পক্ষী ভাবনা

পাখিরা আকাশের বুকে উড়ে বেড়ায়,
মনের সুখে। ওদের মাঝে কোন ভুল
বোঝাবুঝি নেই, হিংসা বিদ্বেষ নেই।
ওরা প্রত্যেকেই স্বাবলম্বী, তবুও ওরা
সবাই মিলে দল বেঁধে উড়ে বেড়ায়।
কোন মান অভিমান নেই, রাগ নেই
সকালে উড়ে যায় আহারের সন্ধানে,
সন্ধ্যায় কূলে ফিরে আসে একসাথে।

বিস্তারিত»

অবাক ভালবাসা

বেশ অনেকক্ষণ হলো রাতুল চায়ের দোকানটায় বসে আছে। বেশ অনেকক্ষণ। কয়েক কাপ চা খাওয়াও হয়ে গেছে। বসে আছে বলে যে কেউ কিছু বলছে তা না। আরো অনেকেই বসে আছে। আড্ডা দিচ্ছে, গল্প করছে,খাচ্ছে, যার যা খুশি তাই করছে। কারো অন্যের কিছু নিয়ে মাথা ব্যথা নাই। তবে রাতুলের ব্যাপারটা একটু ভিন্ন। আশে পাশে আরো কয়েকজন বসা থাকলেও রাতুল কিন্তু আসলে একা। একটু পর পর মাথা এদিক ওদিক ঘোরাচ্ছে।

বিস্তারিত»

ইয়াঙ্কি মুলুকে পহেলা বৈশাখ

ডেট্রয়েট এ বাংলাদেশীদের  রমরমা দিন। খুব বেশি আগের কথা নয়। এই কিছুদিন আগেও এখানে একটা মাত্র বাংলাদেশী মাছের দোকান ছিলো। সেখানে রো শ্যাড মাছ ইলিশ বলে বিক্রি করা হতো। ইলিশ শ্যাড এর গোত্রভুক্ত আর দেখতেও প্রায় কাছাকাছি। কিন্তু মাটি আর পানির তফাতের কারনে এর কাঁটা অনেক নরম আর স্বাদও অনেক পানসে। এ নিয়ে দোকানিকে প্রশ্ন করা হলে সে তেড়েমেরে আসতো,
-ইতা কিতা মাত মাতরে বা,ইগু বাংলাদেশ থাকি আইসে,

বিস্তারিত»

#যা_পড়তে_চাই – ১

সপ্তাহান্তে ছ’টি দৈনিক পত্রিকা বাড়িতে আসে। সবগুলোই বাংলা ভাষার। ওগুলোর সাহিত্য পাতাগুলো সব পড়ার চেষ্টা করি।

আজ দৈনিক জনকন্ঠে একটি ছোট গল্প পড়া শুরু করলাম। শিরোনাম ‘প্রোপোজাল’। লেখকের নাম বলতে চাই না।

দ্বিতীয় প্যারায় একটি লাইনঃ ‘তাকে মতিঝিল থেকে যেতে হবে – নতুন এক ক্লায়েন্ট ওয়েট করছে’। কয়েক লাইন পরই আবার, ‘বাস আসছে না, রাস্তায় হেব্বি জ্যাম’।

আর পড়তে চাইলাম না।

বিস্তারিত»

টোনাটুনি সমাচার।। ছড়ায় ছড়ায়

এইচএসসি পাশ টোনা আর ডিএমসির ছাত্রী টুনি।
প্রেম এসেই দুরমুশ পেটানো শুরু করল।
সামাজিক বিধি-নিষেধ, ন্যায়-অন্যায়, উচিত-অনুচিত সবকিছু মিলে মানুষের যে ভালো খারাপের সাধারণ মাপকাঠি তৈরী হয়, প্রেম সেই মাপকাঠিটাকেই দিল ঠুস করে ভেঙে।

ফলে প্রেমের তাড়নায় তারা দুজনে মিলে মহাসমারোহে সেসব কার্য করতে লাগল যা কিছু ছিল নিষেধ, অন্যায়, অনুচিত এবং এক কথায় যা কিছু সমাজের গ্রহনযোগ্য কাজকর্মের সীমানার বাইরে এবং চোখ রাঙানির এক্তিয়ার-ভূক্ত।

বিস্তারিত»

অনুকথন স্মৃতিচারণঃ নকশীকাঁথার মাঠ

অনুকথন স্মৃতিচারণঃ নকশীকাঁথার মাঠ

আমার একটা কাঁথা আছে; তিনটা শাড়ির লেয়ার দিয়ে বানানো। তিনটা শাড়িই ছিল এম্ব্রয়ডারিতে ভরা সুতি শাড়ি। অনেক স্মৃতিবিজড়িত এই কাঁথাটা। এটার মূল্য আমার কাছে অনেক। জড়িয়ে নিয়ে থাকি, ঘ্রাণ নেই। অন্যরকমের একটা ছোঁয়া পাই। বাইরের দিকের শাড়ি দুটো আমার স্ত্রীর, যেগুলো আমি তাকে আমাদের বিয়ের সময় দিয়েছিলাম। ভেতরের লেয়ারে যে শাড়িটা আছে সেটা সবচেয়ে স্মৃতিবিজড়িত। আমার মায়ের অনেক শখের একটা শাড়ি ছিল সেটা।

বিস্তারিত»

কর্ণফুলীর মুহূর্তেরা

ফিরে যদি যেতেই হয়
তবে আজ আর দীর্ঘশ্বাস নয়;
আজ শুধু মেনে নেয়ার পালা।
যুদ্ধ করতে করতে সবগুলি তারা খসে গেছে
দূরত্ব ক্রমশ হয়েছে সমুদ্রের মত
তবুও একটি মুহূর্ত কোথাও উল্লেখিত হয়নি।

তুষারে কি ঢাকা পড়েছে তোমাদের শহর?
মধ্য রাতের নীল রঙ দেখার ইচ্ছায় কি রাত জাগা হয়?
চাঁদের সাথে মেঘেদের লুকোচুরি
আঙ্গুস এবং জুলিয়াস্টোনের গান এখনো কি বাজে?

বিস্তারিত»

নগরের কাল বৈশাখী

নগরের কাল বৈশাখী

“বৈকালের দিকটা হঠাৎ চারিদিক অন্ধকার করিয়া কালবৈশাখীর ঝড় উঠিল। অপু-দুর্গা দুজনেই সোনামুখী তলায় আম কুড়াতে ছুটছিল। ঝড়ের শব্দে আম পড়ার শব্দ শুনিতে পাওয়া যায় না, যদি বা শোনা যায় ঠিক কোন জায়গা বরাবর শব্দ, হইল—তাহা ধরিতে পারা যায় না। দুর্গা আট-নয়টি আম পেলেও ছোটাছুটির পর অপু পেলে মাত্র দুটি। একটু পরেই চারদিক ধোয়াকার করে মুষলধারে বৃষ্টি নামিল। হঠাৎ ঝটিকাসুদ্ধ অন্ধকারে আকাশের এ প্রান্ত হইতে লকলকে আলো জিহ্বা মেলিয়া বিকট অট্টহাসির রোল তুলিয়া এক লহমায় ও প্রান্তের দিকে ছুটিয়া গেল ক্কড় ক্কড় কড়াও শব্দে বাজ পড়ল।

বিস্তারিত»

সমুদ্রপারে তাদের পাড়ায় পাড়ায়

সমুদ্রপারে তাদের পাড়ায় পাড়ায়

 

লুমলে বীচ (LUMLEY BEACH)

 

“আজ রাত্রে আসিয়াছি নামি

এই দূর সমুদ্রের জলে!

যে নক্ষত্র দেখ নাই কোনোদিন, দাঁড়ায়েছি আজ তার তলে!

সারাদিন হাঁটিয়াছি আমি পায়ে পায়ে

বালকের মতো এক — তারপর, গিয়েছি হারায়ে

সমুদ্রের জলে,

নক্ষত্রের তলে!

রাত্রে,

বিস্তারিত»

সর্বনাম তুমি

আচ্ছা, যদি এমন হতো
কোনদিন হয়ত দেখা হয়েই গেল
নগরীর কোন ব্যস্ত ভীরে
অথব শুনশান কোন চরে
হয়ত আমি আমি গিয়েছিলাম
একটু একা থাকতে,
নিজেকে একটু সময় দিতে
নিজেকে আরো কাছ থেকে দেখতে
আর তুমিও-
আনমনে আকাশ দেখতে দেখতে
হঠাৎই চোখ আটকে গেল
কোন এলোমেলো বাতাসে
শাড়ীর ওড়ানো কোন তোমাতে
তবে আমি কি করব!

বিস্তারিত»

হয়তবা কোন একদিন

হয়তবা কোন একদিন
হয়ত,
আমার একটা ঘর থাকবে
চিলেকোঠায়-
রাতের আকাশে এক মগ চা হাতে তারা গুনব
আর অপেক্ষায় থাকব-
ভোরের সূর্যোদয়ের
এলোমেলো বাতাসে চুল উড়বে
আর কানে থাকবে-
কোল্ডপ্লে,লিংকিন পার্ক অথবা বন জোভির সব মাতাল করা গান।

হয়তবা কোন একদিন
হয়ত,
কোন বাধা থাকবে না
ক্লাশ, এসাইনমেন্ট, সিটি, মিড, প্রেজেন্টেশন কিচ্ছু না।

বিস্তারিত»

পর্বতশৃঙ্গে

পর্বতশৃঙ্গে

(পূর্ব প্রকাশিতের পর)

“এরপর গঙ্গার উৎপত্তিস্থল হিমালয় শিখর! সেই শিখর তুষারে আচ্ছন্ন বলেই শ্বেতবর্ণ। সেখানে কস্তুরী মৃগের দল এসে বসে। তাদের নাভির কস্তুরী গন্ধে পর্বতের শিখা সুরভিত হয়ে উঠে”। – কালিদাস (মেঘদুত)

২০০২ সালে সিয়েরালিওনে জাতিসংঘ মিশন করা কালে ছুটিতে আসার পথে আমি আর সাইদুল স্যার লন্ডনে ছিলাম কয়েকদিন। এই সময়ে টিউব ট্রেনে করে সাইদুল স্যারের মামার বাসায় যাবার সময়ে সাইদুল স্যারের অন্যমনস্কতার কারণে আমরা পথ হারিয়ে ফেলি।

বিস্তারিত»

দেশাত্মবোধক গানঃ সুন্দর সুবর্ণ তারুণ্য লাবণ্য…..

দেশের গান করতে গেলে আমার মধ্যে অনেক বেশি আনন্দ আর আবেগ এসে ভর করে। দীর্ঘদিন প্রবাস জীবন যাপন করার জন্যই এমন হয় কি না জানিনা। গত বছর বড়দিন এর ছুটিতে বাংলাদেশে বেড়াতে গিয়েছিলাম। সুযোগ হয়েছিল গ্রাম এর বাড়িতে যাবার। বরাবর এর মতোই গ্রামে গেলে তার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হই। এবারও দেখলাম হলুদ রাঙ্গা সর্ষে ক্ষেত, মেঠো পথ, আর চারিদিকে সবুজ আর সবুজ, মনটা জুড়িয়ে যায়।

বিস্তারিত»

অন্তর্গত দাবানলের ভিতর বসবাসকারী তাবৎ কবিদের প্রতি রইলো বিশ্ব কবিতা দিবসের শুভেচ্ছা

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে কবিতার জন্য একটা বিশেষ দিন পালনের এক রীতির শুরু। ১৯৯৯ সালে ইউনেস্কো প্রতি বছর ২১ মার্চ তারিখে এ দিন পালনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়।

আজ ‍’বিশ্ব কবিতা দিবস’ (World Poetry Day)। গোটা বিশ্ব যে দিবস পালন করছে তা আমরা কতোটা জানি-মানি পালন করি! কবিতাকে কতোটা ব্যবচ্ছেদ করি, কবিকে করি কতোটা! কাব্যচর্চা বা কাব্য আন্দোলন আসলে কোথায় পড়ে আছে আমাদের নিজেদের দেশে সমাজে কী সাহিত্য চর্চার ডেঁরায়।

বিস্তারিত»

জীবনের পুল পুশ ফ্যাক্টরঃ

জীবনে আমার যেটুকু এগিয়ে যাওয়া, তার অধিকাংশই কোন না কোন পুল-পুশ ফ্যাক্টরের কারণে হয়েছে। কখনো কেউ একটু পুশ করেছে, কখনো কেউ একটু পুল করে নিয়েছে, আর মাঝে মাঝে কোন কিছুতে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে নিজেই সেলফ স্টার্টেড হয়ে সামনে দৌড়িয়েছি। সেখানেও কোন প্রণোদনা হয়তো পুশ করেছে, নয়তো পুল।

৩৩ বছর কলমের খাপটাকে বন্ধ রেখেছিলাম। দূরের বন্ধু (টেনিসি প্রবাসী) ড. হুমায়ুন কবির একবার নিজের লেখা কবিতার একটা লিঙ্ক পাঠিয়ে পড়তে বললেন।

বিস্তারিত»