বাংলাদেশের সবগুলো মানুষকে একই সূতাই গেঁথে ফেলার একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ক্রিকেট। দেশের বর্তমান অচলাবস্থায় একমাত্র ক্রিকেটই পারে মনে একটু শান্তির পরশ বুলিয়ে দিতে। বাংলাদেশ গত কয়েকটি সিরিজে ওয়ানডেতে খুব ভালো পারফর্ম করছে। তাছাড়া প্রতিপক্ষ যখন নিউজিল্যান্ড প্রত্যাশাটা তখন এমনি একটু বেশি হয়ে যায়। তবে নিউজিল্যান্ড কিন্তু খুবই ভালো দল। বিশেষ করে ওয়ানডেতে। ২০১০ এ আমাদের কাছে ৪-০ তে হারলেও ওরা কিন্তু ঠিকই ২০১১ বিশ্বকাপে সেমিফাইনালে গিয়েছিল।
বিস্তারিত»অসম্পৃক্ত ব্যবধান
অথচ আমি মৃত নই;
শুধু তোমার পাঠ্যবইয়য়ের শেষের পাতায়।
সেখানে চাওনি যেতে তাই
দুপুরবেলা ধূলো জমে আমার কালো কায়।
তোমার অপেক্ষাই ভাললাগায়!
রাতের উপকূলে
হুট করে বেজে ওঠা পতঙ্গের পাখায়
জমে থাকা কষ্টের যে গান শুনেছিলে,
পতনশীল দুঃস্বপ্ন থেকে সে কি ঘুম ভাঙায়?
কার অপেক্ষায় চোখ ফিরে যায়,
নির্লিপ্ত জানালায়?
পৃথিবীর কম্পনে আড়ি পেতেছিলে,
বিস্তারিত»আমরা আর লিখিনা
সিসিবি তে অনেকদিন লিখা হয় না। জানিনা কেন। এমন না যে অন্য কোথাও লিখি। লিখি ই না। পড়ি ও না কোন বই। হয়তো কোন সম্পর্ক আছে দুটোর মধ্যে।
আমার আজকাল ওপাড়ের জীবন টা কে মনে পড়ে। আজ একটা কনফারেন্স এর অর্গানাইজার ছিলাম। ৬-১২ এর বাচ্চাদের কনফারেন্স। ওদের মধ্যে কি তীব্র আগ্রহ! কি নির্ভীক!! সব ভেঙ্গেচুরে শিখরে উঠে যাবার কি তীব্র উদ্যম!!! আর সবথেকে বড়…
চলে গেলেন নুরুল ইসলাম স্যার…
ক্যাডেট কলেজের মা-বাবা ছাড়া দিনগুলিতে কিছু মানুষের নিবিড় স্নেহ-মমতা আমাদের আজীবন ঋণী করে রেখেছে। আমাদের সবার প্রিয় ম্যাথাম্যাটিক্সের নুরুল ইসলাম স্যার তাঁদের অন্যতম প্রধান। ক্যাডেটদের স্বভাবসিদ্ধ ‘শিক্ষকদের নিয়ে আলোচনা’র উর্ধের এই মানুষটি ছিলেন দার্শনিক গোত্রের। তিনি কেন রাগ করতে পারেন না, বা করেন না – এটাই আমাদের কাছে বিস্ময়ের বিষয় ছিল। অন্যদের বেদম প্রহারে যা হত না – নুরুল ইসলাম স্যারের ‘কি রে বেটা!’ ‘স্টুপিড’
বিস্তারিত»পোড়া পতাকার গন্ধ
আমার গায়ে এই যে জার্সিটা দেখছেন, সেটা খুব পরিচিত লাগছে, তাইনা? হুম, লাগতেই হবে। এশিয়া কাপে আমরা এই জার্সি পরে খেলেছি। ভারত আর শ্রীলংকাকে ঘোষণা দিয়ে হারিয়েছি। ফাইনালে পাকিস্তানকে হারিয়ে কাপ উঁচিয়ে ধরতে পারিনি। বরং সাকিব-মুশফিক-নাসিররা মাথা নিচু করে কেঁদেছে। বাঙালির চোখের নোনতা জলে ভিজেছে এই লাল-সবুজের জার্সি। জানেন, আমি খুব কষ্ট পেয়েছিলাম। খুব কষ্ট।
খুব বেশি কষ্ট পেলে আমি বারান্দায় চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকি।
বিস্তারিত»রেস্ট ইন পিস আমার অন্য সত্বা…
রাত বাজে ১.২২ মা রাগারাগি করছে ঘুমাতে যাবার জন্যে। আর আমি পাগল হয়ে খুঁজছি আমার কলেজের ডাইরী টা।
আমার কলেজে থাকতে লেখা সব কথা, সব স্বপ্ন।
ভার্সিটির এক বন্ধু বলেছে আমি বাংলা পারিনা। তাকে একটু শো অফ না করলে তো আর হয়না তাই ব্লগের লিঙ্ক দিলাম।
স্রোতের মতোন চারিদিকে ঘিরে ধরলো আমাকে হারিয়ে আসা দিনগুলি।
হারিয়ে আসাই বটে। ফিরে পাবার নয় যা- হারিয়ে আসাই তো নাকি?
ওয়েস্টার্নঃ ঠান্ডা প্রতিশোধ! ৪র্থ পর্ব
৭।
ভোরের আলো ফোঁটার আগেই বের হয়ে পড়ল ন্যাশ। শেরিফকে কারসন সিটির কথা না বলে ভূমি জরিপের কথা বলেছে ও। কারো মনে অযাচিত কৌতুহল উদ্রেক আপাতত না করাই ভাল হবে। দুই দিনের মত খাবার সাথে নিয়ে বের হচ্ছে- আশা করছে নদীর তীরবর্তী এলাকা হবার কারনে শিকার বা মাছের অভাব হবে না।
বিস্তারিত»বাঙলাদেশ – একটি স্বপ্ন
গত রাতে ঘুমানোর আগে টেলিভিশনে শেখ হাসিনা এবং খালেদা জিয়ার পালটা পালটি বক্তব্য শুনেছিলাম। সে কারনেই হোক নাকি ইতোপূর্বে সরকারী কর্ম জীবনে উভয়ের কাছাকাছি যাওয়ার সৌভাগ্য হওয়ার কারনেই হউক, শেষ রাতে উভয়কে স্বপ্নে দেখলাম। উভয়ের চেহারার মধ্যেই কেমন একটা উপায় উদ্ভাবনীর মিষ্টি আভাষ উপলব্ধি করলাম। স্বপ্ন ছিল বলেই হয়তোবা আমাদের আশেপাশে আর কেউ ছিলনা।


দেশের কথা উঠতেই উভয়েই আমাকে প্রায় একসাথে বলে উঠলেন যে তাদের উভয়েই আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমস্যার সমাধান করতে ইচ্ছক।
মুক্তি ৩
আমাদের বিচ্ছেদ ছিল কয়েক মাসের
এর মাঝেই তুমি
অন্যপুরুষের কাছে আশ্রয় খুঁজতে গিয়েছ।
শুনেছি ওরা প্রথমেই তোমার শরীরের ফিটনেস জানতে চেয়েছিল
তুমি লজ্জায় কুঁকড়ে গিয়ে বলেছিলে,
মেয়ে মানুষের ওসব বলতে নেই
এই ভেবে আশ্চর্য হও তুমি,
তোমার মনের গভীরতার চেয়ে ওদের কাছে
ফেয়ারনেসটাই বেশি প্রায়োরিটি পেতো।
তুমি ভালোবাসার দারুন দুঃসময়ে জন্মেছো ভেবে
আমাকেই কি মনে পড়তো না?
রজনীগন্ধা
রজনীগন্ধা তোমার অনেক প্রিয় ছিল
জেনেছিলাম যেদিন প্রথম কথা বলা –
রমনায়; সুশীতল ছায়াবীথি তলে।
সবুজের ভীড়ে দুজন মানব মানবীর যেন
অকারণ হারিয়ে যাওয়া, হাতে হাত ধরে।
সেদিন থেকে রজনীগন্ধা আমারো অনেক প্রিয়,
হাজারো ফুলের বিচিত্র রঙ্গিন সমাহারে –
আমি রজনীগন্ধা খুঁজে ফিরি অজান্তেই।
সেসব আজ সবই বিস্মৃতির অতলে ডুবে চলেছে,
বিস্তারিত»মৃত্যুর আগে
-১-
গতকাল হুমায়ূন কবির সাহেব কলকাতা এসেছেন শুনে জীবনানন্দ সকাল সকাল তাঁর বাসায় চলে এসেছেন। কিন্তু আজকেও হুমায়ূন কবির সাহেবের সাথে দেখা হল না। পিএ যদিও বলল উনি বাড়িতে নেই, তবু সাক্ষাতের জন্য আসা এত লোকজন আর গাড়ি বারান্দায় দাড়ানো গাড়ি বলে দিচ্ছে একজন নিঃস্ব কবির সাথে দেখা করে চাকরির আর্জি শোনার চাইতে আরো অনেক বড় কাজ আছে মন্ত্রী মশায়ের। দুই মাস আগে একবার কবির সাহেবের সাথে দেখা হয়েছিল।
বিস্তারিত»আমলাতন্ত্রঃ সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড ও সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া – ২
পূর্ববর্তী পর্বসমূহঃ
অধ্যায় ১ – ১ম পর্ব
(গত পর্বের পর)
টেক্সাসের হান্টসভিলিতে সর্বোচ্চ সতর্কতা সম্পন্ন কারাগারের সুশৃঙ্খল পরিবেশ দেখে চমকে উঠেছিলেন অধ্যাপক জন ডি’উলিও। সাজাপ্রাপ্ত আসামীরা পরিষ্কার সাদা পোষাক পরিহিত, নিঃশব্দে ঘুরে বেড়াচ্ছে, কারারক্ষীদের ‘স্যার’ বা ‘বস’ বলে সম্বোধনপূর্বক সম্মান বজায় রেখে কথা বলছে। নতুন মানুষ হিসেবে ডি’উলিও কে দেখে কেউ তার সাথে কথা বলতে আসে নি।
বিস্তারিত»ডাক্তারের কাছে গেলেই টেস্ট দেয়
প্রাক কথন-
দক্ষিন বাড্ডার বাসিন্দা আলতাফ হোসেন ( বিএসসি) সাহেবের মেয়ে ” তৃপ্তি” এ বছর সরকারী মেডিক্যাল কলেজ থেকে পাশ করেছে। বড্ড খেয়ালী মেয়ে, আলতাফ সাহেবের ছোট ভাইয়ের মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে ইন্টার মিডিয়েট পড়বার সময়, তৃপ্তির বান্ধবী রুমী সেদিন তার বর নিয়ে চা খেয়ে গেল বাসায়, অথচ তৃপ্তির সেই দিকে কোন নজর নেই, পড়াশুনা শেষ করতে হবে বলে বলে আজ এই ছয় বছর বিয়ে করেনি।
বিস্তারিত»আমলাতন্ত্রঃ সরকারী প্রতিষ্ঠানের কর্মকান্ড ও সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া – ১
প্রারম্ভিকাঃ এই সেমিস্টারে একটি বিষয় নিয়ে পড়ছি যার নাম পাবলিক সেক্টর ম্যানেজমেন্ট। সেখানে দেয়া পাঠ্যবই গুলোর একটি হলো Bureaucracy: What Government Agencies Do and Why They Do it. লিখেছেন James Q. Wilson, মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও গণ-প্রশাসন অধ্যাপক, হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়। অনুবাদ করার মত কোন বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম নয় এটি। তবে ১৯৮৯ সালে প্রথম ছাপানো এই বইটি সমগ্র আমেরিকার গণ-প্রশাসন বিষয়ক পড়াশোনার পাঠ্যবই হিসেবে বহুদিন ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
বিস্তারিত»