ঈদ অবশেষে
আমাদের ব্যক্তিগত শোক সন্তাপের সাথে ঈদের কিছু যোগাযোগ থাকার কারণে বহু বছর বাড়িতে ঈদ উদযাপন করা হয় নাই। তারাকে হয়তো জিজ্ঞেস করেছি, ঈদে কি খাবে, ভূতো? সে ছোট্ট করে বলেছে, চিরিওস উইথ হোল মিল্ক, মা! কন্যারত্নের কথায় হাসলেও আমি তার পছন্দের সব খাবার রান্না করি ঈদে। ব্যাংক থেকে কড়কড়ে ডলারের নোট এনে রাখি ঈদি দেবো বলে কিন্তু ঈদে লোকজন ডেকে আমাদের আহারবিহার করা হয় নাই অনেকদিন।
গৃহযুদ্ধ ও একজন স্ট্রাইকার
দ্রগবা, দিদিয়ার দ্রগবা।, পুরো নাম- দিদিয়ার ইয়েভেস দ্রগবা তেবেলি।
খুব অপরিচিত কোন বাক্তির নাম না। বর্তমান সময়ের ফুটবলপ্রেমীদের কাছে তো অতি পরিচিত এক নাম।
যাদের কাছে অপরিচিত মনে হচ্ছে তাদের জন্য পরিচয় পর্বটা সেরে নেওয়ায় ভাল।
উপরোল্লিখিত নামের যে মানুষটি নিয়ে কথা হচ্ছে তিনি পেশায় একজন ফুটবলার। জন্ম ১১ মার্চ ১৯৭৮, আইভরিকোস্টের আবিদজান শহরে। আইভরিকোস্টের জাতীয় দলের পাশাপাশি তিনি অনেক ক্লাবের হয়েও ফুটবল খেলেছেন,
বিস্তারিত»(নাম নাই, হুদা লেখা)
রোদভাঙা যে জানালা দিয়ে মাখামাখি বাতাসগুলো ঢুকে পড়ত অতর্কিত,সেটা দিয়ে আজ হঠাৎ এক ঝাপটা বৃষ্টি এসে পা দুটো ভিজিয়ে দিয়ে গেল!শিরদাঁড়া বেয়ে ওঠা শীতল স্রোত ডেকে নিয়ে এল রাজ্যের স্মৃতি!
নিদারুণ নির্যাতন থেকে বাঁচতে আমি চোখ মেলি। একটা সিগারেট ধরাই। ধোঁয়া ছাড়ি। জানালা দিয়ে বের হয়ে যাচ্ছে ধোঁয়াগুলো,যেন কতগুলো মেঘশিশু। নাবালক মেঘ, এখনও বৃষ্টি ঝরাতে শিখে নি। ভাগ্যিস শিখে নি!
বের হওয়া দরকার,
বিস্তারিত»~ অচেনা শহরের পথে হারাবার রথে ~
প্রাগ থেকে পায়ে হেঁটে যেতে চাই
ভিয়েনা কিংবা ভেনিস,
নিকারাগুয়ার মেঠো পথ
থেকে উগান্ডা-কাম্পালা,
সেন্টপিটার্সবার্গ শহর
ঘুরে রিগা অথবা মিনস্ক !
গন্ডোলায় চড়বার শখ
টানেনি আমাকে তেমন ।
শুধু এক অচেনা শহর
ঘুরে, পথে পথে, খুব শখ ছিলো,
হারাবো দিব্যি আমাকে ।
লস এঞ্জেলেস কিংবা
লাস ভেগাসের নিয়ন রাত,
ঘুমকাতুরে বিরহে ফেলে
ডেনভার কলোরাডো ওহাইও,
সবুজ প্রজাপতি (দ্বিতীয় পর্ব)
(তিন মাস আগে, জনমানবশূন্য কোন এক চা-বাগানের রেস্ট হাউজে)
আমি তলিয়ে যাচ্ছি। আবার সাথে সাথে ভেসে উঠছি। প্রবল ঝড়ে সমুদ্রের প্রবলতর ঢেউয়ের মতো আমার ভেতরের সত্ত্া আছড়ে পড়ছে। চোখের দৃষ্টি ঘোলাটে হয়ে আছে। কপালে ঘাম জমেছে, মুছতে গিয়ে হাতের ল্যাটেক্স গ্লাভে লেগে থাকা কালচে লাল রক্ত মুখে লেগে গেলো। ক্লকওয়ার্কের মতো মুখ দিয়ে বের হয়ে এলো খিস্তি।
এক অপার্থিব উল্লাসে আমার সমগ্র শরীর থর থর করে কাঁপছে।
হুতাশ
কাঁটাতার বুকের ভিতর দুই বিঘা কড়িডোর
সংগীন উচিয়ে প্রহরী সদা রাত্রি হয়না ভোর,
আমি তোর বল কেমনে বলি?
তোর বুকে হেটে পথ পৌঁছায় আমি যে বাড়ী
বেঁধেছ সময়ে চলাফেরা কতনা নিয়ম জারি,
বল তোর সাথে কেমনে চলি?
বন্ধ খোয়ার মনের দুয়ার চারপাশ বেড়াঘেরা
সন্দেহ ঘোরে মরচে ধরা চেতনারা জীনর্ জরা,
তুমি কি আর বাসবে ভালো?
তোর চোখে চোখ রেখে দেখি আমি যে জগত
লোভাতুর চাহুনি চতুর পরজন করছে বসত,
বিস্মৃতি।
শিখবো সাঁতার
নদীর জলে যেই দিয়েছি ঝাপ
ভয় ছিল মা’র
ডুবে যাবি থামরে বাপু থাম।
নামবো বলে
গাছের থেকে যেই দিয়েছি লাফ
মরবি ছোরা
ঝোপের মাঝে কাল কেউটে সাপ।
পড়বো বলে
গুরু মশায় যেই দিয়েছে পাঠ
পালিয়ে গেছি
ডাক দিয়েছে পুকুর বাগান মাঠ।
গল্প কথা
তের নদী সাত সাগরের পাড়
দারুন ভয়
রাক্ষুসী আর ভুত পেত্নীর ঝাড়।
ছন্দে আনন্দভ্রমণ ৪
ছন্দে আনন্দভ্রমণ ১ (ভূমিকা ও মাত্রাবৃত্তের আলোচনা)
ছন্দে আনন্দভ্রমণ ২ (মাত্রাবৃত্তের উদাহরণ)
ছন্দে আনন্দভ্রমণ ৩ (স্বরবৃত্তের আলোচনা)
অক্ষরবৃত্ত
অক্ষরবৃত্ত বাংলা কবিতার বনেদী ছন্দ। এর মাত্রা গুনবার নিয়মটা হলো,
- মুক্তদল (ওপেন সিলেবল) সবসময় পাবে ১ মাত্রা।
- শব্দের শুরুতে কিম্বা মধ্যে থাকলে রুদ্ধদল (ক্লোজড সিলেবল) পাবে ১ মাত্রা, শব্দের শেষে থাকলে ২ মাত্রা।
নুসরাত ফতেহ আলি শুনে শুনে
“উনকি নজরোঁ নে কুছ এয়সা জাদু কিয়া
লুট গয়ে হাম তো পেহলি মোলাকাত মেঁ”
আপনাকে শুনে শুনে সারাদিন
প্রণয়ের বাঁধ ভেঙে
গলগল শরাবে
হেডফোন ল্যাপটপ যথেচ্ছ ভেসে যায়
বেহেড কলম ফুঁড়ে ও জি
কেবলি আঁসু ঝরে হায়,
বিরহের মতো মধু
একা হারমোনিয়ম আ হা
তেরছা দেখে প্রেম, ভাঙে
আড়মোড়া শুধু
https://www.youtube.com/watch?v=NWbRHZiqNLE
বিস্তারিত»লাল গোলাপ শুভেচ্ছা
সিসিবিতে বেশ কিছু ইমোটিকন বা স্মাইলির অভাব বোধ করি। কেউ হয়ত ভাল কোন কাজ করেছেন কিংবা অর্ধ শতক/শতক/ সার্ধশতক/ দ্বিশতক পূর্ণ করলেন। তাকে শুভেচ্ছা অভিনন্দন জানাতে হবে। ফুল না থাকলে কেমন হয়। তাই নেটে বেশ ঘাঁটাঘাটি করে বিনা মূল্যের এক সফটওয়্যার নামিয়ে বানিয়ে ফেললাম একটা এনিমেশন। আপলোড করলাম। সবাইকে পুরাদস্তুর বাঙ্গালের পক্ষ থেকে লাল গোলাপ শুভেচ্ছা ![]()
খারাপ ছাত্রদের কথা
অষ্টম শ্রেনীর একজন ‘খারাপ ছাত্রের’ কথা ক’দিন ধরে খুব পীড়া দিচ্ছে। ইংলিশ স্কুলে পড়ে। পড়াশোনা করে না। পড়ুয়া নয়। সে কখনো’ই ছিল না।
সে কারনেই কখনো’ই ভালো নম্বর পায় না। এবং সেজন্যেই তার শিক্ষকরা তাকে পছন্দ করেন না। শুধু তাই নয়, তার প্রসঙ্গ এলেই চোখ-নাখ-মুখ কুঁচকিয়ে ফেলেন। তাকে খারাপ ছেলে বলেন; তার সাথে খারাপ ব্যাবহার করেন। অনেক খারাপ ব্যাবহার।
তাদেরই মধ্যে একজন শিক্ষক এই ছেলেটির পিছে লেগে থাকতেন।
মেঘবালিকা

আমি তাকে আকাশ দিতে চেয়েছিলাম,
সে চাইলো শুধু এক টুকরো মেঘ।
তারপর মেঘেরই আড়ালে লুকিয়ে পড়লো,
চোখেরই সামনে মেঘে মেঘে ভেসে গেলো।
এর পরে আর তার দেখা পাইনি….
মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়ে গেলো,
সাঁঝের মায়াও ধীরে নেমে এলো,
পাখীরা যখন নীড়ে ফিরে আসে ধীরে ধীরে,
তখনো আমি খুঁজে ফিরি মেঘবালিকাকে,
জীবনের জার্নাল – ৫
যেদিন আমার ক্যাডেট কলেজের ভর্তি পরীক্ষা হবার কথা, ঠিক তার আগের দিন আমার এলো গা ফাটা জ্বর, সাথে প্রচন্ড মাথাব্যথা আর বমি। এর একদিন আগে ভরদুপুরে প্রচন্ড রোদে খেলতে নেমেছিলাম। ঘরে ফিরে গায়ের ঘাম না শুকোতেই তরিঘরি করে গোসল করেছি, এটাই জ্বরের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার এবং আমাকে দোষারোপ করার চেষ্টা চলছিলো। কারণ যাই হোক, আমি চাচ্ছিলাম মাথাব্যথাটা অন্ততঃ দ্রুত কমে যাক, জ্বর থাকলেও থাকুক।
বিস্তারিত»বিচ্ছেদ মানেই বিচ্ছেদ নয়
বিচ্ছেদ মানেই বিচ্ছেদ নয়
—— ড. রমিত আজাদ
বিস্মিত চোখে অপলক আমি,
বোধহীন স্থবির বৃক্ষ হলাম যেন,
স্তব্ধ করতলে আঁকড়ানো চিঠিটির ভাব আর ভাষা বুঝি,
ভাসালো আঁধারে আমার মধুময় কয়েকটি বসন্তের লালিত স্বপ্ন।
সে এক গ্রীস্মের পড়ন্ত বিকেলে,
ভূর্জবৃক্ষের কাষ্ঠে নির্মিত কেদারায় বসে তুমি পড়ছিলে
আল খোয়ারিজমির ‘কিতাব আল জাবির’
অথবা আল হাইয়ামের ‘কিতাব আল মানাজির’।
এস.এম.এস.-এ পাঠানো ঈদ মুবারক
এস.এম.এস.-এ পাঠানো ঈদ মুবারক
————– ড. রমিত আজাদ
পাঞ্জাবীতে নতুন কাজের নকশা কাটা জরীর সুতায় ঝলোমলো,
ঈদের খুশী উড়ছে দেখো সাদাকালো মেঘের ডানায় এলোমেলো।
রাত পোহালে ঈদের হাসি, নিদ কেড়ে নেয় চোখের পাতার, কন্ঠে বাহে,
খোকা-খুকুর পরম মিতা ঈদের ফিতা কাটবে এসো ঈদের গাহে।
আকাশ থেকে আসলো নেমে ঈদের চাঁদের বাঁকা হাসি,
চাচা-মামা, খালা-ফুপু, বন্ধুসকল, আত্মীয়কূল রাশি রাশি,

