আমরি বাংলাদেশ

যতদূর যাও, যেখানেই যাও
দেখিবে আনিন্দ্য সুন্দর আমরি বাংলাদেশ
আছে চির সবুজের স্নিগ্ধতা ,
 

যদি ফিরি পৃথিবীতে পূর্ণবার
খুঁজে নেবো ঠিকানা তমার-আমরি বাংলাদেশ
বৈশাখ জৈষ্ঠ মিলে আছে তোমার গ্রীষ্মের প্রখরতা ।
 

আকাশ উদাস, চোখ ছল ছল-
আঝড়ে ঝড়ে জল আর জল ,
বর্ষার বৃষ্টি আনে প্রসন্নতা ,
 

এতো স্রোষ্টার সৃষ্টি, তারই মাঝে বৃষ্টি
মেঘে মেঘে আকাশ, মৃদু মন্দ বাতাস,
এখানেই হয়ে গেল শরতের শেষ।
 

হে অনন্ত, আমরি দিয়েছো হেমন্ত,
না গ্রীষ্ম, না শীত এযে ন স্বর্গীয় সুখ,
কাশবনে দেখি আমরি দেশের মুখ ।

 

প্রকৃতি কূয়াশায় ভেজা, দৃষ্টি আবছা,
তবে শীত কেবলই ঠান্ডা নয়,
আছে পায়েস পিঠার উষ্ণতা,গড়ে উঠে আত্মীয়তা।

 

সব আলসতা ঝেড়ে আসে বসন্তের উচ্ছলতা
কোকিলের ডাক, ফুলের সৌরভ,
সেতো আমরি বাংলাদেশ, আমরি গৌরব ।

৮৪১ বার দেখা হয়েছে

৩ টি মন্তব্য : “আমরি বাংলাদেশ”

  1. রাজীব (১৯৯০-১৯৯৬)

    আপনার কিছু বানান চোখে লেগেছে। যেমন স্রোষ্টা।
    অবশ্য রবিবাবু নাকি গোরু লিখতেন।


    এখনো বিষের পেয়ালা ঠোঁটের সামনে তুলে ধরা হয় নি, তুমি কথা বলো। (১২০) - হুমায়ুন আজাদ

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।