ডাকটা ঠিক কোথা থেকে আসছে আবীর তা বুঝে উঠতে পারল না। এই রকম মিষ্টি একটা গলায় কে ডাকে তাকে এই খোলা রাস্তায়? আর গলাটাও কেমন জানি চেনা চেনা লাগছে তার। অনেক আগে শুনেছিল ,এখন ঠিক মনে করতে পারছে না। মুহূর্তের মধ্যেই এতসব ভেবে উল্টো ঘুরতেই যা দেখল তাতে তার চোখদুটো আপনাআপনি বড় হয়ে গেল আবীরের। রাস্তা দিয়ে একরকম দৌড়েই তার দিকে আসছে একটি মেয়ে। একটি মেয়ে বললে অবশ্য ভুল হবে,
বিস্তারিত»ওয়েস্টার্নঃ ঠান্ডা প্রতিশোধ! ৫ম পর্ব
৯।
পরদিন একটু বেলা করেই আর্থারের বাড়িতে গেল ন্যাশ। বাড়িটা দিনের আলোয় ভাল করে দেখতে পেল। ছোট-খাট হওয়া স্বত্তেও সুন্দর করে সাজানো। সামনে ছোট্ট একটি ফুলের বাগান, দেখেই বোঝা যায় নিয়মিত যত্ন নেয়া হয়। দরজা নক করার কিছুক্ষণ পরই দরজা খুললো র্যাচেল। ন্যাশ ওকে দেখেই চিনতে পারল-কেননা ও দেখতে প্রায় ওর মা এর মতনই হয়েছে,
বিস্তারিত»উড়াই প্রেম
ঘুম না এলে জানালা খুলে দেই।কিছু অস্বস্তি
ফিনিক্স হয়ে জড়িয়ে থাকে সব নির্ঘুমের রাত।
গরাদের কারুকাজ দেখি আকাশের গায়ে।
রূপটান মেখে স্বপ্নসওয়ারী চাঁদ ঘুমায়
বৃহস্পতি শনি কররেখায় দোলঘুমে।
গোল্লাছুট ইচ্ছে রেটিনার লকারে
সিনপসিসে মেশে পাখি আর রাত।
মসলিন ডানার ঝাপটায় উসকে দিয়ে
নিঃশব্দ অশ্রু
শব্দহীন যন্ত্রণা
ধুসর অনিশ্চয়তা
আলতো উড়িয়ে দেই কিছু রাতপাখি।
পাব কী?
এ প্রভাত ভরেছে আলোয়, জুড়েছে প্রানের মেলায়।
এ সময় হয়েছে বুঝি শুধুই বয়ে যাওয়ায়।
এ কোন স্রোতে ভেসেছি আমি, এ কোন জলের ডাক!
এ কোন মায়ায় ডুবেছি আমি, এ কোন পথের বাঁক!
এ আকাশ থেকেছে একা, গহন মেঘে ঢাকা,
এ বাতাস ছুয়েছে একা, বেদনার রংয়ে মাখা।
এ সাঁঝে তবু ফিরেছি কোথায়, খুজেছি কোথায় নীড়,
এ রাতে তবু জেগেছি মিছেই,
যদি জানতে
সেই ঝরনা, গোধূলিবেলায় এক ঝাক পাখি
জীবনের স্রোতে ক্লান্ত হয়ে- নিষ্ফল ডাকাডাকি।
সেই জ্যোৎস্না, নীশিথরাতে এক ঝাক তারা
সময়ের স্রোতে শ্রান্ত হয়ে- কেঁদে কেঁদে হয় সারা।
আছো কী তুমি বন্ধু আমার, গহন নদীর বাঁকে?
আছো কী তুমি বন্ধু আমার, উথাল প্রানের বাঁকে?
এই নদীজল, এই সমতল;
এই ঝরনা, এই চরাচর;
এ সবই মায়া, মিছে মরিচীকা।
এ সবই ছায়া,
নামঃ ক্রিকেট, বয়সঃ ক্রিকেট, ধর্মঃ ক্রিকেট, পেশাঃ আমজনতা, জাতীয়তাঃ বাঙলাদেশি
আমার ফেইসবুকের প্রোফাইলে রিলিজিয়ন এর ঘরে লেখা ক্রিকেট। এটা খেয়াল করে কোন এক বড় ভাই একদিন জিজ্ঞাসা করেছিলেন। উত্তরটা তৎক্ষণাৎ দিতে পারি নাই। কারণ এক লাইনে বলার মত ছিলো না। কারণ যেটা সেটা হলো, আমি কোন ক্রিকেট বোদ্ধা নই। ব্যাট-বল জীবনে ক’বার ছুঁয়ে দেখেছি বলে দেয়া যাবে। খেলোয়াড়ি জীবন বলতে ১৯৯৫ সালে ঢাকা সেনানিবাসের মইনুল রোডের একটুকরো জমিতে টেলএন্ডার/দুধভাত হিসেবে বিপদে পড়ে ব্যাটিং করতে নামা।
বিস্তারিত»মা, নেই
ভালো গান শুনলে কাঁদি।
ভালো কবিতা শুনলে কাঁদি।
মানুষের দুঃখে কাঁদি।
মা মারা গেছে, চোখে পানি আসছে না।
আমার মনে পড়ে মায়ের দুঃখে কেদেছি, মায়ের চোখে পানি দেখে কেদেছি।
মার ক্যান্সার যখন ধরা পড়লো ২০০৫ এ সেই খবর ফোনে পেয়ে কেদেছি।
২০০৯ এ আব্বা ভীষণ অসুস্থ হয়ে পড়লো। বাচে কি মরে এই অবস্থা।
মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর টেলিফোন কথোপকথন বিষয়ক অনুভূতি
একটি সাম্প্রতিক চলমান বিষয়ের উপর অনুভূতি জানাতেই এটা লিখা। বিষয়টিতে উচ্চপর্যায়ে যোগাযোগ প্রক্রিয়ার বিশ্লেষন ছাড়া অন্য কোন উদ্দেশ্য না খোজার জন্য অনুরোধ করছি।
মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী ও মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর টেলিফোন কথোপকথন শুনলাম। দুজনেই প্রস্তুতি নিয়েই যে কথা বলতে বসেছিলেন তা পরিষ্কার বুঝলাম।
আমার মনে হলো, মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রীর মূল প্রস্ততুতি ছিল দুটি লক্ষ অর্জনে: ১) তাঁর টেলিফোনটি যে ডেড ছিল,
বিস্তারিত»সিসিবি সার্ভারের স্থানান্তর কাজ সম্পন্ন হয়েছে
সিসিবি সার্ভারের স্থানান্তরকাজ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সিসিবি ব্যবহারকারি কেউ সাইট ব্যবহারে কোন সমস্যা/অসুবিধার সম্মুখীন হলে দয়া করে নিচে মন্তব্যে আপনার সমস্যা/অভিযোগ শেয়ার করুন। সাময়িক অনুপস্থিতির জন্য আমরা আন্তরিকভাবে দু:খিত। হ্যাপি ব্লগিং
বিস্তারিত»সাংবাদিকতা: টানটান উত্তেজনার যেই জীবন
সাংবাদিকতার বিষয়টি কিভাবে প্রথম মাথায় এসেছিল মনে করতে পারছি না। আমার পরিবার বা ঘণিষ্টজনদের মধ্যে এ পেশায় কেউ তখনো ছিলেন না। এইচএসসি পাশের পর যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতিতে ভর্তি হলাম, প্রায় একই সাথে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকতাও শুরু করেছিলাম। কেউ সে সময় শেখায়নি। সৃজনশীল লেখালেখি করতাম ক্যাডেট কলেজে থাকতে আর সংবাদপত্র পাঠের আগ্রহ ছিল ভীষণ। ফলে সংবাদ লেখার ভাষাটা পাঠ থেকেই রপ্ত করেছিলাম।
তবে এটা স্পষ্ট মনে করতে পারি,
বিস্তারিত»জাতীয় সবজি মুলা এবং সমকালীন ভাবনা
হরতালের মৌসুমে বাজারে এল শীত(শিট)কালীন সবজি মুলা।মুলাকে কেন সবজি বলা হল,কেন এটাকে আগ্নেয়াস্ত্র বলা হল না?আপেলকে কেন ফল বলা হল,সবজির চেয়ে সেটা কোনদিকে উচ্চতর? এই দ্বিধা আমার এখনও দুর হয় নাই।কথা সেটা নয় কথা হচ্ছে হরতালি এবং দুরে দাড়ায়ে করতালি দেয়া ভাইদের এখন ঈদ।অবিসংবাদিত সবজি মুলা এখন বাজারে । রুখবে তাদের কে? মুলা কিভাবে জাতীয় জীবনে সুখ এবং সমৃদ্ধি আনতে পারে?
১। কষ্ট এবং ঝুঁকি নিয়ে মোরগপুচ্ছ(ককটেল),
বাংলাদেশ নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজঃ আমার প্রেডিকশন
বাংলাদেশের সবগুলো মানুষকে একই সূতাই গেঁথে ফেলার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ক্রিকেট। দেশের বর্তমান অচলাবস্থায় একমাত্র ক্রিকেটই পারে মনে একটু শান্তির পরশ বুলিয়ে দিতে। বাংলাদেশ গত কয়েকটি সিরিজে ওয়ানডেতে খুব ভালো পারফর্ম করছে। তাছাড়া প্রতিপক্ষ যখন নিউজিল্যান্ড প্রত্যাশাটা তখন এমনি একটু বেশি হয়ে যায়। তবে নিউজিল্যান্ড কিন্তু খুবই ভালো দল। বিশেষ করে ওয়ানডেতে। ২০১০ এ আমাদের কাছে ৪-০ তে হারলেও ওরা কিন্তু ঠিকই ২০১১ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে গিয়েছিল।
বিস্তারিত»অসম্পৃক্ত ব্যবধান
অথচ আমি মৃত নই;
শুধু তোমার পাঠ্যবইয়য়ের শেষের পাতায়।
সেখানে চাওনি যেতে তাই
দুপুরবেলা ধূলো জমে আমার কালো কায়।
তোমার অপেক্ষাই ভাললাগায়!
রাতের উপকূলে
হুট করে বেজে ওঠা পতঙ্গের পাখায়
জমে থাকা কষ্টের যে গান শুনেছিলে,
পতনশীল দুঃস্বপ্ন থেকে সে কি ঘুম ভাঙায়?
কার অপেক্ষায় চোখ ফিরে যায়,
নির্লিপ্ত জানালায়?
পৃথিবীর কম্পনে আড়ি পেতেছিলে,
বিস্তারিত»আমরা আর লিখিনা
সিসিবি তে অনেকদিন লিখা হয় না। জানিনা কেন। এমন না যে অন্য কোথাও লিখি। লিখি ই না। পড়ি ও না কোন বই। হয়তো কোন সম্পর্ক আছে দুটোর মধ্যে।
আমার আজকাল ওপাড়ের জীবন টা কে মনে পড়ে। আজ একটা কনফারেন্স এর অর্গানাইজার ছিলাম। ৬-১২ এর বাচ্চাদের কনফারেন্স। ওদের মধ্যে কি তীব্র আগ্রহ! কি নির্ভীক!! সব ভেঙ্গেচুরে শিখরে উঠে যাবার কি তীব্র উদ্যম!!! আর সবথেকে বড়…
চলে গেলেন নুরুল ইসলাম স্যার…
ক্যাডেট কলেজের মা-বাবা ছাড়া দিনগুলিতে কিছু মানুষের নিবিড় স্নেহ-মমতা আমাদের আজীবন ঋণী করে রেখেছে। আমাদের সবার প্রিয় ম্যাথাম্যাটিক্সের নুরুল ইসলাম স্যার তাঁদের অন্যতম প্রধান। ক্যাডেটদের স্বভাবসিদ্ধ ‘শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা’র উর্ধের এই মানুষটি ছিলেন দার্শনিক গোত্রের। তিনি কেন রাগ করতে পারেন না, বা করেন না – এটাই আমাদের কাছে বিস্ময়ের বিষয় ছিল। অন্যদের বেদম প্রহারে যা হত না – নুরুল ইসলাম স্যারের ‘কি রে বেটা!’ ‘স্টুপিড’
বিস্তারিত»