কেমন আছি?

আমি ভালো আছি।
– সত্যি?
– হুম, খুব ভালো আছি তো!
– কিভাবে সম্ভব এই লক-ডাউনের মধ্যে ভালো থাকা?
– আসলে আমি ভালো নেই। মানে বলতে চাইছি, ভালো থাকার উপায় নেই। তবে ইচ্ছেটা আছে প্রবল। চেষ্টাও। তাই বলেছি ভালো আছি। সকলকেই বলি ভালো আছি, আলহামদুলিল্লাহ্‌।

আছি কাতারের রাজধানী দোহায়। ২০১৫ সালের আগস্টে এসেছি বউ-জামাই দুজন। এখন হয়েছি তিনজন, আমাদের তিন বছরের কন্যা আফরিনকে নিয়ে।

বিস্তারিত»

করোনার দিনগুলি

ডিসক্লেইমারঃ বাংলাদেশে করোনা (কোভিড-১৯) সনাক্ত হবার প্রাক্কালে ২০২০-এর ১৬ই মার্চের পরে যখন প্রথম দফায় পুরো মাস জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধের ঘোষণা এলো, ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্বে থেকে ডিপার্ট্মেন্টের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে আমার ছাত্রছাত্রীদের জন্য মন্তব্য নিষ্প্রয়োজন নামে একটা লেখা পোস্ট করেছিলাম। পরে সেটাকে নিজের ওয়ালে মন্তব্য নিষ্প্রয়োজনঃ পর্ব-১ নামে পোস্ট করি। এর ধারাবাহিকতায় করোনার দিনগুলোতে আমার ওয়ালে কখনো বাংলায় আবার কখনো ইংরেজিতে এই লেখাটা একটার পর একটা পর্বে চলতে থাকে;

বিস্তারিত»

শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-৪

১. আমার পরিচিত কাউকে যখন দেখি সামনে অনেক মানুষকে নিয়ে কোন কিছু বোঝাচ্ছে/বোঝাচ্ছেন, আমার অনেক ভাল লাগে বিষয়টা। আমার ক্ষেত্রে এর অন্যতম একটা সম্ভবত এটাই যে, সেই মানুষটা, যিনি নিজে পেশায় শিক্ষক না হওয়া স্বত্বেও শিক্ষকতার পেশায় মনে-প্রানে নিয়োজিতদের আত্মিক প্রশান্তিটা উপলব্ধি করতে পারছেন।

২. তবে আমার কাছে মোটিভেশনাল লেকচার বিষয়টা এখনো একটা আপেক্ষিক ধাঁধা মনে হয়। কারনটা একটু খুলে বলি।

বিস্তারিত»

শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-৩

অল্প কিছুদিন হলো আমার এক পুরোনো ছাত্র শিক্ষকতা শুরু করেছে। সে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা নিয়ে ইদানিং লিখছে। আমার সেসব পড়তে বেশ লাগছে। তার এক লেখার মন্তব্যের ঘরে নিচের কথাগুলো একান্ত নিজস্ব কিছু অনুধাবন হিসেবে লিখেছিলামঃ

১. ক্লাসে কেউ পড়া/বিষয় না বুঝলে আমার খারাপ লাগে না। নাও বুঝতে পারে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু ক্লাসে বিষয়ভিত্তিক আলোচনার সময় কেউ যখন আলোচনার বাইরে অন্য কোন কাজে ব্যাস্ত থেকে নেহায়েতই গাফিলতির কারনে পড়া বোঝে না,

বিস্তারিত»

মরেছো তো আত্মহত্যায়।

মরেছো তো আত্মহত্যায়
‌মো ও খা ও।

ভালোবাসার সীমানায়
দুরত্ব দানা বেধে‌ছে জীব‌নের আঙিনায়,
ব‌ুঝে না বু‌ঝে, কা‌জে অকা‌জে,
প্র‌য়োজন‌ে অপ্র‌য়োজ‌নে, সময় অসময়
হয়‌তো ম‌নে প‌ড়েনি আর
কখ‌নো আমায়।।

‌সেই পা‌শে ব‌সে থাকা উচাটন মন
উদাসী ভে‌সে নীলাম্বরী ডানায়
বাকহীন শব্দ বিহীন ভাষায়
মন চে‌’তো টে‌নে নি‌তে বু‌কে উষ্ণতায়,
সত্যি মি‌থ্যের ছলাক‌লে
‌দেখা হ‌তো প‌থে,

বিস্তারিত»

এ ট্রিবিউট টু সুধীর কাকু

আমার বাবার কর্মজীবনের শুরু হয় বগুড়ায়, সরকারি আজিজুল হক কলেজের সমাজবিজ্ঞানের প্রভাষক হিসেবে, ১৯৭৩ সালে। আমার জন্মও বগুড়াতেই, ১৯৭৬ সালে। খুব ছোটবেলা থেকেই বাবার বন্ধুদের এবং সমবয়সী ও সমসাময়িক কলিগদের সান্নিধ্য পাবার সুযোগ হয়েছে। সেসময়ের জেলাশহরগুলোতে কলিগদের মাঝে পারিবারিক যোগাযোগ এবং মিলননেলাগুলো ছিল সত্যিই আজকের যুগে প্রায় অকল্পনীয়।

বাবার সমবয়সী তবে অন্য ডিপার্ট্মেন্টের কলিগ ছিলেন সুধীর কাকু। কাকুর সাথে অনেক স্মৃতি আছে আমার।

বিস্তারিত»

অস্তিত্ব

হটাত মনে হলো টিকটিকির ডাক শুনলাম। টিকটিক… টিকটিক… টিকটিক…। স্পষ্ট শুনেছি কিনা বলতে পারবো না। হয়তো শুনেছি, অথবা মাথার ভেতরই শব্দটি বেজেছে। আমার কাছে সত্যি মনে হয়েছে।

কতক্ষণ ঘুমিয়ে আছি বলতে পারবো না। আবার ঘুম ভেঙ্গেছে কিনা বলতে পারবো না। আধো ঘুম, আধো জাগরণ অবস্থা। চোখ, মুখ, ভুরু কুঁচকিয়ে বাস্তবে আসতে চাচ্ছি। অনেকটা জোর করে চোখ মেললাম। হটাত চোখে আলো পড়ায় চোখ সংকোচিত হলো।

বিস্তারিত»

নন্দিনী

নন্দিনী, হ্যাঁ ঠিক শুনেছেন। মেয়েটাকে কখনোই আমি ডাইসেক্ট করতে পারিনি। একটা মানুষ এতটা মিস্টেরিয়াস কি করে হতে পারে??? আজব নাহ! বলতে পারেন আমি সেই ভারসিটি লাইফ থেকেই তার পিছে ঘুরছি। আসলেই আমি বুঝতাম না যে সে আমাকে পাত্তা দিত নাকি এভয়েড করতো। কখনো সে নিজেই আগ বাড়িয়ে কথা বলতো অথচ ফেইসবুকে মেসেজ দিলে অনেক সময় ২ দিন পরেও সীন করতো না।কেমন যেনো একের ভিতর ২-এরকম ক্যারেক্টার ছিলো।

বিস্তারিত»

ভবঘুরে, রং আর ক্যানভাসের গল্প

প্রথম পর্বঃ ভবঘুরের দিনলিপি

সন্ধ্যা ৭টা বেজে ১২ মিনিট, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৫।
খুলনা রেলওয়ে জংশন।

টয়লেট থেকে বের হয়ে থমকে গেল নরেন। হারামজাদা স্যামুয়েল দাঁত কেলাচ্ছে। গা জ্বলে গেল নরেনের। পেটের যন্ত্রণায় আর বারবার টয়লেটে যাওয়ার ঝামেলায় ওর নিজের লেজে গোবরে অবস্থা, আর এই ব্যাটা এতে মজা পাচ্ছে। অবশ্য ওর মজা পাওয়ার যথেষ্টই কারণ আছে। এই দেশের খাবারে কোন সমস্যা হয়নি স্যামের।

বিস্তারিত»

শিক্ষকের ডায়রিঃ পর্ব-২

আমার এই লেখাটা সকল শিক্ষার্থী মায়েদের উৎসর্গ করা হলো।

প্রায় ১৭ বছরের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার জীবনে আজ আমার একটা অন্য রকমের অভিজ্ঞতা হলো। ইউনিভার্সিটির আশুলিয়া ক্যাম্পাসে আন্ডারগ্র‍্যাজুয়েটের “বিজনেস ইংলিশ” কোর্সের একটা ৩০ মিনিটের ক্লাস টেস্ট নেয়া হবে। ক্লাসে দেখি এক ছাত্রী তার ছোট্ট বাচ্চাটাকে নিয়ে এসেছে, বাচ্চাটা তার কোলে ঘুমাচ্ছে। পরীক্ষার দিনে বাচ্চাকে সাথে নিয়ে এসেছে কেন, এই প্রশ্ন করাতে মেয়েটা জানালো যে, আজ বাচ্চাটাকে কারো কাছে রেখে আসার মত তার বাসায় কেউই ছিল না।

বিস্তারিত»

নাই কাজ তো খৈ ভাজ

আমার একান্ত ব্যাক্তিগত চিরশত্রু ক্যামেরা অপারেটর-কে ভীষণভাবে মিস করছি। উনি গেছেন বাচ্চা-সমেত বাপের বাড়ি। আমার প্রিয় শিল্পী অঞ্জন দত্ত-কে নিজের মতন করে গাওয়ার চেষ্টা করলাম। গান নাহয় নাই বা পারি, কিন্তু ওই যে, “শখের তোলা আশি টাকা”। সাউন্ডের দূর্বল অবস্থার জন্য সিলিং ফ্যানটা অনেকটাই দায়ি। আর বাকি দোষ আমার ক্যামেরা অপারেটরের। সে না থাকায় কী-বোর্ডের গায়ে একটা মিনি-স্ট্যান্ড এটাচ করে মোবাইল ফোনটাকে সাপোর্ট দিয়ে রেকর্ড করতে হলো।

বিস্তারিত»

জুমাতুল বিদা, শবে-কদর এবং এক জোড়া রিডিং গ্লাস

বয়স এখন একান্ন – ক’দিন বাদেই বাহান্নতে পা দিব। আর ‘যাহাই বাহান্ন তাহাই তিপ্পান্ন’ – তাই বয়সের হিসাব ছেড়ে দিয়ে ইংরেজীতে প্রচলিত ‘গ্রেসফুলি এইজিং’ কথাটাকে অনুসরণ করার চেষ্টা করে যাচ্ছি। প্রকৃতির অমোঘ নিয়মে আমাদেরকে ধীরে ধীরে বার্ধক্যকে বরণ করে নিতে হয়। তারপরেও বয়স বাড়ার কিছু উপসর্গ থাকে আর সেই সাথে আসে কিছু উপলব্ধি। সৃষ্টিকর্তাকে যথেষ্ট কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে কিনা সেই উপলব্ধির সূত্র ধরে গত বছর পঞ্চাশ বছর বয়সে পবিত্র হজ্ব পালন করি।

বিস্তারিত»

হিবিজিবি-১

অনেক কিছুই বলার ছিলো, হলো না আর বলা,
তোমার পাশে চলার কথা, হলো না আর চলা।
তোমার পাসপোর্টের ছবিটুকুই হাতে নিয়ে ঘুরি,
কখন তুমি ডাক দিবে গো মা,’আমার দুষ্টু ছুঁড়ি’।
ইস্কুলেতে যাবো গো মা সময় যবে হবে,
তখনো কি মিথ্যে রাগ করে মা মুখ ফিরিয়ে রবে?
আসবে কখন রঙিন জামা নিয়ে পাখির মত ড্রেস,
ঈদের দিনে পরবো গো মা হয়ে আমি ফ্রেশ।

বিস্তারিত»

আমার জীবনে নারী

এটা কোন প্রকারের একাডেমিক, বা মনের দায়বদ্ধতার, বা ব্যাক্তিপর্যায়ের কাউকে ফোকাসের উদ্দেশ্যে লেখা নয়। লেখার প্রসঙ্গ ও চরিত্রগুলো আমার ব্যাক্তিজীবন, বেড়ে ওঠা, একাডেমিক ডিসিপ্লিন, প্রফেশনাল স্টাডিজ, পরিচিত মহল, এ-সবকিছুর সংমিশ্রণের প্রতিফলন হলে হতেও পারে। আপাতত শুধু এটুকু জানি, মাথায় কিছু চিন্তা কাজ করছে; কাজেই, লেখাটা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকবে, তা এই মুহূর্তে বলা মুস্কিল। মনের মাঝে উঁকি দেয়া চিন্তাগুলো অনেক ক্ষেত্রেই লিখতে বসলে ডায়রির পাতার মত এদিক-ওদিক চলে যায়।

বিস্তারিত»