পেন ড্রাইভ কিংবা স্থানান্তরযোগ্য ফ্ল্যাশ ড্রাইভের বহুগামীতার ফলে আগত ভাইরাস এর জালাযন্ত্রণা কোন সংক্রামক রোগজীবানুর চেয়ে কোন অংশেই কম নয়। খুব দরকারের সময় দেখতে পেলেন আপনার দরকারী ফাইল কিংবা ছবি বা ভিডিও নাই। এক গাদা শর্টকাট তৈরী হয়ে আছে। সেখানে টোকা দিয়ে কিছুই পাবেন না।মেজাজ খারাপ করে শাপ-শাপান্ত করবেন কাউকে ।
রাগে চান্দি গরম করে অন্য সমস্যা হওয়াটাও অসম্ভব নয়। ২০১৫ সালে এসে এই শর্টকাট ভাইরাসের জ্বালায় বড্ড মুশকিলে পড়েছি।
ইপসা
যদি বাসবি ভালো গহন ঘন
মেঘ মাখা ঐ চন্দ্র আলো দেনা মেলে দে,
যদি চাইবি চোখে পাপড়ি মেলে
শেওলা জলে ঐ শীতলে নে না কোলে নে।
যদি জোৎস্না ঝরে আকাশ ভেঙে
তিমির রাতের কৃষ্ণ কালো দে না মুছে দে,
যদি তেষ্টা জাগাস এই পরানে
ঝণর্া ঝরা ওষ্ঠ দুটি দে না ছুয়ে দে ।
যদি বষর্া নামে অঝোর ধারায়
চৈত্র খরার নিদাঘ দাহ দে না ভিজে দে,
ফাঁকিবাজি ছবি ব্লগ -পার্ট ৩ ( ক্লাস ১২ এর গল্প)
ফাঁকিবাজি সিরিজের দুইটা পোস্ট দিয়েছিলাম অনেকদিন আগে। কেন এটাকে আমি ফাঁকিবাজি পোস্ট বলি তার পেছনে একটা কারন আছে। এধরণের পোস্ট লিখতে খুব একটা মাথা খাটাতে হয়না। রেডিমেড ছবি , এরসাথে স্মৃতি থেকে কিছু লিখে দিলেই হয়। বাড়তি ঝামেলা কম। এধরণের স্মৃতিচারণা মূলক লেখা লিখতেও আরাম লাগে। হাতে কিছু সময় পরে আছে.. ফেসবুক এর নিউজফিডে ও নতুন কিছু নেই। তাই ভাবলাম হাবিজাবি কিছু লিখে ফেলি আর কি !
বিস্তারিত»নেশা ২
সেই থেকে কমল সাবধান হয়েছে। বাসায় তো অনেকদিন আগেই খাওয়া ছেড়ে দিয়েছিলো অফিসেও দু’একটির বেশি খায়না। অফিস থেকে আসার আগে ভাল করে ব্রেথ ফ্রেশনার মুখে দিয়ে বাসায় ফেরে।
বউ যদিও পুরোপুরি বিশ্বাস করেনা। তারপরও বাসায় এ নিয়ে ঝামেলা আগের মত হয় না। মেয়েরা বড় হচ্ছে, তাদের সামনে এসব বিষয়ে কথা বলেনা পারুল। সন্দেহ হলে কথা বন্ধ করে দেয়।
অডিও ব্লগঃ সরষে ফুলে মৌমাছি
সরষে ফুলে মৌমাছি
কথাঃ টিটো মোস্তাফিজ
কণ্ঠঃ কাজী পারভেজ
ঝাপসা মোটেই নয়কো বাতাস
মাঘের শীতে কনকনে
রোদের আলোয় পষ্ট বটে
নয়তো মোটেই গনগনে।
আমোদেতেই আছেন তারা
আলসে মোটেই নয়কো যারা
নাই অজুহাত
মাঘ বোশেখে
কাঠফাটা রোদ
কিংবা শীতে
চপল হিমে
কিংবা ঘামে
সদাই যেন চনমনে
জানতে পেলুম গুঞ্জনে।
অন্ধ প্রেমিক।
নদীর জলে ভিজাইনি পা
পুকুর জলে গা
সাঁতার যখন শিখিনিকো
নাইতে নামি না।
ডাক দিয়েছ ইশারাতে
বুঝতে পারি নি
ফুলের বুকে এত মধু
ভাবনা আসেনি।
হাত ধরেছ অন্ধকারে
শিউরে উঠেছি
পথ চলেছি নিশি রাতে
পিছলে পরিনি।
চোখ রেখেছ চোখের পরে
পলক ফেলিনি
আলতা রাঙা কপোলেতে
নকশা আকিনি।
অন্য সুর
অন্য সুর, অন্য সুর,
শুনি শুধু অন্য সুর।
উদাসী ঘুঘুর ডাক,
স্তব্ধ করে দেয় দুপুর।
অলস মগনে শুনি,
কেবলি এক অন্য সুর!
সৈকতে যে ঢেউ আসে,
সেখানেও অন্য সুর।
দু’পায়ে পরশ বুলায়,
দু’কানে সুর শোনায়,
মিলিয়ে যায় বহুদূর,
বাজিয়ে দিয়ে অন্য সুর।
ধারাপাত বদলে গেছে,
সাথে সুর নামতারও।
হিসেবের মুদ্রা উধাও,
জীবনের জার্নাল – ৩
এর কিছুদিন পর আমার সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের ছবিটা আব্বা সেই পূরণকৃ্ত ফরমটার উপর আঠা দিয়ে সেঁটে দিয়ে ফরমটা আমাকে পড়তে দিলেন। তখনই প্রথম ক্যাডেট কলেজ কথাটার সাথে পরিচিত হ’লাম। আগে ক্যাডেট কলেজ সম্বন্ধে আমার কোন ধারণা ছিল না. পূরণকৃ্ত ভর্তি ফরমটা পড়ে বুঝলাম, এটা আমার স্কুলের চেয়েও উন্নত মানের কোন প্রতিষ্ঠান হবে। তবে উন্নত নতুন প্রতিষ্ঠানে যোগদানের কথা ভেবে পুলকিত হবার চেয়ে আমার ভালো লাগার পুরনো স্কুলটিকে ছেড়ে যাবার বেদনাই আমাকে বেশী আচ্ছন্ন করে রাখলো।
বিস্তারিত»পরম্পরার খোঁজে
পিপাসা তোমার মিটবে কি আস্বাদে
সেই ভেবে ভেবে গোধূলি থিতোয় সাঁঝে
রঙিন মুখোশ ছুঁড়ে ফেলে নীল খাদে
জন্মালে ফের ক্লেদজ কুসুম মাঝে
চিবুকে তোমার আবীরের রাঙা লাল
ক্ষণিকের সুখে মেলে ধরে হিল্লোল
শিকে ঝলসানো মাংসের মতো কাল
পুড়িয়েছ যত বুড়ো কবিতার লোল
দ্যোতক-দ্যোতিত মিলে মিশে একাকার
তোমার পাত্র ছেঁড়াখোঁড়া তলাহীন
দেরিদা সেখানে হেবারমাসের সাথে
বিরোধাবসানে কাটায় রাত্রিদিন
শাশ্বতের বুকে ছুরি মেরে কে আবার
ক্ষণিক তৃপ্তি টেনে তুলে মায়া ফাঁদে
কালাহারি বুকে না পাওয়ার হাহাকার
থেমে থেমে রোজ একটু আধটু কাঁদে
আলস্যভরে আঁখি মেলে মাঝে মাঝে
মরা চোখে চাখো ফিকে নীলিমার নিশা
প্রাণের পেয়ালা লহমায় করে খালি
ঢেলে রাখো তাতে মিশকালো ঘন তৃষা
গাজোয়ালি ঢঙে লিখে রাখো ধারাপাতে
কতটা এগুলো সময়ের চ্যারিয়ট
বীতাধুনিকের আকাঙ্ক্ষা দিনে-রাতে
চুমুকে চুমুকে ভিজিয়ে নিচ্ছে ঠোঁট
বহুবাচনিক আহ্লাদে গড়ো যাকে
তাকে ভেঙে ফের টুকরো টুকরো করো
যে কুঁড়ি জেগেছে ফুকোর শিশ্ন-রসে
অবলীলাভরে গলা তার টিপে ধরো
ব্যাধের মতো ধেয়ে এলে পরিণতি
তোমাকে বাঁচাবে অলস আত্মরতি ?
অধ্যায় : তুমি
তোমার নিঃশ্বাসে আমার নির্ভেজাল অধিকার,
তোমার আলিঙ্গনে আমার মুক্তির স্বাদ –
প্রজাপতির পাখার স্মৃতি।
তোমার পদশব্দে সাত-সমুদ্র-তের-নদির ওপারের হাতছানি,
তোমার কণ্ঠ যেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ‘প্রেমের কবিতা সমগ্র’।
তোমার কপালের ভাজে আমাদের আগামির চিহ্ন –
ভ্রু-যুগলের প্রশ্রয়ে আমার যত ছেলেমানুষি,
গ্রীবার কাঠিন্যে নির্ভারতার নির্ভরতা –
আমার অস্তিত্বের সমর্পণ।
তোমার দৃষ্টিতে আমার আনন্দ-মৃত্যু –
তোমার ঠোঁটে আবার ফিনিক্সের মত বেঁচে ওঠা,
আমার ডায়েরীর মলাটে লুকানো তুমি

আমার ডায়েরীর মলাটে লুকানো তুমি
————– ড. রমিত আজাদ
তখন আমরা স্কুল পড়ুয়া,
তোমার ভাই আর আমি সতীর্থ ছিলাম,
পড়ালেখায় দুর্দান্ত শত্রু ছিলাম আমরা দুজন!
কে কাকে হারিয়ে ফার্স্ট হবো,
এই নিয়ে চলতো প্রবল প্রতিযোগিতা।
এভাবে ঝগড়া করতে করতে,
হঠাৎ একদিন আমরা বন্ধু হয়ে গেলাম।
তোমার ভাই বললো,
“চল তোকে আমাদের বাড়ী নিয়ে যাই।
গ তি ও গ ম ন
~ এ ক ~
খুব দ্রুত সরে যাচ্ছে দু’পাশের গাছ, পাখি, নদী ও সবুজ। পথের দু’পাশের সময়ের স্মৃতিবহ সুবিশাল বৃক্ষরাজির শাখা-প্রশাখা চূড়োরা মিলেমিশে তৈরী করেছে যেন অবিরাম সবুজের এক অন্তহীন সম্ভাষণ তোরণ। দুর্বিনীত এই ছুটে চলার মাঝে অপসৃয়মান সবুজের ফাঁক গলে তীরের ফলার মতোন ধেয়ে আসছে অসংখ্য আলোর রেখা। অবিরাম সবুজ এই তোরণের সুদূর সীমান্তে অত্যুজ্জ্বল আলোর বন্যায় অপেক্ষমান বিদায়ী সূর্য। যেনো বসিয়েছে এক সোনালী স্বাগত সভা।
বিস্তারিত»দি সাইকেল অফ এ্যাবিউজ বা নিপীড়নের দুষ্টচক্র: আপনি কি এ্যাবিউজড???(প্রথম পর্ব)
আমার বাবা মায়ের সংসার জীবন প্রায় তেত্রিশ বছরের, এই তেত্রিশ বছরে একটা দিনও বাবাকে মায়ের সাথে কোনদিন একটা জোরে কথা বলতে শুনিনি| বরং উল্টোটা হয়, কর্মক্ষেত্রে বিশাল ডাকাবুকো আমার বাবা জুতো না খুলে বা পাপোষে পা না মুছে ঘরে ঢুকলে মায়ের বকুনি খেয়ে চুপসে যেতেন প্রায়ই| আমার আর আমার পিচ্চি বোনের কাছে ডমেস্টিক ভায়োলেন্স বলতে বোঝাতো এটুকুই| তবে সত্যিকার অর্থে এটা এ্যাবিউজ নয়, বরং এ্যাবিউজ হচ্ছে ভয়াবহতম একটি ব্যাধি যা এর ভিকটিমের জীবনটিকে শেষ করে দেয়|
একটু বড় হয়ে জানলাম,
বিস্তারিত»নেশা ১
শেষ পর্যন্ত একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল কমল ।কান্ট্রি ম্যনেজারের রুম থেকে বেরিয়ে তার মনে হল এই একটি পথই খোলা আছে। টানা তিন বছর প্রেম করার পর পারুলের সাথে তার বিয়ে হয়েছে। প্রেম করার সময় থেকেই সে সিগারেট খেত। সেই সময় অনেক ধরনের আবেগের ব্যপার ছিলো। সে ভাবতো পারুল যদি তাকে ছেড়ে দিতে বলে, তাহলে সে দেখিয়ে দিতে পারবে পারুলের কথার গুরুত্ব তার কাছে কত খানি।
বিস্তারিত»তানভীরের “তুমি রবে নীরবে” পড়ার পর
মনেপরে, একবার এক হালকা আলাপে বলেছিলে:
“যেকোন বিচ্ছেদই কষ্টের।
তবে এক একটা সময় আসে –
যখন সম্পর্কে থাকাটাও হয়ে পড়ে আরও কষ্টের।
বিচ্ছেদের কষ্টের চেয়েও সেই সম্পর্কে থাকার কষ্টটা
যখন বড় মনে হয়, তখন বিচ্ছেদই হয়ে দাঁড়ায় কল্যানকর!”
হতে পারে আমাদের সম্পর্কটাও
সেই রকমের একটা ক্রান্তিকালে পৌছে গিয়েছিল।
হতে পারে তুমি তা বুঝতে পেরেই “কল্যান”-এর স্বার্থে
বিচ্ছেদের জানান দিয়েছিলে।