নিম্নচাপের ধাক্কায়, গভীর রাতে রুম থেকে ভয়ে ভয়ে বের হলাম। ড্রাইং রুম থেকে টয়লেটের মাঝামাঝি একটু খোলামেলা। আলো-আঁধারি মাখা ওই অংশটা আগে অতটা অনুভব করিনি, যতটা আমি অনুভব করছিলাম, ঐ গভীর রাতে, একলা। সুতরাং ওই জায়গাটা যতই কাছে চলে আসতে লাগলো ততই একটা ছমছমে অনুভূতি (শিরদাঁড়া বেয়ে ঠান্ডা সাপ নেমে যাওয়ার মত), raw একটা অনুভুতি আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেললো। শুধু তাই না, মাটিতে অবস্থিত চারদিক ঘেরাও করে রাখা দেয়ালের ছোট্ট একটা কাঠামো (হয়তো তাতে ময়লা আবর্জনা রাখা বা অন্য কোন কাজে ব্যবহার করার জন্য) যা কিনা দিনের আলোতে প্রাণহীন নিরীহ কাঠামো ছিল আমার চোখে,
বিস্তারিত»বইটির নাম ”Bookie Gambler Fixer Spy” শেষ পর্ব
এড হকিন্স এর লেখা Bookie Gambler Fixer Spy বইটির দুইটি অধ্যায় আমার পরিচিত ক্রিকেটপ্রেমীদের জন্য অনুবাদ শুরু করেছি। ঠিক অনুবাদ নয়, ভাবানুবাদ। আকারে বেশি বড় হয়ে যাবার কারণে কিছু অনুচ্ছেদ আমি বাদ দিয়েছি।
যাই হোক, আজ সেটার তৃতীয় কিস্তি শেয়ার করছি। মনে রাখবেন স্পয়লার এলার্ট কিন্তু আগেই দিয়ে রাখছি। নিজ দায়িত্বে পড়বেন। কারণ ‘It will change the way you look at cricket!’
বিস্তারিত»হি
রোজায় খাদ্যাভ্যাস কেমন হওয়া উচিত?
কলেজে রমজান পালনের সুযোগ হয় নি। তবে প্রতি বছর আমরা মহাসমারোহে পালন করতাম শবে বরাতের রোজা। ভোররাতে পাঞ্জাবি গায়ে চাপিয়ে ডাইনিং হলে সবাই মিলে সেহরি খাওয়ার স্মৃতি এখনো টাটকা। মেন্যু — ভাত, ডাল, সবজি ও মুরগী বা মাছ। আর আসর থেকে শুরু হতো ইফতারের জন্যে অপেক্ষা। মেন্যু—একাধিক ফল, চপ, বেগুনি, পেয়াজু, হালিম, মুড়ি, জিলাপি ইত্যাদি। এদেশের অধিকাংশ সামর্থ্যবান পরিবারে সেহরি-ইফতারের মেন্যু অনেকটা এরকমই। অথচ রোজাদারের জন্যে এরকম মেন্যু অত্যন্ত অস্বাস্থ্যকর।
বিস্তারিত»পা
কেমন আছি?
আমি ভালো আছি।
– সত্যি?
– হুম, খুব ভালো আছি তো!
– কিভাবে সম্ভব এই লক-ডাউনের মধ্যে ভালো থাকা?
– আসলে আমি ভালো নেই। মানে বলতে চাইছি, ভালো থাকার উপায় নেই। তবে ইচ্ছেটা আছে প্রবল। চেষ্টাও। তাই বলেছি ভালো আছি। সকলকেই বলি ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ্।
আছি কাতারের রাজধানী দোহায়। ২০১৫ সালের আগস্টে এসেছি বউ-জামাই দুজন। এখন হয়েছি তিনজন, আমাদের তিন বছরের কন্যা আফরিনকে নিয়ে।
বিস্তারিত»করোনার দিনগুলি
ডিসক্লেইমারঃ বাংলাদেশে করোনা (কোভিড-১৯) সনাক্ত হবার প্রাক্কালে ২০২০-এর ১৬ই মার্চের পরে যখন প্রথম দফায় পুরো মাস জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধের ঘোষণা এলো, ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে থেকে ডিপার্ট্মেন্টের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে আমার ছাত্রছাত্রীদের জন্য মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন নামে একটা লেখা পোস্ট করেছিলাম। পরে সেটাকে নিজের ওয়ালে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজনঃ পর্ব-১ নামে পোস্ট করি। এর ধারাবাহিকতায় করোনার দিনগুলোতে আমার ওয়ালে কখনো বাংলায় আবার কখনো ইংরেজিতে এই লেখাটা একটার পর একটা পর্বে চলতে থাকে;
বিস্তারিত»শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-৪
১. আমার পরিচিত কাউকে যখন দেখি সামনে অনেক মানুষকে নিয়ে কোন কিছু বোঝাচ্ছে/বোঝাচ্ছেন, আমার অনেক ভাল লাগে বিষয়টা। আমার ক্ষেত্রে এর অন্যতম একটা সম্ভবত এটাই যে, সেই মানুষটা, যিনি নিজে পেশায় শিক্ষক না হওয়া স্বত্বেও শিক্ষকতার পেশায় মনে-প্রানে নিয়োজিতদের আত্মিক প্রশান্তিটা উপলব্ধি করতে পারছেন।
২. তবে আমার কাছে মোটিভেশনাল লেকচার বিষয়টা এখনো একটা আপেক্ষিক ধাঁধা মনে হয়। কারনটা একটু খুলে বলি।
…
বিস্তারিত»শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-৩
অল্প কিছুদিন হলো আমার এক পুরোনো ছাত্র শিক্ষকতা শুরু করেছে। সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে ইদানিং লিখছে। আমার সেসব পড়তে বেশ লাগছে। তার এক লেখার মন্তব্যের ঘরে নিচের কথাগুলো একান্ত নিজস্ব কিছু অনুধাবন হিসেবে লিখেছিলামঃ
১. ক্লাসে কেউ পড়া/বিষয় না বুঝলে আমার খারাপ লাগে না। নাও বুঝতে পারে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ক্লাসে বিষয়ভিত্তিক আলোচনার সময় কেউ যখন আলোচনার বাইরে অন্য কোন কাজে ব্যাস্ত থেকে নেহায়েতই গাফিলতির কারনে পড়া বোঝে না,
বিস্তারিত»মরেছো তো আত্মহত্যায়।
মরেছো তো আত্মহত্যায়
মো ও খা ও।
ভালোবাসার সীমানায়
দুরত্ব দানা বেধেছে জীবনের আঙিনায়,
বুঝে না বুঝে, কাজে অকাজে,
প্রয়োজনে অপ্রয়োজনে, সময় অসময়
হয়তো মনে পড়েনি আর
কখনো আমায়।।
সেই পাশে বসে থাকা উচাটন মন
উদাসী ভেসে নীলাম্বরী ডানায়
বাকহীন শব্দ বিহীন ভাষায়
মন চে’তো টেনে নিতে বুকে উষ্ণতায়,
সত্যি মিথ্যের ছলাকলে
দেখা হতো পথে,
এ ট্রিবিউট টু সুধীর কাকু
আমার বাবার কর্মজীবনের শুরু হয় বগুড়ায়, সরকারি আজিজুল হক কলেজের সমাজবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে, ১৯৭৩ সালে। আমার জন্মও বগুড়াতেই, ১৯৭৬ সালে। খুব ছোটবেলা থেকেই বাবার বন্ধুদের এবং সমবয়সী ও সমসাময়িক কলিগদের সান্নিধ্য পাবার সুযোগ হয়েছে। সেসময়ের জেলাশহরগুলোতে কলিগদের মাঝে পারিবারিক যোগাযোগ এবং মিলননেলাগুলো ছিল সত্যিই আজকের যুগে প্রায় অকল্পনীয়।
বাবার সমবয়সী তবে অন্য ডিপার্ট্মেন্টের কলিগ ছিলেন সুধীর কাকু। কাকুর সাথে অনেক স্মৃতি আছে আমার।
বিস্তারিত»অ
নন্দিনী
নন্দিনী, হ্যাঁ ঠিক শুনেছেন। মেয়েটাকে কখনোই আমি ডাইসেক্ট করতে পারিনি। একটা মানুষ এতটা মিস্টেরিয়াস কি করে হতে পারে??? আজব নাহ! বলতে পারেন আমি সেই ভারসিটি লাইফ থেকেই তার পিছে ঘুরছি। আসলেই আমি বুঝতাম না যে সে আমাকে পাত্তা দিত নাকি এভয়েড করতো। কখনো সে নিজেই আগ বাড়িয়ে কথা বলতো অথচ ফেইসবুকে মেসেজ দিলে অনেক সময় ২ দিন পরেও সীন করতো না।কেমন যেনো একের ভিতর ২-এরকম ক্যারেক্টার ছিলো।
বিস্তারিত»ভবঘুরে, রং আর ক্যানভাসের গল্প
প্রথম পর্বঃ ভবঘুরের দিনলিপি
সন্ধ্যা ৭টা বেজে ১২ মিনিট, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৫।
খুলনা রেলওয়ে জংশন।
টয়লেট থেকে বের হয়ে থমকে গেল নরেন। হারামজাদা স্যামুয়েল দাঁত কেলাচ্ছে। গা জ্বলে গেল নরেনের। পেটের যন্ত্রণায় আর বারবার টয়লেটে যাওয়ার ঝামেলায় ওর নিজের লেজে গোবরে অবস্থা, আর এই ব্যাটা এতে মজা পাচ্ছে। অবশ্য ওর মজা পাওয়ার যথেষ্টই কারণ আছে। এই দেশের খাবারে কোন সমস্যা হয়নি স্যামের।
বিস্তারিত»