কি বিষ রেখেছ ঢেলে কোমল অনলে!

কখনো কি ভালোবাসা জীবনের কানাগলি দিয়ে
ভুল করে হেঁটে যাবে পথ?
কোথাও ধুসর দূরে…
ঝাঁক বেঁধে নামে যদি
নম্র-নীল আলোর কপোত!

নিশি পাওয়া মানুষের মতো
ভুল ঠিকানায় কড়া নেড়ে নেড়ে…
খোয়া গেলে আরো কিছু কাল
রক্তে বৈদগ্ধ যদি মেশে;
প্রাচ্যের বেশে তবু প্রতীচী আবেশে!

তবু আমি দেখে যেতে চাই
ওই নীলে, নোনা-নীল জলে..

বিস্তারিত»

অডিও ব্লগঃ নিশিরাতে কে গান শোনাতো

যে চোখ দিয়ে তোমার আঁধার রাতে জোনাক পোকাদের উৎসব দেখো সেই চোখ দুটো দেখতে বড় ইচ্ছে করে, অধরা! দুপুরের রোদের ঝিলিক কমে আসতেই রংবাহারী প্রজাপতিদের উড়ে ঘুরে বেড়ানোর বাহানা দেখি আমার কাঁচের জানালায়!

লালচে খয়েরী আর বাদামী নীলের পাখনা মেলে তারা উড়ে বেড়ায় পাতায়, ডালে আর ফুলের রেনুতে। বাগানের কোণে ফুটে থাকা ক্রিসেনথিমামের শোভা দেখতে দেখতে দূরদ্বীপবাসিনীর একজোড়া চোখ ভাসে আমার চোখের আয়নায়।

বিস্তারিত»

চেতনায় একেশ্বরবাদ, হৃদয়ে বুদ্ধের বাণী – পর্ব ১

চেতনায় একেশ্বরবাদ, হৃদয়ে বুদ্ধের বাণী – পর্ব ১
———————- ড. রমিত আজাদ

প্রোথিত হৃদয়ের কথা
——– ড. রমিত আজাদ

কি উজ্জ্বল সুন্দর এই নীল আকাশ!
কেমন ঝলমলে রোদ তাকে আলোয় উদ্ভাসিত করে!
কেমন দুঃসাহস নিয়ে উড়ে যায় শঙ্খচিল!
নির্ভয় বিহঙ্গ ঐ আকাশ করবে জয়!

নীলিমার নীল গায়ে মেখে
ধ্যানমগ্ন পর্বতের নিশ্চল উপবেশন,
হঠাৎ ঝলকে ওঠে কপোতাক্ষের অবিরাম ধারা,

বিস্তারিত»

জননী মম।

গ্রন্থিত কাহিনীর কোন পৌরানিক গল্প নায়ক নাকি ?
নাকি কল্প জঠরে জনম বিভূষিত সত্য স্পশর্ালোক সপ্নদ্রষ্ট বাস্তব সত্বা
সত্য আমি বুঝি কি?
গুহার নিকষ বূহ্য বহির্ভেদি কৃষ্ণ পক্ষ জাতক ,
নাকি শানিত কৃপাণ ক্ষত রক্তস্নাত বেদনার বষর্িত ফলন শ্রান্ত রমনীর ,
বুঝতে পেরেছি কি?
বহতা জনম বহে তথা আমি বুঝি নি।
সূযর্াস্ত কালাধিকাল , অমোঘ মহাকালের অনন্ত গর্ভলীন সমস্তই ,

বিস্তারিত»

তুমি রবে নীরবে

[এই ব্লগে আমার বয়সে বড় অনেক আপু ও ভাইয়ারা আছেন সবাইকে আগেই গল্পের বিষয় বস্তুর জন্য দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।গল্পের উপস্থাপন ও ভাষা ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমি আমার সর্বোচ্চ সাবধনতা অবলম্বন করেছি তার পরও কোন বাহুল্যের জন্য আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।আর একটি কথা আমি চিটাগং এর ছেলে না তাই আঞ্চলিক ভাষা ব্যাবহারের ক্ষেত্রে ভুল হলে,সংশোধন করতে সাহায্য কামান করছি।]
রেডী হই লন………কথাটা বলেই মোবাইলে কল জুড়ে দিল।আমার চতু্র্দিক কেমন জানি অন্ধকার হয়ে আসছে,মাথা ঝিমঝিম করছে।

বিস্তারিত»

গোলাপের রঙ (শেষ পর্ব)

গোলাপের রঙ ১
গোলাপের রঙ ২

একটানা কথা বলতে বলতে ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলেন হাসান ভাই। বললেন, ‘দেখেনতো গল্প করতে করতে আসল কথাই বলা হয়নি। আপনারা খেয়ে এসেছিলেন?’ আমি বললাম আপনি ওয়েস্টার্ণ কালচারের লোক, আপনি তো সন্ধ্যায় খান ।
– তা, খাই। কিন্তু আজ আপনাদের সাথে খাবো ভেবেছিলাম।
– এখন খাবার পাওয়া যাবে কোথাও?

অন্য সবাই তখন গল্পের গভীরে ঢুকে গেছে।

বিস্তারিত»

তোমার চোখ

চঞ্চলা চপলা তুমি কখনো ছিলেনা,
সেও ছিলনা কোন ডানপিটে ডাকু।
তোমার টানা চোখ দুটোকে কখনো
ডাগর আঁখি বলে তার ভ্রম হয়নি।
পটলচেরা চোখও ভাবেনি কখনো।
তারপরও তার খুব, খুবই প্রিয় ছিল,
তোমার ঐ কাজল টানা চোখ দুটো।
সন্তরণপ্রিয় ডুবুরীর মত অবলীলায়
সে তোমার চোখের গহীনে কি যেন
খুঁজে বেড়াতো, ডুবসাঁতার দিয়ে
যখন তখন। আর ভাবতো,

বিস্তারিত»

জীবনের জার্নাল – ২

তখন সেন্ট্রাল গভঃ বয়েজ হাই স্কুলের প্রদ্গান শিক্ষক ছিলেন জনাব বজলে কাদের। বেশভূষায় তিনি অত্যন্ত পরিপাটি ছিলেন। দূর থেকে দেখা, তাই এর চেয়ে বেশী আর কিছু মনে নেই, তবে এটুকু বুঝতাম যে স্কুলে এবং স্কুলের বাইরেও তিনি একজন অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি ছিলেন। খুবই রাশভারী ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন। এয়াকুব আলী চৌধুরী স্যার বাংলা পড়াতেন, হোম ওয়ার্ক এর ব্যাপারে বেশ সিরিয়াস ছিলেন। পরে শুনেছি তিনি খিলগাঁও হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক হিসেবে অবসর নিয়েছিলেন।

বিস্তারিত»

প্রেম

কোন কালে’
প্রেম নেবেনা বলে কি
তারা আক্ষেপ
নিয়ে জানলায়
দিয়েছিল টেপ
ভালো করে,
‘আলো ভরে
চাই না কিছু’
তারস্বরে
স্বরলিপি ধরে
প্রতিদিন
গেয়ে গেছে গান;
অথচ যেদিন এলো সে
অপরিচিত
চশমাপরা
গোবেচারা মুখোশে

দোঁহে
কি মোহে
পরিধেয় ভেবে
প্রেম পরে নেয়
প্রেম খুলে ফেলে
আর সব
দূ উ রে
সুদূরে ঠেলে

বিস্তারিত»

বৈ শা খী

~ এ ক ~

এই ঢলঢলে জামাটাকেই সব চাইতে প্রিয় মনে হয় ওর। গা জ্বালা করা গরমে এর চেয়ে আরামদায়ক কোন জামা মেয়েটি আর কখনো পরেনি। জামাটার পিঠের দিকটা ঘাড়ের পাশাপাশি বড় বৃত্তে এগিয়ে কাঁধ পেরিয়ে প্রান্তের দিকে সরে এসেছে বেশ অনেকখানি। সামনের দিকে গলাটা প্রয়োজনের চেয়ে অনেকখানি বড়। ওর চেয়ে স্বাস্থ্যবতী, বড় সড় আর সুখী কোন একটা শরীরের জন্য কখনো তৈরী হয়েছিলো এটা।

বিস্তারিত»

ঝিঁঝিঁ মারার সম্ভাব্য ফলাফল

ঝিঁঝিঁ বাঙ্গালদের পাঁড় ভক্ত এই অধম। বিশেষজ্ঞও বটেন। বিশেষ অজ্ঞতার উপর ভর করিয়াই গ্রেগরী বাবার বর্ষপঞ্জীর ২০১৫ অব্দে মাদিবার দেশ হইতে বঙ্গদেশে আগত স্প্রিংবকদের সহিত ঝিঁঝিঁ মারামারির ফলাফল অনুমিত। যাহা নিম্নরুপ-

মারদাঙ্গা অর্থাৎ টি টুয়েন্টি সিরিজ

ব্যাঘ্র ১- স্প্রিংবক ১

সারাবেলা অর্থাৎ এক দিবসীয় আর্ন্তজাতিক ম্যাচের সিরিজ

ব্যাঘ্র ১- স্প্রিংবক ২

সবুরে মেওয়া অর্থাৎ টেষ্ট সিরিজ

ব্যাঘ্র ০- স্প্রিংবক ০

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ অনন্ত সমস্যায় থুড়ি বর্ষা এবং … কারণে উল্লেখিত ফলাফলের হেরফের ঘটিতে পারে।

বিস্তারিত»

নাইরোগংগো

শেষ বিকেলের সূর্য তখন দূর পাহাড়ের কোণে হেলে পড়েছে। দুরন্ত বালকের দল ঘরে ফেরার আগে গোধূলির কমলা রঙে নেয়ে আরো খানিকটা বেলা শেষের খেলা খেলে নিচ্ছিল। ইব্রাহিম সাসা তার কাঠের চকোডুটা* ঠেলে ঠেলে ঘরে ফেরার পথের শেষ চড়াইটা পার হচ্ছিল। পেশল কালো দেহ ঘামে নেয়ে গেছে। বুকটা ওঠানামা করছে হাপরের মতো। ভেতরটা যেন নাইরোগংগোর** জ্বালামুখ। আর একটু উঠলেই বামে বাঁক নিয়ে পথটা নীচে নেমে শেষ হয়ে যাবে।

বিস্তারিত»

(খোয়াবের দেশে নিরুদ্দেশ – স্বপ্নদ্রষ্টা )

স্বপ্নে কেন উকি দিলে অনেক ভোরের বেলা ?

নির্জনতা ভাঙ্গেনি ত’ – হয়নি শুরু মেলা |

কোথায় তুমি জানি না ত’ , জানি আছ যোজন দূরে ;

হয়ত তুমি বন্দী আজো আধার পাতালপুরে |

মোর হিয়াতে ব্যাথা যত শুষে নিলে তুমি,

অবাক আলোর শান্ত ভোরে বিদায় নিলে চুমি |

 

স্বপ্ন এখন টুটে গ্যাছে,

বিস্তারিত»

কবিতা: ভালবাসার বিজয়

কষ্ট দিতে পারবে,
দুঃখ দিতে পরবে
কিন্তু জিততে পারবে না।

আমি কষ্ট পেলে
যদি তুমি আনন্দ পাও
আমি কষ্টটাকেই বেছে নেবো –
তোমাকে আনন্দ দিতে।

আমি দুঃখ পেলে
যদি তুমি সুখি হও
আমি দুঃখটাকেই বেছে নেবো –
তোমাকে সুখি করতে।

ভেবেছো,
তোমাকে না পাওয়ার
কষ্ট ও দুঃখ পেয়ে পেয়ে
আমি হবো পরাজিত?

বিস্তারিত»

~ এক রকম জীবনের পোর্ট্রেট ~

হতে পারতো একশো দশটা মাসের পরও সেই
মদির সুরভি পেয়ে গেলে পাঞ্জাবীর শরীর থেকে।
হতে পারতো হাতাটায় যেমন, গোটানো ছিলো ভাঁজ
তেমনি নিপাট পেলে তাকে যত্নের সুরম্য র‌্যাকে।

হতে পারতো সাতশো তিরিশ দিনের পরও
সেই সুগন্ধি ছড়ালো সাজানো ফুল। যার
দেহের ভেতরে বাইরে আদৌ নেই কোথাও
একাধি বসন্ত হারাবার দীর্ঘ স্মৃতিভার।

হয়তো পৃথিবীর তাবৎ সময় শুধু,

বিস্তারিত»