হাতে লিখতে সময় লাগবে তাই বইটি সরাসরি তুলে দিলাম। লেখক লে কর্নেল (অবঃ) এম এ হামিদ, পিএসসি। বই- তিনটি সেনা অভ্যুথ্বান ও কিছু না বলা কথা। বইটি শিখা প্রকাশনি থেকে প্রকাশ করা হয়েছিলো। প্রথম প্রকাশকাল ১৯৯৩।
বিস্তারিত»
হাতে লিখতে সময় লাগবে তাই বইটি সরাসরি তুলে দিলাম। লেখক লে কর্নেল (অবঃ) এম এ হামিদ, পিএসসি। বই- তিনটি সেনা অভ্যুথ্বান ও কিছু না বলা কথা। বইটি শিখা প্রকাশনি থেকে প্রকাশ করা হয়েছিলো। প্রথম প্রকাশকাল ১৯৯৩।
বিস্তারিত»
হুমায়ূ্নের মেজর জিয়াঃআমার ভুল সুপারহিরো লিখাটা পড়লাম। আমি লিখা নিয়ে কোন মন্তব্য করব না। তোমার মত আমারও কিছু প্রশ্ন আছে। সেগুলো অনেকটা এরকমঃ
১। আমাদের যে সেনাবাহিনীতে আজকে যে শৃঙ্খলা বিরাজমান ১৯৭৫ সালে এর কতটা ছিল?
২। যখন ভাবি সেনানিবাসের ভিতর রাজনৈতিক নেতাদের অবাধ বিচরন এবং তারা সৈনিকদের সাথে অবাধে মিলামিশা করছেন আর সেনাবাহিনীর অনেক দৈনন্দিন কার্যক্রমের ব্যাপারে তার নাক গলাচ্ছেন তখন ব্যাপারটা কেমন হয়?
অধ্যায় একঃ ১ম পর্ব, ২য় পর্ব
গত পর্বের পর
সরকারের তিনটি বহুল পরিচিত কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার কাজকর্মের পার্থক্যের আলোচনা দিয়ে এই বইটি শুরু করা হয়েছে। এখানে পার্থক্য বলতে তাদের গঠনগত ও আমলাতান্ত্রিক পার্থক্যের কথা বোঝানো হয়েছে। এই তিনটি উদাহরণের উপর ভিত্তি করে পরবর্তী অধ্যায়ে আমরা দেখবো কেন একই ধরনের কাজের দায়িত্ব থাকা সত্বেও এই সংস্থাগুলো ভিন্ন আচরণ করে থাকে (বিশেষ করে কার্ভার হাইস্কুল কিভাবে আচরণ পরিবর্তন করে থাকে।)
কিভাবে সেনাবাহিনী,
বিস্তারিত»১
গ্লাসের বরফটা বারবার গ্লাসের দেয়ালে ঠোকাঠুকি করে অধাতব শব্দ করছে, তাতে সের্গেই এর চিন্তায় বাঁধা পরছে না। কয়েকশো প্রজাপতি হৈ হুল্লোড় করে ওঠে তলপেটে, বুকের কাছটায় হামাগুড়ি দেয় একটা পাখা ভাঙা ডাহুক। ওলগা তবে এমনটা করেই যাচ্ছে, শেষ রাতে ফোনে আসা মেসেজগুলো তাহলে ইনস্যুরেন্স আর ট্যাক্সি কোম্পানির প্রমোশন নয়, বরং একজন সাশা এর সাথে দেখা করার সময় ও ভেনুর আপডেট। সেদিন ভুল করে এপার্টমেন্টের চাবি গাড়িতে ভুলে যাওয়াতে হাতড়াতে হয়েছিল ওলগার হ্যান্ডব্যাগ,
খুব ছোটবেলা RAY-BAN এর সানগ্লাসের সাথে সাদা গেঞ্জি পড়া কোদাল হাতে মেজর জিয়ার ছবি দেখে আমার দুই মামার মতো আমিও মুগ্ধ হয়েছিলাম।আম্মা বলেছিল তার মৃত্যুতে নাকি ৪০ দিন শোকের মাতম উঠেছিল সারা দেশে,এই কথা শুনে আমার মুগ্ধতা আরও বেড়ে গিয়েছিল। বিএনপি আমলে যখন বারবার বিটিভিতে বঙ্গবন্ধুর নামটুকু বাদ দেয়া জিয়ার কণ্ঠ শুনতাম তখনও মুগ্ধ হতাম। মামারা বিএনপির রাজনীতি করায় তার খাল কাটা সহ বিভিন্ন প্রকল্পের কথা শুনে আমি তো জিয়াকে রিয়েল লাইফ সুপারহিরোই ভাবতাম,ম্যাকগাইভার,হারকিউলিস বা রোবোকপ এর মতো।
বিস্তারিত»শীতের শুরুর দিকে দাদুবাড়িতে চলে যেতাম। সেই ছোটবেলায়। ধানকাটার মৌসুম চলতো তখন.. বাড়তি কাজের লোক নিয়োগ করা হতো সব ধান কাটা শেষ করার জন্য। স্পেশাল এই মূহুর্তে একটু বিশেষ তদারকি করতে আব্বু ,আম্মু র সাথে আমিও চলে যেতাম দাদুবাড়িতে। শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ি থানার কাকরকান্দী ইউনিয়নের বরুয়াজানি গ্রাম। বাড়ির উঠানে দাড়িয়ে ইন্ডিয়ান বর্ডারের ওপাশের মাথা উচু করে থাকা বিরাট উচু তুরা পাহাড় দেখা যায়.. আর দুই তিন মাইল গেলেই আমাদের সীমান্তবর্তী পাহাড় গুলো।
বিস্তারিত»ডাকটা ঠিক কোথা থেকে আসছে আবীর তা বুঝে উঠতে পারল না। এই রকম মিষ্টি একটা গলায় কে ডাকে তাকে এই খোলা রাস্তায়? আর গলাটাও কেমন জানি চেনা চেনা লাগছে তার। অনেক আগে শুনেছিল ,এখন ঠিক মনে করতে পারছে না। মুহূর্তের মধ্যেই এতসব ভেবে উল্টো ঘুরতেই যা দেখল তাতে তার চোখদুটো আপনাআপনি বড় হয়ে গেল আবীরের। রাস্তা দিয়ে একরকম দৌড়েই তার দিকে আসছে একটি মেয়ে। একটি মেয়ে বললে অবশ্য ভুল হবে,
বিস্তারিত»৯।
পরদিন একটু বেলা করেই আর্থারের বাড়িতে গেল ন্যাশ। বাড়িটা দিনের আলোয় ভাল করে দেখতে পেল। ছোট-খাট হওয়া স্বত্তেও সুন্দর করে সাজানো। সামনে ছোট্ট একটি ফুলের বাগান, দেখেই বোঝা যায় নিয়মিত যত্ন নেয়া হয়। দরজা নক করার কিছুক্ষণ পরই দরজা খুললো র্যাচেল। ন্যাশ ওকে দেখেই চিনতে পারল-কেননা ও দেখতে প্রায় ওর মা এর মতনই হয়েছে,
বিস্তারিত»ঘুম না এলে জানালা খুলে দেই।কিছু অস্বস্তি
ফিনিক্স হয়ে জড়িয়ে থাকে সব নির্ঘুমের রাত।
গরাদের কারুকাজ দেখি আকাশের গায়ে।
রূপটান মেখে স্বপ্নসওয়ারী চাঁদ ঘুমায়
বৃহস্পতি শনি কররেখায় দোলঘুমে।
গোল্লাছুট ইচ্ছে রেটিনার লকারে
সিনপসিসে মেশে পাখি আর রাত।
মসলিন ডানার ঝাপটায় উসকে দিয়ে
নিঃশব্দ অশ্রু
শব্দহীন যন্ত্রণা
ধুসর অনিশ্চয়তা
আলতো উড়িয়ে দেই কিছু রাতপাখি।
এ প্রভাত ভরেছে আলোয়, জুড়েছে প্রানের মেলায়।
এ সময় হয়েছে বুঝি শুধুই বয়ে যাওয়ায়।
এ কোন স্রোতে ভেসেছি আমি, এ কোন জলের ডাক!
এ কোন মায়ায় ডুবেছি আমি, এ কোন পথের বাঁক!
এ আকাশ থেকেছে একা, গহন মেঘে ঢাকা,
এ বাতাস ছুয়েছে একা, বেদনার রংয়ে মাখা।
এ সাঁঝে তবু ফিরেছি কোথায়, খুজেছি কোথায় নীড়,
এ রাতে তবু জেগেছি মিছেই,
সেই ঝরনা, গোধূলিবেলায় এক ঝাক পাখি
জীবনের স্রোতে ক্লান্ত হয়ে- নিষ্ফল ডাকাডাকি।
সেই জ্যোৎস্না, নীশিথরাতে এক ঝাক তারা
সময়ের স্রোতে শ্রান্ত হয়ে- কেঁদে কেঁদে হয় সারা।
আছো কী তুমি বন্ধু আমার, গহন নদীর বাঁকে?
আছো কী তুমি বন্ধু আমার, উথাল প্রানের বাঁকে?
এই নদীজল, এই সমতল;
এই ঝরনা, এই চরাচর;
এ সবই মায়া, মিছে মরিচীকা।
এ সবই ছায়া,
আমার ফেইসবুকের প্রোফাইলে রিলিজিয়ন এর ঘরে লেখা ক্রিকেট। এটা খেয়াল করে কোন এক বড় ভাই একদিন জিজ্ঞাসা করেছিলেন। উত্তরটা তৎক্ষণাৎ দিতে পারি নাই। কারণ এক লাইনে বলার মত ছিলো না। কারণ যেটা সেটা হলো, আমি কোন ক্রিকেট বোদ্ধা নই। ব্যাট-বল জীবনে ক’বার ছুঁয়ে দেখেছি বলে দেয়া যাবে। খেলোয়াড়ি জীবন বলতে ১৯৯৫ সালে ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের একটুকরো জমিতে টেলএন্ডার/দুধভাত হিসেবে বিপদে পড়ে ব্যাটিং করতে নামা।
বিস্তারিত»ভালো গান শুনলে কাঁদি।
ভালো কবিতা শুনলে কাঁদি।
মানুষের দুঃখে কাঁদি।
মা মারা গেছে, চোখে পানি আসছে না।
আমার মনে পড়ে মায়ের দুঃখে কেদেছি, মায়ের চোখে পানি দেখে কেদেছি।
মার ক্যান্সার যখন ধরা পড়লো ২০০৫ এ সেই খবর ফোনে পেয়ে কেদেছি।
২০০৯ এ আব্বা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লো। বাচে কি মরে এই অবস্থা।
একটি সাম্প্রতিক চলমান বিষয়ের উপর অনুভূতি জানাতেই এটা লিখা। বিষয়টিতে উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ প্রক্রিয়ার বিশ্লেষন ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্য না খোজার জন্য অনুরোধ করছি।
মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর টেলিফোন কথোপকথন শুনলাম। দুজনেই প্রস্তুতি নিয়েই যে কথা বলতে বসেছিলেন তা পরিষ্কার বুঝলাম।
আমার মনে হলো, মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রীর মূল প্রস্ততুতি ছিল দুটি লক্ষ অর্জনে: ১) তাঁর টেলিফোনটি যে ডেড ছিল,
বিস্তারিত»সিসিবি সার্ভারের স্থানান্তরকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিসিবি ব্যবহারকারি কেউ সাইট ব্যবহারে কোন সমস্যা/অসুবিধার সম্মুখীন হলে দয়া করে নিচে মন্তব্যে আপনার সমস্যা/অভিযোগ শেয়ার করুন। সাময়িক অনুপস্থিতির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। হ্যাপি ব্লগিং
বিস্তারিত»