রথম যেদিন ওর প্রেমে পড়ল সেদিন বৃষ্টি ছিল, ছেলেটা ওকে অনেকগুলো গোলাপ দিয়েছিল। ভালোবাসার সময়গুলো কেমন জানি কেটে যায়। একটু ঘুরতে যাওয়া, হাত ধরে বসে থাকা, হাতধরাটা ন্যাকামি হলেও অদ্ভুত শান্তি লাগে,৫ আঙ্গুল বারবার আরেক হাতের স্পর্শে ঘেমে গেলেও হাত না ছাড়ার অনুভূতি অন্যরকম। চোখের সামনে দিনগুলো ভাসে। যেদিন নিহাল ওর গলা টিপে ধরে টাকা চাইল সেদিন অরিনের জন্মদিন ছিল।

বিস্তারিত»

কবি হেলাল হাফিজ ও ব্যক্তিগত অনুভূতি

nullমুল লেখাঃ
কবি হেলাল হাফিজের সাথে আমার পরিচয় খুবই অদ্ভুত ভাবে। এক বিকেলে চারুকলার সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে যেতে ঢেলে সাজানো বই গুলোর দিকে চোখ বোলাতেই একটি বই চোখে লেগে যায়। যে জলে আগুন জ্বলে। চোখে লাগার মতোই বই। অদ্ভুত শিরোনাম। বই হাতে নিয়ে কয়েক পাতা ওল্টাতেই একটা কবিতা চোখে পড়ে। এক নিমিষেই পড়ে ফেলি।

“প্রেমের কষ্ট ঘৃণার কষ্ট
নদী এবং নারীর কষ্ট
অনাদর ও অবহেলার তুমুল কষ্ট
কষ্ট নেবে কষ্ট?”

বিস্তারিত»

শিরোনামহীন শব্দচয়ন…!!!

সুখ দুঃখ নিয়ে এই ছোট্ট জীবনে অনেক ভাবতে হয়েছে আমাকে। সেটা যে কারনেই হোক আমার চিন্তাধারা খুলে যায় ২০০৪ সালে শহীদ ক্যাডেট কোচিং এ থাকাকালীন ভবন-১ এ থাকতে। ৪ তালার হাবিব স্যার এর ফ্ল্যাট এ শুয়ে এক বিকালে বেডমেটের সাথে কথা বলতেসিলাম। রাজীব নাম ছিল ছেলেটার। খুব গরীব পরিবারের ছেলে, শুদ্ধ ভাষায় কথা বলা শিখেনি বলে কারও সাথে তেমন কথা বলত না, আর আমার ডুয়েল পারসোনালিটি ডিসঅর্ডার ছিল আই মীন খুব তাড়াতাড়ি পরিবর্তনশীল ছিলাম বলে আলাদা থাকতাম,তাই আমার বেডমেট হিসাবে স্যার ওকে ঠিক করে দিয়েছিলেন এই ভেবে যে আমিও বেশি কথা বলিনা আর রাজীব ও বলেনা,

বিস্তারিত»