ভরা যৌবনেও যে বাঙালি কবিগুরুর সন্ধান পায়নি,
তার চিত্তের মাঝে দৈন্য আছে, কিছু সমস্যা আছে।
যে বাঙালি যুবক তার কবিতা কিংবা গল্প পড়েনি,
সে তো জানলোনা সে কতটুকু আত্মবঞ্চিত হয়েছে।
প্রেমে পড়েও যে বাঙালির প্রেমিক চিত্ত রবীন্দ্র সংগীত শুনে
একটুও দোলায়িত হয়নি্, সত্য ও সুন্দরের সন্ধান করেনি,
নদী ও জ্যোতস্নাকে ভালোবাসেনি, বিরহী পাখীর কূজনে
প্রিয়ার কন্ঠ শোনেনি, সে যুবকের কিছু সমস্যা আছে।
কবিতা নয়, দীর্ঘশ্বাস লিখি
কেমন আছো, প্রিয়তা? সেলফোন, স্কাইপ, ভাইবার… কতকিছু আছে
তবু কথা নেই বহুদিন, নেই আসা কাছে।
ভালো আছি, খুব ভালো আছি আমি। স্বচ্ছল সদয় স্বামী, দুটি ফুটফুটে বাবু।
এখনও কি তেমনি আছেন, এলোচুল, উস্কোখুস্কো, বড় অগোছালো, পোশাকে-স্বভাবে হাবুগাবু?
নিউজে দেখলাম, ওখানে ভীষণ শীত, তুষার ঝড়, হিমাঙ্কের বহু নিচে নেমে আছে পারদের চুড়ো।
বুড়ো সান্তাক্লজ তো বিদায় নিল, তো শীত কেমন দাঁত বসাচ্ছে তোমাদের?
ধম্মপদ ও তাঁর কিছু বাণী

ধম্মপদ ও তাঁর কিছু বাণী
————— ড. রমিত আজাদ
ধম্মপদ (পালি; প্রাকৃত: धम्मपद; সংস্কৃত: धर्मपद ধর্মপদ) হল কবিতার আকারে লেখা গৌতম বুদ্ধের বাণীর একটি সংকলন গ্রন্থ। এটি বৌদ্ধধর্মের সর্বাধিক পঠিত ও সর্বাধিক পরিচিত ধর্মগ্রন্থ। মূল ধম্মপদ গ্রন্থটি থেরবাদ বৌদ্ধধর্মের পালি ধর্মগ্রন্থ খুদ্দক নিকায়-এর অন্তর্গত।
পালি সুত্তপিটকের (সুত্রপিটকের) পাঁচটি নিকায় বা অংশ; তার পঞ্চমটির নাম খুদ্দক নিকায়। খুদ্দক নিকায় ১৬টি পুস্তকের সমষ্টি;
বিস্তারিত»প্রসঙ্গ: জঙ্গীবাদ, ক্যাডেটীয় ভ্রাতৃত্ববোধ এবং কিছু বিক্ষিপ্ত ভাবনা
[শিরোনাম দেখে যদি কেউ ধরে নেন ক্যাডেট কলেজ এবং এক্স ক্যাডেটদের বিষোদাগার করবার জন্য লিখছি, তাহলে অনুরোধ করব দয়া করে লেখাটা নির্মোহভাবে পড়ুন। আমার পুরো লেখাটার উদ্দেশ্যই সমস্যাটার মূল বোঝার চেষ্টা করা এবং সমাধানের পথ খোঁজা]
এক
আমাকে যদি সত্যিকার অর্থে আমার জীবনের সবচাইতে বড় সৌভাগ্যগুলোর মধ্যে পাঁচটা বেছে নিতে বলে, তাহলে সম্ভবত আমি প্রথমেই বলব ক্যাডেট কলেজের কথা। কথাটার মাঝে আবেগ যতটুকু তারচেয়ে নির্মোহভাবে প্রাপ্তির হিসাব নিকাশ কোন অংশে কম নয়।
বিস্তারিত»হৃদয়ের গল্প
আমার হৃদয় কপাট রেখেছি খুলে
চারিধারে তার হা হা করে শূণ্যতা
সুনীল নয়না চোখ রেখে ফোটা ফুলে
জেনে গেছে নাকি ভালোবাসা পূণ্য, তা?
আমার হাতের আংটি রেখেছি তুলে
কোনদিন কেউ হাতে রাখে হাত যদি
এলোমেলো ভেলা কার মনে ওঠে দূলে
কেউ ভাবে নাকি পার হবে ভরা নদী
আমার হৃদয়ে জমা আছে ভালবাসা
হাতের তালুতে রাখা আছে মালাখানি
তোমার চোখে যে ঝলমলে রঙ ভাষা
তুমিই পরাবে এই মালা আমি জানি
বিস্তারিত»কোয়াড্রোলজি ~ পর্ব ১ | আমরা যদি না জাগি মা . . .
স্কুলছাত্র মুনীরের গায়ে আগুন, লেগুনায় আগুনে ছয় জন অগ্নিদগ্ধ, ককটেল আক্রান্ত চলন্ত মাইক্রোবাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, সিএনজিতে আগুন চালক অগ্নিদগ্ধ, শাহবাগে বাসে পেট্রল বোমা ঊনিশ জন ঢাকা মেডিক্যাল বার্ণ ইউনিটে, বাসে অগ্নিদগ্ধ যুবকের মৃত্যু । এ যেনো ছোটোবেলার অবিরাম গল্প বলা প্রতিযোগিতার মতন এক বিরামহীন রুপকথার কুরুক্ষেত্র ।
ত্যাগের মহিমায় বাঙ্গালীর ইতিহাস অনেক গৌরবের । পৃথিবীর বুকে অনন্য । সময়ের প্রয়োজন ও সামাজিক বিবর্তন দেশে দেশে এমন ত্যাগের প্রয়োজন হাজির করেছে,
বিস্তারিত»কারিকা ২
অডিও ব্লগঃ পথ ছিল যত জুড়িয়া জগত
প্রথমে ভাবলাম এপ্রিল শাওয়ার বুঝি ছলনাময়ী নারীর মত তার ষোলকলার একটি দেখাতে ব্যস্ত। দুপুর থেকেই লেকপাড়ের এই শহর জুড়ে ঘনঘোর আঁধার। যদিত্ত ন’আনা ছ’আনা বৃষ্টির অধিক কিছুই ছিলনা আকাশের ঝুলিতে। বাদলাদিনের শোধ তুলতে দিনশেষে মৃতপ্রায় ফিকে রোদ এসে জানিয়ে গেছে স্বীয় অধিকার। তারপর আবারও রথের মেলায় হারিয়ে যাওয়া ক্রন্দসী বালিকার মত অবিরাম রিমঝিম। লাল ঝুঁটির একটা কাডর্িনাল তার চিলেকোঠার রাজবাড়িতে ঘোরলাগা মানুষের মত তাকিয়ে আছে দূরে কোথাও।
বিস্তারিত»মানুষ যেনো কোরো না আমায়!
‘মানব’ ও ‘অধিকার’। এই শব্দ দু’টো কেন যেন আমায় টানে না। অনেকদিন ধরে মানবাধিকার নিয়ে প্রতিবেদন লেখা এবং বিশ্লেষন করার পরও ‘মানবাধিকার’ শব্দের কোন অর্থ মালুম হয়নি। আসলে মানবকে মানব না মনে করলে এই শব্দটির আভিধানিক অর্থ খোঁজার অর্থ আমি দেখি না। প্রায় সাতাত্তর বছর ধরে এ পৃথিবীর মানুষ অধিকারের কথা শুনে আসছে। মানবাধিকারের ঝান্ডাবাহী অনেক দেশ ও সংস্থা প্রতিনিয়তই শুনিয়ে আসছে যে মানুষের অধিকার থাকতে হবে এবং তা সমুন্নত রাখতে হবে।
বিস্তারিত»~ দুর্মূল্যের ভুল ~
নীতা, পরমিতা,
তোমার পেলব পিঠের
কোমল চাতুর্য ভেঙে
কৌশলী তাঁত
তুলেছে নির্মম দেয়াল।
খেয়ালী চুল
যেনো সে দৈর্ঘ্য শুন্যতায়
হয়েছে সংক্ষিপ্তে আকুল।
পূর্ণ চোখ
আর চন্দ্রাপ্লুত ওষ্ঠ।
ফ্রেমে ধরেছে
মোহিনী হাসির ধাঁধায়
বাঁধা পড়া ছবিখানা স্পষ্ট।
কানের শেষে
ঝুলে আছে দুল, চঞ্চল ফুল।
আহা ! হৃদয় আকুল !
স্মৃতি খুঁড়ে খুঁড়ে
আজ বহুদিন পর ফজলুল করিম স্যারের কথা ভীষণ মনে পড়ছে। আমাদের এফ কে স্যার। বছরের শেষ দিকটায় তিন/চার দিন জুড়ে কলেজে যখন ক্রিকেটের ধুম মৌসুম, সে সময় আমরা এফ কে স্যারকে ব্যাটে-বলে মাঠে নেমে পড়তে দেখতাম প্রিয় ছাত্রদের সাথে। তাঁর চোখে-মুখে তারুণ্যের অরুণ আলোর ঝিলিক। তাঁর হৃদয়ে ধানের গুচ্ছের মতো সবুজ ভালোবাসার বন্যা। আমার সহপাঠীদের মধ্যে নাহিদ, সাব্বির, এনাম ক্ষুদে বয়সেই ছিল তুখোড় ব্যাটসম্যান। ফয়সালের ছিল চোখ ধাঁধিয়ে দেয়া উড়ন্ত ঘুর্ণিবলের দুরন্ত গতি।
বিস্তারিত»এ ট্রিবিউট আফটার দ্যা ফাদার্স ডে
এ ট্রিবিউট আফটার দ্যা ফাদার্স ডে
সোলায়মান চাচাকে আমি দীর্ঘদিন থেকে চিনতাম। লাবু ক্লাস সেভেন এবং এইটে, ১৯৮৮ এবং ১৯৮৯-এ, রংপুর ক্যাডেট কলেজের ওমর ফারুক হাউজের ৩১২ নম্বর রুমে আমার রুমমেট ছিল। আশ্চর্যজনক কো-ইন্সিডেন্স হলো আমার বাবা এবং লাবুর বাবা তাদের টিন-এইজে ঠাকুরগাঁ হাইস্কুলে রুমমেট ছিলেন। বাবার মুখে শুনেছি সোলায়মান চাচা খুব ভাল ফুটবল খেলতেন। লাবুও ভাল ফুটবলার। ১৯৯৩ সালে ‘ইন্টার ক্যাডেট কলেজ ফুটবল মিট’-এ লাবুর ফুটবলের চমৎকারিত্ব কখনো ভোলার নয়।
বিস্তারিত»অভিসার
১
বাধন ছুড়ে বাইরে এস
জড়িয়ে ধর বুক
মাতাল ঝড়ে ঝরুক পড়ে
স্বপ্ন ধোয়া সুখ।
ছোয়ায় ছোয়ায় কাপবে ধরা
মদির ঢলে নেশা
সতেজ ফুলের মধু বনে
বহ্নি জলে মেশা।
২
লজ্জা ভুলে বাড়িয়ে দাও
কোমল দুটি ঠোঁট
অণল দোহে ভস্ম হউক
হৃদয় ক্ষত চোট।
চপল চপল চোখের ভাষা
জারি সারি গান
কৃষ্ণ রাধার কুনজ বনে
বষর্া বাদল বান ।
চীনের মসজিদ (শেষ পর্ব)
চীনের মসজিদ ২
– তুমিও জান?
– আমি তো তোমাকে বলেছি, তুলনা মূলক ধর্মতত্ত্ব আমার পছন্দের বিষয়। মুসলমানরা এদেশে প্রথম এসেছিল ট্যং ডাইনেষ্টির সময়। ধর্মপ্রচারের কোন মরীয়া উদ্যোগ তখন লক্ষ করা যায়নি। তাই ইসলামের প্রসারে বড় কোন বাঁধাও আসেনি। মুসলমান বনিকরা কনফুসিয়ান,তাওবাদী আর বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সাথে মিলেমিশে বসবাস করেছে। প্রাচীন ধর্মগুলির তুলনায় ইসলাম অনেক বেশি আধুনিক হওয়ায় জনগণ ধীরে ধীরে এই ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে।
খইমুদ্দির খাট
খইমুদ্দি কখনো কোনদিন খাটে শোয়নি।
এবাড়ী ওবাড়ী গেছে দিনমজুর হিসেবে,
গায়ে গতরে খেটেছে। কাঠমিস্ত্রীর সাথে
শ্রমিক হিসেবে ফুট ফরমাস খেটেছে,
একটা একটা করে অংশ জোড়া লাগিয়েছে।
এভাবেই সে তাদের ঘুমের ব্যবস্থা করেছে।
আনমনে খইমুদ্দি অবাক বিস্ময়ে ভেবেছে,
কি করে এমন খাটের উপর মানুষ ঘুমায়!
খইমুদ্দির জীবনের আধেক রাত কেটেছে
একটি গোয়াল ঘরের স্যাঁতস্যাঁতে কোণে,
বাকী আধেক বাঁশতলার একটি ছাপড়ায়,