ক্লাস ইলেভেনে উঠলাম তখন সবেমাত্র। ICCLMM নিজের কলেজে, অংশগ্রহন করছি, FB’র নিত্য নতুন ক্যাডেট বন্ধুদের অনেকের সাথেই প্রথম দেখা ও প্রতিযোগীতা…সব মিলিয়ে চুড়ান্ত উত্তেজনা! সাথেই কিছু অস্বস্তিও! বন্ধুরূপে ক্যাডেটদের সাথে মিশতে আমার উদারতার কমতি নেই, কিন্তু যখন ওরা MGCC’র CC বাদ দিয়ে G তে ফোকাস করে, তখন অস্বস্তি তো হবেই! অবশ্য এই G বিনা ICCLMM এর স্বাদ ই বা কি হোত!!!
যাক আসল কথায় আসি।
আমার স্বীকারোক্তি
কুয়েট ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময়ে বেশ কয়েকজন জ্যেষ্ঠ ছাত্রীর প্রতি আমার টান দেখে অনেকে হাসে, অনেকে আবার অবাক হয়। আমার জীবনের প্রথম প্রেম কিন্তু এক জ্যেষ্ঠ নারীকে ঘিরেই, তাও আবার সেই তৃতীয় শ্রেণীতে! ক্লাসের ব্যাকবেঞ্চে বসে আজকের এই লেখা কিন্তু শুধু সেই সব সিনিয়ারদের নিয়ে নয়, এখন পর্যন্ত যাদের চোখে লেগেছে বা ভাল লেগেছে, তাদের নিয়ে।
তখন পড়ি নীলফামারী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে, তৃতীয় শ্রেণীতে,
বিস্তারিত»জাতীয় বাজেট, শিক্ষা খাতে বরাদ্ধ, ক্যাডেট কলেজ সমুহের ব্যায় ইত্যাদি কিছু প্রশ্ন ও ভাবনা
জাতীয় বাজেট, শিক্ষা খাতে বরাদ্ধ, ক্যাডেট কলেজ সমুহের ব্যায় ইত্যাদি কিছু প্রশ্ন ও ভাবনা
প্রায় ৫০ হাজার কোটি টাকার ঘাটতি আর বিপুল করের বোঝা নিয়ে আসন্ন ২০১২-২০১৩ অর্থবছরের জন্য ১ লাখ ৯১ হাজার কোটি টাকার জাতীয় বাজেট ঘোষণা করা হবে আজ।
আমি পদার্থবিজ্ঞানের মানুষ, অর্থনীতি বুঝিনা। তবে এটুকু বুঝতে পারি যে, যেকোন জাতি বা রাষ্ট্রের জন্য বাজেট একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
বিস্তারিত»আবার আসিবো ফিরে
“আবার আসিবো ফিরে,
এই সিসিবি’র পেইজে
হয়তো সফল হইয়া
হয়তো ভর্তিযুদ্ধে পরাজিত সৈনিকের বেশে।”
জীবনানন্দ দাশ যদি এই কবিতা পড়িতেন তাহা হইলে আমার :chup: :chup: :chup: খাইবার সমূহ সম্ভাবনা ছিলো। যাই হোক সেদিকে আর কথা বাড়াইতে চাহি না, যাহা বলিতে থুক্কু লিখিতে আসিয়াছি তাহাই লিখিয়া চলিয়া যাই। বেশী গ্যাজাইলে পোস্টে লাইক এবং কমেন্টস কম পড়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকিয়া যায়।
বিস্তারিত»ঘৃণা
আমি তোমাকে ঘৃণা করি………হ্যাঁ, আমি তোমাকেই ঘৃণা করি……।। ঘৃণা করি তোমাকে………কারন তুমি আমার জীবনে এসেছ। ঘৃণা করি তোমাকে………কেননা আমার জীবনকে সুন্দর করে সাজাতে চেয়েছ তুমি।
আমার জীবনটা কখনই খুব সুন্দর ছিল না। আমি ছোট থেকে বড় হয়েছি নিজের একগাদা দুঃখ-কষ্ট নিজের মাঝে জমিয়ে রেখে। নিজের সব কষ্টগুলো সবসময় নিজের মাঝেই রাখতাম আমি। মাঝে মাঝে খুব কষ্ট হলে একা একা অন্ধকার ঘরে বসে কাঁদি।
বিস্তারিত»শেষ চিঠি……..
……,
কি লিখব আর কিভাবেইবা লিখব সেটা ঠিক বুঝে উঠতে পারছিনা । স্বপ্নগুলো হারিয়ে ফেলে জীবনপথে পথহারা এক পথিকের মত ইতঃস্তত ঘুরে বেড়াচ্ছি আমি । ঠিক যেন নিঃসঙ্গ,নিভৃতচারী রাতজাগা এক পাখি । জানো,এখনো তোমায় নিয়ে স্বপ্ন সাজাই । বন্ধুরা হাসাহাসি করে,মা ডেকে ঝাড়ি দেয় পড়াশোনা করার জন্য…..। চূড়ান্ত নির্বোধ এই ছেলেটা সারাটা রাত জেগে পার করে দেয়,পাছে তোমায় নিয়ে ভাবার জন্য একটা মূহুর্ত কম পরে যায় জীবন থেকে ।
উলঙ্গ রাজারা
যে কারনে লিখছি,সেটা হোল সংসদে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদকে নিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় এবং তার বিরুদ্ধে নিন্দা জ্ঞাপন।
ব্যক্তিগত ভাবে সায়ীদ স্যারকে আমি খুবই সম্মান করি,উনি একটি বইপড়া মুক্তচিন্তা করতে পারা জাতি চান। প্রমথ চৌধুরীর একটা লাইন মনে পড়ে,তিনি বলেছিলেন হাসপাতালের থেকেও গ্রন্থাগার জরুরী। পক্ষে বিপক্ষে যদিও অনেক কথা চলে,তবু গ্রন্থাগারের প্রয়োজন অনস্বীকার্য।
সায়ীদ স্যার বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি। তিনি যে কাজ হাতে নিয়েছেন,যে আলোর পথে মানুষকে আনছেন বলাই বাহুল্য যে উহা মহান।
বন্ধুর পরিচয়ঃ ৯৬-০২ ব্যাচের ক্যাডেট
ক্যাডেট কলেজের প্রথম দিনের কথা খুব ১ টা মনে পড়েনা। সৃতি কেমন যেন ঝাপসা হয়ে গেছে। যেদিন প্রথম যাব কলেজে সেইদিন ছিল জুনের ৪ তারিখ, সাল ১৯৯৬। আজ থেকে ঠিক ১৬ বছর আগে জুনের ৩ তারিখ ১৯৯৬ সাল, এই দিনে রংপুরের আশে পাশে আমার এক মামার বাসায় উঠেছিলাম একটি অজানা ভবিষ্যতের মধ্যে প্রবেশ করার জন্য। বৃষ্টিতে ভিজে রিক্সায় করে কলেজের সামনে নেমেছিলাম। বৃষ্টির কারনে আমার সাদা জামার হাতায় দাগ পরে গিয়েছিল এটা মনে আছে।
বিস্তারিত»অবশেষে ফিরে এলাম…………………
শেষ পর্যন্ত এক্স ক্যাডেট হয়েই গেলাম !!!!! অনেকদিন আগে সিসিবিতে নিয়মিত থাকতাম । পরে আমাদের(বর্তমান ক্যাডেট) লেখা পোস্ট বন্ধ করে দেয়ার পরে একরকম অভিমানেই সিসিবি ছেড়ে চলে গিয়েছিলাম । এমন কি অনেক দিন খবর পর্যন্ত রাখিনি । আজ মনে হল রাগ করাটা অযৌক্তিক ছিল । এই কয়দিন সবাইকে অনেক মিস করেছি । সব ভাই আর আপুদের কাছে আজ আবার ফিরে আসতে পেরে খুব ভাল লাগলো ।
বিস্তারিত»ক্যাডেট কলেজ ট্রাজিডিজ
ক্যাডেট কলেজ ট্রাজিডিজ(১)
আমাদের ইসলাম ধর্মের শিক্ষক ছিলেন আব্দুর রব স্যার( স্যার এর নাতি স্যার এর ছোট ছেলের থেকে বড়),খুবই দয়াশীল শিক্ষক। যত পাতা উত্তর,ঠিক তত নাম্বার। তবে ধর্ম ক্লাস ছিল খুবই বিরক্তিকর। তাই আমরা সেই সব বিরক্তিকর ক্লাসে টয়লেটে গিয়ে তাশ খেলতাম। আমি আর ইফতি Master Shifu ,আর অইদিকে মামুন Mamun Xbcc আর নাজমুল Lumzan Hasan
তেমনি এক আনন্দঘন ক্লাসে সমানে হরতন,রুইতন,ইশকাপন পিটাচ্ছি,আর মুস্তাকিম Mustakim Zanzibar মাসুদ রানা পড়ছে।
কিছু অসমাপ্তি-২
৩.সেই বাগানবাড়ির অনেক পরের কথা। আমরা যখন আগের বাসায় ছিলাম, বাসা ছিলো দোতলায়।সারাদিন রিক্সার টুং টাং, বুয়াদের হইচই আর মাঝেমধ্যে গাড়ির শব্দে মুখর থাকতো রাস্তাটা। কিন্তু রাতের বেলায় একদম উল্টো। শান্ত, নিশ্চুপ। বারান্দার কাছেই জ্বলতো একটা সোডিয়াম বাতি। অনেক রাত বারান্দায় বসে নৈঃশব্দের মায়া দেখেই সময় কাটিয়ে দিতাম।
কিন্তু প্রতিদিন রাত ৯-১০টার মাঝে আমার নিরবতা ভেঙে দিয়ে যেত একটা কালো মাইক্রোবাস। গাড়িতে বাজতো অনেক অনেক পুরোনো দিনের হিন্দি সিনেমার গান!
কিছু অসমাপ্তি
১।অনেক ছোটবেলার বাসাটা খুব মনে পড়ে। আশেপাশে যখন সবাই অট্টালিকা বানানোর প্রতিযোগিতায় মত্ত, আমাদের আর রুলিদের(আমার ছোট্টবেলার বান্ধবী) তখন ছিলো বাগানবাড়ি, ঢাকার একদম মধ্যখানে! বাসার সামনে একচিলতে বাগান,বাবার শখের পেয়ারা গাছ, মায়ের নানান পাতাবাহার, বোনের প্রিয় শিউলী আর আমার আম গাছের দোলনা! খেজুর গাছ ও ছিল একটা, আর কি কি ছিল মনে নেই। এই বাগানের দেয়ালের ধারে বসে আমি দেখতাম অন্য বাচ্চাদের সারাদিনের নানা খেলায় ব্যাস্ততা,
বিস্তারিত»দশ বছর পর!
লেখাটা আমার নয়, আমাদের ব্যাচের পাবলিক স্পিকীং এ সবচেয়ে দূর্বল ছেলেটার। তার ব্যাচের গ্রুপে লেখা এক একটা পোষ্ট হয় জ্বালা ধরানো। এই লেখাটা পড়ে মনে হইসে, জীবনে কি করলাম ?? এমন একটা লেখা লিখতেও পারলেও তো হইতো।
ধন্যবাদ যাহীন বিদেশের মাটিতে থেকেও মনে হলো ঘুরে এলাম বরিশাল ক্যাডেট কলেজ থেকে 🙁
জীবন নিয়ে চিন্তা করাটা আমি আবু রায়হানের কাছ থেকে শিখেছি ।
বিস্তারিত»স্যারদের আদর-ভালবাসা-২
যেকোনো সময় বৃষ্টি ক্যাডেটদের খুব আকাঙ্ক্ষার। এর পেছনে অনেক কারণ, যেমন সকালের বৃষ্টি ফলইন ও পিটি-প্যারেড থেকে বিরত রাখে, ক্লাস টাইমের বৃষ্টি মনকে ভাবুক বা আবেগী করে তোলে এবং ক্লাসে ঘুমানোর আবহাওয়া তৈরি করে দেয়, দুপুরের বৃষ্টি ঘুমাতে হেল্প করে ইত্যাদি আরও অনেক কিছু …।
যাই হোক সেদিন বিকাল থেকেই প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে। টি- ব্রেকে, প্রেপে ও ডিনার এ গেলাম করিডোর দিয়ে। ডিনার থেকে আমরা সবাই সবে মাত্র ফর্মে এসেছি।
বিস্তারিত»‘ বাঙালি’ নামের বন্ধু নদী
কোলের উপর রাখা ব্যাগটা খুলে পানির বোতলটা বের করে নিলাম। প্রায় পুরোটা শেষ করেও তৃষ্ণা মেটেনা আমার, গলাটা শুকিয়ে একেবারে খটখটে হয়ে আছে। দুপুরের এই সময়টায় সবাই খুব ক্লান্ত, ক্লান্তি নেই কেবল মাথার উপর তরল আগুন ঢেলে যাওয়া সূর্যের। অগ্নিদেবের উত্তপ্ত নিঃশ্বাসে বাসের পেটে গাদাগাদি হয়ে থাকা মানুষগুলো রীতিমতো ধুঁকতে থাকে। কপাল বেয়ে নামতে থাকা নোনাজলের ধারা কিংবা বাসের হেল্পারের একটানা বকে যাওয়াকে উপেক্ষা করে আমি চোখ বুজি।
বিস্তারিত»